কোনো কাজ করতে গেলেই
টাকা পয়সা ছাড়া কাজ করে নাা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা পয়সা ছাড়া কাজ করে নাা
আদালতে সাক্ষ্য প্রদানের পর যখন কাগজে স্বাক্ষর দিতে হয়, তখন টাকা না দিলে তারা স্বাক্ষর দিতে দেয় না।। বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়।।
৬২ শতাংশ জমির জন্য আমাকে বলেছে 20,000.00tk খাজনা দিতে হবে। টাকা দেওয়ার পর তারা আমাকে ২৫০.০০ টাকার খাজনা পরিশোধের রিসিট ধরিয়ে দিয়েছে ।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে ১৮৫০ টাকা সরকারি ফি।আমাকে ৫০০০০ টাকা দিতে হয়।
আন অফিসিয়ালি এক লাখ টাকা রেট হয়ে গেছে এর কমে ছাড়া হয় না, টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়া হয়না বিভিন্ন প্রবলেম দেখানো হয় কাগজপত্রের মধ্যে
আমার কাছে নামজারীর জন্য ৫০০০০টাকা চে্যে ছিলো আমি দর কসা কসির পর ২৫০০০টাকায চুক্তি করি।
নামের বানানে একটি অক্ষর ভুল ছিলো সেটা সংশোধন করতে চাওয়াতে আমার পাসপোর্ট তৈরির আবেদন রিজেক্ট করে দেয়। এবং পুনরায় আমি আমার ভুল বানান নিয়ে পাসপোর্ট করতে চাইলে তারা 15 হাজার টাকা দাবি করে শেষে 7 হাজারে রাজি হয়
আমার গাড়িটির কাগজ সাথে ছিল না, আমি একটু সময় চেয়েছি কাগজ আনার জন্য, কিন্তু তারা বলল আমাদের কাছে সময় নেই, আপনার গাড়ি জব্দ করা হবে। আমি বললাম আমার তো কাগজ আছে আমি বাসা থেকে লোক দিয়ে নিয়ে আসি, তারা বলল সময় নেই। আর আমাকে যেতেও দিবে না। তারপর টাকা পরিশোধ করলে, গাড়িটি ছেড়ে দেয়।
My elder brother went to Dhaka DC office to take a sign off in my land documents for power of attorney which I sent from Canada. Note that Canada Toronto Consulate attested the documents but DC office asked bribery after doing their part. As it was a time bound documents, we could not but pay off for that. Thanks for this initiative!
গাড়িতে কোন সমস্যা ছিলো না। কিন্তু তারপরও একটু রং উঠার কারণে 1500 টাকা ঘুষ চায় পুর্বাচল বিআরটিএর কর্মকর্তা। কোন উপায় না পেয়ে 1500 টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি
আমি সমস্ত কাগজপত্র সঠিক নিয়েছিলাম। কিন্তু অফিসার বলে এটা ভুল সেটা ভুল এভাবে বলে আমাকে কয়েকবার ফিরিয়ে দিয়েছে। আমি যখন প্রতিবাদ করলাম বললাম যে আমার সব কাগজপত্র তো ঠিক আছে তখন আমাকে ধমক দিয়ে বলল এই যে পুলিশ দেখেছেন আপনাকে এরেস্ট করাই দিব। তারপর আমি একজনের সাথে যোগাযোগ করলাম এবং সে বলল যে এখানে ঘুষ ছাড়া পাসপোর্ট করা সম্ভব না। আমার জরুরী প্রয়োজন ছিল বিধায় আমাকে ঘুষ দিতে হয়েছিল এবং আমাকে বাধ্য করা হয়েছিল। উত্তরা পাসপোর্ট অফিস।
আমার একটা জমি খাজনা খারিজ করানোর জন্য গিয়েছিলাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। মোট ৩ একর ৫২ শতক। জমির দলিল, ভায়া দলিল এবং প্রয়োজনীয় কাগজ সবই ছিলো। কিন্তু জমিটা যে খতিয়ান থেকে আমার বাবা কিনেছিলেন সেই দাগে মোট জমির পরিমান প্রায় ৪০ বিঘা।। সেখান থেকে আমার ৩ একর। উনারা বললেন সম্পূর্ণ জমির খাজনা যেহেতু বাকি তাই আমাকে পুরো ৪০ বিঘার খাজনা দিয়ে তারপর খারিজ করতে হবে। কিন্তু সেটা তো সম্ভব না। খাজনা আসে তখন প্রায় ৬ লাখ। আর আমার নিজের ৩ একরের খাজনা মাত্র ৪৯ হাজার।৷ তাই উনাদের সাথে চুক্তি করে অনেক প্যারা অনেক দৌড় ঝাপ করে প্রায় ৬ মাস পর খারিজ করাতে পারছি।।
এমপিওভুক্তকরণের জন্য দাবি ছিল। পরিশোধ করেছি। অনেকের কাছেই দাবি করেছিল। ফাইল আটকে রাখা হয়েছিল৷ পরিশোধের পর সমাধান হয়েছে।
আসামী পক্ষে আদালতে হাজিরা, দরখাস্ত ও বেলবন্ড জমা দিতে জি আর ও শাখার পুলিশ, পেশকার,পিওন,সেরেস্তাদারের টাকা দাবী করে।কাজের গুরুত্ব বুঝে টাকা চায়,শুরু হয় ১০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা বা অধিক পর্যন্ত। প্রতিদিন ৫০০০ মামলা থাকলে প্রত্যেক মামলা থেকে তারা ঘুষ খায়।ঘুষ না দিলে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত করে।
আমার পরিবারের একজনের এনআইডি কার্ড সংশোধন করার জন্য নির্দিষ্ট অফিসে গিয়ে নির্দিষ্ট কাগজপত্র সকল কিছু জমা দেওয়া হয়, তাদের প্রসেসিং অনুসারে সকল কাগজপত্র আমরা হাজার হাজার টাকা খরচ করে রেডি করে জমা দেওয়ার পর তারা বারবার রিজেক্ট করে বিভিন্ন ছোটখাটো ইস্যু ধরে। শেষে আমাদেরকে একজন তাদের অফিসে এসে জানাই নির্দিষ্ট জায়গায় টাকা পরিশোধ করলে অতিরিক্ত তাহলে এটা ঝামেলা ছাড়া সমাধান করে দেয়া হবে। আমাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন ছিল ওই সময় যার জন্য আমরা টাকা পরিশোধ করে হলো জিনিসটা ঠিক করাই।
নামজারী বাবদ অনলাইন এ করার পর আবেদনকারী উপস্থিত না থাকায় তার প্রতিনিধি হিসেবে যাওয়া এবং বসুন্ধরা প্লট এজন্য নাকি এই পরিমান খরচ দিতে হয় ভূমি অফিস ও এসি ল্যান্ড, ক্যান্টনমেন্ট সার্কেল এর সার্ভেয়ার মূলত সব ডিল করে। —
বাড়ির প্লান পাশের জন্য আকরাম টাকা নিয়েছিল
নিজে ফাইল নিয়ে গেলে শুধু ঘুরাবে আর দালালের মাধ্যমে গেলে দিয়ে দিবে।ফিটনেস, রুট পারমিট রিনিউ করতে গেলেও একই অবস্থা। এক কথায় বি আর টি এ কোন কাজ ঘুষ ছাড়া হয় না।
নামজারি আবেদন জমা দিলেই সাথে ৫০০ টাকা দিতে হবে। যদি টাকা দেওয়া হয় তাহলে ভালো প্রতিবেদন দিবে। আর যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে আবেদন বাতিল হবে। এটা সবার জন্য।
নাম জারি সরকারি ফি ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা কিন্তু ওরা আমার কাছে ১৮ হাজার টাকা দাবি করেছে ওই আঠার হাজার টাকা আমি দিয়েছি ওদেরকে অর্থাৎ ভূমি অফিস কে। ভূমি অফিসে অনেক বেশি হয় দুর্নীতি। আমার নাম — আমি একজন প্রবাসী।