পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময়
পাসপোর্ট ফরম ভেরিফিকেশনের সময় এসবি পুলিশ কল করে আমাকে কাগজপত্র এবং টাকা চেয়েছিল টাকা ছাড়া ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করেনি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাসপোর্ট ফরম ভেরিফিকেশনের সময় এসবি পুলিশ কল করে আমাকে কাগজপত্র এবং টাকা চেয়েছিল টাকা ছাড়া ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করেনি
1st Adhoc Industrial IRC প্রাপ্তির জন্য CCIE (Office of the Chief Controller of Imports and Exports) এ ২০২৩ সালের জুন মাসে ৬০০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করতে হয়।
আমার মা, বাবার জন্মনিবিন্ধন সংশোধনের জন্য আবেদন এপ্রুভাল দেয়ার জন্য এই টাকা ডিসি অফিসের ১৪১ নং রুমের কর্মকর্তা এই টাকা দাবি করে।
আমার বাবা হজের জন্য পাসপোর্ট করতে প্রয়োজনীয় কাগজের আওতায় ইউনিয়ন পরিষদ নাগরিক সনদের জন্য গেলে সচিব বলে ৫০০ টাকা দিতে হবে।হজের নিবন্ধনের তারিখ ঘনিয়ে আসছে দেখে অত্যন্ত জরুরি ছিল। তাই বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে সনদ নিয়ে পরের দিন আজকে বাবা নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে রওয়ানা দেন।
অনেক অনুনয় এবং মিনতি করে সেবাটি পেয়েছি, কল সেন্টার এ বার বার অভিযোগ দাখিল করেও সেবা পাওয়া যায়না, বলে শিডিউল নাই, কোন সেবা কে দিলো , কেনো দেরি হলো? এর কোনো মনিটরিং কিংবা। জবাবদিহিতা নাই l
নামজারি করতে গিয়ে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ও এসিলেন অফিসের সার্ভেয়ার কে এই টাকা দিতে হয়েছে।
আই আরসি নবায়নের জন্য বিডার সুপারিশ
Last year e amar passport renew korte giyechilam Patukhali Passport office e. Okhane jini documents receive koren, uni sob documents pawar poreo NID verification soho aro documents cailo ja required list e nai. Pore bollo apni samne ekta photocopy er dokane jan, ora documents arrange kore dibe. Okhane jawa matroi ekjon dalal amar kache 2000 taka cailo, and kono documents submit na korei oi same lok internally receive korlo. Evabe onek manus k unnecessarily harras Kore. Even Ansar gulo o lokjoner sathe khub kharap acoron kore.
ই নামজারি করিয়েছি। এমনিতে অনেকবার চেষ্টা করেও হয়নি। তারপর ভূমি অফিসের একজন কে ৭০০০ টাকা দিলে ওনি সেটা করে দিয়েছেন।
আমি ভিসা করার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হচ্ছিলো আর পুলিশ ভেরিফিকেশনের আবেদনের জন্য চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট নিতে গেলে তারা ১২০ টাকা দাবি করে এবং কোনো রিসিপ্ট দিতে অস্বিকৃতি জানায়। বি: দ্র- আমি আগেও ঢাকা থেকে নিয়েছি কোনো প্রকার ফি ছাড়া। স্থান-রায়পুর পৌরসভা লক্ষীপুর।
ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলে উপজেলা নির্বাচন অফিসার — আমার কাছে ৩,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন বলে অভিযোগ করছি। তিনি টাকা না দিলে কাজ করবেন না বলেও জানান। সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে এমন ঘুষ দাবি অনৈতিক ও আইনবিরোধী। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আগস্ট ২০২৬ তারিখ । ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমার কাছে নামজারির জন্য ৭ হাজার টাকা দাবি করে । টাকা না দিলে নামজারি বাতিল হয়ে যাবে বলে । এজন্য নিরুপায় হয়ে তাদের টাকা দিতে বাধ্য হই ।
ট্রেড লাইসেন্স করতে খরচ হবে সম্ভবত ২০০০ টাকা কিন্তু দাবি করেছে ৪৫০০ টাকা। ওরা সিস্টেমে এমন করে রাখছে যে সাধারণ মানুষ নিজে গিয়ে এই লাইসেন্স করতে পারবে না।
তহসীল অফিসে আমার ফাইল আটকে রাখা হয়েছিলো। ফোনে খরচ চাইলো । টাকা দেওয়াতে ফাইল উপজেলা এসিল্যান্ড অফিসে পাঠানো হয়েছে।
একটি খতিয়ান খারিজ করতে দিয়ে ছিলাম সে টাকা চায় 7000 হাজার বলে টাকা দিলে কাজ করব না দিলে কাজ করবনা
উমরাহ করার জন্য বৈদেশিক ছুটির আবেদন করি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ পরিচালকের কার্যালয়ে। সেখানে যেই কেরানির কাছে দরখাস্ত দিই সে বলে খরচ দিতে হবে নাহয় ছুটির আদেশ আসতে দেরি হবে।
সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও নামজারির কাজটি দীর্ঘদিন সফটওয়্যারের পেন্ডিং রাখে । পরবর্তীতে ঘুষের অর্থ পরিশোদের পর কাজটি করে দেয় এবং আর কোন অতিরিক্ত ডকুমেন্ট বা কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়নি ।
বাবার আগে পোস্ট অফিসে চাকরি করতেন । পেনশন পেতেন পোস্ট অফিসে পরে পেনশন Bank এ দিবে বলেন । কাগজ জমা দিয়ে ৩ মাস পরেও টাকা পাচ্ছি না । এর মধ্যে অনেক বার অফিসে যোগাযোগ করি কোন ভাবে সাইন হচ্ছে না । পরে ২৫০০ টাকা দিতে বলেছে কোন উপায় না পেয়ে দিতে বাধ্য হয়েছি এর ১ সপ্তাহ পরে টাকা জমা হয়ে গেছে বাবার একাউন্টে
আমার সদ্য একটি সরকারি দপ্তরে চাকরি হয়। উক্ত চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, চট্টগ্রাম, ডিএসবি শাখা হতে এসআই (—) ফোন করেন। উনার সাথে সংশ্লিষ্ট কাজে উনার অফিসে দেখা করতে যাই। উনি আমার কাছ থেকে 5000 টাকা পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পাদনের জন্য দাবি করেন। পরিশোধে ব্যর্থ হলে আমার নামে বিরুপ প্রতিবেদন প্রেরণ করবেন বলে হুমকি দেন। আমি বাধ্য হয়ে 3000 টাকা পরিশোধ করি। এক্ষেত্রে তার ব্যবহার দেখে মনে হয়েছে আমি তার কাছ থেকে টাকা ধার করেছি।
আমি বি এড ফাইল প্রেরণ উপলক্ষে ২০০০ টাকা উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে দেই ।তবুও আমার ফাইল জেলায় প্রেরণ করে নাই। চার মাস থেকে উপজেলায় ফাইল আটকে আছে। এমন তো অবস্থায় আমার কি করা প্রয়োজন ভাবতে পারছি না।