খাজনা
৮৪ কর দিতে। আমাকে দিতে হয়েছে ৩০০ টাকা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৮৪ কর দিতে। আমাকে দিতে হয়েছে ৩০০ টাকা
আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি সরকারের ভূলে অর্পিত সম্পত্তির তপশীলভূক্ত হয়। ফলে আমরা খাজনা দিতে পারি নাই। পরবর্তীতে আদালতের রায়ে আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তির তফশিল থেকে অবমুক্ত হয় এবং আমাদের নামে খতিয়ান সৃজন করে খাজনা আদায়ের জন্য চূড়ান্তভাবে আদেশ হয়। তারপর খতিয়ানসৃজন ও খাজনা আদায় কার্য্যক্রম সম্পন্ন করতে ৪,০০,০০০/-(চার লক্ষ) টাকা ঘুষ বাণিজ্যের মধ্যে ২,৫০,০০০/- (দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা ঘুষ বাবদ প্রদান করতে হয়।
পঞ্চগড় জেলা জজ কোট এর জেলা জজ অফিসের তৃতীয় তলায় আপিল শাখায় আমার একটি মামলা ২৪ ধারায় আপিল ছিল (কোট ট্রান্সফারের আপিল) ওই আপিলটির নথি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু সেই আপিল সহকারি আমার কাছে এক হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে। আমি টাকা পরিশোধ করেছি , কারন আমার সময়ের সংকীর্ণতা ছিল তাই তথ্যটি নেয়ার জন্য আমি টাকাটা দিয়েছি।
আমি দিনাজপুর সদর হসপিটালে একদিন সাইকেল গেরেজ করতে যাই । সেখানে পোষ্টার লাগানো ছিল সাইকেল গেরেজ ফি 10 টাকা কিন্তু আমার কাছে 20 টাকা নিয়েছিল। এমন আরো কত মানুষের কাছে টাকা বেশি নিয়েছে এটা বলা বাহুল্য। তবে বিভিন্ন মানুষের কাছে বাড়তি অর্থ নিলে তো এর প্রতিরোধ করা উচিত ধন্যবাদ।
প্রতি সপ্তাহেই আমার শীপমেন্ট হয়, এক্সপোর্ট পারমিশন কপি, ডলার টিটি ভাঙানো, ভর্তুকি ফাইল করা এভাবে প্রতি খাতেই প্রতি সপ্তাহেই ব্যাংক কর্মকর্তা এবং তাদের হয়ে কাজ করে কিছু ব্যাক্তিকে দিতে হয়। জনতা ব্যাংক লোকাল শাখায়, মতিঝিল, আমি বাদেও আরো ৪৫০+ এক্সপোর্টার আছে সবাই একইভাবে ভুক্তভোগী।
টাকা না দিলে NID দিবে না
আমি সার্টিফিকেট সংশোধন এ গেলে কর্মকর্তা চা-পানি খাওয়ার জন্য টাকা দাবি করে। আমার জরূরী ভিত্তিতে NID তৈরির জন্য আমি তাকে তা দিতে বাধ্য হই।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
ভূমির নামজারির জন্য নিজে উপস্থিত হয়ে কয়েক দিন চক্কর কাটা এভয়েড করতে এক হাজারের স্থলে সাত হাজা টাকা প্রদান করতে হয়েছে।
আমি একটা ঠিকাদর কোম্পানির ফাইনাল বিল আনতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পটুয়াখালী জেলা অফিসে গেলে হিসাব রকক্ষক — আমার কাছে দশ হাজার টাকা দাবী করলে আমি অস্বীকার করি।পরে তিনি তার মসজিদের ইট কেনার জন্য টাকা দাবী করলে আমি তাকে ঘুস বাবদ দশ হাজার টাকা দিয়ে কাজটি করিয়ে আনি।
আমার পারিবারিক উত্তরাধিকারি সুত্রে পাওয়া জমি গুলো নামজাড়ী করতে পারছিলাম না, কারন কোন বন্টননামা দলিল নাই। টাকা দিলাম আর এক দিনে নামজারী হয়ে গেল।
My tax file was selected for an audit, and despite having all the required documentation, the officials refused to review my proof. Instead, they demanded bribes of ৳15,000 for the DCT and ৳4,000 for the staff. I was forced to pay them off to avoid a bogus fine of around ৳1,00,000."
ফেনীর ভ্যাট অফিসার এবং তার অফিসের সদস্যরা মিলে মানুষকে ভ্যাটের নামে নাজেহাল করতেছে।সরকার যে ভ্যাট আরোপ করছে সেটা যদি সবাইর থেকে সেইম ভাবে এবং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্রহণ করা হয় তাহলে আপত্তি নাই। এখন উনি যেই প্রতিষ্ঠানকে ধরে ওইটা থেকে কিছ টাকা বাংকে দিয়ে বাকিটা নিজের জন্য রাখি দেয়।আমি ২ টা প্রতিষ্ঠানের জন্য ৫০০০০ টাকার মত পরিশোধ করছি কিন্তু উনি ওই টাকার কোন ইনভয়েচ দেয় নাই।
আমি সরকারি দেওয়া সকল নিয়ম মেনে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি। আমার আবেদনে সব ঠিক ছিলো। আর এই আবেদনটি আমি নিজে করেছিলাম এটাই আমার ভুল। কোনো কারন ছাড়াই আমার আবেদন জমা নেয়নি। কিন্তু তারপর এক দালাল আসলো। তিনি বললো ভাই আপনার সব ঠিক আছে কিন্তু আপনার ভুল হলো আপনি নিজে আবেদন করেছেন। আমাকে(দালাল) ১৫০০ টাকা দেন ২০ মিনিটে কাজ হয়ে যাবে। আমি দলাল কে ১৫০০ টাকা দিলাম তিনি আবেদনে কোনো কিছু পরিবর্তন না করে । একটি গোপন কোর্ড নাম্বার লিখে দেয় আর ১০ মিনিটের মধ্যে আমার আবেদন টি জমা নিয়ে নেয়। এটা শুধু কুমিল্লা না। রাজশাহীতে এক ফ্রেন্ডের পাসপোর্ট করাতে গিয়েছিলাম সেখানে ও সেইম কান্ড। দালাল কে ১৫০০ টাকা দেওয়া লাগে। দালালের গোপন কোর্ড নাম্বার দেওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যে আবেদন জমা নেয় কর্মরত অফিসার।
প্রতিটি এক্সপোর্ট ডকুমেন্টস এর সাথে ১ টা করে সিও/ সাফটা লাগে, যা ৩ টি টেবিল হয়ে ই পি বি থেকে পাশ করতে হয়। সরকারী ফিস ছাড়াও অতিরিক্ত আর ১৫০০ দাবি করে, যা শেষ পর্যন্ত কোম্পানির স্বার্থে এক্সপোর্ট বাধাগ্রস্ত যাতে নাহয় সেজন্য দিতে হয়। যা নিয়মে পরিণত হয়েছে।
ডিসি অফিসের নাম সংশোধন সংক্রান্ত নথি যিনি জমা নেন উনি প্রথমে বলেছিলেন দেড় মাস পর সংশোধন করা হবে, টাকা জমা দিলে ৩ দিনেই সংশোধন।
ডাইরেক্ট টাকা চাইছে দিতে হয়েছে। না দিলে লাইন দিবেনা
চাকুরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হয়, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আনতে পুলিশকে টাকা দিতেই হবে না হলে রিপোর্ট খারাপ দিয়ে দেবে।
হাউজিং অফিসে যে কোন মানুষ যদি সেল পারমিশন বা নামজারি বা আনুষঙ্গিক যে কোন কাজ করতে যায় তার এই টাকা পরিশোধ করতেই হবে। আমাকে ও করতে হয়েছে।
আমাকে বলা হয়েছে, আপনি নিজে নিজে এসব কাজ করতে গেলে আপনাকে পাঁচ থেকে ছয় বার ঢাকায় আসতে হবে। যেহেতু আমি ঢাকার বাইরে থাকি এবং বারবার ঢাকায় এসে আমার জন্য কষ্টসাধ্য ব্যাপার তাই একবারে বিশ হাজার টাকা দিলে আমার নামজারি কমপ্লিট করে আমাকে পাঠায় দিবে। আমি আমার সঙ্গে থাকা পেপারগুলো উনাকে দেখানোর পরেও উনি আরো অনেকগুলো পেপার সাইজ যেগুলোর নামজারির সঙ্গে সম্পৃক্ত না। শেষ পর্যন্ত আমি টাকা দিয়ে কন্টাক করি।