নামজাড়ি করতে টাকা নিয়েছে ঘুস
নামজাড়ি করতে ১১৭০ টাকা কিন্তু প্রায় ৫০০০ প্লাস টাকা নিছে টাকা না দিলে কাজ হয় না কাহজ যটিলতা করে
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজাড়ি করতে ১১৭০ টাকা কিন্তু প্রায় ৫০০০ প্লাস টাকা নিছে টাকা না দিলে কাজ হয় না কাহজ যটিলতা করে
কলকারখানা লাইসেন্স ও নকশা অনুমোদনের জন্য ৫ লক্ষ দাবি করে পরে নেগোসিয়েশন করে ২ লক্ষ টাকা দিয়ে লাইসেন্স ও অনুমোদন নিই
আমার বাবা জমির ১৫ শতাংশ জমির খারিজ করতে গিয়ে ১০,০০০ টাকা চেয়ে বসেন, এবং এ টাকা ছাড়া খারিজ সম্ভব জানিয়ে দিলে ঐ টাকা দিতে হয়। টাকা দেওয়া হয়ে গেলেও এখনো কাজটি সম্পন্ন হয়নি অর্থাৎ জমির খারিজ সম্পন্ন হয়নি।এখন উনারা আরো টাকা দাবি করছে কাজটি সম্পন্ন করার জন্য। উল্লেখ্য যে,এই কাজ ভূমি অফিসে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও কাজটির জন্য যেতে হয়েছে ভূমি অফিসের একজন স্টাফের বাসায় এবং সেখানেই টাকা দেওয়া হয়।
১টা মসজিদের মিটার নামাতে ৮০০০হাজার টাকা দিতে হয়েছে পরানগঞ্জ ডিজিএম কে
আমি গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ময়মনসিংহ রোডে আসছিলাম ময়মনসিংহের দিকে। পথিমধ্যে রাজেন্দ্রপুর এ আমার বাইক আটকায় পুলিশ। আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স বাইকের কাগজপত্র সব ছিল কোন কথাবার্তার আগেই পুলিশ বাইকের চাবি নিয়ে নেয়। পরে কোন ইস্যু না পাওয়ার পর যখন আমি চাবি ফেরত চাই তখন তারা তা দিতে অস্বীকার করে এবং ১০ হাজার টাকা চায়। উল্লেখ্য আমার বাইকটা কিছুটা দামি সেজন্য হয়তো টাকা বেশি চেয়েছে। পরবর্তীতে আমি কিছুটা কথা কাটাকাটি করে ৬০০০ এ সমঝোতা করি। এর আগ পর্যন্ত চাবি ওই পুলিশের কাছে ছিল না বরং সে অন্য একজন পুলিশের হাতে হ্যান্ডওভার করে দেয় যা আমি দেখতে পাইনি।
আমি গত জুন মাসের ২২ তারিখে হরিদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদ আমার বাবার মৃত্যু সনদ করতে, সেখানে তাড়া যে টাকা দাবি করেছে তার চেয়ে আরো কিছু টাকা বেশি দিয়ে বলে আসি যে আমার বাবা মৃত্যু সনদটি একটু ইমারজেন্সি দরকার কিন্তু আবেদন দিয়ে আসার এব মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও তাড়া আবেদন পর্যন্ত করেনি দোকানে আবেদন করলে সেই আবেদন তাড়া জমা নিবে এক মাস অতিবাহিত হওয়ার পর একটা মৃত্যু সনদ দেয় যেখানে বাবার নাম, বাবার মা ও বাবার না এবং বাবার জন্ম তারিখ সবকিছুই ভূল অথছ তাদের আমি আমার বাবার নতুন ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন যা অনলাইনে যাচাইকৃত কপি বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রসহ দিয়েছি । তাদের বারবার ফোন এবং যাওয়ারপর একটা কপি দেয় কিন্তু সেটা বাবার জন্ম নিবন্ধন। মৃত্যু সনদের আবার আবেদন দিয়েছি প্রায় দুই মাস হল । উক্ত ইউনিয়নের সচিবের দূর্নিতির শেষনাই
আমি চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ মোগলটুলি বাজারের কাছাকাছি এলাকায় থাকি, মোগলটুলি এরিয়াতে মাদক ও ইয়াবার ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। পাশাপাশি চুরি ছিনতাই হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমি আমার থেকে প্রায় ৩০০০০ টাকা নিয়ে পেলছে মোগলটুলি বাজারের পাশে রিকাশার গ্যারেজে আড্ডা দেওয়া চিহ্নিত মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যাবসায়ী জীবন বিজয় লাড্ডু সাদ্দাম বাদল সহ আরো কিছু লোক। সমাজের উঠতি বয়সী তরুণদের জীবন হুমকির মুখে
বাবা প্রচন্ড অসুস্থ ছিল, কিছুক্ষণ পর পর খিঁচুনি দিচ্ছিল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট শেরেবাংলা নগরী নিয়ে গেলে সেখানে ভর্তি হতে ও bed এ নিতে বলে, সেখানে ওয়ার্ড এ নিয়ে গেলে, বেড বরাদ্দের জন্য ৩০০ টাকা চায়, তখন আমার কাছে টাকা ছিল না কিন্তু আমি কি করবো বলে যে ভাইয়া আমায় পরে টাকাটা দিচ্ছি আপাতত একটা বেড দেন, প্রায় ৩০ মতো বেড তখন ফাঁকায় ছিল। এটা সম্ভবত ছিল ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখ। তখন উনি বলে যে আচ্ছা দিচ্ছি, কিন্তু ২-৩ ঘণ্টা চলে গেলেও উনি বেড দেয় না। তখন নির্বাচনের আগে কোন মতো বিকাশে তাকে টাকা পরিশোধ করার পর তিনি বাবাকে বেডে দেন। আমি চাইলে উনার বিকাশ নাম্বার দিতে পারব। শুধু এই হসপিটাল না সরোয়ারদী হসপিটালেও এবং ঢাকা মেডিকেল হসপিটালেও একই রকম দেখেছি।
টাঙ্গাইল যুগ্ম জেলা জজ আদালত (৪র্থ অর্থ ঋণ আদালত) এ আমি ঢাকার একটি সরকারি ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যাই। আদালত থেকে সনদ, দলিল ও অন্যান্য কাগজ উত্তোলন করার সময় বিচারকের সেরেস্তাদার — অথবা — (নাম টা সঠিক মনে করতে পারছি না) অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে পরিশোধ করতে বাধ্য হই। তারিখ: ২৩/০৮/২০২৬।
আমি ৪ শতাংশ জমি নামজারি করতে ভূমি অফিসে যাই, কিন্তু আমার কাছ থেকে ১৫০০০ টাকা চাওয়া হয়, যেখানে আমি জানতে পারি সরকারি ফি ১২০০ টাকা। আমার জমি বিক্রি করার জন্য নামজারি করা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছিল, যার কারণে আমি এই টাকা দিতে বাধ্য হই।
এই ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সাহেব গর্ভবতী ভাতার জন্য পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়ে থাকেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও তাদেরকেই টাকা দিতে হয়। এই পরিমাণ অর্থ সকলের কাছে দাবী করা হয়। টাকা পরিশোধ না করলে গর্ভবতী ভাতা দেওয়া হয় না। শুধু গর্ভবতী ভাতা নয় সব ধরনের ভাতার জন্যই তাদেরকে টাকা দিতে হয়। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের কোন ধরনের সেবা নিতে গেলেও তাদেরকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিতে হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই কার্যকলাপ চলমান।
গাড়ির স্মার্ট কার্ডের ডেলিভারি স্লিপের মেয়াদ চলে যাওয়াই ৫০০ টাকা ঘুষ। স্মার্ট কার্ড বিআরটিএ অফিসে আসলে ম্যাস্রজ আসার কথা। কোন ম্যাসেজ আসছিলোনা। সামান্য স্লিপের মেয়াদ চলে যাওয়াই কেস দিতে চাইছিলো। পরে পাশে ডেকে নিয়ে ১০০০ দাবি করলে ৫০০ দেওয়া লাগে। বাংলাদেশের হাইওয়েতে পুলিশ মানেই ধান্দাবাজ
প্রবাসী আয় শতভাগ সুদ মুক্ত। বাড়ি নির্মাণ বিনিয়োগ কম দেখানো হয়েছে দাবি করে পরোক্ষভাবে ৫ লাখ টাকার ইঙ্গিত দেয়া হয়ে দুই দফায় মোট ৯০ হাজার টাকা ঘুষ প্রদান করা হয়।
পেনশনের ঘুস দাবী করেন ৫০,০০০/- আমি পরিশোধ করি ৩০,০০০/-। আমার পেনশনের চেক ৫ দিন অফিস আটকিয়ে রাখেন পরিশোধ কম করায় আমার ঈদুল ফিতরের বোনাস এখন পর্যন্ত দেন নাই।
আমি একটি জন্ম নিবন্ধন সনদ সনদের সংশোধনের জন্য ১৭ নং ওয়ার্ড কমিশন অফিসে যাই, অফিস প্রধান (ওয়ার্ড সচিব) প্রকাশ্যে ২,০০০/= ঘুষ দাবি করে, যদি না দেই তাহলে ৩/৬/১২ মাস এমনকি নাও পেতে পারি, তাই বাধ্য হয়ে দিতে হলো, মজার ব্যাপার হলো আমার ২ মেয়ে, একজনেরটা টাকা দেয়ায় ১ সপ্তাহের মধ্যে পেলাম, আরেকজনের টাকা না দেয়ায় প্রায় ১০ মাস হলো, এখনো ইসু্য হয়নি।
যদি আমি টাকা না দেই তাহলে ১৫/২০ দিন পর মালিকানা পরিবর্তন করতে হবে।
সেবা ছিলো এল এ অফিসে জমি অধিগ্রহণের বিল পাস,৮%দাবি ৫ % পরিশোধ করা হেয়েছে
আমার গাড়ির দশ বছর মেয়াদি রেজিষ্ট্রেশন করা ছিল সেটা শেষ হলে ব্যাঙ্কে টাকা জমা দিয়ে ট্যাক্স টোকেন সংগ্রহ করার জন্য বিআরটিএ চাপাই নবাব গঞ্জ যায় তারা গাড়ি পরিদর্শন করবে না অন্যদিন আসতে বলে তারপর ৩০০ টাকা সহ কাগজ জমা দিতে বলে।
সন্তানের জন্ম নিবন্ধনে ইংরেজী নাম আছে বাংলানাম সংযুক্ত করতে গিয়ে ২০০০/- উপরি দিতে হয়েছে। অন্যথায় সন্তানের ভর্তী রেজিস্ট্রেশন করা যাচ্ছে না।
আমার ৬ চাকার একটি ট্রাক আছে। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কেনা। ঝিনাইদহ থেকে সিলেট যাবার পথে রানিং রাস্তায় হঠাৎ গাড়ির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। অনেক কষ্টে গাড়ি রাস্তার সাইডে পার্কিং করলেও ভিআইপি কোন একজন উক্ত রাস্তা দিয়ে আসার কথা বলে গোয়াইনঘাট থানার CSI — নামের একজন অফিসার ড্রাইভারকে অনেক বকাবকি করে এবং দ্রুত গাড়ি নিয়ে চলে যেতে বলে,ড্রাইভার তাকে কোনভাবেই বোঝাতে পারেনা,ইঞ্জিন বিকল হলে ধাক্কা দিয়ে লোড গাড়ি সড়ানো অসম্ভব। এরপর পুলিশ অফিসার কোনরুপ সাহায্য না করে থানা থেকে একটা গাড়ি নিয়ে এসে গাড়ির সাথে দড়ি বেধে থানার পাশে একটা স্থানে নিয়ে যান,এরপর ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। অনেক রিকোয়েস্ট করেছিলাম,১০০ টাকাও কম রাখেন নাই। রেকার বিল দেখিয়ে ১০ হাজার টাকায় নেন,কোন রশিদ দিতেও রাজি না হলে ৭হাজারের একটা কাগজ দেন