ই নামজারি
ই নামজারি করিয়েছি। এমনিতে অনেকবার চেষ্টা করেও হয়নি। তারপর ভূমি অফিসের একজন কে ৭০০০ টাকা দিলে ওনি সেটা করে দিয়েছেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ই নামজারি করিয়েছি। এমনিতে অনেকবার চেষ্টা করেও হয়নি। তারপর ভূমি অফিসের একজন কে ৭০০০ টাকা দিলে ওনি সেটা করে দিয়েছেন।
আমি ভিসা করার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হচ্ছিলো আর পুলিশ ভেরিফিকেশনের আবেদনের জন্য চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট নিতে গেলে তারা ১২০ টাকা দাবি করে এবং কোনো রিসিপ্ট দিতে অস্বিকৃতি জানায়। বি: দ্র- আমি আগেও ঢাকা থেকে নিয়েছি কোনো প্রকার ফি ছাড়া। স্থান-রায়পুর পৌরসভা লক্ষীপুর।
ভোটার আইডি কার্ড করার জন্য পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলে উপজেলা নির্বাচন অফিসার — আমার কাছে ৩,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন বলে অভিযোগ করছি। তিনি টাকা না দিলে কাজ করবেন না বলেও জানান। সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে এমন ঘুষ দাবি অনৈতিক ও আইনবিরোধী। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আগস্ট ২০২৬ তারিখ । ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আমার কাছে নামজারির জন্য ৭ হাজার টাকা দাবি করে । টাকা না দিলে নামজারি বাতিল হয়ে যাবে বলে । এজন্য নিরুপায় হয়ে তাদের টাকা দিতে বাধ্য হই ।
ট্রেড লাইসেন্স করতে খরচ হবে সম্ভবত ২০০০ টাকা কিন্তু দাবি করেছে ৪৫০০ টাকা। ওরা সিস্টেমে এমন করে রাখছে যে সাধারণ মানুষ নিজে গিয়ে এই লাইসেন্স করতে পারবে না।
তহসীল অফিসে আমার ফাইল আটকে রাখা হয়েছিলো। ফোনে খরচ চাইলো । টাকা দেওয়াতে ফাইল উপজেলা এসিল্যান্ড অফিসে পাঠানো হয়েছে।
একটি খতিয়ান খারিজ করতে দিয়ে ছিলাম সে টাকা চায় 7000 হাজার বলে টাকা দিলে কাজ করব না দিলে কাজ করবনা
সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও নামজারির কাজটি দীর্ঘদিন সফটওয়্যারের পেন্ডিং রাখে । পরবর্তীতে ঘুষের অর্থ পরিশোদের পর কাজটি করে দেয় এবং আর কোন অতিরিক্ত ডকুমেন্ট বা কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়নি ।
বাবার আগে পোস্ট অফিসে চাকরি করতেন । পেনশন পেতেন পোস্ট অফিসে পরে পেনশন Bank এ দিবে বলেন । কাগজ জমা দিয়ে ৩ মাস পরেও টাকা পাচ্ছি না । এর মধ্যে অনেক বার অফিসে যোগাযোগ করি কোন ভাবে সাইন হচ্ছে না । পরে ২৫০০ টাকা দিতে বলেছে কোন উপায় না পেয়ে দিতে বাধ্য হয়েছি এর ১ সপ্তাহ পরে টাকা জমা হয়ে গেছে বাবার একাউন্টে
আমি বি এড ফাইল প্রেরণ উপলক্ষে ২০০০ টাকা উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে দেই ।তবুও আমার ফাইল জেলায় প্রেরণ করে নাই। চার মাস থেকে উপজেলায় ফাইল আটকে আছে। এমন তো অবস্থায় আমার কি করা প্রয়োজন ভাবতে পারছি না।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। আমি ঢাকার বাসিন্দা নই—এই বিষয়টি আগে না বলায় আমাকে দুইবার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ২,০০০ টাকা নেন। এরপর ছবি তোলার রুমে নিয়ে গিয়ে আমার সব কাগজপত্রের কাজ সম্পন্ন করে দেন
2025 এর ঘটনা, বন্ড লাইসেন্স নবায়নের জন্য বিভিন্নভাবে ধানাই-পানাই করে নবায়ন না দেওয়ায়, বন্দরে আমদানি করা পণ্যের ডেমারেজ ইতোমধ্যে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত এসে পড়েছিল। প্রায় দুই মাস ধরে বিভিন্ন অজুহাতে—কখনো এই কাগজ, কখনো ওই কাজ—বলে সময়ক্ষেপণ করা হয় এবং লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি। পরবর্তীতে দাবি করা হয়, ২০ লাখ টাকা দিলে লাইসেন্স নবায়ন করে দেওয়া হবে। বন্দরে আরও ডেমারেজের ক্ষতি হবে—এই আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে ওই টাকা পরিশোধ করি। এরপর লাইসেন্সটি নবায়ন করে দেওয়া হয়। তৎকালীন বন্ড কমিশনারকেও বিষয়টি জানানো হয়েছিল, যাতে অযথা হয়রানি না করা হয়। কিন্তু ARO, RO-সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো কথাই আমলে নেননি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। কাস্টমস বন্ডে ARO ও RO-দের বিরুদ্ধে এমন আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে
বরগুনা জেলা ডিপিই অফিস থেকে জয়েনিং লেটার পাঠিয়েছিল তালতলী উপজেলা শিক্ষা অফিসে।সেখানে থাকা দালাল যে একজন প্রধান শিক্ষক (সুন্দরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের) নাম —।সে আমার সহ ৯৩ জনের লেটার আটকে ৮০০ করে টাকা আদায় করে।।যেটা পুরো শিক্ষা অফিসের স্টাফরা মিলে খায় বলে জানা যায়।
তখন কার মহিলা দারগা ছিলো রুনা আমি একটা অভিযোগ দিতে গিয়ে পটুয়াখালী থানায় অভিযোগের সাথে তাকে পাচ হজার টাকা দিতে হয় এবং তার ফোন নাম্বার টা আজকেও আছে আমার ফোনে।
I went to passport office by following all the procedures and with all required documents, first day they go through the documents and said chairman certificate is missing, go and back with that certificate. Then I go to chairman office collect a certificate. Second day again they go through all the documents and mentioned a weird documents name which I never heard. Then I asked one of my friend "actually what happened". He said go to a broker near around passport office. Then I found a person known as broker, he took 4000 BDT and just attached a small seal sign behind one of the documents. After that I go to passport office they search the documents and observed the seal sign and allowed.
আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করি এবং আবেদন কপিটা পাসপোর্ট অফিসে নিয়ে যাই আমার সবকিছু ঠিকঠাক ছিল কিন্তু তিনি বললেন দু-একটি জায়গাতে তোমার ভুল আছে এই জায়গাগুলো পূরণ করে নিয়ে আসো তাই আমাকে উপরে পাঠিয়ে দিল। ওই জায়গাগুলো মূলত আবেদন করার সময় অপশনাল ছিল এজন্য আমি সেগুলো দেইনি। উপরে যাওয়ার পরে তিনি বললেন তোমার এনআইডিতে সমস্যা আছে। এনআইডি পরিবর্তন করে নিয়ে আসো। এরপরে আমি আমাদের বাজারে দালালের মাধ্যমে আবার আবেদন করে অফিসে নিয়ে আসলে তখন আর কোন ভুল ধরল না আর দালাল নিজে আমাকে বলে দিল এখন আর কোন সমস্যা হবে না সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে। সে ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত নিলো।
আমরা গ্রামের মানুষ, আমার বাবা নাই, মা জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য জয়পুরহাট জেলার, আক্কেলপুর থানার অধিনে তিলকপুর ইউনিয়ন এর ভুমি অফিসে গেলে, ওই অফিসের কর্মচারীরা কাগজ দেখে প্রথমেই বলেন যে ২০০০ টাকা লাগবে অথচ সরকারি ফি ৬০/১১০ টাকা। পরে বিষয়টি নিয়ে বলা হইলে বলে আপনি আক্কেলপুর ভুমি অফিসে জান এখানে হবেনা।এই হয়রানি বাঁচতে ১৫০০ টাকায় দফারফা করে কাজটি সম্পন্ন করা হয়।কোন রিসিট তারা প্রদান করেনা
আমি নিজে খারিজ করার জন্য অনলাইন আবেদন করে সকল কিছু জমা দেই এক পর্যায় আমার এটা সার্ভেয়ার কানুন প্রতিবেদনের জন্য শুনানি ডেট দেয় ২৯-০৭-২০২৬তারিখ সেখানে গেলে সার্ভেয়ার যে আছেন ওনি দাবি করে ওনার ফিস ৩হাজার টাকা এটা না দিলে না মঞ্জুর হবে আমি প্রতিবাদ করলে বাহির হয়ে যাইতে বলে এবং আমার বয়স কম তাই এই ফিসের বিষয়ে জানিনা রক্ত গরম পোলাপান বলেও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে। পরে আমি বাধ্য হয়ে টাকাটা দেই।
আমার থেকে নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য ঘুষ চেয়েছে
মামলা/ডায়েরির তদন্তের জন্য কিছু খরচ চায়