জুট লাইসেন্স নবায়ন
লাইসেন্স নবায়ন ফি৩০০০/- অতিরিক্ত ২০০০টাকা না দিলে নবায়ন করে দিবে বা।বাধ্য হয়ে টাকা দেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
লাইসেন্স নবায়ন ফি৩০০০/- অতিরিক্ত ২০০০টাকা না দিলে নবায়ন করে দিবে বা।বাধ্য হয়ে টাকা দেয়।
জামালপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে কর্মরত অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক রাশেদ মামুদ সাহেবের কাছে যেকোনো বিল তৈরি করতে উক্ত বিলের ৬% টাকা দিতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলছে তার ঘুষ বানিজ্য। টাকা ছাড়া তিনি দুনিয়াতে আর কিছু চিনে নাহ। তার ঘুষ বানিজ্যের জ্বালায় অতিষ্ঠ সেবা গ্রহীতরা।
Amar babar jomir khajna kharij Korte gesilam ..sheikhanei 1370.er jaygay 13000 taka dabi korse ....r amader oshohay hoye ta diteo hoyese..shudhu tai noi passport office ...birth certificate online Korte giyeo 3000 taka. ..nid process Korte giyeo taka ...shob dike shudhu taka r taka ... dinajpur e ei durniti gula shob theke beshi .. doa kore kisu Ekta beboshtha nen
লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষায় পাশ করার পর প্যাকটিকেলে গিয়ে দেখলাম অনেক কঠিনভাবে পরীক্ষা নিচ্ছে , আমার সাথে ২৫০ জন পরীক্ষা দিলে সেখানে সে পরীক্ষা টিকে গেল মাত্র ২ জন , অথচ ওখানেই এক কর্মচারীকে জিঞ্গেস করলাম ঘটনা কি মামা সবাইতে ফেল করতেছে তাহলে লাইসেন্স কিভাবে পাবে ? উনি বলল মামা আপনি যোগাযোগ করে আসেননি , আমি বললাম না তো মামা আমি কোন যোগাযোগ করিনি , মামা বলল তাহলে তো পাশ করবেন না , যোগাযোগ করে আসতে হয় এখানে , তখন বুঝলাম দালালের মাধ্যম ছাড়া ড্রাইভিং লোইসেন্স পাওয়া যাবে না , পরবর্তীতে ৮০০০ টাকা দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করিয়ে নিয়েছি ।
আমি ভুমি ওয়েবসাইটে আরএস খতিয়ান আপলোড না থাকায় আমি খতিয়ান নিতে পারছিলাম না। পরবর্তিতে উপজেলা ভুমি অফিসে গেলে বলে বালাম নেই তাদের কাছে।বলে জেলা ভুমি অফিসে যেতে সেখানে গেলে বলে তাদের কাছে নেই উপজেলা অফিস থেকে সংগ্রহ করতে। পরবর্তীতে জেলা ভুমি অফিসের চতুর্থ শ্রেনীর কমর্চারিরা প্রতি খতিয়ানে ১২০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তিতে আমার গ্রামের এক ছেলের মাধ্যমে ১০০০ টাকা করে খতিয়ান উত্তোলন করি। ভুমি সংক্রান্ত সকল সেবা শতভাগ আপডেট রাখা উচিত।যাতে ৩য় পক্ষ কোন সুযোগ নিতে না পারে।
আমি লক্ষীপুর জেলার সদর উপজেলার ভবানীগন্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তশিলদার — — খতিয়ানে নামজারি নথি গ্রহণ করার জন্য 2500 টাকা দাবি করে। না হলে গ্রহণ করবে না। পরে 1000 বাধ্য হয়ে দিতে হয়। তারপরেও সে — খতিয়ানে 12 শতাংশ জমি থাকার কথা কিন্তু সে অনলাইনে 6 শতাংশ জমি আপডেট করে বাকিটা সে রেখে দেয় যাহাতে নামজারি শুনানির দিন গ্রাহক ঝামেলায় পড়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মধ্যে সবচাইতে দুর্নীতিবাজ ঘুষখোর ভূমি অফিসার — ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বর্তমান দায়িত্বে আছে সে ঘুষ ছাড়া সে একটি কাজও করে না।
ELB - electrical licence ministry of energy regulating board এর আন্ডারে এই প্রতিষ্ঠান উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটা ইন্সপেক্টর কে নির্ধারিত প্রতিটি ফাইলের জন্য ঘোষ দিতে বাধ্য..ঘোয এর পরিমাণ শুরু হয় নির্দিষ্ট sub station kva এর উপর যেমন 150kva sub station এর জন্য ২০ হাজার টাকা ঘোষ অথবা সম্মানী ফাইল জমা দেওয়ার পরে ইন্সপেক্টর কে দিতেই হবে। এর পরিমাণ ২০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে ইন্সপেক্টর গুলোর নাম — সচিব — সহ সিনিয়র ইন্সপেক্টর গুলো ব্যাপক পরিমাণের অবৈধ সম্পদ উপার্জন করেছে। এরা আবার প্রতিনিয়ত প্রতিফাইল অনুযায়ী উক্ত মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অর্জনকৃত অবৈধ টাকা থেকে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ দিয়ে আসেন। প্রত্যেকটা সাবস্টেশ কোম্পানির দিতে বাধ্যথাক
বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলার ৩ নং কাউখালী ইউনিয়ন পরিষদে নতুন জন্ম নিবন্ধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলাম তখন দায়িত্বরত কর্মকর্তা ২০০ থেকে ৩০০ টাকা দাবি করে এক পর্যায়ে আমি জিজ্ঞেস করলাম সরকারি ফি তো এত টাকা নয় , তখন তিনি বলেন ৩০০ টাকা দিতে হবে না আড়াইশো টাকা দিন আমি বললাম এটা তো সরকারি ফি না তিনি বললেন জন্ম নিবন্ধন করতে আইছেন আড়াইশো টাকা দিবেন না আমি তো আপনার কাছে কমিয়ে রাখছি ৩০০ টাকা থেকে আড়াইশো টাকা করেছি , পরবর্তীতে কাগজটি অতি জরুরী বিদায় কথা কাটাকাটি না করে টাকাটি পরিশোধ করি
অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করে থানায় গেলে বলে ১৫/২০ দিন লাগবে, বেশিও লাগতে পারে। পরে এক ভাইকে কল দিলে উনি বলে ৫০০ টাকা ধরাইয়া দে। টাকা দেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই ক্লিয়ারেন্স চলে আসে।
Labour License Renewal
Driving licences korte
সরাসরি অফিস পিওন চেয়েছে
স্কুল থেকে বিএড স্কেল করানোর জন্য প্রথমে উপজেলা শিক্ষা অফিসে ফাইল পাঠানো হয়। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সেই কাগজ পত্র অনলাইনে চেক করে তা আবার জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে পাঠানো হয়। কিন্তু শিক্ষা অফিসার কাগজ না পাঠিয়ে আমার প্রধান শিক্ষককে দিয়ে আমাকে দেখা করতে বলেন এবং ইনিয়ে বিনিয়ে টাকা দাবি করেন।আর টাকা না দিলে সে ফাইল না পাঠানোর হুমকি দেন বা পাঠালেও অন্য সময় এর প্রতিশোধ নিবেন বলে হুমকি দেন।আমি কোন ঝামেলায় না জড়ানোর জন্য তাকে ১০০০ টাকা দিয়ে রফা দফা করে ফেলি আর মনে মনে ভাবি যে এত বড় অফিসার কিন্তু সে শিক্ষকের কাছ থেকে ১০০০ টাকা খাওয়ার জন্য কেমন কুকুরের মত করে। শুধু তাই নয়, ট্রেনিং এর সময় টাকা না দিলে তার নাম ট্রেনিং এ দেয় না।
পাসপোর্ট অফিস থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশন আসলে আমাকে আশুলিয়া থানার সামনে ডাকে। থানার সামনে গেলে থানার সামনের কম্পিউটার দোকানের গলিতে নিয়ে যায় এবং আমার কাছে ১৫০০টাকা দাবি করে পরে ১০০০টাকা নেয়। পরে তিন্দিন পর ভেরিফিকেশন কম্পলিট করর দেয়।
আমার কয়েকটি সরকারি চাকুরি হয়। ভ্যারিফিকেশন অনেক গুলো জায়গায় হয়৷ বাড়িতে, ইউনিভার্সিটিতে। পুলিশ টাকা ছাড়া কো অপারেট করে না৷ টাকা কথা না বলা পর্যন্ত ত্রুটি খুঁজে খালি। নিজ থেকে যখন টাকা চায় তখন টাকা দেই। আর প্যারা দেয় না। আর খরচ খোঁজে। এই পর্যন্ত আমার ১০০০০ টাকার উপরে নিয়া গেছে শুধু ভ্যারিফিকেশনে।
NOC করা, প্রথমবার বেতন করা, যেকোনো ভাতা পাওয়ার জন্য, পেনশনের কাজে শিক্ষা অফিসে ও সিজিএ অফিসে ঘুষ দিতে হয়। জিপিএফ ফান্ডে নিজের টাকা নিজে জমাবো তাতেও ওদের ঘুষ দিতে হয়।
আমার স্কুলের একজন শিক্ষক পদত্যাগ করেছে। নতুন শিক্ষকের বেতন করতে ,পদত্যাগকৃত শিক্ষকের ইনডেক্স করতে হয়। ডিলেটের আবেদন করলে 30000 টাকা না দিলে আবেদনটি APPROVED করা হবে না। তাই নতুন শিক্ষকের বেতন করা লাগবে ,তাই টাকাটা পরিশোধ করছি।
পিটিআই তে প্রতিটি ভাতা উত্তোলন এর জন্য প্রতিজন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আদায় করতো। প্রতিবাদ করলে পিটিআই সুপার ও সংযুক্ত হয়।
আমি একটি জন্ম নিবন্ধন সনদ সনদের সংশোধনের জন্য ১৭ নং ওয়ার্ড কমিশন অফিসে যাই, অফিস প্রধান (ওয়ার্ড সচিব) প্রকাশ্যে ২,০০০/= ঘুষ দাবি করে, যদি না দেই তাহলে ৩/৬/১২ মাস এমনকি নাও পেতে পারি, তাই বাধ্য হয়ে দিতে হলো, মজার ব্যাপার হলো আমার ২ মেয়ে, একজনেরটা টাকা দেয়ায় ১ সপ্তাহের মধ্যে পেলাম, আরেকজনের টাকা না দেয়ায় প্রায় ১০ মাস হলো, এখনো ইসু্য হয়নি।
আমার বেশ কিছু নামজারির তদন্ত ছিল এবং ভূমি উন্নয়ন কর ছিল। সেগুলো বিভিন্ন সময় টাকা দিয়ে ছাড়াতে হয়েছে।