Goods Receive
Engineer —, Mechanical Circle Division, Rangpur LGED. Oni taka chara kichu bujhe na bivinno vabe oni sorkari kaje jotilota kore vendor er theke Taka nai. Amar Jana mote onar bari pabna, ghush er takai koreche 5 tola bari r 3 khana bow.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Engineer —, Mechanical Circle Division, Rangpur LGED. Oni taka chara kichu bujhe na bivinno vabe oni sorkari kaje jotilota kore vendor er theke Taka nai. Amar Jana mote onar bari pabna, ghush er takai koreche 5 tola bari r 3 khana bow.
আমি গত ছয় মাস আগে আমার নতুন বিল্ডিং এ মিটার সংযোজনের জন্য স্থানীয় পল্লী বিদ্যুতের অফিসে অনলাইনে আবেদন করি। প্রায় ৪/৫ গত মাসে পর সবগুলো আবেদন বাতিল করা হয় একটা বাদে। অফিসে যোগাযোগ করা হলে ইন্সপেক্টর বলেন চারটির বেশি মিটার নিতে হলে সাবমিটারের মাধ্যমে সংযোগ দিতে হবে, যাতে একটি থাকবে মেইন মিটার এবং সেখানে খরচ হবে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা। পরবর্তীতে বোয়ালমারী পল্লী বিদ্যুতের অন্য এক দালাল ৪০ হাজার টাকা নিয়ে মিটার সংযোজন করে দিয়েছে। এখন প্রশ্ন হলে ঘুষ দিলে মিটার কিভাবে চলে আসলো?
জন্মনিবন্ধনের তথ্য সংশোধন সরকারি ফি ব্যতীত ২০০ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয়েছিল ডোমার পৌরসভায়।
বলসে কিছু টাকা দিলে ওরা করে দিবে অথবা ওঁদের স্যার আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, এবং স্যার কখন আসবে ঠিক নাই। পরে টাকা দিয়ে বাসায় চলে আসলাম। কাজ অবশ্য পরে ঠিকই করে দিসে।
জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।
পুবের দলিলের রাস্তা থাকার কারনে।
নতুন ফাইল জমা করতে গেলে ফাইল ফেরত দিলো। পরে দালালদের মাধ্যমে গেলাম। ভিআইপি ভাবে হয়ে গেছে সব।
THEY WANT MONEY FOR ONLINE DATA ENTRY.
After I passed on the exam, the update on the online I got failed. then I find out someone to solve this most of time those Broker standing in front of the gate to solve this kind of problem so they’re asking me for 4000 taka for solving this issues so that night I was paid them 4000 and the update report was I got past in that exam.
আমি একজন MPO ভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক। যতগুলো শিক্ষক NTRCA থেকে জয়েন করেন, তাদের সবাইকে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগ দানের পরে ফাইলগুলো মাউশি, ঢাকায় পাঠাতে হয়। তাদের এমপিও ফাইলের কাজ সম্পন্ন করতে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। আমি প্রথমে ঘুষ না দেওয়াতে আমার ফাইল ৪ মাস আটকে রেখেছিল এবং বেতন দেয়নি। আমার কাছ থেকে পরে ১৫ হাজার টাকা নিয়ে ফাইল এপ্রোভ করেছিল। তাদের সিন্ডিকেট হেড অফিস থেকে উপজেলায় প্রান্তিক পর্যায়ে পর্যন্ত আছে।
আমার জিপিএফ এর জমানো টাকা থেকে অগ্রিম কিছু টাকা উত্তোলন করতে অফিসের সহকারী বড় বাবু ৫০০০ টাকা দাবি করেছিল পরে ৪০০০ টাকা পরিশোধ করেছি। আমার আদেশ মঞ্জুর করেছে
Table and Broker Fees
মন্ত্রনালয় বরাবর সরকারি আবেদন ফি পরিশোধ করে আবেদন করার পর, সেটা জেলা পুলিশ সুপার অফিসে আসে সেখানে পুলিশ চায়ের দোকানে ডেকে নিয়ে অতিরিক্ত ১০০০০ টাকা দাবি করে। শেষে ১৫০০ টাকা দেয়ার পর রিপোর্ট মন্ত্রনালয়ে জমা দেয় ঐ পুলিশ কর্মকর্তা।
পাসপোর্ট করার জন্য সাধারণত চেয়ারম্যানের নাগরিকত্ব সনদ/প্রত্যয়নপত্র
স্থায়ী ঠিকানার পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য এসবির দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আমার কাছে ঘুষ দাবি করেছিলো সব কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও খরচ দিতে হবে তাকে।
প্রোভিশনাল সার্টিফিকেট এর অর্থ আগেই ফর্ম পূরণের সময় নেওয়া হয়। এখন সার্টিফিকেট নিতে গেলে ঢাকা কলেজ এর অফিসে কারো থেকে ২০০ টাকা আবার কারো থেকে ১০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে।
বদলি হবার কারণে, বেতন বন্ধ ছিল, বেতন চালু করার জন্য এজি অফিসে, ৩০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমি টিএ ডিএ বিল অনলাইনে সাবমিট করেছি আমার অফিস থেকে হিসাবরক্ষন অফিসে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তারা হার্ড কপি লাগবে বলে। সরকারী আদেশে হার্ড/প্রিন্ট কপি এখন জমা দেওয়ার নির্দেশনা বাতিল করেছে। এরপর আমার ২০০০০ টাকার বিলে ১৫% হারে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে বিল EFT করতে হয়েছে।
সরকারি চাকরিতে সচিবালয়ে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা/প্রশাসনিক কর্মকর্তা নামে সিন্ডিকেট আছে,, এদের কাছে সরকারি সব অধিদপ্তরে যোগাযোগ আছে আছে।। যেকোনো সরকারি চাকরিতে ভাইবার জন্য এদের কাছে গেলে তদবিরের জন্য গেলে পদ অনুযায়ী টাকা নেয়, ১৬ গ্রেডের জবে আমি ১০ লাখ দিয়েছি, তদবির করেছে চাকরি হয়েছে।। আইন মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা — এই সিন্ডিকেটের প্রধান।। এসব করে কোটি টাকার সম্পদ করেছে।।
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে গাজীপুর পাসপোর্ট অফিসে যাই। সব কাগজপত্র ঠিক করে, কিন্তু আমাকে বলা হয়েছে কাগজপত্র ভুল আছে। কিন্তু আমি অনলাইনে সব কাগজপত্র ঠিক করে নিয়ে যাই। আমাকে বারবার বলে ঠিক করে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তারপর আমি আবারো বারবার যাচাই করে নিয়ে যাই, কিন্তু বলে ভুল। তারপর আমাকে বলে পাসপোর্ট অফিসের সাথে ফটোকপির দোকান আছে ওই জায়গায় যাওয়ার জন্য, তারপর আমি বাধ্য হয়ে ওই জায়গায় যাই। ফটোকপির দোকানদার আমার কাছে 20 হাজার টাকা দাবি করে তারপর আমি পাসপোর্ট অফিসে জানাই, তারা বলে ১৭ হাজার টাকা দাও আমি করে দেব। পরে ওই দোকানদারকে ফোন করে বলে দেয় ১৭ হাজার টাকা নেয়ার জন্য। তারপর আমার কাছ থেকে দোকানদার ১৭ হাজার টাকা নেয়।আর আমাকে পাসপোর্ট করে দেয়।আমি নিরুপায় হয়ে ১৭ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই।