জন্ম নিবন্ধন সংশোধন
বলেছে আমাদের খরচ দেন, না দিলে কাজ করবেনা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বলেছে আমাদের খরচ দেন, না দিলে কাজ করবেনা।
টাকা ব্যতীত কোন জরুরী কাগজপত্র দেয় না
আমি একটা সেকেন্ড হ্যান্ড বাইক কিনি এবং সেটা মালিকানা পরিবর্তন করতে গেলে আমি সকল কাগজ পত্র দাখিল করতে গেলে তারা বলে কে পাঠাইছে আপনাকে যখন কে পাঠাইছে বলতে পারছিলাম না তখন আমার কাগজ গুলো ফিরিয়ে দেন।পরে আমি ৪ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিয়ে কাজ টা করিয়ে নিয়েছি। বি: দ্র: আমি কোনোও বেআইনি কাজে টাকা দেয় নি। আমার সমস্ত কাগজ লিগ্যাল ছিলো তবু টাকা ছাড়া কাজ হয় নাই।
ঐ দপ্তর থেকে একটা চিঠি পাঠানো হয় আপনার ১৭ টা ধরনের কাগজ লাগবে। আজ ১০০০ টাকা বিকাশ করলাম কোন কাগজ লাগলো না।
আমি মুলত ২০ তলা নতুন ভবনে বাসবর জন্যআবেদন করি। সেই বাসা বরাদ্দ বাবদ ৩০০০০০ টাকা দিই তাও পাইনি আমাকে ৪৫০০০০ টাকা দিতে বলে। ৪৫০০০০০ টাকা দিতে পারিনি বলে আমার দেওয়া ৩০০০০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২৪০০০০ টাকা দিয়ে পুরাতন ৪ তলা ভবনের দরজা জানালা ভাঙ্গা তিন রুমের বাসা বরাদ্দ পাই।
বাবার পেনশন এর টাকা উঠাতে ঘুষ প্রধান,বাবা আর্মি রিটায়াড,senior warrent officer chilen ,২০০১ এ অবসরে যান,পেনশন টাকা উঠাতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এ যেখানে ফাইল পাশ করা হয় ,ওখানকার এক কর্মচারী আমার থেকে এই ঘুষ নেন,একজন আর্মি পারসন কে ও বাদ দিলোনা,সেনানিবাসে এই ঘুষ চলে?
ড্রাইভিং লাইসেন্স লিখিত ও ভাইভা দেওয়ার পর যখন গাড়ি চালানোর জন্য প্রাকটিক্যাল দিতে যাব তখন একজন ব্যাক্তি এসে বলে যে পাশ করার জন্য একজন স্যারকে দেখিয়ে বলে যে উনাকে ৫০০ টাকা দিতে হবে তাহলে আর পরীক্ষা দিতে হবে না । না হলে ফেল হয়ে যাবো । পরবর্তীতে উনাকে ৫০০ টাকা সরাসরি দিলে উনি রাগান্বিত হয়ে বলেন যে আপনি কি আমাকে বিপদে ফেলবেন সব জায়গায় সিসিটিভি আছে । পরে খামের নিচে টাকাটা নেয় এবং কাজটা করে দেয় । অর্থাৎ আমার গাড়ি চালাতে হয়নি এবং পাশ করিয়ে দিয়েছে ।
ভুমি অফিসে নামজারি করতে ৫০০০ টাকা অতিরিক্ত টাকা দেওয়া হয়েছে ।বাড়তি আরও লাগবে বলছে
আমার মায়ের বাবার সম্পত্তি আমার মামা দখল করে রেখেছে এক সময় আমরা চট্রগ্রাম কোর্ড কর্তিক রায় পেয়ে জায়গা বুঝে পাই রায়ের কপিও আছে তখন আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকার কারণে জয়গাতে কিছু করতে পারি নাই পরে যখন করতে গিয়েছি দেখলাম আমার এক মামা জায়গার ১/৩ অংশ দখল করে দেখেছে বিভিন্নভাবে সামাজিক শালিশ এর মাধ্যমে ও সে ছাড়তে নারাজ পরে আমরা রাউজান থানার সপোর্ধ হই থানাতে দায়িত্ব পায় এস আই এক কর্মচারী আমিও চাকরির সুবাদে বাহিরে থাকায় সে পর্যায়ক্রমে আমার আম্মু থেকে ঘুষের টাকা চাহিয়া নেয় এবং আমার মামা থেকেও মোটা অংকের টাকা খায় এবং পরে সে বলে যতটুকু আছে জায়গা কর না হলে তোর নামে উল্টো মামলা দিবো
মেডিকেলে বেড নিতে হলে ৫০০ টাকা প্রতিরাত দিতে হবে।নাহলে রোগী মেঝেতে থাকবে।
আমাকে রঙ ইউটার্ন এর জন্য ধরেছিলো এবং সরাসরি ঘুষ চেয়েছিলো। এবং এখানে সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে সেখান দিয়ে আরো বহু গাড়ি ইউটার্ন করেছে তাদের কে কিছু বলা হয় নাই।আমি সেটা বলেছি তারা জবাবে আমাকে বলেছে কাকে ধরবো আর না ধরবো সেটা কি আপনার থেকে শিখতে হবে।
২০২২ সালের ইউপি নির্বাচনের আগের কথা, আমি বিদেশে যাবো কিন্তু তখন আমার আইডি কার্ড ছিলো না ,আমি পোষ্ট অফিস থেকে সব কাগজ রেডি করে ৩ মাস ধরে সারাসরি অফিসে কাগজ নিয়ে যাচ্ছি ,কিন্তু আমার কাগজ জমা নেয় না ,বলতেছে সামনে নির্বাচন তাই ,,আমি কয়েকদিন পর পর গিয়েছি ,,তারপর একদিন ওখানে একটা লোককে আমি বলেছি ,বলার পর আমাকে ঘুষের কথা বলেছে ,তারপর ওখানকার মেডামকে বলেছি ওনি আমাকে ৮ হাজার টাকার কথা বলেছিলো ,আমি ওই দিনেই টাকা দিয়েছি ,১ দিনের ভিতর কাগজ নেয়া ,ফিঙ্গার ও ছবি তোলা হয়েছে ,১ সপ্তাহের ভিতর আইডি কার্ড পেয়েছিলাম,,,।অথচ গত ৩ মাসেও আমার আইডি বানিয়ে দেয়নি নির্বাচনের অজুহাতে
আমি একটি নাম-জারীর জন্য আবেদন করি। 4000 টাকা দিয়ে ভূমি অফিস থেকে প্রতিবদন করানো হয়। তারপর নথী ক্যান্টনমেন্ট সার্কেল অফিসে যায়। সার্কেল অফিসের লোকজন বলে এমনিতে কাজ হবে না। এটা করতে কমপক্ষে 70000 টাকা লাগবে। তারপর দাবী প্রত্যাখান করি। তারপর দেখি আমার আবেদন না মঞ্জুর করেছে। আমি যার নিকট থেকে জমি ক্রয় করি তার নামে সিটি নাম-জারী করা ছিলো। সিটি নাম-জারী থাকে নাম-জারী হবে এবং জমিতে বহুতল ভবন আছে। আমার জমির পরিমান ছিল 0.3400 শতাংশ। কিন্তু তারা অনুমোদন দেন নাই। না-মঞ্জুর করে দিয়েছে। টাকা দিলে তারা ঠিকই মজ্ঞুর করে দিতো।
আমি নিজে আবেদন করেছিলাম, সেইখানে, তারা বলে এই আবেদন হবে কম্পিউটার দোকান থেকে করতে হবে, সেখানে বলে আরো অতিরিক্ত ১৮০০ টাকা দিতে হবে। না দিলেও আমি আবেদন করে দিবো, পরে না হলে আমাকে বলতে পারবেন না। তাই আমি পরিশোধ করেছি।
BRTA Smart Card Driving Licence-এর Extra Payment
আমি একটি পুরাতন খতিয়ানের কপি নিয়ে সালন্দর ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গিয়েছিলাম, হোল্ডিং খুলে খাজনা পরিশোধ করতে, দুই ঘন্কিটা বসে ছিলাম কোনো রেসপন্স করছে কেউ। তারপর তহশিলদার পাশের রুমে ডেকে নিয়ে দরজা লাগিয়ে বললেন ২০০০ টাকা লাগবে, নয়তো কাজ হবে না। তখন বাধ্য হয়ে টাকা দিই। কারণ সালন্দরের এই তহশিলদার টাকা ছাড়া কোনো কাজ করেন না।
আমি সরাসরি পাসপোর্ট বানাতে গেলে তরা বিভিন্ন ধরনের ভূল ধরে পাসপোর্ট বানায়নী, পরে দালান এর মাধ্যমে যাওয়ার পর তারা আমার পাসপোর্ট বানিয়ে দিছে,
দান স্বত্বে আমি আমার স্ত্রীকে জমি দিয়েছি, সেটা রেজিষ্ট্রেশন করতে আমার কাছ থেকে ১৪৫০০ টাকা নিয়েছে। আমি দিতে না চাইলে তারা বললো, এই টাকা সব জায়গায় ভাগ হয়, টাকা না দিলে জমি রেজিষ্ট্রেশন হবে না। আমরা সাধারণ জনগণ এর সমাধান চাই। আমরা শুধু সরকারি খরচের টাকা দিবো, আমাদের কেন এতো টাকা দিতে হচ্ছে। দয়া করে ব্যাবস্থা নিন।
শিশু ডাক্তার দেখানোর জন্য টোকেন সংগ্রহ ডাক্তারের সিরিয়াল পেতে 100+200 টাকা পরিশোধ করা লাগছে
চ্যানেল কোড না থাকলে প্রচুর পরিমাণে হয়রানি করা হয়। এই কোডের জন্য এই কোডের জন্য অতিরিক্ত ১৫০০-২০০০ টাকা স্বাভাবিক ব্যাপার।