গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট
সিরিয়াল দ্রুত পাওয়া, একদিনে সার্টিফিকেট বের করা, কোন তদন্তে না পড়া।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সিরিয়াল দ্রুত পাওয়া, একদিনে সার্টিফিকেট বের করা, কোন তদন্তে না পড়া।
ফাইল আটকিয়ে রেখেছে 19 দিন। কিছু করার ছিল না।
সিগনাল অমান্য করেছিলাম।
ঘটনাটা আজ থেকে ৩-৪ বছর আগের, আমার গ্রামে একটা জমি বিক্রি করার ছিল শুধু ৮ শতাংশ জমি, দামও অনেক কম ছিল, আমার বাবা নামের রেকর্ড করতে হত, বিক্রি করার জন্য। যদিও আমি ঘুষ দিতে একদমই রাজি ছিলাম না, কিন্তু আমার কাছে আর উপায় ছিল না, তাই বাধ্য হয়ে । পটুয়াখালী সদর ভূমি অফিসের তোহিলদার সাহেবের কাছে আমার এক মামা নিয়ে যায় কারণ মামার সকল জমির রেকর্ড এই তোশিলদার কি করেছেন, আমি যতটুকু জানি তার সকল জমির রেকর্ডে সে ঘুষ নিয়েছেন, আমি সকল কাগজ ডিটেলস দেখানোর পরে সে আমার কাছে ১৮ হাজার টাকা দাবি করে (আমার যতটুকু মনে পড়ছে) পরে মামা বলল জমি খুব কম অনেক অনুরোধ করার পরে উনি সর্বশেষ ১৬০০০ টাকায় রাজি হই, প্রথমবারের টাকা উনি হাতে নেয় সেজন্য সেটার প্রমাণ নাই। শেষবার বাকিটা ওনার বিকাশ নম্বরে আমি বিকাশে পাঠাই।
পুলিশ সরাসরি পাস্পোর্ট ভেরিফিকেশন করতে চা নাস্তার বিল চেয়েছে। ভাবখানা এমন যেন টাকা না দিলে এই কাজ হয় না। ৫০০ টাকা চেয়েছিল, রীতিমত নেগোসিয়েশন করে ৪০০ দিয়েছি।
আমার জমির নাম জারি করার সময়।
প্রথম নামজারির জন্য আবেদন করি টাকা না দেওয়ার কারণে আবেদন বাতিল করে দেয়। দ্বিতীয় বার ১০,০০০/- টাকা দেওয়ার চুক্তিতে নামজারি সম্পুর্ণ করা হয়।
নাম -—,,পিতা -—, জেলা -সাতক্ষীরা, তারা ২৪০০০০০ ঘুষ দিয়ে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী ভিসি আমার সাথে যোগাযোগ করে চাকরি নিচ্ছে, দয়া করে বিষয়টা আপনারা দেখুন.
Musik 9.1 Receive Kora diban
এফসি অফিসে যেকোনো টি এডি এ নিতে গেলে বিলের যে টাকা আসে তার ২০ শতাংশ ঘুষ দিতে হয় না দিলে বিল বছরের পর বছর ঝুলে থাকে, নিয়ম অনুযায়ী চলতে থাকে কখনোই পাওয়া যায় না।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফাই করতে ফোন দেয় লালমাই থানার এএসআই —। গেলে বলে ২৫০০ টাকা দিতে-পরে ১৫০০ টাকা দি।
এমনি দালাল ছাড়া ডাইভিং পরীক্ষা দেয় তখন আমি পরীক্ষায় পাশ করি নাই আর যদি যখনই ঘুষ দিচ্ছি তখনই আমি পরীক্ষায় পাশ করছি।
ছেলের বাথ সার্টিফিকেট করতে গিয়ে জানলাম, বাবা মা এর ও সার্টিফিকেট লাগবে 4000 টাকা লাগবে। সেই মোতাবেক 3000টাকায রোফা হয়েছে।
এদের মত খারাপ লোক আর দুনিয়াতে হতে পারে না। মিউটেশন করতে গেলেই ১০০০। এক এক জন দুর্নীতি গ্রস্থ কর্মচারী এই হারাম টাকা দিয়ে শহরে ১০০ কোটি টাকার সম্পদ গড়ে ফেলেছে
কেনা জমির দলিল ও অন্যান্য করতে
আমি মোটরবাইক লাইসেন্স নিজে দুই বার করতে পারিনি তৃতীয় বার অফিস এর দালাল আমার কাছথেকে 9100 টাকা দাবি করে এবং আমাকে বলে টাকা না দিলে আপনার লাইসেন্স কখনও হবে না । তারপর আমার কাছে থেকে 9100 টাকা নিয়ে আমার কাজ করে দেই ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কসবা থানায় আমার বড় ভাইয়ের ক্রয়র্কিত জমির নামজারি করতে ২০ হাজার টাকা দাবি করে পরে ১৫০০০ টাকায় নামজারীর আবেদন করি
সর্বশেষ পেনশন আনুতোষিক বিল পাশের জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেছিল, ঝামেলা এবং কালক্ষেপন এড়ানোর জন্য আংশিক ১০ হাজার পরিশোধ করি এবং আরো ১৫-২০ দিন বিলম্বের পর শেষপর্যন্ত বিলটি পাশ করেন ।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের করতে ১০০০ দশ হাজার টাকা দিতে হয়েছে, যতদিন টাকা দেইনাই পরিক্ষায় ফেল দেখানো হয়েছে।
BMT আপডেট করেন আমি গত নভেম্বরে বিএমটি দেই, সরকারি নির্দেশ মনে তা আপডেট করতে গেলে আমার কাছে ৫০ টাকা দাবি করে