পাসপোর্ট
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। আমি ঢাকার বাসিন্দা নই—এই বিষয়টি আগে না বলায় আমাকে দুইবার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ২,০০০ টাকা নেন। এরপর ছবি তোলার রুমে নিয়ে গিয়ে আমার সব কাগজপত্রের কাজ সম্পন্ন করে দেন
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। আমি ঢাকার বাসিন্দা নই—এই বিষয়টি আগে না বলায় আমাকে দুইবার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ২,০০০ টাকা নেন। এরপর ছবি তোলার রুমে নিয়ে গিয়ে আমার সব কাগজপত্রের কাজ সম্পন্ন করে দেন
2025 এর ঘটনা, বন্ড লাইসেন্স নবায়নের জন্য বিভিন্নভাবে ধানাই-পানাই করে নবায়ন না দেওয়ায়, বন্দরে আমদানি করা পণ্যের ডেমারেজ ইতোমধ্যে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত এসে পড়েছিল। প্রায় দুই মাস ধরে বিভিন্ন অজুহাতে—কখনো এই কাগজ, কখনো ওই কাজ—বলে সময়ক্ষেপণ করা হয় এবং লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি। পরবর্তীতে দাবি করা হয়, ২০ লাখ টাকা দিলে লাইসেন্স নবায়ন করে দেওয়া হবে। বন্দরে আরও ডেমারেজের ক্ষতি হবে—এই আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে ওই টাকা পরিশোধ করি। এরপর লাইসেন্সটি নবায়ন করে দেওয়া হয়। তৎকালীন বন্ড কমিশনারকেও বিষয়টি জানানো হয়েছিল, যাতে অযথা হয়রানি না করা হয়। কিন্তু ARO, RO-সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো কথাই আমলে নেননি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। কাস্টমস বন্ডে ARO ও RO-দের বিরুদ্ধে এমন আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে
বরগুনা জেলা ডিপিই অফিস থেকে জয়েনিং লেটার পাঠিয়েছিল তালতলী উপজেলা শিক্ষা অফিসে।সেখানে থাকা দালাল যে একজন প্রধান শিক্ষক (সুন্দরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের) নাম —।সে আমার সহ ৯৩ জনের লেটার আটকে ৮০০ করে টাকা আদায় করে।।যেটা পুরো শিক্ষা অফিসের স্টাফরা মিলে খায় বলে জানা যায়।
তখন কার মহিলা দারগা ছিলো রুনা আমি একটা অভিযোগ দিতে গিয়ে পটুয়াখালী থানায় অভিযোগের সাথে তাকে পাচ হজার টাকা দিতে হয় এবং তার ফোন নাম্বার টা আজকেও আছে আমার ফোনে।
I went to passport office by following all the procedures and with all required documents, first day they go through the documents and said chairman certificate is missing, go and back with that certificate. Then I go to chairman office collect a certificate. Second day again they go through all the documents and mentioned a weird documents name which I never heard. Then I asked one of my friend "actually what happened". He said go to a broker near around passport office. Then I found a person known as broker, he took 4000 BDT and just attached a small seal sign behind one of the documents. After that I go to passport office they search the documents and observed the seal sign and allowed.
আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করি এবং আবেদন কপিটা পাসপোর্ট অফিসে নিয়ে যাই আমার সবকিছু ঠিকঠাক ছিল কিন্তু তিনি বললেন দু-একটি জায়গাতে তোমার ভুল আছে এই জায়গাগুলো পূরণ করে নিয়ে আসো তাই আমাকে উপরে পাঠিয়ে দিল। ওই জায়গাগুলো মূলত আবেদন করার সময় অপশনাল ছিল এজন্য আমি সেগুলো দেইনি। উপরে যাওয়ার পরে তিনি বললেন তোমার এনআইডিতে সমস্যা আছে। এনআইডি পরিবর্তন করে নিয়ে আসো। এরপরে আমি আমাদের বাজারে দালালের মাধ্যমে আবার আবেদন করে অফিসে নিয়ে আসলে তখন আর কোন ভুল ধরল না আর দালাল নিজে আমাকে বলে দিল এখন আর কোন সমস্যা হবে না সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে। সে ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত নিলো।
আমরা গ্রামের মানুষ, আমার বাবা নাই, মা জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য জয়পুরহাট জেলার, আক্কেলপুর থানার অধিনে তিলকপুর ইউনিয়ন এর ভুমি অফিসে গেলে, ওই অফিসের কর্মচারীরা কাগজ দেখে প্রথমেই বলেন যে ২০০০ টাকা লাগবে অথচ সরকারি ফি ৬০/১১০ টাকা। পরে বিষয়টি নিয়ে বলা হইলে বলে আপনি আক্কেলপুর ভুমি অফিসে জান এখানে হবেনা।এই হয়রানি বাঁচতে ১৫০০ টাকায় দফারফা করে কাজটি সম্পন্ন করা হয়।কোন রিসিট তারা প্রদান করেনা
আমি নিজে খারিজ করার জন্য অনলাইন আবেদন করে সকল কিছু জমা দেই এক পর্যায় আমার এটা সার্ভেয়ার কানুন প্রতিবেদনের জন্য শুনানি ডেট দেয় ২৯-০৭-২০২৬তারিখ সেখানে গেলে সার্ভেয়ার যে আছেন ওনি দাবি করে ওনার ফিস ৩হাজার টাকা এটা না দিলে না মঞ্জুর হবে আমি প্রতিবাদ করলে বাহির হয়ে যাইতে বলে এবং আমার বয়স কম তাই এই ফিসের বিষয়ে জানিনা রক্ত গরম পোলাপান বলেও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে। পরে আমি বাধ্য হয়ে টাকাটা দেই।
আমার থেকে নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য ঘুষ চেয়েছে
মামলা/ডায়েরির তদন্তের জন্য কিছু খরচ চায়
প্রথমে জন্ম নিবন্ধন করার জন্য ইউপি পরিষদে যাই। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আমাকে গুঁড়িয়ে দেয় বলছে সার্ভার সমস্যা হবে না। তারপর আমার পরিচিত একজন দালালের মাধ্যমে দেই ব্যাক্তির হাতে
উপ সহকারী প্রকৌশলী ঠিকাদারের কাজ পরিদর্শন/বুঝে নিয়ে প্রতিবেদন/চালানে অনুমোদন করেন যা ব্যাতীত ঊর্ধ্বতন বিল প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বিল প্রদান করেন না। উপ সহকারী প্রকৌশলীর দপ্তরের অধীনস্থ কর্মচারীগণ একটি যোগসাজশের মাধ্যমে উপসহকারী প্রকৌশলীর হয়ে বিল/প্রতিবেদন প্রতি ২০০০০ টাকা বা তারো বেশি টাকা নেন এবং না দিলে পন্য/কাজে নানান ভুল ধরে আটকে দেন। আগেই টাকা দিয়ে দিলে দ্রুত পাশ করে দেন। টাকা ক্যাশে বা বড় অংক হলে বিভিন্ন বেনামি বিকাশ নম্বরে দিতে হয়।
কৈখালী বাজার ভূমি অফিসে, জমির নাম জারি করাতে সব মুল কাগজ পত্র থাকা সত্য,, 9 মাস গুরাচ্ছে, এবং 30 হাজার টাকা দাবি করে 2 টা দলিলে, জমি মাত্র 35 কাঠা, কমাতে কমাতে 18000 গ্রামের ভিতরে,, সবচেয়ে খারাপ লাগলো 5 তারিখের প্রায় এক মাস পর আমাকে ফোন দিয়ে টাকা চাইলো বললো আপনার কাগজ রেডি টাকা নিয়ে আসেন.... আমি কিছু টাকা কম নেওয়াার কারনে বলে পেপার উপজেলা অফিসে, কাল সকাল 8 টায় ওখানে গিয়ে নিয়ে আসবে, আমাকে অহেতুক সেখানে নিয়ে অফিসে নিয়ে বসিয়ে রাখছে,, পরে বার বার ফোন দেওয়ার পরে আবার কৈখালী অফিসে ডাকছে আমি টাকা কম ছিলো তারপর বিকাশে টাকা দার এনে তাকে দিই তার পর কাগজ দেয়,,
আমি তখন ছুটি কাটিয়ে দুবাই কর্মস্থলে ফেরত যাচ্ছিলাম, আমার হ্যান্ড ব্যাগে ছোট এবং ব্যাক্তিগত পারফিউম স্প্রে ছিলো যেটা ওজন বড়জোর ৭ গ্রাম-১০গ্রাম হবে এয়ারপোর্টের কর্মকর্তা বলল এটা সাথে রাখা এলাউড না, আমি জানি হ্যান্ডবেগে লিকুইড জাতীয় কিছু নেয়া যায়না। আমি স্প্রেটা খুলে রেখে দিলাম। অফিসার বলল এখানে রাখা যাবেনা। আমি বললাম তো কি করবো বলে হয় আমাকে এটা বাহিরে ফেলে আসতে হবে না হয় এটার জন্য পে করতে হবে। এয়ারপোর্টের ভেতরেও নাকি লিকুইড স্প্রে ডাষ্টবিনে ফেলা যাবেনা, আমি গত ১৬ বছর থেকে প্রবাসে আছি অসংখ্যবার দেশে গিয়েছি। এয়ারপোর্ট আর ফ্লাইটের A-Z নিয়ম কানুন জানা আছে। মন খারাপ পরিবারের জন্যে কথা লম্বা করতে ইচ্ছা হয়নি ওইদিন ঐ স্প্রেটা উনার কাছে রেখে উনার কথা মতো ৫০০ টাকাও উনার হাতে রেখে চলে আসি।
সাধারণত রেস্তোরাঁয় কলকারখানা প্রতিষ্ঠান ও পরিদর্শন অধিদপ্তরের লাইসেন্স করতে হয় নতুন লাইসেন্স করার ক্ষেত্রে যেখানে সরকারি ফ্রি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা সেখানে ইন্সপেক্টররা দাবি করেন বিশ হাজার টাকা। নবায়নের ক্ষেত্রে সরকারি ফি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা মধ্যে ইন্সপেক্টর কে দিতে হয় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। আমি আমার ব্যস্ততার কারখানা লাইসেন্স নবায়ন করেছি ইন্সপেক্টর কে ৮ হাজার টাকা দিয়ে। আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঢাকায় অবস্থিত।
বিশ্বব্যাংক ও জাপানের অর্থায়নে চলমান বিভিন্ন কাজের একটি ঠিকাদার কোম্পানিতে চাকরি করি আমি| চলমান কাজের বিল নেয়ার জন্য প্রশাসক, সিইও, একাউন্টস অফিসার থেকে শুরু করে সব প্রকৌশলী (নির্বাহী, সহকারী, উপসহকারী ইত্যাদি) এমনকি পিয়ন কে পর্যন্ত উনাদের নির্ধারণ করে দেয়া পার্সেন্টেজ অনুযায়ী টাকা না দেয়া হলে পাওনা bill পরিশোধ করা হয় না, এবং প্রচন্ড রকম খারাপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে| এই জোরপূর্বক চাপিয়ে দেয়া ঘুষ সরকারি অফিসে পিসি নাম পরিচিত| ক্সসবাজার পৌরসভায় জোরপূর্বক বিল প্রতি মোট 5-7% টাকা পিসি হিসাবে না দিলে বিল পাওয়া যায় না, এবং প্রচন্ড দুর্ব্যবহারের স্বীকার হতে হয়| প্রকৌশল দপ্তরের বিএনপি পন্থী প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে এই পিসি জোরপূর্বক সংগ্রহ করা হয়, যা প্রতি মাসে কমপক্ষে 30 লক্ষ টাকা হয়ে থাকে|
আমার আবাসিক প্রকল্পের জমি কোম্পানির নামে ক্রয় করা হলেও খাজনা আদায়ের ক্ষেত্রে বন্ধনীর মধ্যে “বাণিজ্যিক” উল্লেখ করা হয়েছে; অথচ এসিল্যান্ড অফিস থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে জমিটির প্রকৃতি আবাসিক এবং অনুমোদিত প্ল্যানও আবাসিক। কিন্তু সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আবাসিক হিসেবে রেজিস্ট্রি করতে গেলে বাণিজ্যিক মূল্য দেখিয়ে রেজিস্ট্রির চাপ দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। প্রথম অ্যাপার্টমেন্টটি আবাসিক হিসেবে রেজিস্ট্রি করতে দর-কষাকষির পর ১.৫ লাখ টাকা দিতে হয়েছে এবং পরবর্তীতে একই ভবনের আরও ৮টি অ্যাপার্টমেন্ট রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রেও প্রতিটির জন্য ১.৫ লাখ টাকা করে দিতে বাধ্য হয়েছি। বিষয়টি অনিয়ম ও হয়রানি হিসেবে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি।
বিগত সরকারের আমলে কাবিখা প্রকল্পের মাধ্যমে মেম্বারের তৈরী একটি গ্রামীন রাস্তা ছিল। সেই রাস্তাটি সামনের জমির মালিক বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে বন্ধ করে দেয়। সেটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে সমাধান করার নির্দেশ দিলেও বর্তমান মেম্বার আমার কাছ থেকেও টাকা নিয়েছে বিবাদীর কাছ থেকেও টাকা নিয়েছে। কিন্তু বাউন্ডারী রাস্তা খুলে সমাধান করেনি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ অমান্য করেছে।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট নিয়ে জন্ম সনদ তুলতে গেলে নানান তাল বাহানা করে আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা নিয়ে আমাকে জন্ম সনদ প্রদান করছে।
pension of my father in law, government servents asked for money