ঔষধালয়ের লাইসেন্স নবায়ন
ঔষধের দোকানের লাইসেন্স করতে ৫০০ টাকা না আমি ঘুষ দিয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঔষধের দোকানের লাইসেন্স করতে ৫০০ টাকা না আমি ঘুষ দিয়েছে।
প্রথমে অডিটর ১০০০০ টাকা চায়।৬০০০ দিয়ে আসি কাজ শেষে ৪০০০ দিবো। তারপরেও অনেক দিন সময় লাগায়। কাজ শেষে ৫০০০ নেয়। আবার বড় অফিসার ৫০০০ নেয়।
বদলির জন্য এলপিসি পাঠাতে টাকা না দিলে গড়িমসি করেন।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিস, শাজাহানপুর, বগুড়া। মোট টিএ/ডিএ বিলের ২৫% কর্মচারীদের থেকে কেটে নেয়। না দিলে কর্মচারীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে।তাই দিতে বাধ্য হয়।
passport er line e dariye chilam 3 hours then jkhn serial ashlo tkhn sob thik thakar porew joma niccilo na then ekjon er nam mention korlo unar kase jaite then giye 2k tk diyesi and oidin ei fingerprints niye niyese🙃
Ibass account khulte gele most of the office ghush chai... Na hole account kore dei na beton o chalu hoi na... Ata post office ar ghatona.
আমার বাড়ি হওয়ার পরেও আমার মিটার দিতে নানা তালবাহানা করছে, এর পর ৫০০০ হাজার টাকা নিয়ে নির্মাণ মিটার দিছে, বলছে ১ মাস পরে আবেদন করে আবাসিক মিটার করে নিবেন, কিন্তু এখন আবার তালবাহানা শুরু করছে
আমি আমার ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর জন্য ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে চাইলে, ঐ বিভাগের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা আমার নিকট থেকে পৌরসভা কর্তৃক নির্ধারিত ফি বাদ দিয়ে অতিরিক্ত ২৫০০ টাকা দাবি করলে, আমি বাধ্য হয়ে ২০০০/- টাকা দিয়ে কাজটা করে নেই।
স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য বয়স্ক ভাতার জন্য ৩০০০ টাকা নিয়েছিল
ইলেকট্রনিকস পন্য কে অবৈধ পন্য বলে আটকে রেখেছিলো
Getting a driving license to pass my exam has been difficult. I already attempted and passed, but they didn’t acknowledge my effort. Finally, I had to take an illegal route.
প্রতি মাসে আমি ব্যংকে ১২০০টাকা দেই তার পর আবার উনাদের কাছে গিয়ে ৬০০টাকা দিতে না হলে সাইন দেয় না কেন এর কি কোন সমাধান হবে
জন্ম নিবন্ধন এর সাল এবং তারিখ পরিবর্তন করার
আমি rs রেকট মামলায় জজ রেকর্ড সংসদন করান জন্য অনুমতি দেওয়ার পরও তারা টাকা দাবি করছে।
বিএড ফাইল উপজেলা হতে জেলায় ফরওয়ার্ড করার জন্য বাধ্যতামূলত দিতে হল উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে।
রেকর্ড সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম জরিফ অফিস একটা প্রতিবেদন যোনালল অফিসে পাঠাবে কিন্তু সেই প্রতিবেদন বাব টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
হেবা দলিল করতে ৮০, ০০০/ টাকা নিয়েছে। দলিল লেখক বললেন, সাব রেজিস্ট্রেশন, সমিতি ও অন্যান্য খরচ বাবদ এই টাকা।
প্রতি ড্রেসিং ২০০-৫০০ টাকা নিয়ে থাকে। লোকেশন: জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিউট
পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে অরিজিনাল পরিচয়পত্র থাকার পরেও “সার্ভার কপি” দাবি করে। পরে অফিসের এক কর্মচারী টাকার বিনিময়ে সম্ভব বলে। বাহিরে শালবাগান বাজার সংলগ্ন এক কসাই এর দোকানে নিয়ে ১২০০ টাকার বিনিময়ে অনেকের কাছে আবেদন পত্র হাতে নিয়ে প্রথম পেজের ছবি হোয়াটস এপে আবেদন জমার কাউন্টারে পাঠায়। তখনই কাউন্টারে আবেদন নিয়ে জমা দিতে গেলে টু শব্দ ছাড়াই আবেদন গ্রহন করে নেয়। আমার সাথে আরো ৫ জনের কাছে টাকা নিয়েছে। কিছুক্ষন অপেক্ষা করে দেখতে পাই আনসার সদস্য থেকে দোতলার সিনিয়র কর্মকর্তারাও সরাসরি জড়িত। গোপন সুত্রে জানতে পারি এটা ভাগবাটোয়ারা হয়। ডিডি থেকে গেটম্যান সবার মাঝেই।
সাধারণত জন্ম নিবন্ধনের নাম এবং তারিখ পরিবর্তনে 50 থেকে 100 টাকা খরচ হয়। কিন্তু পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সেখানে 300 টাকার উপরে দাবি করে থাকে এবং সর্বনিম্ন ৩০০ টাকা দিতে হয়।