দলিলে নকল
গত ২৮ জুলাই ২০২৬ নাঙ্গলকোট সাব রেজিস্ট্রার অফিসে একটা হেবা দলিল হয় আমার। দলিলের খরচ নিয়েছে ৮০০০ (আট হাজার) টাকা। একই দিনে উক্ত দলিলের নকলের জন্য নিয়েছে আরো ২৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গত ২৮ জুলাই ২০২৬ নাঙ্গলকোট সাব রেজিস্ট্রার অফিসে একটা হেবা দলিল হয় আমার। দলিলের খরচ নিয়েছে ৮০০০ (আট হাজার) টাকা। একই দিনে উক্ত দলিলের নকলের জন্য নিয়েছে আরো ২৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা।
৩০০০০ টাকার কমে নামজারি করবে না
আমি আমার কাবিননামা Apostle করতে দিয়েছিলাম , এটা সরকারি ভাবে সম্পুর্ন ফ্রী তারপর ও এক দল লোক টাকা নিয়ে কাজ করে দিয়েছে ।
বিভিন্ন অজুহাতে নামজারি প্রদানে বিলম্ব করে অতিরিক্ত অর্থ দাবি। পরিশোধ সাপেক্ষে নামজারী প্রদান করা হয়েছে।
টাকা না দিলে কাজ কাজ হয় না, কাগজ আটকে রাখে
আমার ওয়ারীশসূত্রে প্রাপ্ত জমির জন্য নামজারি করতে গেলে আমার থেকে ১০,০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করতে হয়। অন্যথায় হয়রানি সীমাহীন যেমন: তদন্ত রিপোর্ট নেগেটিভ দেওয়া, আবেদন বাতিল ইত্যাদি ইত্যাদি। দুঃখের বিষয় হলো ১০,০০০ টাকা দেওয়ার পরেও আমার সৃজিত দলিলে বিদ্যমান থাকা জমি তারা আমার খতিয়ানে সম্পূর্ণ আনতে পারেনি, জমি না আসার বিষয়টি আমাকে পূর্বে অবগত করেনি, বা অন্যকোন সমস্যা থাকলে সেটাও আমাকে জানায়নি। তারা জাস্ট টাকা নিয়ে খতিয়ান একটা করে দিল। তারা পরবর্তীতে এ বিষয়ে কোন সমাধানও দেয়নি না। এ অফিসে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না। সাধারণ নাগরিকের প্রপ্য সেবা যেগুলো ফ্রিতে পাওয়ার কথা সেগুলোও টাকা ছাড়া হয়না। অফিসের নাম: কাকারা ইউনিয়ন ভূমি অফিস অফিসের ঠিকানা: ছিকলঘাট ষ্টেশনের পূর্ব পাশে, চকরিয়া, কক্সবাজার।
নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদ হতে প্রতিটি প্রত্যয়ন পত্র এর জন্য ১৫০ টাকা করে নিচ্ছে। তারা আমার কাছ থেকে ৪ টি প্রত্যয়ন পত্র বাবদ ৬০০ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে প্রত্যয়ন পত্র দিতে চাই না। টাকা দেওয়ার পর তারা প্রত্যয়ন পত্র করে দেই। তাছাড়া প্রটি জন্মনিবন্ধন করার জন্য তারা ২০০ টাকা চাঁদা দাবি করে।
VAT officer came for random inspection in my factory. Took away all the documents from the office without any inspection warrant. Told my employees to meet the inspector at the VAT office. Upon going there he made up claims of VAT tk 35 lac. He hinted me to settle it with a bribe of tk 5 lac or else he will lock my BIN. So, reluctantly I had to settle with him outside his office! This took place this year in the month of March.
নতুন চাকরিতে আইবাসে বেতন এপ্রুভ করাতে
চট্টগ্রাম বন্দরে অঘোষিতভাবে প্রত্যেকেই টাকা ছাড়া কাজ করে না হিসাব থাকায় ১০০০ টাকা বিনিময় ছাড়া জাহাজের এনওসি দিবেনা রেডিও কন্ট্রোলের ৫০০ টাকা ছাড়া জাহাজের তথ্য গুলার এন্ট্রি করে দিবে না ৫০০০ টাকা ছাড়া একজন পাইলট জাহাজ স্থানান্তর করবে না আর যদি টাকা দিতে প্রত্যাখ্যান করি পরেরবার আমাদের প্রত্যেকটি জাহাজের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দেখিয়ে জাহাজটিকে কাজ না করিয়ে বসিয়ে রাখবে চট্টগ্রাম বন্দরে একজন পিয়ন থেকে শুরু করে হারবাল মাস্টার চেয়ারম্যান পর্যন্ত সবাই ঘুষ খায় বিশ্বাস না হলে চট্টগ্রাম বন্দরে সিসি ক্যামেরা দেখলেই পাওয়া যাবে
আমি আমার দোখানে একটা জমা খারিচ করতেই গেসিলাম ওনারা আমার থেকে ২০০০০ টাকা চেয়ে সিলো। কম হবে না কারণ এটা অনেক দামি জায়গা টায় দিতে হবে পরে আমি ২০০০০ টাকা দিয়ে করতেই হইছে আমার আর কিছু করার ছিল না।
একটা গাড়ী নামালাম বাজারে চালাতে ট্রাফিক পুলিশ কে ৩০০ টাকা মাসে দিতে হবে। না দিলে শুধু শুধু মামলা দিতে হবে
আমি আমার জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধন, আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন করা এবং একই সঙ্গে আমার ছোট ভাই-বোনের জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজিতে রূপান্তর/সংশোধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যাই। নবজাতকের জন্ম নিবন্ধনের সরকারি ফি ২৫ টাকা হলেও, বাস্তবে আমাকে এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা দিতে হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তার মাধ্যমে আবেদন না করলে অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধন বা আবেদন সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে বাধ্য হয়েই উদ্যোক্তার মাধ্যমে কাজ করাতে হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি ও প্রিন্ট করতে হয়েছে। ফটোকপির জন্য প্রতি কপি প্রায় ৫ টাকা এবং প্রিন্টের জন্য প্রতি কপি প্রায় ২০ টাকা খরচ হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উদ্যোক্তার খরচ এবং কাজের জন্য বারবার ইউনিয়ন পরিষদে দৌড়াদৌড়ি ও সময় ব্যয়।
স্থান: তাহিরপুর উপজেলা ভূমি অফিস, সুনামগঞ্জ। ভূমি নামজারির (ই-নামজারি) নির্ধারিত সরকারি ফি মাত্র ১,১৭০ টাকা। তবে, আবেদনটি প্রক্রিয়া করার জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ দাবি করেন। নামজারির কাজটি সম্পন্ন করতে এবং ইচ্ছাকৃত দাপ্তরিক হয়রানি বা দিনের পর দিন ঘোরানো থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে ১২,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। এই মোটা অঙ্কের ঘুষ না দিলে, কর্মকর্তারা ইচ্ছাকৃতভাবে ফাইল আটকে রাখেন এবং জমির বৈধ রেকর্ড হালনাগাদ করতে সরাসরি অস্বীকার করেন।
আমার বাড়ি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের এক নাম্বার ওয়ার্ড, আমার গরুর ডেইরি ফার্ম আছে আমি গাজীপুর জয়দেবপুর রেলগেটে গেছিলাম ভ্যাকসিন আনার জন্য একটা হইল এলএসডি লাব্বি স্কিন ম্যাকসিন ,আরেকটা হলো খোঁড়া রোগের ভ্যাকসিন ওই হাসপাতলে একজন ডাক্তার কিছু পানিকে ভ্যাকসিন বা ইনজেকশন পুশ করছিল তখন আমি তার সাথে কথা বলি যে আমার একটা লাম্পিং স্ক্রিন ভ্যাক্সিন লাগবে উনি আমাকে জানাবে বলে কোথায় জানি চলে গেল, তারপরে এসে আমাকে বলে নাই কিন্তু ব্যবস্থা করে দেওয়া যাবে ৬০০ টাকা লাগবে, আর খোঁআড়া রোগের জন্য আমি জিজ্ঞেস করলাম সে বলল ১৮০০ টাকা লাগবো আমি ৬০০ টাকা দিয়ে এলএসডি ভ্যাকসিনটা নিলাম আর নাম্বারটা দিয়ে আসলাম আমাকে এখনো ফোন দেয় নাই ডাক্তার
পাসপোর্ট টি কোনো ঝামেলা ছাড়াই করে দিবে, কোনো ধরণের কাগজ পত্র লাগবেনা, শুধু জাতীয় পরিচয় পত্র হলেই হবে। দালাল চক্র পাসপোর্ট এপ্লিকেশন ফর্মে তাঁদের একটি ইমেইল নম্বর বসিয়ে দিলো যার ফলে পাসপোর্ট অফিসার আর কোনো প্রশ্ন করেন নি। কিন্তু দালাল চক্র ছাড়া যখন পাসপোর্ট ফর্ম জমা দিতে গিয়েছিলাম তখন আমাকে কিছু কাগজ না থাকার কারণে আটকিয়ে দিয়েছিলেন।
আমার বদলির হওয়াটা এতই জরুরি যে, তাদের দাবিকৃত চার লাখ টাকার মধ্যে দুই লাখ অগ্রিম দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। তিনি টাকা গুণে গুণে রাগত স্বরে আমাকে ফিরিয়ে দিয়ে বললেন, চার লাখ এর একটাকা কম হলে বদলি হবে না। আমি বদলির পরে বাকি দুই লাখ দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উত্তরে বললেন, রুম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় যে লোকটিকে দরজার ওপাশে দেখবেন, সেও এসেছে বদলি নিতে, ও চারলাখ এনেছে, ওকে রুমে আসতে বলুন। উল্লেখ্য , এহেন খোলামেলা ও ঔদ্বত্যপূর্ণ কথা যিনি আমাকে বলেছেন , তিনি একটা অধিদপ্তরের সর্বোচ্চ পদে আসীন।
এটা রপ্তানি শাখা যখন কোন জাহাজ বন্দর ত্যাগের জন্য ছাড়পত্র নেওয়ার সময় এসিস্টেন্ট রেভিনিউ অফিসার ও রেভিনিউ অফিসার প্রত্যেক শিপিং এজেন্ট থেকে টাকা করে দাবি করে এবং যদি না দেই তাহলে তারা ছাড়পত্র দিবে না এটা কমন প্র্যাকটিস হয়ে গেছে। আপনি যদি এখনো চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে রপ্তানি শাখাই জান সেখানে শুধু ৩০ মিনিট অফ্জার্ভ করলেই হবে কি পরিমাণ টাকা ওরা দালালের মাধ্যমে দাবি করে এবং আমাদেরকে পরিশোধ করা ছাড়া উপায় থাকেনা যদি কখনো কমপ্লেইন করি তাহলে পরেরবার আমাদের কোন ডকুমেন্টের দাড়ি কমা পর্যন্ত ভুল ধরবে এমনকি অহেতুক ভাবে বলবে যে এ ডকুমেন্টটি কমিশনার পর্যন্ত যাবে এতে আমাদের জাহাজ বন্ধ ত্যাগ করতে বিলম্ব হয় তাই নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করতে হয়
বাবার সূত্রে পাওয়া জমি, 2 টি বন্টন নামা দলিল করার প্রথমেই চুক্তি করি নেই, ১ টি দলিল ২৪ হাজার টাকা ওপর টি ৬০ হাজার টাকা. আমার বোন তার প্রাপ্য জমি বন্টন এর পূর্বেই বিক্রি করে যা বন্টন নামা দলিল এ তার বিক্রয় কৃত জমি শূন্য বা না দাবি লেখা হয়. (যদিও এইটা দলিল লেখকদের পরামর্শেই করি) কিন্তু ফাইল অফিসারের টেবিলে পৌঁছানোর আগেই জমি রেজিস্ট্রেশন কর্মকর্তা না দাবি লেখার কারণে ভুল ধরে. পরবর্তীতে 2 টি দলিল পার করতে চুক্তি টাকা ছাড়াও ৯৫০০০/- টাকা অতিরিক্ত প্রদান করতে হয়. যা আমাদের মতো প্রবাসীদের পক্ষে মেনে নেয়া অত্যন্ত কষ্টের😒. কিন্তু দেখার কেউ নেই এক আল্লাহ ছাড়া.
পাসপোর্ট অফিসার বলে আপনার স্থায়ী ঠিকানা ঢাকায় না তাই এখানে পাসপোর্ট করা যাবেনা। বর্তমান ঠিকানার নাগরিক সনদ আনেন, না হলে পাসপোর্ট হবেনা। পরে এক আনসার সদস্য বলে ১৫০০ টাকা দেন করে দিবো। পরে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিলে পাসপোর্ট হয়ে যায়।