এলপিসি নিতে গেলে টাকা লাগে
টাকা না দিলে এলপিসি পাঠাতে ৩/৪ মাস সময় লাগায় বেতন আটকে যায়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দিলে এলপিসি পাঠাতে ৩/৪ মাস সময় লাগায় বেতন আটকে যায়
ইউনিয়, চেয়ারম্যান ও সচিবের স্বাক্ষর জন্য ঘুষ দিতে হয়। চান্দিনা পৌরসভা।
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য ফর্ম এর সাথে আসল জন্ম নিবন্ধন দেখাতে হয় কিন্তু আমি সেটি নিতে ভুলে গিয়েছিলাম তাই ঘুষ দিতে হয়েছে।
প্রতিটি ১লক্ষ টাকার সঞ্চয় পত্র কেনার জন্য ১২০০ টাকা করে নেয় ,রাউজান পোস্ট অফিসের কর্মকর্তারা।টাকা না দিলে কাজ করে না।
পাসপোর্টের ভেরিফিকেশনের জন্য নােয়াখালি সুধারামপুর থানায় গেলে সেখানকার একজন এসআই এর সাথে যোগাযোগ করলে প্রথমে কাজ হয় নি ৫দিনেও।তারপরে ৫০০ টাকা দিলে কাজ ওকে হয়।
Family relationship certificate 613 tk cilo tokhon. But oi lok 900 -1000 tk nei sokoler kaj theke, ei babe onna kajeo besi tk dabi kore and na dile kaj korena. Onar picture ace amar kace
নামজারি করার জন্য নিয়েছে। তহশীলদার এখন তিনি বদলি
সেচ মিটার দিয়ে অটো চার্জ করায় মিটার খুলে নিয়ে যায় এবং ৬৫০০০ হাজার টাকা চায় পরে আমি ১৫০০০ হাজার টাকা দেয়
আমি এক জন রুগি কে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে যাই ডাক্তার দেখানোর পরে রোগীকে ভর্তি করে দেয় এখন কোন সিট পাইনি বলে কেবিন খালি আছে কেবিন নিতে হবে কিন্তু কেবিনে ভাড়া অনেক তারা অনেক গরিব মানুষ ছিল অনেক চেষ্টার পরে একটি বেড ম্যানেজ করে দিবে বলছেন কিন্তু টাকা দিতে হবে।
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য। আমি আরো কম দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু সেই সাত হাজারের নিচে নিতে রাজি হয়নি। উল্লেখ্য : আমার সব ধরনের ডকুমেন্ট ঠিকঠাক ছিল। সিটি কর্পোরেশনে চাহিদা অনুযায়ী সাবমিট করেছি তারপরও ঘুষ দিতে হয়েছে। জানিনা আমাদের এই দেশ থেকে কবে এই প্রথা বন্ধ হবে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন। আমিন।
তাদের দাবী ছিলো মোট উত্তোলন যোগ্য পেনশনের ৩০% পরিশোধ করা। পরবর্তীতে তাদের সাথে অনেক কথাবার্তা বলে ৮১০০০ টাকায় ফাইল প্রসেস করতে রাজি করিয়েছিলাম। তারা বলছিলেন তারা নাকি সচরাচর ফাইলের মূল্যের উপর ৩০% চার্জ করেন।
ইউনিয়ন কমপ্লেক্স গত দুই বছর আগে আমার বাবার মৃত্তুর সনদ তুলে নিয়ে এসেছিলাম কিন্তু ঘর থেকে সেই সনদ হারিয়ে গেছে কিছু দিন আগে সনদ টার প্রয়োজন হয়েছিলো তাই ইউনিয়ন কমপ্লেক্স এ গিয়ে বলার পরে তাদের সারবার থেকে শুধু বের করে বের করে ফোট কপি করে দিয়ে ২০০ টাকা দাবি করে আমি পতিবাদ করি কারণ আগে থেকে করা সনদ শুধু ৫ টাকা লাগা কথা ফটোকপি খরচ পরে আমার কাছে ১৫০ টাকা নিয়ে সনদ দিয়েছে।
নামজারি করতে গেলাম সরকার এতো গর্ব করে বলে নামজারি করতে লাগে ১১৭০ টাকা কিন্তু দাবি করলো ২২০০০টাকা আমি তো অবাক ।সব থেকে মজার বিষয় এটা যে অফিসার রা নিজেই টাকা খায় বাট সেটা পিয়ন এর মাধ্যমে খায়। আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো আমি বিষয়টা গর্ভারমেন্ট এর মেইল এ বিষয়টা মেইল করছি কিন্তু কোন উওর নাই ।
এমপিও ভুক্ত মাধ্যমিক স্কুলের নতুন এমপিও ভুক্ত করার জন্য ফাইল উপজেলায় পাঠানোর জন্য টাকা দিতে হবে। না দিলে ফাইল ছাড়া হবে না। দিতে বাধ্য হয়েছি।না দিলে আমার ফাইল ডান হবে না আর বেতনও হবে না,এখানে নিরুপায়।কিভাবে এর সাথে লড়াই করবো।
৫০০ টাকা না দিলে হিসাব দিতে চায় না
খাজনা পরিষদ করার জন্য গিয়েছিলাম আমার খতিয়ানে যে পরিমাণ জায়গা আছে ওই পরিমাণ কাজ না আসে এক ১হাজার টাকা আমার থেকে ৪ হাজার টাকা দাবি করে না হলে এক সপ্তাহ পরে আসেন এমন করে ঘুরাতে থাকে
নতুন পাসপোর্ট করার সময় নানা অজুহাতে আমার পেপার জমা নেয়না, পরে ঘুষ দেওয়ার পর যে সমস্যা ছিলো সেটা থাকার পরও কাজ করা হয়েছে। সময় কাল ছিলো: হাসিনার আমলে।
আমার বেতন দিলে জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে পাঁচ বছরের বেতন বন্ধ ছিলো
জমির দলিল খাজনা খারিজ করতে যায় সাড়ে পাঁচ হাজার টাকার জায়গায় বারো হাজার টাকা চায়
আমার পাসপোর্ট এর সাথে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের জন্ম তারিখ মিল নাই,, এজন্য বলছিল আমার এনআইডি কার্ড হবে না,,, তারপর কিছুদিন পর কিছু টাকা দাবি করছে তা পরিশোধ করার পর আমার এনআইডি কার্ড হইছে