পাসপোর্ট ফেরিফিকেশন
পাসপোর্ট ফেরিফিকেশনের জন্য যাবতীয় কাগজ পত্র ওয়াটস্যাপ করতে বলা হয়। সে কাগজ পত্র প্রিন্ট করার জন্য ৫০০ টাকা নেন পুলিশ কর্মকর্তা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট ফেরিফিকেশনের জন্য যাবতীয় কাগজ পত্র ওয়াটস্যাপ করতে বলা হয়। সে কাগজ পত্র প্রিন্ট করার জন্য ৫০০ টাকা নেন পুলিশ কর্মকর্তা।
আমি সৌদি আরবে যাওয়ার আগে কিছু টাকার সংকটে পড়ি। শুনেছিলাম প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সহজেই লোন পাওয়া যায়। আমি ব্যাংকে সরাসরি জোগাজোগ করি কিন্তু তারা কিছু শর্ত জুড়ে দেয়। তন্মধ্যে সরকারি চাকুরিজীবী এমন নিকট আত্মীয়ের ব্লাংক চেক। কিন্তু আমাকে ব্লাংক চেক দিবে এমন আত্মীয় খুজে পাইনি। এলাকার একজন সাংবাদিক ছিলো তিনি ব্যাংকের সাথে ভালো জোগাজোগ আছে এবং সিস্টেমে সব করে দিবে। ২ লাখ লোনের জন্য ১৫ হাজার এবং ৩ লাখ লোনের জন্য ২০ হাজার দাবি করেন। আমি ধাপে ধাপে ১৫ হাজার দেই। কিন্তু টিকিট কনফার্ম করার পর টাকা দিবে বল্লেও সেই টাকা আমি পাইনি। আমার কাছ থেকে নেওয়া ১৫ হাজারের মধ্যে ৫ হাজার ফেরত নিতে সক্ষম হয়েছি। বাকি ১০ হাজার হলুদ সাংবাদিক হজম করে ফেলেছে। আড়াই বছরে দেশে ১৭-১৮ লক্ষ টাকা রেমিট্যান্স আনতে সক্ষম হয়েছি।
নামজারি, সরাসরি ৩ ধাপে কাজ আটকে টাকা চাওয়া হয়।
ঢাকা ওয়াসার নতুন মিটারের জন্য
পুলিশ ভেরিফিকেশন ছিল ব্যাংকের চাকরির জন্য
Nothing to do, i gave it to them.
এটি সকল মোটর বাইকওয়ালা পরিষদ করতে বাধ্য। কারণ তারা লাইসেন্স এর কাগজ শোরুমের মাধ্যমে জমা নেই। সকল ডিম শোরুমের মাধ্যমে সম্পূর্ণ হয়।
ফতেপুর ইউনিয় ভূমি অফিসে আমি দশ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে আমার প্রকৃত জমি খারিজ বা নামজারি করিয়েছি
বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের আপার গ্রেড এর ফাইল সুপারিশের জন্য ১০০০০ টাকা দাবি করেছিল। টাকা না দেওয়ার জন্য আগে ২ বার ফাইল রিজেক্ট করেছে। কারণ হিসাবে insufficient papers বা others লিখে দেয়। পরে ৫০০০ টাকা দিয়ে ফাইল ছাড় করাতে হয়েছে। দু:খের বিষয় এই যে, আমার পরবর্তী স্কেল পেতে ৬ মাস পিছিয়ে যেতে হলো।
শেষ মুহুর্তে জমি রেজিষ্ট্রেশন আটকে দিয়ে ছিলো। সব ঠিক থাকার পরো
জুন মাসে আমি ডাক বিভাগে জয়েন করি,, জয়েন এর কিছু দিন পরে আমাকে বলতেছে,, সবাই দুই হাজার করে টাকা দিতে হবে আইবাস এক্টিভ করার জন্য,, না হয় তিন চার মাসও হবে না,, আমি শুরুতে দেই নাই,, কিন্তু আমার সাথে প্রায় সবাই দিছে,, আমি না দেওয়াতে পরবর্তী মাসে কোনো সেলারি ডুকে নাই,, যারা যারা দিছে তাদের সবার সেলারি ডুকছে,, পরবর্তীতে আমার স্যার এসে বলতাছে,, আমাদের সময় ও এটা দিছি,, না হয় তিন চার মাস ঘুরায়,,দিয়ে দিয়েন না হয় আপনার,, কষ্ট হবে চলতে,, পরবর্তী বাধ্য হয়ে দিয়ে দিলাম,, এক সপ্তাহের মধ্যে আমার মেসেজ চলে আসছে,, এবং মাস শেষে সেলারি পাইয়া গেছি,,
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের লাইসেন্সের প্রেক্ষিতে আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হয়। এখানে পাসপোর্ট বা অন্য কোন ধরনের বিদেশ গমনের ইসু ছিল না। তবুও পুলিশ আমার থেকে ঘুষ চায় এবং ঘুষ না দিলে কাজ ভালো হবে না বলেও ভয় দেখায়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে ঘুষ দেবার পরেও আমার রিপোর্ট যথাস্থানে পৌঁছায়নি। পরবর্তীতে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে সে আমাকে জানায় এসপি স্যার নাকি সাইন করেনি। তাকে বিষয়টি দেখার জন্য পুনরায় কল করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
আমি সকল সঠিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে, পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। কিন্তু সারাদিন আমাকে হয়রানি করে। বিভিন্ন ধরনের অপ্রসংগিক ভুল ধরে। যখন আমি দালালের মধ্যমে তাদের কাছে পাঠাই তারা টাকার বিনিময়ে দশ মিনিটে কাজটি করে দেয়
বিদেশে যাওয়ার জন্য, এবিএম ইটি কাড রেজিষ্ট্রেশন করতে
আমার কাছে টাকা চেয়েছিলো নতুন পাসপোট করতে বাদ্য হয়ে দিয়েচি
পাসপোর্ট তৈরি করতে গেলে সব কাগজ দিওলেও বলে সমস্যা, লাষ্টে বাধ্য হয়ে এক আনসার এর মাধ্যামে করছি
ছাড়পত্র নবায়ন এর জন্য এই টাকার সরাসরি আবদার করা হয়। টাকা না দিলে ছাড়পত্র নবায়ন হবে না এবং হয়রানি করা হয়।
খুলনা সিটি কর্পোরেশন এর ১৮ নং ওয়ার্ড এর ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করতে গেলে বলে - ৳৩৫০০ লাগবে। আমি জানি ২৭০০+ লাগবে। তবুও বাধ্য হয়ে ৳৩৫০০ দিলাম। পরে বলে খরচ ৳৩৫০০ আরো ২০০ দেন। বাধ্য হয়ে দিতেই হলো।
আমি নামজারি করতে আমাদের ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছি পরে তারা নামজারি করতে ২০,০০০ টাকা দাবি করে। আমি তাদেরকে ১৮,০০০ টাকা দিয়ে আমার কাজ সম্পন্ন করেছি।
মিরকাদিম পৌরসভার হোল্ডিং ট্যাক্স পূর্বে ছিল ২,৫০০/ । পরবর্তীতে ৪০,০০০/প্রতি বছর পরিশোধ করতে হবে। ৫০,০০০/- টাকা ঘুষ দিলে ১০,০০০/ টাকার কম করে দিবেন। বাধ্য হয়ে ৩ বারে ৩৫,০০০/- টাকা দিই। কিন্ত ফাইনাল্লি ২১,০০০/- টাকা করে দিতে বাধ্য করা হয়েছে।