নামজারী খরচ অনেক বেশি নেয়
নতুন নামজারি জন্য ভূমি অফিসে যাই তারা ১১৭০ টাকার বিপরীতে ২০ হাজার টাকা দাবি করে, পরে ১৬০০০ টাকায় রাজি হয়, পরে আরেকবার ১৪০০০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন নামজারি জন্য ভূমি অফিসে যাই তারা ১১৭০ টাকার বিপরীতে ২০ হাজার টাকা দাবি করে, পরে ১৬০০০ টাকায় রাজি হয়, পরে আরেকবার ১৪০০০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে
আমি পাসপোর্ট করার সময় আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমাকে অনেক হয়রানি করা হয়, সর্বশেষে বলে যে সার্ভার সমস্যা ফিংগার নেওয়া যাবে না,অনেক কথা বলার পরে ১০০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে ১০০০ টাকা দিলে তখন ফিঙ্গার এবং পাসপোর্টের ফাইল জমা নেয়।
100 gram er beshi gold anle tax dite hobe hobe jana chilo na,,used gold aana hoisilo ,tar majhe kichu gold pore aschilo.. 15 gram beshi chilo gold. customs theke gold rekhe dilo for next process,, customer ofc theke dalal ra gold gulo anar jonno process korte , jorimana soho 250000 taka nilo.. na hole full gold rekhe dewar humki dislo.. je customs er lok ei kaj ta korse amader sathe tar name holo — , [redacted] eta tar number,, customer officer majistrate ,and others lok der naki dite hobe ei taka.. tai amader kas theke 250000 taka nilo
আমি আমার বাবার জন্য পাসপোর্ট নবায়ন করিতে ফরম এ পেশা পরিবর্তন করে ব্যবসা লিপিবদ্ধ করি। আমাকে ট্রেডলাইসেন্স দিতে বলে আমি সাথে ট্রেডলাইসেন্স নিয়ে যায়নি। পবর্তীতে আমি তথ্য কেন্দ্রে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে দায়িত্বরত পুলিশ কষ্টেবলের সাথে যোগাযোগ করতে বলে, সে 2500 টাকা দাবি করে আমি 2000 দিব বলে তার সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হই। পরে সে কলম দিয়ে পেশা পরিবর্তন করে একটি স্বাক্ষর দেন। এরপর আর কোন জটিলতায় পড়তে হয় নি কাজ সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গেছে। ভিতরে যে অফিসার প্রথমে হবে না বলছে সে তখন স্বাক্ষর দেখে কিছুই বলে নি।
৩নং দক্ষিন দুর্গাপুর ইউনিয়ন।আদর্শ সদর।কোতোয়ালি কুমিল্লা।
কয়েকদিন চেষ্টা করেছি নিজে জমা দেওয়ার, অফিসার সারাদিন দাড়িয়ে থাকার পর আল বাল ভুল দেখিয়ে জমা নেয়না। অফিসের হেড কুত্তার বাচ্চা কাগজপত্র ছিড়ে হেডাম দেখায়। পরে দেখলাম সবাই আনসারের কাছে ১৫০০ টাকা দিয়ে জমা দিচ্ছে। পরে তাই করলাম।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য চা খাওয়ার টাকা না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আটকে থাকবে। তারপর ১৫০০ টাকার কাজের জন্য ৩০০০ হাজার টাকা দেওয়া লাগছে। আর আমি বিপদে আছি ভাই ঘুষ দেয়া লাগছে, কারণ সৌদি ভিসা পাইছি কিন্তু পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ছাড়া ভিসা প্রসেসিং করা যাচ্ছে না।
বাবার নামে খতিয়ান ছিল। আর জমিনে যার থেকে নিয়েছিল দাগ নাম্বার কিছুটা পরিবর্তন করা লাগবে। আর খারিজ করাবো। এজন্য তিরিশ হাজার টাকা চাইছিল। ২৫ হাজার টাকা দিয়েছি। সব মিলিয়ে কাজ করা যায় সর্বোচ্চ তিন থেকে পাঁচ হাজার। আর গুলা চায়ের টাকা।
হোল্ডিং ট্যাক্স দিতে গেলে জানায় আমার ট্যাক্স অনেক বেশী ধরা হবে, প্রায় ১০ গুণ বেশী করে দেওয়ার হুমকি দেয়। পরে তার বিকাশ নম্বর দিয়ে ১২০০০ টাকা দিলে কোন সমস্যা হবে না জানায়। শেষে আমি দিতে বাধ্য হই। এই ঘটনা ঘটে — পালানোর একদিন আগে, অর্থাৎ ৪ আগস্ট ২০২৪ সালে।
কর্মির নাম —, তিনি প্রতিটি রোগী থেকে ৫০/১০০ টাকা দাবি করেন। কারন হিসেবে বলে , সাপ্লাই না থাকার কারনে বহির থেকে কিনে নিয়ে আসছে । আমার প্রশ্ন হল আমি ৪/৫ বার ইনজেকশন নিয়েছি কোন বার কি সাপ্লাই ছিল না? সাপ্লাই যদি না থাকে কর্তৃপক্ষ কেন প্রকাশ করে না? জোর আবেদন জানাই এই টাকার ভাগ কার কার পকেটে যায় তদন্ত করা হোক। গরিবদের হক নষ্ট করা যাবে না।
আমাদের রেলের বড় বাবু ছুটির আবেদন পাশ করানোর জন্য ঘুষ নেয় প্রতিনিয়ত। রেলের অন্য বড় বাবু ঘুষ নেয় যে কোন বিল পাশ করানোর জন্য বড় বড় অঙ্কের টাকা নেয়
প্রথমে চিঠি দিয়ে অফিসে আসতে বলে, লাইসেন্স করতে সরকারি খরচ ৫০০ টাকা কিন্তু অনেক নিয়ম মানতে হবে।অনেক ডকুমেন্ট দিতে হবে,যা দিয়া অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব না।যেমন : সরকারের নিধারিত ইলেক্ট্রক দোকানের ওয়ারিং ডিজাইন করতে হবে।ভাড়ার দোকানে মালিক ও করে দিবে না
সরকারী ফ্রি ঔষদ দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়
দালাল চাড়া এখানে কোনো কাজ হয় না। দালাল চাড়া ড্রাইভিং ১০০তে১০০ ও শিখে যাই তাহলেও ফেল দালালকে যখন টাকাটা দিলাম তখন বললো শুধু খাতাটায় নাম রোল লিখে জমা দিয়ে চলে যান ২দিন পরে অনলাইনে আপডেট পাবেন ঠিক তাই হলো
একটি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত এবং মৃত প্রিন্সিপাল এর বিরুদ্ধে অন্যায্য একটি অডিট আপত্তির যৌক্তিক জবাব দেখে, শীর্ষ অফিসার বললেন, অভিযোগ গুরুতর। ফাইল আটকে রাখা হলো।ডেস্ক অফিসার তার রুমে নিয়ে বললেন, আর কিছু ডকুমেন্ট দিতে পারলে, আমি ফাইল নিষ্পত্তি করাতে পারবো। অবসরপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল এর পেনশন না হওয়ায় তার রিলেটিভগণ ঐ কলেজের একজন স্টাফকে মোট দুই লক্ষ টাকা সহ পাঠিয়ে ফাইল ছাড়িয়ে নিয়ে আসলেন।
ঢাকা ওয়াসা থেকে আবাসিক পানির সংযোগ নেওয়ার জন্য রাস্তা কাটার অনুমতি পেতে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ সরকারি ফিসহ প্রায় ২,০০,০০০ টাকা দাবি করে। অনুমতি পাওয়ার জন্য আমাকে উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হয়েছে; অন্যথায় রাস্তা কাটার অনুমতি প্রদান করা হতো না।
Sob documents thik chilo,fitness thik chilo,,but car er fitness certificate neyar jonno document submit korar somoy 500 tk na dile sign korbe na..
টাকা না দেয়ার কারনে রমজানের বন্ধে আমাদের প্রাপ্য টাকা আটকে দেন বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত টিইও —। পরবর্তীতে আমরা ৭৮ জন শিক্ষক ২০০ করে টাকা দিয়ে তার কাছ থেকে এই শ্রান্তি ভাতা ছাড় করিয়ে আনিতে হয়েছিল। এই কাজে দালালি করেছে —,যে একজন সহকারী শিক্ষক। আর এর সাথে জড়িত আছে শিক্ষা অফিস এ মাস্টার রোলে চাকরি করা —।
টাকা না দিলে এমপিও আবেদন ফরওয়ার্ড করবে না, এমন পরিস্থিতিতে টাকাটা দিতে হয়েছিল উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে।
উর্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশনা ছিল স্কুল ভিত্তিক প্রশ্ন পত্র তৈরির কিন্তু সেই নির্দেশনা না মেনে দূর্ণীতির উদ্দেশ্যে পুরো উপজেলার ২২৩টি স্কুলের প্রশ্নপত্র উপজেলা শিক্ষা অফিস তথা টিইও একাই প্রশ্নপত্র ছাপানোর কাজ করে। প্রতিসেট প্রশ্ন তৈরিতে যেখানে নুন্যতম খরচ ৩ থেকে সাড়ে ৩ টাকা সেখানে প্রতিসেট প্রশ্নে আদায় করা হয়েছে ১০ টাকা। উপজেলায় শিক্ষার্থী সংখা ত্রিশ হাজার প্রায়। সে হিসেবে প্রশ্নসেটও ত্রিশ হাজার। অর্থ্যাৎ ত্রিশ হাজার গুণন সাড়ে ৬ টাকা = প্রায় ২ লক্ষ টাকার দুর্ণীতি। ১ম এবং ২য় দুই প্রান্তিক পরিক্ষা মিলে ৪ লক্ষ টাকার দূর্ণীতি।