দলিল রেকর্ড করার জন্য
দলিল রেকর্ড করতে গিয়েছিলাম। অফিসিয়াল ১১৫০ টাকা ফি ছিলো কাজ করার জন্য যার থেকে যেমন পারে নিতাছে। আমার কাছে ৬০০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। এই দূর্নীতি ভেঙ্গে দেয়া হোক। পটুয়াখালী সদর
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিল রেকর্ড করতে গিয়েছিলাম। অফিসিয়াল ১১৫০ টাকা ফি ছিলো কাজ করার জন্য যার থেকে যেমন পারে নিতাছে। আমার কাছে ৬০০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। এই দূর্নীতি ভেঙ্গে দেয়া হোক। পটুয়াখালী সদর
বাবার সম্পতি নামখারিজ করার জন্য আবেদন করলে তারা সেটায় আটকে দেয় এবং দেড়ি করতে থাকে উপায় না পেয়ে পরে টাকা দিতে বাধ্য হই তারা নামেরর ভুল, রেকর্ড এ জায়গা নাই বা কম এইসব বলে অথচ জায়গা আমাদের দখলে এবং দলিলে ও সব কিছু আছে। কি যে এক্টা অবস্থা আল্লাহ বাচাক আমাদের
সেবাটি ছিলো থানা শিক্ষা অফিসে প্রাইমরি IPMS পোর্টালে স্কুলের একাউন্ট নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হয়, সলটি সক্রিয় করার তাগিদ দিয়ে এবং ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে বই বিতরণের জন্য আবেদন, জরিপ, চালান তৈরি করার সেবা দেয়ার পরিবর্তে ১০০০ টাকা দাবি করেছে, খরচ হিসেবে চেয়েছে এই টাকা, দিতে না চাইলে বা কম দিতে চাইলে অ্যাকাউন্টের জটিলতা নিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করার চেষ্টা করে
সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল. ঢাকা. তিনতলা গাইনী বিভাগের সামনে অপারেশন থিয়েটারেন যেকোন অপারেশন পর টাকা এনেস্থিসিয়া দেওয়ার সময় টাকা নেয়। তবে ১০০০/- নিচে দিলে তারা নেয় না বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে। এই টাকাটা মনে হয় নাস নিয়ে থাকে তাদের পদবী ঊল্লেখ ছিলো না। মা ও শিশু হাসপাতাল, মোহাম্মদপুর বাচ্চা হওয়ার পরই আয়াদের টাকা দিতে হয় ওটি রুম থেকে চেয়ে টাকা নেয় কম দিলে মানে না সাথে আনসার জড়িত। বাচ্চা হওয়ার পরই আয়া
নামজারি (Mutation) করতে ১০ হাজার টা দাবি করেছিল । ১০ হাজার টাকা ছাড়া নামজারি (Mutation) করা যাবে না। যেহেতু সকল কাগজপত্র ভুমি অফিস এ তাদের কাছেই আসে তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে -অন্যথায় নামজারি বাতিল হয়ে যায়
কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলা পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এ বিগত বছর থেকেই ইউনিয়ন পরিষদ এ জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে ২০০ টাকা করে নিচ্ছে যেখানে জন্ম নিবন্ধন নতুন করতে গেলে ৫০ টাকা লাগে এবং সংশোধন করতে 100 টাকা লাগে কিন্তু এখন পর্যন্ত ২০০ টাকা করেই নেয় যেটা প্রকাশ্যে সবাই জানে কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করে না। দাউদকান্দি উপজেলা সকল ইউনিয়ন এ একই অবস্থা আপনারা সরেজমিনে তথ্য নিলে জানতে পারবেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এই পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয় নাই। দয়া করে আমার পরিচয় পাবলিক করবেন না। ধন্যবাদ
গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের দূর্নীতি থামবে কবে? আজ আমি বাইক এক্সিডেন্ট করে সদর হাসপাতালে যাই। আমার গোরালি ফেটে গেছে এবং অনবরত রক্ত ঝরছে। আমি সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে গেলে তারা আমার পায়ের গোরালি সেলাইয়ের কথা বলে সুতা কেনার জন্য ৩৫০/- এবং ড্রেসিং করার জন্য ৫০/- টাকা দাবী করে। বিষয়টি যে অনিয়ম তা আমি স্পষ্ট জানি কিন্তু আমার করার কিছু নেই্।। গোরালি থেকে রক্ত ঝরছে এবং আমি অসুস্থ। এ। অবস্থায় ঝামেলা করলে হয়তো তারা আমার চিকিৎসায় করতো না আর হয়তো উল্টো পয়জন ইনজেকশন পুস করতো। কারন দূর্নীতিবাজের ধর্ম নেই। আমি প্রমান রাখার জন্য তাকে কৌশল করে বলি ক্যাশ টাকা নেই। বিকাশ নাম্বার দেন। পরে সে বিকাশ নাম্বার দেয় আর আমি ৪০০ টাকা সেন্ড মানি করি। জরুরী বিভাগের যে কয়টা লোক রয়েছে এরা প্রতিনিয়ত রোগীদের সাথে
একই দলিল এর জাগা শরিকধারের নামে অতিরিক্ত রেকর্ড করা হয়েছে l সংশোধন করার জন্যে আবেদন করেছিলাম l আমার কাগজপত্র সব সঠিক ছিল l আমি কিছু বলার আগেই ভদ্রলোক বললেন পনেরো হাজার টাকা লাগবে l এই কাজের জন্য অনেকবার গিয়েছি, কেউ কথা বলেনা l অবশেষে বাধ্য হয়ে আত্মসমর্পণ করতে হলো l ওই লোকের বাড়ি কুমিল্লা বুড়িচং
আবেদন প্রসেস করার জন্য টাকা চেয়েছিল
ড্রাগ লাইসেন্স নবায়নের সময় ৫ থেকে ৬ লক্ষ্য টাকা খরচ হয়
রাজউক এর কর্মকর্তারা যখন কোনো ব্যক্তি কোনো বাড়ি বানান, তখন তাদের কিছু প্রতিনিধি বা দালাল চক্র বিভিন্ন এলাকায় থাকে, যখন কেও বাড়ী বানান , তখন ওই সব দালাল , বাড়ি বানানোর তথ্য রাজউক কর্মকর্তাদের জানান, পরে কর্মকর্তরা বাড়ির মালিকের কাছে টাকা দাবি করেন না দিলে বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে বাড়ি বানানো বন্ধ করে দেন, পরে টাকা দিলে সকল সমস্যা ঠিক হয়ে যায়, তাদের অবশ্যই টাকা দিয়ে বাড়ী বানাতে হয়। @
দিলে দ্রুত কাজ হবে। না দিলে কবে হবে ঠিক নাই।
আমার কাছে মেসেজ আসে যে গাড়ি ফিট। কিছুক্ষনের মধ্যেই সার্টিফিকেট পাব। এমন সময় এক লোক আমার ফাইল হাতে নিয়ে এসে বলে আপনার চাকার মাপ গড়মিল আছে। ১৪০০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম আমারতো ফিটনেসের মেসেজ এসেছে। বলে যে, ঐ মেসেজে কাজ হবেনা। গাড়ি নিয়ে চলে যান। পরে ৫০০০/- নগদ দেয়ার ৫ মিনিট পরেই আমার সার্টিফিকেট হাতে দিয়ে দেয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য সচরাচর একজন ডিউটি পুলিশ বাসায় আসেন, কাগজপত্র দেখেন। গত ২ বার (২০১৯, ২০২৪) এভাবেই হয়েছিল, কোন অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করা লাগে নাই। অথচ, এবার, ২০২৬ এ এসে একই থানা থেকে এক ডিউটি অফিসার ফোন করে জানালো কাগজপত্র নিয়ে থানায় যেতে ভেরিফিকেশনের জন্য। গেলাম, আমাকে একটা কক্ষে নিল যেইখানে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। কাগজপত্র দেখে বলল, "সব ঠিক আছে, ফটোকপি প্রিন্টের খরচ বাবদ কিছু টাকা লাগবে।" আমি বললাম, "সব কিছু মিলায়ে তো আমরা ১৫০০ টাকা করে দিচ্ছি, আগে যেটা ৫০০ টাকা ছিল।" তিনি বললেন, "সেটা আমাদের ব্যাপার না, সরকারের ব্যাপার। আপনার কাজ আমার করে দিতে হচ্ছে, সেই হিসাবে প্রত্যেক থানাতেই একটা ফিক্সড পেমেন্ট থাকে"। পরে দরকষাকষির পর ১০০০ টাকায় কাজ করে দিতে রাজি হলেন।
আমার রোগি ফেনী সদর হাস্পাতালে গত বছর এর অক্টোবর মাসে ভর্তি ছিল।ভর্তি হওয়ার পর রোগিকে ৪ তলায় নিয়ে যাওয়া জন্য আমাকে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে।এমনকি রোগির পরিক্ষার জন্য রোগিকে নিচে নামাতেও হাস্পাতালের কর্মীকে দিতে হয়েছে ২০০ টাকা।রিলিজ করার পর হাসপাতালের নার্স ১০০ টাকা দাবি করেছে,পরে তাকেও এই টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।নার্স বলেছে ১০০ টাকা পরিশোধ না করলে ডাক্তারের লেখা প্রেসক্রিপশন সে আমার হাতে দিবেনা।
নামজারী আবেদন ফাইলের সাথে ২৫০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়, এটা নিয়ম। ছেলেটা তথ্য দিয়ে হেল্প করে প্রায় ১০ বছর।
আমি মূলত নিজেই ইউটিউব থেকে পাসপোর্ট করেছিলাম ১০ বছরের জন্য ৬৪ পৃষ্ঠা, এরপর পেপার গুলি নিয়ে সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা গল্পতে ব্যস্ত থাকার কারণে পাত্তা দিচ্ছিলেন না এরপর একবার মেয়ে না মাত্র চেক করে বলবেন হবে না, এটা মিসিং ওটা মিসিং এটা ভুল ওটা ভুল। অথচ পাশেই কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে দেখলাম আমার থেকেও পেপার দিয়ে একই দিনে ফিঙ্গার জমাসহ সকল কাজ সম্পূর্ণ করল। পরে বাধ্য হয়ে আমাকেও ২৫০০ টাকা দিয়ে করে নিতে হলো, কম্পিউটারের ওই লোক নিজেই অফিসে নিয়ে গিয়ে পিঙ্গার জমা করিয়ে দিলেন। ওখানে কোন কিছু ভুল হলো না আবার নতুন কোন কিছু সংযোজন করতেও হয়নি। এরপর থানা পুলিশ ভেরিফিকেশন এর ডেট এর আবার ওখানে গিয়ে পুলিশ মামা দোকানে চা খাওয়াতে হলো আবার কিছু ১৫০০ টাকা দিতে হলো।
নাম যারি করতে লাগে ১১৭০ টাকা আমার দিতে হচ্ছে ১০০০০ টাকা
ছোট একটি হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য কলকারখানার লাইসেন্স জন্য আবেদন করছিলাম অনলাইনে। অধিদপ্তর থেকে লোক এসে যাচাই বাচাই করে গিয়ে ৪০০০০ টাকা দাবি করে লাইসেন্স দিবার জন্য। শেষ পর্যন্ত ২৪ হাজার টাকায় রফা হয় এবং আমি তা পরিশোধ করি।
জমি সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্ত ভার পরে এক এস আই এর কাছে। সে এস আই গিয়ে জমি দেখা শেষে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে৷ আমি ১০০০ দিতে চাইলাম তারা নাকি ২ জন এসেছে! এটা সেটা! পরে ১৫০০ টাকা নেন! তেল খরচ, এটা সেটা অযুহাত দেখিয়ে তারা সব সময় এমন ঘুষ নিয়ে থাকে৷