Holding Tax
বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স ক্যালকুলেশন করার জন্য উত্তরা সিটি করপোরেশনের অফিসে 2024 সালে 20000 টাকা ঘুষ দিয়েছিলাম। এগুলি ওখানকার স্বাভাবিক ঘটনা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স ক্যালকুলেশন করার জন্য উত্তরা সিটি করপোরেশনের অফিসে 2024 সালে 20000 টাকা ঘুষ দিয়েছিলাম। এগুলি ওখানকার স্বাভাবিক ঘটনা।
সচিবালয়ে পাশ ছাড়া প্রবেশ করে তদবীরবাজ কিংবা দালালরা পুলিশ সদস্যদের ১০০০/- হারে ঘুষ দিয়ে প্রবেশ করে।। ইচ্ছে করলে যে কেউ যাচাই করে দেখাতে পারে।।
সঠিক ঠিকানায় ভেরিফিকেশন না করে, সেবা গ্রীতাকে ডেকে নিয়ে কৌশলে বিভিন্ন অযুহাতে জটিলতা তৈরি করে, যেহেতু ভেরিফিকেশন ব্যাকেন্ড থাকলে জানামতে পাসপোর্ট পাওয়ার আর কোন উপায় থাকে না এজন্য টাকা দিতে বাধ্য হয়।
I have been living in Canada. I needed to give power of attorney to my brother. There were different layer of approval at different government office. At land office at Khilkhet in the month of Ramadan, they asked bribery to complete the task although there was no fault on my file. My elder brother went to office 2-3 times. Magistrate were there and we raised complain but there was no remedy.
টাকা ছাড়া লাইসেন্স পাস দে য় না। টাকা দিলেই কিছু না করলেও পাস।
এক বিঘা নামজারী করতে ৫০ হাজার টাকা অতিরিক্ত চেয়েছে এবং মিসকেস এর তদন্ত রিপোর্ট করতে ৫০ হাজার চেয়েছে। দুইটা মিলে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছি কিন্তু কাজ করে দেয় নি । এক লাখ টাকা পরিশোধ করার পর কাজ করেছে । এবং একটা নামজারী কাজের জন্য ৪০ হাজার টাকা চেয়েছে ২০ হাজার পরিশোধ করেছি কিন্তু ঐ কাজ আর করে দেয় নি।
বিএস খতিয়ান প্রিন্ট হয়ে এসেছিল, সেখানে নামের ভুল ছিল, এটা সংশোধন করতে সত্তর হাজার টাকা চেয়েছিল, পরে একজন দালালের মাধ্যমে অনেক দর কষাকষির পরে ত্রিশ হাজার টাকায় রাজি হয়। এই অফিসে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ প্রায় হয় না, আমি তিনটা নামজারি করিয়েছি ৩ টাতেই কমবেশি ঘুষ দেওয়া লেগেছে।
দুইটা মেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে চলো যাই তারপর থানা অভিযোগ করা পর তাদের মোবাইল নাম্নার দিয়া বের করে পুলিশ ওই জায়গা পুলিশ যেতে টাকা চায় ৩০ হাজার আবার সাথে হাইস গাড়ি নিতে বলে বাধ্য হয়ে টাকা সহ গাড়ি নিয়ে তাদের নিয়ে যায় এটা হল আমাদের দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অবস্থা মোটামুটি ওসি থেকে শুরু করে সকলেই ঘুষ খায়
কারেনট মিটার লাগানোর জন্য ২৪০০ টাকা দাবি করেছেন না হলে লাগিয়ে দিবেন না বলে জানিয়েছেন।
আমি ভোলা সদরে থাকি, বরিশালের একটি শোরুম থেকে মোটরসাইকেলটি ক্রয় করি, পরে শোরুমের কাগজ নিয়ে ভোলা বিআরটিএ অফিসে গিয়েছিলাম রেজিস্ট্রেশন করার জন্য, সেখান থেকে বলা হলো শো রুমের মাধ্যমে করার জন্য, তা না হলে খরচপাতি দেওয়া লাগবে, পরে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত তিন হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
টাকা পয়সা ছাড়া কাজ করে নাা
আদালতে সাক্ষ্য প্রদানের পর যখন কাগজে স্বাক্ষর দিতে হয়, তখন টাকা না দিলে তারা স্বাক্ষর দিতে দেয় না।। বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়।।
৬২ শতাংশ জমির জন্য আমাকে বলেছে 20,000.00tk খাজনা দিতে হবে। টাকা দেওয়ার পর তারা আমাকে ২৫০.০০ টাকার খাজনা পরিশোধের রিসিট ধরিয়ে দিয়েছে ।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে ১৮৫০ টাকা সরকারি ফি।আমাকে ৫০০০০ টাকা দিতে হয়।
আন অফিসিয়ালি এক লাখ টাকা রেট হয়ে গেছে এর কমে ছাড়া হয় না, টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়া হয়না বিভিন্ন প্রবলেম দেখানো হয় কাগজপত্রের মধ্যে
আমার কাছে নামজারীর জন্য ৫০০০০টাকা চে্যে ছিলো আমি দর কসা কসির পর ২৫০০০টাকায চুক্তি করি।
নামের বানানে একটি অক্ষর ভুল ছিলো সেটা সংশোধন করতে চাওয়াতে আমার পাসপোর্ট তৈরির আবেদন রিজেক্ট করে দেয়। এবং পুনরায় আমি আমার ভুল বানান নিয়ে পাসপোর্ট করতে চাইলে তারা 15 হাজার টাকা দাবি করে শেষে 7 হাজারে রাজি হয়
আমার গাড়িটির কাগজ সাথে ছিল না, আমি একটু সময় চেয়েছি কাগজ আনার জন্য, কিন্তু তারা বলল আমাদের কাছে সময় নেই, আপনার গাড়ি জব্দ করা হবে। আমি বললাম আমার তো কাগজ আছে আমি বাসা থেকে লোক দিয়ে নিয়ে আসি, তারা বলল সময় নেই। আর আমাকে যেতেও দিবে না। তারপর টাকা পরিশোধ করলে, গাড়িটি ছেড়ে দেয়।
My elder brother went to Dhaka DC office to take a sign off in my land documents for power of attorney which I sent from Canada. Note that Canada Toronto Consulate attested the documents but DC office asked bribery after doing their part. As it was a time bound documents, we could not but pay off for that. Thanks for this initiative!
গাড়িতে কোন সমস্যা ছিলো না। কিন্তু তারপরও একটু রং উঠার কারণে 1500 টাকা ঘুষ চায় পুর্বাচল বিআরটিএর কর্মকর্তা। কোন উপায় না পেয়ে 1500 টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি