Btcl telephone connection
এক জন ব্যক্তি লাইন টেনে দিয়েছে, সেজন্য সে বকশীষ দাবি করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এক জন ব্যক্তি লাইন টেনে দিয়েছে, সেজন্য সে বকশীষ দাবি করে।
বেসরকারি স্কুল কলেজের এমপিও ফাইল আটকে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে ফাইল ছাড়ানোর জন্য তাদেরকে ফোন দিলে টাকা দাবি করে। টাকা পরিশোধ করলে ফাইল ছেড়ে দেয়। এটি সংক্রিয় পদ্ধতিতে মাউশি নির্দেশনা অনুযায়ী ছাড়ার কথা বাট তারা ফাইল আটকে টাকা নেয়। ঘুস যারা নেয় তাদের পরিচয় জেলা শিক্ষা অফিসার হিসাব রক্ষক ক্লার্ক অফিস কাম-কম্পিউটার সহকারী
ঘুষের টাকা ছাড়া একটি জমিও রেজিস্ট্রি করে না এই দুর্নীতি গ্রস্থ সাব রেজিস্টার ও ওই অফিসের সব কর্মচারী। এই ঘটনা বাংলাদেশের এমন কোন লোক নাই যে জানেনা। আমার হেবা দলিল করতে গেলে বলে এটা হবে না ওটা হবে না এভাবে না। তার পর টাকা দিলে সব হয়ে যায়। এই হয়রানি থেকে কবে রাহাই পাবে মানুষ।
যশোর মনিরামপুর উপজেলার জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এর সহকারী প্রকৌশলী কমিশন না দিলে ফাইল ছাড়ে না এবং টিউবওয়েল সাবমার্সিবল টিউবওয়েল এবং পাবলিক টয়লেট বিক্রির রমরমা ব্যবসা খুলে নিয়েছে
ট্যাক্স ওকিলের মাধ্যমে ফোন করে ৫০০০০ দাবি করে বলেছে ১৪৭ ধারা এডভ্যান্স ট্যাক্স কাটা হয় কিনা দেখতে আসবে। তখন ওকিল সাহেব বললো যে ওনারা আসলে শুধু শুধু হয়রানি করবে কিছু টাকা বিষয়টা সমাধান করুন। তখন ৩০০০০ টাকা দিয়ে সমাধান করা হয়েছে। বিশেষ দ্রষ্টব্য : আমরা AIT কেটে প্রতি মাসেই জমা করে থাকি এবং তিন মাস অন্তর অন্তর রিটার্ন জমা করি।
নাম জারি জমা খরিজ গত কযেকবার বাতিল করা হয়েছে এবং টাকা না দেয়ার ৪/৫মাস জুলে তাকে পরবর্তী বাতিল করে দেয়, যেকোন ভুমি কাগজ টাকা চারা দেয় না কুলিয়ারচর ভুমি অফিস নায়েব — , অফিস সহাযক —, কুলিয়ারচর ভুমি অফিসে অফিস সহায়ক —,—,নাজির —, স্বয়ং এসিল্যান্ড ২০২৬ দায়িত্ব থাকা কর্মকর্তা সরাসরি ঘুস নানিলে ও অফিস সহয়ক এর মাধ্যমে নেয়
দীর্ঘ ১২ বছর ধরে আমি স্হ আমরা ২৩২ জন চাকুরি করি আমাদের কাছ থেকে জন প্রতি ৪০০০০ টাকা দিতে হচ্ছে। এখন কি আর করার আমরা বেতন পাই অল্প পরিবার নিয়ে চলতে হলে এই টাকা দিতে হবে না হলে চাকুরি থাকবে না। আমরা দিতে অস্বীকার করেছিলাম আমরাতো ঘুস খাই না তা হলে দিব কেন? কিন্তু চাকুরি বাচাতে গেলে পরিবার নিয়ে চলতে গেলে আর কি করার দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমার একটি চাকুরীর জয়েনর পর,অফিস থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বলে,আমি সরকারি ফি দিয়ে আপ্লাই করি।কিন্তু যখন পুলিশ ফোন দিয়ে সব পেপার নিয়ে যেতে বলে,নিয়ে যাওয়ার পর আমার সকল পেপার সঠিক থাকার পরেও তাকে টাকা দিতে হয়,আবার আমার ফোন চুরি হয়েছিল,তখন এই চুরির GD করতেও আমার কাছে থেকে টাকা নেওয়া হয়।
আমি বাধ্য হয়ে ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিয়েছে কারণ এছাড়া আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা হবেনা বলে দিয়েছিলো। সরকারি ফি এর চেয়ে ২ হাজার টাকা বেশি দিয়ে তারপর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়েছিল। এই ঘটনা ২০২৫ সালের, এই অর্থ বছরেও এমন হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
আমি ভুমি ওয়েবসাইটে আরএস খতিয়ান আপলোড না থাকায় আমি খতিয়ান নিতে পারছিলাম না। পরবর্তিতে উপজেলা ভুমি অফিসে গেলে বলে বালাম নেই তাদের কাছে।বলে জেলা ভুমি অফিসে যেতে সেখানে গেলে বলে তাদের কাছে নেই উপজেলা অফিস থেকে সংগ্রহ করতে। পরবর্তীতে জেলা ভুমি অফিসের চতুর্থ শ্রেনীর কমর্চারিরা প্রতি খতিয়ানে ১২০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তিতে আমার গ্রামের এক ছেলের মাধ্যমে ১০০০ টাকা করে খতিয়ান উত্তোলন করি। ভুমি সংক্রান্ত সকল সেবা শতভাগ আপডেট রাখা উচিত।যাতে ৩য় পক্ষ কোন সুযোগ নিতে না পারে।
।আমি প্রথমে জাগার নাম জারির জন্য সঠিক পন্থায় চেষ্টা করি তা প্রায় অসম্ভব মনে হয়েছে বিধায় দালালের মাধ্যমে কাজটি করতে হয়েছে। মূল কাজ বারোশো টাকার মধ্যে আমাকে অতিরিক্ত ৩৮০০ টাকা দিতে হয়েছে অর্থাৎ ৫০০০ টাকা দিয়ে কাজটি সেরেছি খুচরা আরো ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা খরচ হয়েছে। আমি যেটা করতে পেরেছি দালাল যতই করে খরচটা কমিয়েছি আমাকে আরো বেশি দাবি করা হয়েছিল অন্য দালালের মাধ্যমে। ঘটনাটি প্রায় সবার ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। ভূমি সংক্রান্ত কোন কাজ ঘুষ ছাড়া হয় না।
একটা বিশেষায়িত ব্যাংকে প্রমোশন দিবে বলে ৪৫০০০০/- নেওয়া হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য টাকা দিতে হয়েছে
আমার পাসপোর্ট রিইস্যু করার জন্য গিয়েছিলাম, নিয়ম অনুযায়ী সব কাগজ থাকার পরেও আমাকে নানা ভাবে হয়রানী করা হয়। পরে সরকারি ফী বাদেও অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দেবার পরে আমার কাজ হয়।
আমি জেলা প্রশাসক, ঠাকুরগাঁও স্যার-এর কাছে একটি চিঠি দিয়েছি এক মাস আগে। পরবর্তীতে আপডেট নিতে জেলা প্রশাসক হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করি। তারা বলেন, “আমরা পাঠিয়ে দিয়েছি, শাখা বরাবর ৩য় তলায়।” সেখানে গিয়ে চিঠির কথা জানালে তারা বলেন, চিঠি পেয়েছেন এবং আদেশও লিখেছেন। কিন্তু অফিসে কম্পিউটার অপারেটর নেই। অন্য অপারেটর আছেন, তবে তিনি ফ্রি নেই যে এটি লিখে দেবেন বা আদেশের কপিটি প্রস্তুত করে দেবেন। আমাকে বলেছেন, “বাইরে থেকে লিখিয়ে নিয়ে আসতে।” পরে বাইরে থেকে সেটি লিখিয়ে নিয়ে গিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সহ সেটি লিখা বাবদ টাইপিং ও প্রিন্টিং খরচ হিসেবে আমার ৭০ টাকা খরচ হয়েছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে এটি তো তাদের অফিসিয়াল আদেশ যা তাদের অফিসিয়াল খরচ বহন করবে প্রিন্টিং কিংবা টাইপিং সেটি আমাকে দিতে হয়।
খাজনা চেয়েছিল 26000। কিন্তু ৫০০০ টাকা দেয়ার কারণে জমির খাজনা দিয়েছি মাত্র ১৩ হাজার টাকা
নাগরিক সনদপত্রে নির্বাহী কর্মকর্তার সিল মারার পর তারা একটি অ্যামাউন্ট দাবি করে।কেউ যদি এটা প্রত্যক্ষণ করে তাহলে তার সাথে বাজে ব্যবহার করা হয় বাজে উক্তি ব্যবহার করা হয়।
আমার স্ত্রীর কাবিননামা চাইছে পাসপোর্ট করার সময়।
জমি মিউটেশন করতে গেলে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে টাকা নিয়েছে। যিনি নিয়েছেন তিনি ভুমি অফিসে চাকরি করেন। তার বাড়ি ফরিদপুর জেলেয়ায়।
তিনটি নামজারী আবেদন করি ফটিকছড়ি আজাদী বাজার অফিসে সেখানে — নামক কর্মকর্তা ২৫০০ টাকা করে ৭৫০০ টাকা ঘুষ দাবী করেন, ৫০০০ দিয়েছি বাধ্য হয়ে মানতেছেনা