গাজিপুর বাসন থানার তদন্ত ওসি ছিলো anonymous
আমার একটা ঘটনা আমি ভিক্টিম ছিলাম উল্টো আমাকেই দিতে হয়েছে ৫০০০০ পঞ্চাশ হাজার টাকা। টাকা টা নিয়েছে ২০২৩ সালে গাজিপুরের বাসন থানার তদন্ত ওসি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার একটা ঘটনা আমি ভিক্টিম ছিলাম উল্টো আমাকেই দিতে হয়েছে ৫০০০০ পঞ্চাশ হাজার টাকা। টাকা টা নিয়েছে ২০২৩ সালে গাজিপুরের বাসন থানার তদন্ত ওসি
বন বিভাগ থেকে নবায়নকৃত করাত কলের লাইসেন্স। পাঠানো হয় ইউএনও'র অফিসে। সেখান থেকে ফোন করে কাগজ পত্র নেয়ার জন্য দেখা করতে বলা হয়। ইউএনও'র সহকারী আগেই বলে রাখে স্যারের বিষয়টা মনে রাইখেন। কথা অনুযায়ী ইউএনও অফিসে গেলে ইউএনওর সহকারী ৩০০০০ টাকা দাবী করে। পরে ২৪০০০ হাজার টাকা দিয়ে কাগজ নিয়ে আসি।
আমি মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলাম আমার মাথায় হেলমেট ছিল। পিছনের জনের হেলমেট হাতে ছিল। এর জন্য উত্তরা জসীমউদ্দীন মরে ট্রাফিক পুলিশ আমার থেকে ১০০০ টাকা ঘুষ নেই। যা কোন মামলার কাগজ আমাকে দেওয়া হয় নাই।
Amar baba amader 2 vai 1 bon, ebong, amar ma k kicu jomi heba kore dise, setar jonno, amar elakar ek jon ventor, 60,000 tk nise. Location: Cumilla, chauddogram, 4 no. Sreepur union, post office, podua, bosuahra gram.
Want to give fine 2000, but I am successful to manage him with 500 taka
আমাদের জমির উপর দিয়ে গ্যাস পাইপলাইন গিয়েছিল,নিয়ম অনুযায়ী আমরা মৌজা রেইট থেকে তিনগুন বেশি পাওয়ার কথা ,তো সব কাগজ দলিল দেওয়ার পর বললো যে ওকে আপনাদের এত পাওনা আপনারা যদি টাকা পেতে চান মোট টাকার সাত শতাংশ আমাদের দিতে হবে না হয় ভুল বের করে ফাইল আটকে দেওয়া হবে।চেক পাওয়ার আগে নির্দিষ্ট জায়গায় নগদ টাকা দিতে হবে,তারপর চেক হস্তান্তর করা হবে। এটি হয়েছিল ফেনী ডিসি অফিসে।
10 % হতে 15% হারে,নয়ত বিল পাস করতে তালবাহানা।কিছু বিল ফেরত দিয়েছে,নানাভাবে হয়রানি,টাকা না পাওয়া বিল ফেরত দিয়েছে।অথচ বিগত বছর টাকা পেয়ে যে ধরনের বিলগুলো পাস করেছে, এ বছর টাকা না দেওয়ার একই ধরনের বিলে পাস করে নাই।সরকারি অফিসের বিলে টাকা চায়,দু:খজনক।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি প্রকল্পে ইউএনও অফিসে ১০%, পিআইও অফিসে ১০%, ইঞ্জিনিয়ার অফিসে ১০%, চেয়ারম্যান ৫%, সচিব ৫%, ভ্যাট, ৮-১০% খরচ হয়। অবশিষ্ট টাকার কাজ হয়। এবার বোঝেন কতটা কাজ হয়। অনেক প্রকল্পের কিছুই হয় না। শুধু তুলে খায়।
জিডি ও অভিযোগের তদন্ত ও আইনি সহায়তার জন্য
টাকা ছাড়া বেতন চালু হবে না বলছে।
গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের দূর্নীতি থামবে কবে? আজ আমি বাইক এক্সিডেন্ট করে সদর হাসপাতালে যাই। আমার গোরালি ফেটে গেছে এবং অনবরত রক্ত ঝরছে। আমি সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে গেলে তারা আমার পায়ের গোরালি সেলাইয়ের কথা বলে সুতা কেনার জন্য ৩৫০/- এবং ড্রেসিং করার জন্য ৫০/- টাকা দাবী করে। বিষয়টি যে অনিয়ম তা আমি স্পষ্ট জানি কিন্তু আমার করার কিছু নেই্।। গোরালি থেকে রক্ত ঝরছে এবং আমি অসুস্থ। এ। অবস্থায় ঝামেলা করলে হয়তো তারা আমার চিকিৎসায় করতো না আর হয়তো উল্টো পয়জন ইনজেকশন পুস করতো। কারন দূর্নীতিবাজের ধর্ম নেই। আমি প্রমান রাখার জন্য তাকে কৌশল করে বলি ক্যাশ টাকা নেই। বিকাশ নাম্বার দেন। পরে সে বিকাশ নাম্বার দেয় আর আমি ৪০০ টাকা সেন্ড মানি করি। জরুরী বিভাগের যে কয়টা লোক রয়েছে এরা প্রতিনিয়ত রোগীদের সাথে
দলিল রেকর্ড করতে গিয়েছিলাম। অফিসিয়াল ১১৫০ টাকা ফি ছিলো কাজ করার জন্য যার থেকে যেমন পারে নিতাছে। আমার কাছে ৬০০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। এই দূর্নীতি ভেঙ্গে দেয়া হোক। পটুয়াখালী সদর
সেবাটি ছিলো থানা শিক্ষা অফিসে প্রাইমরি IPMS পোর্টালে স্কুলের একাউন্ট নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হয়, সলটি সক্রিয় করার তাগিদ দিয়ে এবং ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে বই বিতরণের জন্য আবেদন, জরিপ, চালান তৈরি করার সেবা দেয়ার পরিবর্তে ১০০০ টাকা দাবি করেছে, খরচ হিসেবে চেয়েছে এই টাকা, দিতে না চাইলে বা কম দিতে চাইলে অ্যাকাউন্টের জটিলতা নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করার চেষ্টা করে
সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল. ঢাকা. তিনতলা গাইনী বিভাগের সামনে অপারেশন থিয়েটারেন যেকোন অপারেশন পর টাকা এনেস্থিসিয়া দেওয়ার সময় টাকা নেয়। তবে ১০০০/- নিচে দিলে তারা নেয় না বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে। এই টাকাটা মনে হয় নাস নিয়ে থাকে তাদের পদবী ঊল্লেখ ছিলো না। মা ও শিশু হাসপাতাল, মোহাম্মদপুর বাচ্চা হওয়ার পরই আয়াদের টাকা দিতে হয় ওটি রুম থেকে চেয়ে টাকা নেয় কম দিলে মানে না সাথে আনসার জড়িত। বাচ্চা হওয়ার পরই আয়া
কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলা পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এ বিগত বছর থেকেই ইউনিয়ন পরিষদ এ জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে ২০০ টাকা করে নিচ্ছে যেখানে জন্ম নিবন্ধন নতুন করতে গেলে ৫০ টাকা লাগে এবং সংশোধন করতে 100 টাকা লাগে কিন্তু এখন পর্যন্ত ২০০ টাকা করেই নেয় যেটা প্রকাশ্যে সবাই জানে কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করে না। দাউদকান্দি উপজেলা সকল ইউনিয়ন এ একই অবস্থা আপনারা সরেজমিনে তথ্য নিলে জানতে পারবেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এই পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয় নাই। দয়া করে আমার পরিচয় পাবলিক করবেন না। ধন্যবাদ
একই দলিল এর জাগা শরিকধারের নামে অতিরিক্ত রেকর্ড করা হয়েছে l সংশোধন করার জন্যে আবেদন করেছিলাম l আমার কাগজপত্র সব সঠিক ছিল l আমি কিছু বলার আগেই ভদ্রলোক বললেন পনেরো হাজার টাকা লাগবে l এই কাজের জন্য অনেকবার গিয়েছি, কেউ কথা বলেনা l অবশেষে বাধ্য হয়ে আত্মসমর্পণ করতে হলো l ওই লোকের বাড়ি কুমিল্লা বুড়িচং
আবেদন প্রসেস করার জন্য টাকা চেয়েছিল
ড্রাগ লাইসেন্স নবায়নের সময় ৫ থেকে ৬ লক্ষ্য টাকা খরচ হয়
আমি খতিয়ান প্রস্তুত করতে নিয়ে যায় আনোয়ারার একটি ভূমি অফিসে। সে কোনভাবে ফাইলটি দ্রুত উপজেলা ভূমি অফিসে পাঠাচ্ছিল না। পরে একজন বলে এই কাজ দ্রুত হওয়ার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তাকে কিছু টাকা দাও, তারা তখন করে দিবে। যথারীতি আমি ৬০০০ টাকা দিলে কাজটা হয়ে যায় দ্রুত। তবে উপজেলা ভূলি অফিস খতিয়ান দেয়ার সময় কোন চার্জ করেনি। ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে বাধ্য হয়ে দিতে হলো।
রাজউক এর কর্মকর্তারা যখন কোনো ব্যক্তি কোনো বাড়ি বানান, তখন তাদের কিছু প্রতিনিধি বা দালাল চক্র বিভিন্ন এলাকায় থাকে, যখন কেও বাড়ী বানান , তখন ওই সব দালাল , বাড়ি বানানোর তথ্য রাজউক কর্মকর্তাদের জানান, পরে কর্মকর্তরা বাড়ির মালিকের কাছে টাকা দাবি করেন না দিলে বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে বাড়ি বানানো বন্ধ করে দেন, পরে টাকা দিলে সকল সমস্যা ঠিক হয়ে যায়, তাদের অবশ্যই টাকা দিয়ে বাড়ী বানাতে হয়। @