মিসকেস
দিলে দ্রুত কাজ হবে। না দিলে কবে হবে ঠিক নাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দিলে দ্রুত কাজ হবে। না দিলে কবে হবে ঠিক নাই।
বিআরটিএ ড্রাইভিং ট্রেইনিং এ ভর্তি হই আমি।যেখানে তারা(ট্রেইনিং ড্রাইভাররা) জানায় যে কাগজ আগাবে না এই যতই চেষ্টা করা হোক না কেন যদি এই ১০০০০ টাকা না দেয়া হয়। এভাবেই সবাই করে এবং করলে আপনার কাজ দ্রুত হয়ে যাবে এবং ঝামেলা ছাড়া। আমার পরিবারের ৩ সদস্যের এই ঝামেলায় পড়তে হয় লাইসেন্স করিয়ে নিতে মোট ৩০০০০ টাকা। পুরোটাই সিন্ডিকেট।খালি ড্রাইভার না সব স্তরের সবাই জরিত কম বেশি কারন ড্রাইভার রা কেউই বার্তি টাকা কম বেশি চায়না সবাই ১০০০০ এর আশেপাশে দাবি করেছে।এই টাকা ছাড়া নাকি কাজ আগায় না।
আমার কাছে মেসেজ আসে যে গাড়ি ফিট। কিছুক্ষনের মধ্যেই সার্টিফিকেট পাব। এমন সময় এক লোক আমার ফাইল হাতে নিয়ে এসে বলে আপনার চাকার মাপ গড়মিল আছে। ১৪০০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম আমারতো ফিটনেসের মেসেজ এসেছে। বলে যে, ঐ মেসেজে কাজ হবেনা। গাড়ি নিয়ে চলে যান। পরে ৫০০০/- নগদ দেয়ার ৫ মিনিট পরেই আমার সার্টিফিকেট হাতে দিয়ে দেয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য সচরাচর একজন ডিউটি পুলিশ বাসায় আসেন, কাগজপত্র দেখেন। গত ২ বার (২০১৯, ২০২৪) এভাবেই হয়েছিল, কোন অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করা লাগে নাই। অথচ, এবার, ২০২৬ এ এসে একই থানা থেকে এক ডিউটি অফিসার ফোন করে জানালো কাগজপত্র নিয়ে থানায় যেতে ভেরিফিকেশনের জন্য। গেলাম, আমাকে একটা কক্ষে নিল যেইখানে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। কাগজপত্র দেখে বলল, "সব ঠিক আছে, ফটোকপি প্রিন্টের খরচ বাবদ কিছু টাকা লাগবে।" আমি বললাম, "সব কিছু মিলায়ে তো আমরা ১৫০০ টাকা করে দিচ্ছি, আগে যেটা ৫০০ টাকা ছিল।" তিনি বললেন, "সেটা আমাদের ব্যাপার না, সরকারের ব্যাপার। আপনার কাজ আমার করে দিতে হচ্ছে, সেই হিসাবে প্রত্যেক থানাতেই একটা ফিক্সড পেমেন্ট থাকে"। পরে দরকষাকষির পর ১০০০ টাকায় কাজ করে দিতে রাজি হলেন।
আমার রোগি ফেনী সদর হাস্পাতালে গত বছর এর অক্টোবর মাসে ভর্তি ছিল।ভর্তি হওয়ার পর রোগিকে ৪ তলায় নিয়ে যাওয়া জন্য আমাকে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে।এমনকি রোগির পরিক্ষার জন্য রোগিকে নিচে নামাতেও হাস্পাতালের কর্মীকে দিতে হয়েছে ২০০ টাকা।রিলিজ করার পর হাসপাতালের নার্স ১০০ টাকা দাবি করেছে,পরে তাকেও এই টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।নার্স বলেছে ১০০ টাকা পরিশোধ না করলে ডাক্তারের লেখা প্রেসক্রিপশন সে আমার হাতে দিবেনা।
নামজারী আবেদন ফাইলের সাথে ২৫০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়, এটা নিয়ম। ছেলেটা তথ্য দিয়ে হেল্প করে প্রায় ১০ বছর।
আমি মূলত নিজেই ইউটিউব থেকে পাসপোর্ট করেছিলাম ১০ বছরের জন্য ৬৪ পৃষ্ঠা, এরপর পেপার গুলি নিয়ে সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা গল্পতে ব্যস্ত থাকার কারণে পাত্তা দিচ্ছিলেন না এরপর একবার মেয়ে না মাত্র চেক করে বলবেন হবে না, এটা মিসিং ওটা মিসিং এটা ভুল ওটা ভুল। অথচ পাশেই কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে দেখলাম আমার থেকেও পেপার দিয়ে একই দিনে ফিঙ্গার জমাসহ সকল কাজ সম্পূর্ণ করল। পরে বাধ্য হয়ে আমাকেও ২৫০০ টাকা দিয়ে করে নিতে হলো, কম্পিউটারের ওই লোক নিজেই অফিসে নিয়ে গিয়ে পিঙ্গার জমা করিয়ে দিলেন। ওখানে কোন কিছু ভুল হলো না আবার নতুন কোন কিছু সংযোজন করতেও হয়নি। এরপর থানা পুলিশ ভেরিফিকেশন এর ডেট এর আবার ওখানে গিয়ে পুলিশ মামা দোকানে চা খাওয়াতে হলো আবার কিছু ১৫০০ টাকা দিতে হলো।
নাম যারি করতে লাগে ১১৭০ টাকা আমার দিতে হচ্ছে ১০০০০ টাকা
ছোট একটি হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য কলকারখানার লাইসেন্স জন্য আবেদন করছিলাম অনলাইনে। অধিদপ্তর থেকে লোক এসে যাচাই বাচাই করে গিয়ে ৪০০০০ টাকা দাবি করে লাইসেন্স দিবার জন্য। শেষ পর্যন্ত ২৪ হাজার টাকায় রফা হয় এবং আমি তা পরিশোধ করি।
জমি সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্ত ভার পরে এক এস আই এর কাছে। সে এস আই গিয়ে জমি দেখা শেষে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে৷ আমি ১০০০ দিতে চাইলাম তারা নাকি ২ জন এসেছে! এটা সেটা! পরে ১৫০০ টাকা নেন! তেল খরচ, এটা সেটা অযুহাত দেখিয়ে তারা সব সময় এমন ঘুষ নিয়ে থাকে৷
পুলিশ দাবি করেছিল, আমার পাসপোর্ট খুব দরকার ছিল আমি কিছু বলতে পারি নাই
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে মা ছোট ভাই এবং স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্য টিকিট কাউন্টারে তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাটতে যায় দীর্ঘ সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে তখন লক্ষ করলাম কাউন্টার থেকে কাউকে টিকিট দিচ্ছে না বলল টিকিট শেষ। কিন্তু কষ্টের বিষয় কাউন্টার এর পাশেই খোলা ময়দানে দাড়িয়ে টিকেট কালোবাজারি করছে ৩ গুনের চেয়ে ও বেশি টাকা দিয়ে। মা আর বউ এর কারণে বাধ্য হয়ে নিতে হলো
উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে যে কোন বিল পাস করতে গেলে, মোট টাকার পাচ শতাংশ হারে টাকা দিতে হয়। এটা বাধ্যতামূলক। না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে আটকিয়ে রাখে। টাকা দিলে ভুল থাকলেও সমস্যা নেই।
চরফ্যাশন উপজেলার ভূমি অফিস এর সকল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ লেনদেন হয়। টাকা ছাড়া ভূমি সংক্রান্ত কোনো সেবা পাওয়া যায় না। চর কলমি ইউনিয়ন, চরফ্যাশন, ভোলা, চর কলমি ভূমি অফিসে নামজারি আবাদেন এর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রতিবেদন প্রাপ্তি রিপোট এর জন্য আমাকে ১৫০০ টাকা দেওয়া লাগছে। টাকা দেওয়ার আগে পর্যন্ত অনেকদিন আমার হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। সরজমিন প্রমাণ পাবেন।
নতুন পার্সপোট বানাতে গেলে সব কাগজ ঠিক থাকার পরেও একবার এক ভুল ধরে ২/৩ বার যাওয়ার পরে বিরক্ত হয়ে পার্সপোট অফিসের সামনে এক কম্পিউটার এর দোকানে গেলে তারা নিজে থেকে এই বাড়তি টাকা দাবি করে এবং টাকা দেওয়ার পর একটি কোড লিখে দেয় এরপর একই ফাইল জমা নিয়ে নেয়
মূল সেবা ফি -১১০০+ দেওয়া লাগছে - ১৬০০০
Spouse visai bira desh a jawar jonno amr akta nikkha nama sottaon ar dorkar hoi.....ami jotha jotho vabe sob kisu abedon kori.....oi jaigai bola cilo 5 din ar modde kaj hobe....but 15 din hoiya jai kaj hoi na.....tokhon ami abedon track kore dekhi....amr abedon zila register ar kajjaloi a pending ache...zila register ar office a gela ....amk bole kaji k ante hobe .....ami kaji k niya jai ....kaji khai 5000....kaji jawyar por bivinno talbahana kore .... register officer ar computer oparator 12000 taka ghush chai...ami baddo hoiya taka ta dai..karon hate somoy cilo na....
আমি আমার জমির নামজারী আবেদন করার জন্য ভূমি অফিসে গেলে আমার কাছ হতে সরকার নির্ধারিত ফি 1170 টাকার অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা দাবি করায় আমি সেটি দিতে বাধ্য হয়েছি।
আমি —, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সদস্য, আমার বাড়ী চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি উপজেলায়.আমাদের ফটিকছড়ি উপজেলা নানুপুর সাব রেজিস্ট্রার অফিসে প্রতি দলিল প্রতি লাখে একহাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হয় সাব রেজিস্ট্রার কে, সাব রেজিস্ট্রার — উনি একবার ভয়ে আমার ঘুষের টাকা ফেরত দিয়েছে, পরবর্তী আবার ও টাকা দিতে হয়েছে আরেকটি রেজিষ্ট্রেশন করতে,
আমি ছোট একটি ব্যবসা পরিচালনা করি সে আমাকে ভ্যটের ভয় দেখিয়ে বার বার ঘুস দাবি করে এবং আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আমার কাছ থেকে ঘুস আদায় করে নেয়।