পাসপোর্ট নবাযন
ফর্ম জমা করা যাচ্ছিলো না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফর্ম জমা করা যাচ্ছিলো না
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে যে কি পরিমান দুর্নীতি হয় এটা বলার বাইরে যে কোন কিছু সংশোধন করতে গেলে বিশেষ করে যেমন রেজিঃ কার্ড সংশোধন, বয়স হোক বা নাম হোক বা মাতার নাম পিতার নাম , তারপর পরীক্ষার সময় হচ্ছে সাবজেক্ট সংশোধন বা অন্য কিছু। জনপ্রতি মিনিমাম ৫০০ থেকে দেড় হাজার/ ২০০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হয় এটা বর্তমানে কি অবস্থায় আছে আমি জানিনা কারন বর্তমানে নাকি এটা অনেক কমে এসেছে নতুন চেয়ারম্যান আসার কারণে । আগে তো হচ্ছে কিছুদিন আগে টাকা না দিলে আপনাকে চিনবেই না এরকম একটা দশা ছিল
Licence ar jnno deoha hy. Tarpr o num ar banan vul ase
আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর মৃত্যু সনদ নিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফার্মগেট অফিসে গেলে ওয়ার্ড সচিব আমাকে ডিসি অফিস থেকে সই করিয়ে আনতে বলেন। এটি তাঁদের দায়িত্ব উল্লেখ করায় তিনি সনদ প্রদানের বিনিময়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এতে অসম্মতি জানালে তিনি নিজেই ডিসি অফিসে গিয়ে সই নেওয়ার কথা বলে আমাকে হয়রানির হুমকি দেন। কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েই বাবার মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করতে হয়।
মিথ্যা মামলা দিয়ে টাকা নিয়েছে। হয়রানি করার ভয় দেখিয়েছে। হত্যা মামলার নাম দিয়ে মামলা বানিজ্য করে পুলিশ।
গত শেষ 8 2016 তারিখে আনুমানিক আড়াইটার দিকে বাইক এক্সিডেন্ট করি ভাই কি আমার ছেলে — আহত হয় পুরে ঢাকা মেডিকেল জরুরী বিভাগে নিয়ে যায় সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার একজন ওয়ার্ড বয় কে ডেকে দেয়। ওয়ার্ড ভাই আমাদের কাছ থেকে ৮০০ টাকা দাবি করলো যদি টাকা দেই তাহলে তাকে চিকিৎসা করবে সেলাই ও ব্যান্ডেজ করে দিবে পরে নিরুপায় হয়ে আমরা টাকা দিতে বাধ্য হই। কিন্তু দুঃখজনক আমি উনার নামটা বলতে পারছিনা
হাসপাতালে রোগীর জন্য সিট নিতে হলে 250 টাকা দিতে হবে না হলে সিট খালি নাই
এন আই ডি র পিতার নাম সংশোধন করতে ৩০,০০০/- টাকা দিতে হয়েছে।
দালাল ছাড়া পাশ করা সম্ভব নয়। তারপরও ২বছর লেগেছে লাইসেন্স হাতে আসতে। হয়রানির তো শেষ নেই
জিডির তদন্ত করার জন্য
সরকারি চাকুরির ভেরিফিকেশনের জন্য , পুলিশ বাড়িতে এসে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর, পরের দিন বিকালে মাহিগঞ্জ বাজারে ২০০০০ টাকা নিয়ে দেখা করতে বলে। অফিসে স্যারদের পিছনে খরচ রয়েছে জানান না হলে ভেরিফিকেশন নো হবে।
আমাকে আউটসোর্সিং এ চাকরি দিবে কথা বলে ২০২৩ সালে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল ওই অফিসের কেয়ারটেকার। চাকরি তো হই নাই, টাকার জন্য এখানো ঘুরাঘুরি করি। টাকা ফেরত দেবার তারিখ বিহীন চেক দিছিল, কিন্তু ওই একাউন্ট আজ পর্যন্ত টাকা রাখেনি। একপ্রকার চেক দিয়ে প্রতারণা করেছিল। আমার কাছে প্রমাণ সহ আছে। এমন অনেকেই এখনো ভুক্তভোগী হয়ে ঘুরাফেরা করছে।
আসসালামু আলাইকুম কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার এসআই — আমার থেকে ২ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে। আমার মত ভুক্তভোগী এবং বাদী পক্ষের থেকে নাস্তা খাওয়ায় কথা বলে ঘুষ নেওয়াটা আমি অযৌক্তিক মনে করছি। শুধু আমার না এভাবে প্রত্যেক অভিযোগ এবং মামলায় তিনি অনেক অনিয়ম এবং ঘুষ নিয়ে থাকেন। তিনি একজন ঘুষ খোড় এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি। আপনার তদন্ত করলেই জানতে পারবেন । বিস্তারিত লিখতে পারলাম না । তদন্ত করলেই সব পরিষ্কার হতে পারবেন।
ঘুষ না দিলে খারিজ আবেদনের প্রস্তাব প্রেরণ করা হয় না। ফাইল গায়েব হয়ে যায়। শুধু শুধু গ্রাহক হয়রানি করা হয়। বিনা কারণে নেতিবাচক প্রতিবেদন দেওয়া হয়। শেষ বেলা খারিজ নামঞ্জুর করা হয়। তবে জমির অবস্থান, পরিমাণ, জমির মূল্য ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে খারিজের জন্য ঘুষের টাকা কম-বেশি হয়। বানিজ্যিক জমির ক্ষেত্রে ঘুষের পরিমাণ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়।
স্থানীয় সরকার শাখায় ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী পদে গণ বদলীর মাধ্যমে জিম্মি করে সাবেক ddlg মহোদয় উৎকোচ গ্রহণ করেছে। বদলী বানিজ্য এতটাই প্রকট যে গত বছরের এপ্রিল/২৫ হতে জুলাই/২৬ পর্যন্ত মোট ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণের মোট ৮টি এবং হিসাব সহকারীদের ৩টি বদলীর অর্ডার হয়েছে। যার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়েছে। আমি নিজে ভুক্তভোগী।
জমি রেজিস্ট্রেশনের সময় আমাদের কাছে ১,০০,০০০ টাকা অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়, যা ‘সিস্টেম’ বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। দীর্ঘ আলোচনার পর আমি মোট ৮৪,০০০ টাকা প্রদান করি। অর্থ গ্রহণকারী ব্যক্তি রেজিস্ট্রি অফিসের একজন নিম্নপদস্থ কর্মচারী ছিলেন, যিনি বিভিন্ন কাগজপত্র ও সমন্বয়ের কাজ করতেন বলে আমার ধারণা। আমি নিজ চোখে দেখেছি যে তিনি প্রাপ্ত অর্থের একটি অংশ আলাদা করে রাখেন এবং বাকি অর্থ অন্যত্র নিয়ে যান। পরবর্তীতে আমি বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে শুনেছি যে এ ধরনের অর্থ অফিসের বিভিন্ন স্তরে ভাগাভাগি হতে পারে। তবে এ বিষয়ে আমার ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ কোনো প্রমাণ বা প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ নেই। তাই এই অংশটিকে আমি শোনা তথ্য বা ধারণা হিসেবেই উল্লেখ করছি।
আমাকে বলা হয়েছিলো *আপনি শুধু পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করবেন * বাকিটা আমরা দেখবো।
আমার বাচ্চার জন নিবন্ধন করার জন্য টাকা দিতে হয়েছে, সরকারি সঠিক নিয়ম এ নিবন্ধন করতে হলে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে, কারণ সরকারি অফিসাররা প্রতিটা সাক্ষর এর জন্য একটা নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়।তবে ঘুষ দিলে ২ দিনের ভেতর কাজ হয়ে যায়। প্রতিটা জন্ম নিবন্ধন এর জন্য আলাদা আলাদা পরিমাণের টাকা প্রয়োজন হয়। কর্মকর্তারা সরাসরি ঘুষ নেন না, তাদের পক্ষে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ঘুষ নেন। @
নরসিংদী জেলার সদর উপজেলার চরদিঘলদী ইউনিয়নের, সামাজিক সুরক্ষা ক্ষাতে, প্রতিবন্ধী, বিধবা, বয়স্ক ভাতা সহ সমস্ত ভাতার অন্তর্ভুক্ত হতে হলে, প্রত্যেক ব্যক্তিকেই ৫০০০/৭০০০ টাকা করে দিতে হয়, এটা তাঁরা ভুক্তভোগীকে প্রচন্ড চাপ ও হুমকি ধমকির মাধ্যমে গোপন রাখতে বাধ্য করে থাকে। পাশাপাশি ইউনিয়নিয়নের প্রতিটি সরকারি সেবা ক্ষাতকেই দুর্নিতির চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে, যেমন ইউনিয়ন ভুমি অফিস, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তথ্যকেন্দ্র, ঘুস, চাঁদাবাজি সহ নানা ধরনের অন্যায় অত্যাচারে সাধারণ মানুষ আজ অতিষ্ঠ। দেখার কেউ নেই।
Fire লাইসেন্স করার জন্য , দালালদের মাধ্যমে লিয়াজো করে এই লাইসেন্স লাইসেন্স নিতে হয়, বর্তমানে এই সার্ভিস আরও জটিল করা হয়েছে, যার জন্য দালালের মাধ্যমে কাজ করতে হয় এবং তাদের সাথে লেনদেন ছাড়া এটা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।