নতুন বেতন
নতুন চাকরিতে আইবাসে বেতন এপ্রুভ করাতে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন চাকরিতে আইবাসে বেতন এপ্রুভ করাতে
চট্টগ্রাম বন্দরে অঘোষিতভাবে প্রত্যেকেই টাকা ছাড়া কাজ করে না হিসাব থাকায় ১০০০ টাকা বিনিময় ছাড়া জাহাজের এনওসি দিবেনা রেডিও কন্ট্রোলের ৫০০ টাকা ছাড়া জাহাজের তথ্য গুলার এন্ট্রি করে দিবে না ৫০০০ টাকা ছাড়া একজন পাইলট জাহাজ স্থানান্তর করবে না আর যদি টাকা দিতে প্রত্যাখ্যান করি পরেরবার আমাদের প্রত্যেকটি জাহাজের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দেখিয়ে জাহাজটিকে কাজ না করিয়ে বসিয়ে রাখবে চট্টগ্রাম বন্দরে একজন পিয়ন থেকে শুরু করে হারবাল মাস্টার চেয়ারম্যান পর্যন্ত সবাই ঘুষ খায় বিশ্বাস না হলে চট্টগ্রাম বন্দরে সিসি ক্যামেরা দেখলেই পাওয়া যাবে
আমি আমার দোখানে একটা জমা খারিচ করতেই গেসিলাম ওনারা আমার থেকে ২০০০০ টাকা চেয়ে সিলো। কম হবে না কারণ এটা অনেক দামি জায়গা টায় দিতে হবে পরে আমি ২০০০০ টাকা দিয়ে করতেই হইছে আমার আর কিছু করার ছিল না।
একটা গাড়ী নামালাম বাজারে চালাতে ট্রাফিক পুলিশ কে ৩০০ টাকা মাসে দিতে হবে। না দিলে শুধু শুধু মামলা দিতে হবে
আমি আমার জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন, আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন করা এবং একই সঙ্গে আমার ছোট ভাই-বোনের জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজিতে রূপান্তর/সংশোধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যাই। নবজাতকের জন্ম নিবন্ধনের সরকারি ফি ২৫ টাকা হলেও, বাস্তবে আমাকে এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা দিতে হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তার মাধ্যমে আবেদন না করলে অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধন বা আবেদন সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে বাধ্য হয়েই উদ্যোক্তার মাধ্যমে কাজ করাতে হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি ও প্রিন্ট করতে হয়েছে। ফটোকপির জন্য প্রতি কপি প্রায় ৫ টাকা এবং প্রিন্টের জন্য প্রতি কপি প্রায় ২০ টাকা খরচ হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উদ্যোক্তার খরচ এবং কাজের জন্য বারবার ইউনিয়ন পরিষদে দৌড়াদৌড়ি ও সময় ব্যয়।
এটা রপ্তানি শাখা যখন কোন জাহাজ বন্দর ত্যাগের জন্য ছাড়পত্র নেওয়ার সময় এসিস্টেন্ট রেভিনিউ অফিসার ও রেভিনিউ অফিসার প্রত্যেক শিপিং এজেন্ট থেকে টাকা করে দাবি করে এবং যদি না দেই তাহলে তারা ছাড়পত্র দিবে না এটা কমন প্র্যাকটিস হয়ে গেছে। আপনি যদি এখনো চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে রপ্তানি শাখাই জান সেখানে শুধু ৩০ মিনিট অফ্জার্ভ করলেই হবে কি পরিমাণ টাকা ওরা দালালের মাধ্যমে দাবি করে এবং আমাদেরকে পরিশোধ করা ছাড়া উপায় থাকেনা যদি কখনো কমপ্লেইন করি তাহলে পরেরবার আমাদের কোন ডকুমেন্টের দাড়ি কমা পর্যন্ত ভুল ধরবে এমনকি অহেতুক ভাবে বলবে যে এ ডকুমেন্টটি কমিশনার পর্যন্ত যাবে এতে আমাদের জাহাজ বন্ধ ত্যাগ করতে বিলম্ব হয় তাই নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করতে হয়
পাসপোর্ট অফিসার বলে আপনার স্থায়ী ঠিকানা ঢাকায় না তাই এখানে পাসপোর্ট করা যাবেনা। বর্তমান ঠিকানার নাগরিক সনদ আনেন, না হলে পাসপোর্ট হবেনা। পরে এক আনসার সদস্য বলে ১৫০০ টাকা দেন করে দিবো। পরে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিলে পাসপোর্ট হয়ে যায়।
পাসপোর্ট টি কোনো ঝামেলা ছাড়াই করে দিবে, কোনো ধরণের কাগজ পত্র লাগবেনা, শুধু জাতীয় পরিচয় পত্র হলেই হবে। দালাল চক্র পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ফর্মে তাঁদের একটি ইমেইল নম্বর বসিয়ে দিলো যার ফলে পাসপোর্ট অফিসার আর কোনো প্রশ্ন করেন নি। কিন্তু দালাল চক্র ছাড়া যখন পাসপোর্ট ফর্ম জমা দিতে গিয়েছিলাম তখন আমাকে কিছু কাগজ না থাকার কারণে আটকিয়ে দিয়েছিলেন।
আমার বদলির হওয়াটা এতই জরুরি যে, তাদের দাবিকৃত চার লাখ টাকার মধ্যে দুই লাখ অগ্রিম দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। তিনি টাকা গুণে গুণে রাগত স্বরে আমাকে ফিরিয়ে দিয়ে বললেন, চার লাখ এর একটাকা কম হলে বদলি হবে না। আমি বদলির পরে বাকি দুই লাখ দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উত্তরে বললেন, রুম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় যে লোকটিকে দরজার ওপাশে দেখবেন, সেও এসেছে বদলি নিতে, ও চারলাখ এনেছে, ওকে রুমে আসতে বলুন। উল্লেখ্য , এহেন খোলামেলা ও ঔদ্বত্যপূর্ণ কথা যিনি আমাকে বলেছেন , তিনি একটা অধিদপ্তরের সর্বোচ্চ পদে আসীন।
নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদ হতে প্রতিটি প্রত্যয়ন পত্র এর জন্য ১৫০ টাকা করে নিচ্ছে। তারা আমার কাছ থেকে ৪ টি প্রত্যয়ন পত্র বাবদ ৬০০ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে প্রত্যয়ন পত্র দিতে চাই না। টাকা দেওয়ার পর তারা প্রত্যয়ন পত্র করে দেই। তাছাড়া প্রটি জন্মনিবন্ধন করার জন্য তারা ২০০ টাকা চাঁদা দাবি করে।
আমার বাড়ি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের এক নাম্বার ওয়ার্ড, আমার গরুর ডেইরি ফার্ম আছে আমি গাজীপুর জয়দেবপুর রেলগেটে গেছিলাম ভ্যাকসিন আনার জন্য একটা হইল এলএসডি লাব্বি স্কিন ম্যাকসিন ,আরেকটা হলো খোঁড়া রোগের ভ্যাকসিন ওই হাসপাতলে একজন ডাক্তার কিছু পানিকে ভ্যাকসিন বা ইনজেকশন পুশ করছিল তখন আমি তার সাথে কথা বলি যে আমার একটা লাম্পিং স্ক্রিন ভ্যাক্সিন লাগবে উনি আমাকে জানাবে বলে কোথায় জানি চলে গেল, তারপরে এসে আমাকে বলে নাই কিন্তু ব্যবস্থা করে দেওয়া যাবে ৬০০ টাকা লাগবে, আর খোঁআড়া রোগের জন্য আমি জিজ্ঞেস করলাম সে বলল ১৮০০ টাকা লাগবো আমি ৬০০ টাকা দিয়ে এলএসডি ভ্যাকসিনটা নিলাম আর নাম্বারটা দিয়ে আসলাম আমাকে এখনো ফোন দেয় নাই ডাক্তার
১৮ বছরের ২ জন জরুরী প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে গেলে পুলিশী হয়রানি মূলক মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে ৫ হাজার ঘুষ নেয়।
Jomi registry krte geley dalal diye kora lage sorkari seba paoa jayna. Ami 3tr jnno 80000 disi already
Abedon korar por onk somoy nicchilo. Kno progress chilona. Poroborti te akjn constable dhore tk dia kaj ti korano lage. Jeta neoa lage bagerhat theke. Okhaneo tk dabi kore. But na thakay dite pari ni. Pore se doya kore dia dy
বিকাশে টাকা দিছি । আম
নামজারীতে জমির পরিমাণ ভুল, যা সিটি কর্পোরেশনের নামে কিছু অংশ রের্কড হয়।
রোগী জন্য সিট নিতে হলে 250 টাকা দিতে হবে
বাংলাদেশের সকল হিসাবরক্ষণ অফিসে ৫% হারে পরিশোধ করে বিল গ্রহণ করতে হয়। পেনশনের জন্য নির্ধারিত অংকের টাকা পরিশোধ না করলে পেনশন গ্রহণ করা যায় না।
আমি ২০১৭ সালে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগাদান করি। ২০২৬ সালে এসে আমাদের জুনিয়র ও সিনিয়র কলিগরা চাকুরির পূর্বে মাস্টার্স ডিগ্রীর জন্য ১/২ টি করে ইনক্রিমেন্ট পায়। সেইটা ২০১৭ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৩ লক্ষ টাকা হয়। কাগজপত্র সব ঠিক। তবুও হিসাবরক্ষণ অফিস আমাদের ১১ জনের থেকে ৩% করে ঘুষ দাবি করে টাকা আটকিয়ে রাখে। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে তাদের দাবিকৃত টাকা দিয়ে আমরা বিল হাতে পাই।
এখানে নিধারিত রেট প্রতি লাখে ২০০ টাকা স্পিড মানে মানে কোটিতে বিশ হাজার টাকা