নামজারি
জমি নামজাির করা এস এ খতিয়ান থেকে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি নামজাির করা এস এ খতিয়ান থেকে
বিদ্যুত মিটারের কিলোওয়াট বাড়াতে পাচ হাজার টাকা দাবি করা হয়।আমি দিতে বাধ্য হই।
প্রতিবছরই আমার প্রাপ্য ভ্রমনভাতা উওোলনের জন্য দাবীকৃত টাকার ৫% এজি অফিসের অডিটর দাবী করেন। টাকা না দিলে বিল পাশ করেন না।
আমার এক জেঠি বিধবা হয়েছেন ১০ বছর হয়। উনার বর্তমানে বয়স ৬৫ বছর। বিধবা কার্ড করার জন্য আবেদন করেছি। জমা দিতে গিয়েছি সংশ্লিষ্ট অফিসে কিন্তু অফিসের লোক বলল যে এখন বিধবা কার্ড আশ হয় না আগের গুলাই দিতে পারি নাই এটাও না হবার সম্ভাবনা বেশি।তখন সে বলল অফিসের কিছু খরচ দিলে ওনারা এই কার্ড টা করে দিবেন। ৫০০০ চেয়েছিল কিন্তু আলোচনার পর ৩০০০ রাজি করিয়েছি।
1150 er jaigai 9500 Dani Kora hoyesilo
উপজেলা শিক্ষা অফিসার — এমপিও করণের জন্য আমার কাছ থেকে ৪০০০ টাকা ঘুষ চেয়ে নিয়েছিলেন।
ব্যাংকে নিরাপত্তা জামানত দেয়া সাবরেজিষ্টার তার অফিস কেরানীর মাধ্যমে নিয়েছে। তা না হলে দলীল তিনদিন ঘুরিয়েছে।
১১৫০ সরকারি ফি কিন্তু নাম জারী করতে ২৭০০ নিছে নাহলে কাজ হবে না বলেছে।
আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একজন মিথ্যা অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের তদন্ত পিবিআই, রংপুর এর একজন অফিসার করে এবং ৭০০০ টাকা নেন। ক্যাশ নেন
দুপুরের খাবারের কথা বলে নেয়া হয়েছিল
সিরিয়াল দ্রুত পাওয়া, একদিনে সার্টিফিকেট বের করা, কোন তদন্তে না পড়া।
ফাইল আটকিয়ে রেখেছে 19 দিন। কিছু করার ছিল না।
গাড়ি আটক হয়েছিল মোট জরিমানা ১১২৫০/ আদায় করে ছিল সেখানে রেকার বিলের কপি তে ১২৫০/ টাকার উল্লেখ ছিল বাকি টাকার কোনো মানি রিসিট তারা প্রদান করেনি। তাই বিষয় টা নিয়ে কটকা লাগে, ট্রাফিক বন্দর সিএমপি চট্রগ্রাম এর একটি রিসিট দিয়ে গাড়ি টি উনারা জব্দ করে। পরবর্তীতে অফিসে উক্ত ১১২৫০/ টাকা ক্যাশে জড়িমানা আদায় করে শুধু মাত্র ১২৫০/ টাকার মানি রিসিট দেয়। বাকি টাকার রিসিট চাওয়াতে বলে জড়িমানা অনেক বেশি আসে এখানে ক্যাশে পরিশোধ করাতে কম রাখতেছে। আমার মত সাধারণ শ্রমিক/মালিক গন প্রতিদিন এদের দারা নিযাতিত হচ্ছি এই অফিস গুলাতে দুদক দিয়ে ভাল করে তদন্ত করলে অনেক অনিয়ম ধরা পরবে। এদের এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।
সিগনাল অমান্য করেছিলাম।
ঘটনাটা আজ থেকে ৩-৪ বছর আগের, আমার গ্রামে একটা জমি বিক্রি করার ছিল শুধু ৮ শতাংশ জমি, দামও অনেক কম ছিল, আমার বাবা নামের রেকর্ড করতে হত, বিক্রি করার জন্য। যদিও আমি ঘুষ দিতে একদমই রাজি ছিলাম না, কিন্তু আমার কাছে আর উপায় ছিল না, তাই বাধ্য হয়ে । পটুয়াখালী সদর ভূমি অফিসের তোহিলদার সাহেবের কাছে আমার এক মামা নিয়ে যায় কারণ মামার সকল জমির রেকর্ড এই তোশিলদার কি করেছেন, আমি যতটুকু জানি তার সকল জমির রেকর্ডে সে ঘুষ নিয়েছেন, আমি সকল কাগজ ডিটেলস দেখানোর পরে সে আমার কাছে ১৮ হাজার টাকা দাবি করে (আমার যতটুকু মনে পড়ছে) পরে মামা বলল জমি খুব কম অনেক অনুরোধ করার পরে উনি সর্বশেষ ১৬০০০ টাকায় রাজি হই, প্রথমবারের টাকা উনি হাতে নেয় সেজন্য সেটার প্রমাণ নাই। শেষবার বাকিটা ওনার বিকাশ নম্বরে আমি বিকাশে পাঠাই।
পুলিশ সরাসরি পাস্পোর্ট ভেরিফিকেশন করতে চা নাস্তার বিল চেয়েছে। ভাবখানা এমন যেন টাকা না দিলে এই কাজ হয় না। ৫০০ টাকা চেয়েছিল, রীতিমত নেগোসিয়েশন করে ৪০০ দিয়েছি।
আমার জমির নাম জারি করার সময়।
প্রথম নামজারির জন্য আবেদন করি টাকা না দেওয়ার কারণে আবেদন বাতিল করে দেয়। দ্বিতীয় বার ১০,০০০/- টাকা দেওয়ার চুক্তিতে নামজারি সম্পুর্ণ করা হয়।
নাম -—,,পিতা -—, জেলা -সাতক্ষীরা, তারা ২৪০০০০০ ঘুষ দিয়ে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী ভিসি আমার সাথে যোগাযোগ করে চাকরি নিচ্ছে, দয়া করে বিষয়টা আপনারা দেখুন.
Musik 9.1 Receive Kora diban