Driving licences
Driving licences korte
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Driving licences korte
সরাসরি অফিস পিওন চেয়েছে
স্কুল থেকে বিএড স্কেল করানোর জন্য প্রথমে উপজেলা শিক্ষা অফিসে ফাইল পাঠানো হয়। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সেই কাগজ পত্র অনলাইনে চেক করে তা আবার জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে পাঠানো হয়। কিন্তু শিক্ষা অফিসার কাগজ না পাঠিয়ে আমার প্রধান শিক্ষককে দিয়ে আমাকে দেখা করতে বলেন এবং ইনিয়ে বিনিয়ে টাকা দাবি করেন।আর টাকা না দিলে সে ফাইল না পাঠানোর হুমকি দেন বা পাঠালেও অন্য সময় এর প্রতিশোধ নিবেন বলে হুমকি দেন।আমি কোন ঝামেলায় না জড়ানোর জন্য তাকে ১০০০ টাকা দিয়ে রফা দফা করে ফেলি আর মনে মনে ভাবি যে এত বড় অফিসার কিন্তু সে শিক্ষকের কাছ থেকে ১০০০ টাকা খাওয়ার জন্য কেমন কুকুরের মত করে। শুধু তাই নয়, ট্রেনিং এর সময় টাকা না দিলে তার নাম ট্রেনিং এ দেয় না।
আমি গত জুন মাসের ২২ তারিখে হরিদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদ আমার বাবার মৃত্যু সনদ করতে, সেখানে তাড়া যে টাকা দাবি করেছে তার চেয়ে আরো কিছু টাকা বেশি দিয়ে বলে আসি যে আমার বাবা মৃত্যু সনদটি একটু ইমারজেন্সি দরকার কিন্তু আবেদন দিয়ে আসার এব মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও তাড়া আবেদন পর্যন্ত করেনি দোকানে আবেদন করলে সেই আবেদন তাড়া জমা নিবে এক মাস অতিবাহিত হওয়ার পর একটা মৃত্যু সনদ দেয় যেখানে বাবার নাম, বাবার মা ও বাবার না এবং বাবার জন্ম তারিখ সবকিছুই ভূল অথছ তাদের আমি আমার বাবার নতুন ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন যা অনলাইনে যাচাইকৃত কপি বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রসহ দিয়েছি । তাদের বারবার ফোন এবং যাওয়ারপর একটা কপি দেয় কিন্তু সেটা বাবার জন্ম নিবন্ধন। মৃত্যু সনদের আবার আবেদন দিয়েছি প্রায় দুই মাস হল । উক্ত ইউনিয়নের সচিবের দূর্নিতির শেষনাই
পাসপোর্ট অফিস থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশন আসলে আমাকে আশুলিয়া থানার সামনে ডাকে। থানার সামনে গেলে থানার সামনের কম্পিউটার দোকানের গলিতে নিয়ে যায় এবং আমার কাছে ১৫০০টাকা দাবি করে পরে ১০০০টাকা নেয়। পরে তিন্দিন পর ভেরিফিকেশন কম্পলিট করর দেয়।
আমার কয়েকটি সরকারি চাকুরি হয়। ভ্যারিফিকেশন অনেক গুলো জায়গায় হয়৷ বাড়িতে, ইউনিভার্সিটিতে। পুলিশ টাকা ছাড়া কো অপারেট করে না৷ টাকা কথা না বলা পর্যন্ত ত্রুটি খুঁজে খালি। নিজ থেকে যখন টাকা চায় তখন টাকা দেই। আর প্যারা দেয় না। আর খরচ খোঁজে। এই পর্যন্ত আমার ১০০০০ টাকার উপরে নিয়া গেছে শুধু ভ্যারিফিকেশনে।
NOC করা, প্রথমবার বেতন করা, যেকোনো ভাতা পাওয়ার জন্য, পেনশনের কাজে শিক্ষা অফিসে ও সিজিএ অফিসে ঘুষ দিতে হয়। জিপিএফ ফান্ডে নিজের টাকা নিজে জমাবো তাতেও ওদের ঘুষ দিতে হয়।
আমার স্কুলের একজন শিক্ষক পদত্যাগ করেছে। নতুন শিক্ষকের বেতন করতে ,পদত্যাগকৃত শিক্ষকের ইনডেক্স করতে হয়। ডিলেটের আবেদন করলে 30000 টাকা না দিলে আবেদনটি APPROVED করা হবে না। তাই নতুন শিক্ষকের বেতন করা লাগবে ,তাই টাকাটা পরিশোধ করছি।
পিটিআই তে প্রতিটি ভাতা উত্তোলন এর জন্য প্রতিজন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আদায় করতো। প্রতিবাদ করলে পিটিআই সুপার ও সংযুক্ত হয়।
আমি একটি জন্ম নিবন্ধন সনদ সনদের সংশোধনের জন্য ১৭ নং ওয়ার্ড কমিশন অফিসে যাই, অফিস প্রধান (ওয়ার্ড সচিব) প্রকাশ্যে ২,০০০/= ঘুষ দাবি করে, যদি না দেই তাহলে ৩/৬/১২ মাস এমনকি নাও পেতে পারি, তাই বাধ্য হয়ে দিতে হলো, মজার ব্যাপার হলো আমার ২ মেয়ে, একজনেরটা টাকা দেয়ায় ১ সপ্তাহের মধ্যে পেলাম, আরেকজনের টাকা না দেয়ায় প্রায় ১০ মাস হলো, এখনো ইসু্য হয়নি।
আমার বেশ কিছু নামজারির তদন্ত ছিল এবং ভূমি উন্নয়ন কর ছিল। সেগুলো বিভিন্ন সময় টাকা দিয়ে ছাড়াতে হয়েছে।
মা বাবার জন্য পাসপোর্ট তৈরি করতে হবে উমরাহ হজ পালনের জন্য । তাই পাসপোর্ট করতে পাসপোর্ট ভ্যারিফিকেশন এর জন্য থানায় গেলেই তারা জন প্রতি ৩০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে । টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন হবে না । টাকা দিলে সাত খুন মাফ ভেরিফিকেশন ডান । না দিলে অপেক্ষায় থাকেন কখন হবে কোনো নির্ধারিত সময় নেই ।
নাগরিকত্ব সনদ প্রদান এর জন্য আমাকে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয় এই কাগজ সেই কাজগ নানান জিনিস এর কথা বলা হয়। তার পর আমার বাবা একটা সিস্টেম করে একটা link বের করে ২০০০ টাকা দেয় তার পর সব কাজ সহজে হয়ে যায়।
জমি দলিলের সময় সরকারি রেজিষ্ট্রি খরচ পরিশোধ করে দলিল করার পরও জমির মূল্যের প্রতি ১ লাখে ৫০০ টাকা করে অতিরিক্ত অফিস খরচ দিতে হয়। যেমন জমির মূল্য যদি ৫০ লাখ হয় তবে সমস্ত রেজিষ্ট্রি খরচ পরিশোধের পরও অতিরিক্ত ২৫০০০ টাকা অফিস খরচ হিসেবে দিতে হয়। এই টাকা যায় কোথায়? এটা বাধ্যতামূলক। দিতেই হয়।
আমার চাকরির ভেরিফিকেশনে আমার বাবা একজন বিএনপি নেতার দোকানে চাকরি করে বলে তিনি এটাকে ইস্যু করে ঘুষ দাবি করেন।
কোম্পানী করার জন্য জায়গা কিনে তার খারিজ করাতে গেলে শতাংশ প্রতি ১০০০ টাকা আর ব্যক্তি নামে কিনা জায়গা বিঘা ১০০০০ টাকা ছাড়া খারিজ করবে না। ব্যক্তি নামেরটা খারিজের শেষ পর্যায়ে একটা ডিজপিউট তুলে আরো ৫০০০০ টাকা দাবি করে না দিলে খারিজ বাতিল হয়ে যাবে বলে। টাকাটা পরিশোধ করার পর খারিজ দেয়।
চর কলমি ইউনিয়ন ভুমি অফিসের তোশিলদার —,এই লোকটা আমার থেকে ঘুষ চেয়ে নিয়েছে শুধুমাত্র একটা অনলাইন আবেদন নাম্বার চেয়েছিলাম এই আবেদন নাম্বারটা দেওয়ার জন্য, এবং আমি যে টাকা দিয়েছি এই টাকা নিয়ে সে সন্তুষ্ট হয়নি বারবার ঘুরে ঘুরে শুধু টাকাটা হাতে নিয়ে টাকার দিকে চেয়ে থাকে, প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে ঘুষ ছাড়া কোন কথা বলে না, একটা নামজারির আবেদনে তাকে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা দেওয়া লাগে।
ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কটি চার লেনে উত্তোলনের জন্য সরকার জমি অধিগ্রহণ করে। যার ফলে ঐ সড়কের পাকুন্দিয়া অংশে আমাদের জমিও সরকার অধিগ্রহণ করে, অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ হিসেবে সরকার আমাদের ৯৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরন দেয়। ক্ষতি পূরণের টাকা উত্তোলনের জন্য যখন আমরা জেলা প্রশাসকের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় যায় তখন তারা ২০ লক্ষ টাকা ঘোষ দাবি করে এবং দর-কষাকষি করে না পেরে অবশেষে ১০ লক্ষ টাকায় রফাদফা করি। তাছাড়া দীর্ঘ ১ বছর তারা আমাদের চরম লেভেলের ভোগান্তিতে ফেলে, ১ বছর তাদের দরজায় দরজায় ঘুরে টাকা উত্তোলন করা লাগছে।
নামজাড়ি করতে ১১৭০ টাকা কিন্তু প্রায় ৫০০০ প্লাস টাকা নিছে টাকা না দিলে কাজ হয় না কাহজ যটিলতা করে
কলকারখানা লাইসেন্স ও নকশা অনুমোদনের জন্য ৫ লক্ষ দাবি করে পরে নেগোসিয়েশন করে ২ লক্ষ টাকা দিয়ে লাইসেন্স ও অনুমোদন নিই