ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন
সরকারি টোটল ফি ছিল 263920/- টাকা আমি দেওয়া লাগছে 380000/- টাকা বাধ্য হয়ে রেজিষ্ট্রি করা লাগছে টাকা দেওয়া লাগছে নতুবা আমার রেজিষ্ট্রি হতো না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি টোটল ফি ছিল 263920/- টাকা আমি দেওয়া লাগছে 380000/- টাকা বাধ্য হয়ে রেজিষ্ট্রি করা লাগছে টাকা দেওয়া লাগছে নতুবা আমার রেজিষ্ট্রি হতো না
জমি খারিজ এর উদ্দেশ্য তহশিলদার এর সাথে সাক্ষাৎ করতে যাই,উনি কাজ বাদ কিছু টাকা দাবি করেন, আমি ৫০০ টাকা দেই। কাজটা এখনো পেন্ডিং
স্টেম্প লাগবে বলে আমাদের থেকে ওরা ৩০০ টাকা দাবি করে। বলে সদর থেকে আনতে হবে নয়তো। টাকা দেবার পর দেখি এটা সামান্য একটা ফর্ম ছিলো যেটা তারা ফিলাপ করে দিয়েছে আর এই জন্য টাকা নিয়েছে।স্ট্যাম্প বলতে কিছু না। এই কাজ টা করেছে নড়িয়া শাখার সোনালি ব্যাংকের ম্যানেজারের রুমের পাশে বসা কেরানী লোকটা।
আমি আমার জমির খাজনা কমপিউটারে আবেদন করে ভুমি অপিসে অনুমোদন এর জন্য গেলে তারা মধ্যে তারা কিছু কিছু দাগের খাজনা অনুমোদন করে আর কিছু কিছু দাগ সিস্টেম থেকে বাদ দিয়ে দেয় ।আমি জমি রেজিষ্ট্রি করতে গেলে সমস্যা টি ধরাপরে জমিটি রেজিষ্ট্রেশন করতে পারি নাই ।পরে বাদ পড়া দাগগুলো আবার খাজনা কাটার জন্য গেলে আমার কাছ থেকে বার হাজার টাকা নিয়ে নেই ।খাজনা দিতে হয় ৮০ টাকা আর ঘোষ দিতে হয় বার হাজার টাকা ,
জমি খারিজ করতে গেলে বলে কাগজ সমস্যা আছে জমি খারিজ হবেনা।পরে ৩০০০০ টাকার বিনিময় কাজ হবে বলে।
সোনালী ব্যাংকে সঞ্চয়পত্রের মালিকানা পরিবর্তন করতে গেলে ওরা ফর্ম ফিলাপ করে ৩০০ টাকা চেয়ে নেয়। বলে স্ট্যাম্প লাগবে সেটার দাম। পড়ে দেখলাম এটা সামান্য একটা ফর্ম ছিলো যা কিনা ব্যংক থেকে ফ্রি তেই প্রোভাইড করে। ব্যাংকের কেরানী এই কাজ করেছিলো। ম্যানেজার রুমের পাশের চেয়ার।
উক্ত অফিসের ভূমি উপ- সহকারী কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ভাবে লোক(দালাল) নিয়োগ দিয়ে উক্ত অফিসের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পাদনা করেন। এবং নামজারি বাবত আমার কাছে থেকে নিয়োগকৃত দালাল ৭০০০ টাকা নিয়েছে এবং নামজারি সম্পন্ন হবার পর ভূমি উন্নয়ন কর দিতে চাইলে ১০০০ টাকা দাবি করেন এবং পরবর্তীতে ১১২ টাকার দাখিলা কেটে দেন আমাকে। পরষ্পর ভাবে জানতে পারলাম উক্ত অফিসে অফিসারের ব্যক্তিগত নিয়োগকৃত কর্মীকে কমিশন ভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যার ফলে অত্র এলাকার জনগন ১১৭০ টাকার নামজারিতে সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা দেয়া লাগে। নাহয় দালাল ভয় দেখায় যে ফাইল নামঞ্জুর করে দিবে।
মহামান্য হাইকোর্ট এর মেক্সিমাম কোর্টের কজ লিস্টে আনতে টাকা বানিজ্য হয়। যে বেশি টাকা দেয় তার মামলা আগে থাকে। এখানে টাকার কোন লিমিট নাই। এবং প্রতি মামলার আদেশ টাইপ করতে কম পক্ষে ৫শত দিতে হয়। এমনও হয় এক এক জন বিও প্রতিদিন ১ লক্ষ টাকার অধিক পকেটে ঢুকে।
৭ দিনের ভেতর পাসপোর্ট রিনিউ করে দেওয়া হবে। নইলে এপ্লিকেশন রিজেক্ট করা এবং নতুন নতুন কাগজ লাগবে বাহানা দিয়ে পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যাবে বলা হচ্ছিল।
গাড়ির ফিটনেস নবায়ন। দালালের মাধ্যমে টাকা নেয়া হয়েছে
আমার আম্মুর নাম পরিবর্তন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু শিক্ষা বোবোর্ডের কর্মকর্তা দের আচরণ দেখে মনে হয়েছে যে শিক্ষা বোর্ড তাদের পপৈতৃক সম্পত্তি। ঘুষ ছাড়া কিছু হয় না ওখানে। অবশেষে হাল ছেড়ে দিয়ে নিজ সার্থের জন্য টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমার ৩৫ বছর আগে জমি কেনা। মৃত ব্যাক্তির এক ওয়ারিশ তার অংশের দখলকৃত জমি বিক্রি করেছেন।আমি মৃত ব্যাক্তির ওয়ারিশ সনদ নিয়ে গেলে ওনার বলে আমি নাকি ওয়ারিশ কম দেখাইছি।এখন টাকা না দিলে জমি খারিজ হবে না। তাই বাধ্য হয়ে দিতে হইছে।
প্রাথমিক সহকারি শিক্ষা অফিসার স্কুল ভিজিটে এসে সবাইকে উপস্থিত পেলেও অর্থ দাবি করেন ও ভয় ভীতি দেখান। টাকা ছাড়া কিছুই বুঝেন না।
এক নং সিরাজ পুর ইউনিয়ন অফিসের সচিব এই টাকাটা আমার থেকে নিয়েছে।
পে ফিক্সেশন করার সময় টাকা দাবী করেছিল। সরকারি চাকরিতে প্রথম বেতন চালু করতে এই টাকাটা আমরা ৩ জন দিতে বাদ্য হয়েছিলাম।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ভেরিফিকেশন এর জন্য হবিগঞ্জ সদর থানার একজন এসআই কল দিয়ে ১০০০ হাজার টাকা দাবি করে এবং ভিবিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১০০০ হাজার টাকা আদায় করে
আমি পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ঘরে বসে আবেদন করেছিলাম আমাকে শুক্রবারে কল করে থানায় যেতে বলে। আমি সেখানে যাই । আমি প্রায় ২ ঘন্টা তার জন্য বসে থাকি । ২ ঘন্টা পরে এসে আমার আবেদন পত্র দেখে বলেন যে আবেদনে ভুল আছে বাহিরে দোকান আছে সেখান থেকে আবার কেরে আসেন । আমি সেখানে ২০০ টাকা দিয়ে করে আসি । আসার পর আমার কাছে চা খাওয়ার জন্য টাকা চায় আমি বলি স্যার আমি তো বিদেশে যাব এখন টাকা পয়সার খুব প্রয়োজন আমি তো দিতে পারবনা । সে বলে বিদেশ যাবেন আর আমাদের এই অল্প টাকার জন্য আপনার সমস্যা! আমি তাকে বললাম কত দিতে হবে ? সে বলে অনেকে ২-৩-৫ হাজার দেয় । আমি তখন বললাম আমি তো স্যার এত দিতে পারবোনা আমার কাছে এত টাকা নাই । তখন বলে কত দিতে পারবনে আমি বলি ৫০০ । আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন তখন জরুরি দরকার তাই বাধ্য হয়ে দেই।
দীর্ঘদিন সরকারি চাকরি করার সুবাদে আমি একদম নিশ্চিত যে, সব উপজেলার চিত্র একই। উপজেলার হিসাব রক্ষণ অফিসগুলো একটা অলিখিত সংবিধান করে রেখেছে যে, অন্যান্য সরকারি অফিসগুলোর বিল পাশ করার জন্য ৫% হারে তাদেরকে কমিশন প্রদান করতে হবে।
নতুন ১২০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে, এ সকল সংযোগ পাওয়ার জন্য বিদ্যুৎ অফিস ঘুষ না দিলে অনেক হয়রানি ও সময়ক্ষেপণ হয়,,,,, এসব কাজ প্রতিনিয়ত করা হয় বলে, পূর্বের খারাপ অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে, আগেভাগেই কন্টাক করে নেই, যে কত টাকা দেওয়া হবে বা উনারা কত টাকা নিবেন।
স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষক তিনি স্টুডেন্ট দের অভিভাবকদের অফার করেন ২৫ হাজার টাকা দিলে ভালো রেজাল্ট নিয়ে দিবে। টাকা দেওয়ার পর ভালো রেজাল্ট হয়ে গেছে শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক দুর্নীতি হয় আমি চাই ভালো একটা তদন্ত হওয়া উচিত। এটা দুই বছর আগের ঘটনা আমার শালিকার জন্য ঘোষ দেওয়া হয়েছিল।