খারিজ
বাবার নামে খতিয়ান ছিল। আর জমিনে যার থেকে নিয়েছিল দাগ নাম্বার কিছুটা পরিবর্তন করা লাগবে। আর খারিজ করাবো। এজন্য তিরিশ হাজার টাকা চাইছিল। ২৫ হাজার টাকা দিয়েছি। সব মিলিয়ে কাজ করা যায় সর্বোচ্চ তিন থেকে পাঁচ হাজার। আর গুলা চায়ের টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বাবার নামে খতিয়ান ছিল। আর জমিনে যার থেকে নিয়েছিল দাগ নাম্বার কিছুটা পরিবর্তন করা লাগবে। আর খারিজ করাবো। এজন্য তিরিশ হাজার টাকা চাইছিল। ২৫ হাজার টাকা দিয়েছি। সব মিলিয়ে কাজ করা যায় সর্বোচ্চ তিন থেকে পাঁচ হাজার। আর গুলা চায়ের টাকা।
কর্মির নাম —, তিনি প্রতিটি রোগী থেকে ৫০/১০০ টাকা দাবি করেন। কারন হিসেবে বলে , সাপ্লাই না থাকার কারনে বহির থেকে কিনে নিয়ে আসছে । আমার প্রশ্ন হল আমি ৪/৫ বার ইনজেকশন নিয়েছি কোন বার কি সাপ্লাই ছিল না? সাপ্লাই যদি না থাকে কর্তৃপক্ষ কেন প্রকাশ করে না? জোর আবেদন জানাই এই টাকার ভাগ কার কার পকেটে যায় তদন্ত করা হোক। গরিবদের হক নষ্ট করা যাবে না।
আমাদের রেলের বড় বাবু ছুটির আবেদন পাশ করানোর জন্য ঘুষ নেয় প্রতিনিয়ত। রেলের অন্য বড় বাবু ঘুষ নেয় যে কোন বিল পাশ করানোর জন্য বড় বড় অঙ্কের টাকা নেয়
প্রথমে চিঠি দিয়ে অফিসে আসতে বলে, লাইসেন্স করতে সরকারি খরচ ৫০০ টাকা কিন্তু অনেক নিয়ম মানতে হবে।অনেক ডকুমেন্ট দিতে হবে,যা দিয়া অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব না।যেমন : সরকারের নিধারিত ইলেক্ট্রক দোকানের ওয়ারিং ডিজাইন করতে হবে।ভাড়ার দোকানে মালিক ও করে দিবে না
সরকারী ফ্রি ঔষদ দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়
দালাল চাড়া এখানে কোনো কাজ হয় না। দালাল চাড়া ড্রাইভিং ১০০তে১০০ ও শিখে যাই তাহলেও ফেল দালালকে যখন টাকাটা দিলাম তখন বললো শুধু খাতাটায় নাম রোল লিখে জমা দিয়ে চলে যান ২দিন পরে অনলাইনে আপডেট পাবেন ঠিক তাই হলো
একটি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত এবং মৃত প্রিন্সিপাল এর বিরুদ্ধে অন্যায্য একটি অডিট আপত্তির যৌক্তিক জবাব দেখে, শীর্ষ অফিসার বললেন, অভিযোগ গুরুতর। ফাইল আটকে রাখা হলো।ডেস্ক অফিসার তার রুমে নিয়ে বললেন, আর কিছু ডকুমেন্ট দিতে পারলে, আমি ফাইল নিষ্পত্তি করাতে পারবো। অবসরপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল এর পেনশন না হওয়ায় তার রিলেটিভগণ ঐ কলেজের একজন স্টাফকে মোট দুই লক্ষ টাকা সহ পাঠিয়ে ফাইল ছাড়িয়ে নিয়ে আসলেন।
ঢাকা ওয়াসা থেকে আবাসিক পানির সংযোগ নেওয়ার জন্য রাস্তা কাটার অনুমতি পেতে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ সরকারি ফিসহ প্রায় ২,০০,০০০ টাকা দাবি করে। অনুমতি পাওয়ার জন্য আমাকে উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে হয়েছে; অন্যথায় রাস্তা কাটার অনুমতি প্রদান করা হতো না।
Sob documents thik chilo,fitness thik chilo,,but car er fitness certificate neyar jonno document submit korar somoy 500 tk na dile sign korbe na..
টাকা না দেয়ার কারনে রমজানের বন্ধে আমাদের প্রাপ্য টাকা আটকে দেন বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত টিইও —। পরবর্তীতে আমরা ৭৮ জন শিক্ষক ২০০ করে টাকা দিয়ে তার কাছ থেকে এই শ্রান্তি ভাতা ছাড় করিয়ে আনিতে হয়েছিল। এই কাজে দালালি করেছে —,যে একজন সহকারী শিক্ষক। আর এর সাথে জড়িত আছে শিক্ষা অফিস এ মাস্টার রোলে চাকরি করা —।
টাকা না দিলে এমপিও আবেদন ফরওয়ার্ড করবে না, এমন পরিস্থিতিতে টাকাটা দিতে হয়েছিল উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে।
উর্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশনা ছিল স্কুল ভিত্তিক প্রশ্ন পত্র তৈরির কিন্তু সেই নির্দেশনা না মেনে দূর্ণীতির উদ্দেশ্যে পুরো উপজেলার ২২৩টি স্কুলের প্রশ্নপত্র উপজেলা শিক্ষা অফিস তথা টিইও একাই প্রশ্নপত্র ছাপানোর কাজ করে। প্রতিসেট প্রশ্ন তৈরিতে যেখানে নুন্যতম খরচ ৩ থেকে সাড়ে ৩ টাকা সেখানে প্রতিসেট প্রশ্নে আদায় করা হয়েছে ১০ টাকা। উপজেলায় শিক্ষার্থী সংখা ত্রিশ হাজার প্রায়। সে হিসেবে প্রশ্নসেটও ত্রিশ হাজার। অর্থ্যাৎ ত্রিশ হাজার গুণন সাড়ে ৬ টাকা = প্রায় ২ লক্ষ টাকার দুর্ণীতি। ১ম এবং ২য় দুই প্রান্তিক পরিক্ষা মিলে ৪ লক্ষ টাকার দূর্ণীতি।
পাসপোর্ট ফরম ভেরিফিকেশনের সময় এসবি পুলিশ কল করে আমাকে কাগজপত্র এবং টাকা চেয়েছিল টাকা ছাড়া ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করেনি
1st Adhoc Industrial IRC প্রাপ্তির জন্য CCIE (Office of the Chief Controller of Imports and Exports) এ ২০২৩ সালের জুন মাসে ৬০০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করতে হয়।
আমার মা, বাবার জন্মনিবিন্ধন সংশোধনের জন্য আবেদন এপ্রুভাল দেয়ার জন্য এই টাকা ডিসি অফিসের ১৪১ নং রুমের কর্মকর্তা এই টাকা দাবি করে।
আমার বাবা হজের জন্য পাসপোর্ট করতে প্রয়োজনীয় কাগজের আওতায় ইউনিয়ন পরিষদ নাগরিক সনদের জন্য গেলে সচিব বলে ৫০০ টাকা দিতে হবে।হজের নিবন্ধনের তারিখ ঘনিয়ে আসছে দেখে অত্যন্ত জরুরি ছিল। তাই বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে সনদ নিয়ে পরের দিন আজকে বাবা নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে রওয়ানা দেন।
অনেক অনুনয় এবং মিনতি করে সেবাটি পেয়েছি, কল সেন্টার এ বার বার অভিযোগ দাখিল করেও সেবা পাওয়া যায়না, বলে শিডিউল নাই, কোন সেবা কে দিলো , কেনো দেরি হলো? এর কোনো মনিটরিং কিংবা। জবাবদিহিতা নাই l
নামজারি করতে গিয়ে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ও এসিলেন অফিসের সার্ভেয়ার কে এই টাকা দিতে হয়েছে।
আই আরসি নবায়নের জন্য বিডার সুপারিশ
Last year e amar passport renew korte giyechilam Patukhali Passport office e. Okhane jini documents receive koren, uni sob documents pawar poreo NID verification soho aro documents cailo ja required list e nai. Pore bollo apni samne ekta photocopy er dokane jan, ora documents arrange kore dibe. Okhane jawa matroi ekjon dalal amar kache 2000 taka cailo, and kono documents submit na korei oi same lok internally receive korlo. Evabe onek manus k unnecessarily harras Kore. Even Ansar gulo o lokjoner sathe khub kharap acoron kore.