নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জন্ম সনদ বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ফি নাকি ৫০০ টাকা। কিন্তু ওয়েবসাইটে দেখেছি ৫০ টাকা। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। না হলে কাজ হবে না। কিছুক্ষণ বসে থেকে দেখলাম সবার থেকে এমন বেশি টাকা নিচ্ছে। সিস্টেম হয়ে দাড়িয়েছে মনে হলো।
আমার পরিবারের জমি আছে আমার, আমার ভাই, মা ও বাবা সবার নামে। তাছাড়া আমার কাকা, ফুফু, একেক সময় খতিয়ান হালনাগাদ করে।বিভিন্ন সময় ৫ টি খতিয়ান আমি নিজের হাতে জমা দেই। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অজুহাতে ৫০০০,৭০০০, ১০০০০, এমনকি ৩০০০০ টাকা মোট ৫৭০০০ টাকা নেওয়া হয়। তবে দাবি অনেক বেশি ছিলো। তাছাড়া কাগজ পত্রে কোনো ভুল না থাকলেও কাগজে সই না করা, খতিয়ান প্রস্তু না করা, মুল কাগজপত্র না যাচাই করে হেয়ারিং এর আগের দিন আবেদন না মন্জুর করা। টাকা দেওয়ার পরও খতিয়ানে ইচ্ছাকৃত ভুল করে টাকা দাবি করা। নথি হারনোর অজুহাত ইত্যাদি হয়রানি বাধ্য হয়ে টাকা প্রদান করা। শুধু তাই নয়, আমার বোনের স্বামী মারা যাওয়ার পর তাদের ই নামজারি করার জন্য ৪টা খতিয়ানে আরো ৬০০০০টাকা দিতে বাধ্য হই। তাছাড়া না দিয়ে তো উপায় নেই বাংলাদেশের বাস্তব চিত্র
আমার সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকা সত্তেও, ফাইল রিজেক্ট করে দেয় পরে দালালের মাধ্যমে ৪৫০০ টাকা দিলে একই দিনে পাসপোর্ট হয়ে যায়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে টাকা না দিলে আমাকে ফেল করে দেই । পরে ৭০০০ টাকা ঘুস নিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করাই
To activate bill submission in my BCS job, I have to pay 1000 at the Upazila accounts office.
মোটরসাইকেল চালানোর পরীক্ষাতে পাস করা সত্ত্বেও আমাকে সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য ৳3000 এক্সট্রা নিয়েছে।
সরাসরি টাকা দাবি করে
নামের একটা পদবী একটা ভুলের জন্য আমার কাছ থেকে 2500 টাকা নিয়েছে। রাজশাহীর পাসপোর্ট অফিসে অনেক রিকোয়েস্ট করার পরেও তারা আমার কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছে।
আমাকে ফোন করেছে যে আপনার ফাইল এ সমস্যা আছে ডেস্ক অডিট এ দিবো কিনা ? আপনি চাইলে আমি ডেস্ক অডিট এ দিবো না, এই জন্য আমার নিকট ৫০০০০ টাকা দাবি করেছেন
বটিয়াঘাটা উপজিলা ভূমি অফিসে (AC Land Office) জমির নামজারী করার জন্য দালাল মারফত অফিস খরচ বাবদ ৩০০০ (তিন হাজার) টাকা দেওয়ালাগে।
হিসাবরক্ষণ অফিসের নামে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ক্রান্তি বিনোদন ভাতা বাবদ ২০০ করে টাকা নেয়া হচ্ছে । তারা বলছে এটি এজি অফিসে লাগবে ।
আমাদের মসজিদে এমপি,র কোটায় সংস্কারের জন্য ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হলে ১ম কিস্তির ১ লক্ষ টাকা পেতে ৬০০০/ টাকা বিভিন্ন টেবিলে দিতে হবে বলে জেলাপরিষদ সার্ভেয়ার ৬০০০/ টাকা নেন। কিন্তু পরবর্তী কিস্তির টাকা গত ৬ মাস যাবৎ বিভিন্ন অযুহাতে ঘোরাচ্ছে, এখন চেক রেডি করার জন্য একাউন্স সেকশনের নারী কর্মী আটকে রেখেছে। আমরা ব্যক্তিগতভাবে ২ লক্ষ খরচ করে যথাযথ প্রমানাদি দাখিল করি। আমি নিজেও একজন সরকারি ১ম শ্রেনীর কর্মকর্তা। মসজিদের কাজে আর ঘুষ দিতে চাইনা, বার বার ফোন করছি, কিন্তু তারা তাদেরমত ঢিমে তালে আগাচ্ছে, প্রায়ই ফোন ধরে না।
সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বার্ষিক বয়লার নবায়ন ফি ব্যাংকে পরিশোধ করি তার কিছুদিন পর একজন বয়লার পরিদর্শক আমাদের প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব রত প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করে এবং একটি তারিখ নির্ধারণ করে জানানো হয় যে তিনি বয়লার পরিদর্শন করতে আসবেন এবার উনি এসে বয়লার খুব ভালোভাবে পরিদর্শন করেন তারপর উনি উল্লেখযোগ্য ত্রুটি চিহ্নিত করতে পারেননি এবং উনি পরিদর্শন শেষে কিছু অর্থ প্রত্যাশা করেন অতি গোপনে প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা থাকার কারণে পরিদর্শক প্রতিষ্ঠানের বাহিরে গিয়ে একটি খাম আমাদের কাছ থেকে গ্রহণ করেন এই খামের মধ্যে ছিল দশ হাজার টাকা, যদি টাকাটা না দেওয়া হতো তাহলে হয়তোবা লাইসেন্স নবায়ন সার্টিফিকেট প্রদান করবেন না অযথা হয়রানি করবেন কিছু না ভেবেই তাই বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা ওনাকে ঘুষ ।
১২,০০০ টাকা দিয়ে দালাল ধরা ছাড়া বিআরটিএ তে লাইসেন্স করা যায় না ।
গাইবান্ধা জেলা পলাশবাড়ী উপজেলা মনোহরপুর ইউনিয়ন এর দুনীতির চিত্র। জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য আমার কাছ থেকে ১২০ টাকা নাগরিকত্ব সনদ প্রতিটি কপির জন্য জন্য ৪০ টাকা , নতুন ভোটার প্রত্যায়ন এর জন্য ৮০ টাকা দাবি করে। আমি মনে করি ইউনিয়ন পরিষধ থেকে আমার কাছে বেশি টাকা দাবি করে হয়। যা অন্য ইউনিয়ন থেকে অনেক বেশি করে নেয়া হয়।
টিন সার্টিফিকেটে নাম চেঞ্জ এটা ওয়েবসাইট থেকে চেঞ্জ করতে চাইছিলাম কিন্তু সিকিউরিটি পারপাস চাইল্ডহুড নেম আমার মনে নাই পরে টিন সার্টিফিকেট ভুল সংশোধন করতে পারি নাই তাই ট্যাক্স অফিসে যোগাযোগ করলে ওরা বলে ঢাকা থেকে করতে হবে না হলে হবে না
আসসালামু আলাইকুম আমার বাসা কুমিল্লা জুন মাসের ২২ তারিখে আমার সৌদি আরবের ভিসা হয় এর পর ম্যানপাওয়ারের জন্য আবেদন করে আমি এজেন্সির মাধ্যমে যাচ্ছি সরকারি ফ্রী সম্ভবত ৭ হাজার টাকা বা তার একটু বেশি আজ ৩ সেপ্টেম্বর আমার ভিসার মেয়াদ ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এখন পর্যন্ত ম্যানপাওয়ার বাহির হয় নাই কারণ ম্যানপাওয়ারের জন্য সরকারি ফ্রী এর থেকে অধিক টাকা চাওয়া হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তা আমার এজেন্সির থেকে ১৫ হাজার টাকা দাবি করেছে
আমার বাবা বেঁচে আছে কিনা এটা যাচাই করার জন্য বলে তাদের টাকা দিতে হবে এই দাবি করে আমার কাছে তারপর আমার কাছে পাসপোর্টটা দরকার এর জন্য সামনে যে বসে থাকে কম্পিউটারে যাচাই করে সে নিচে এক পিওনের মাধ্যমে নিছে
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর আওতাভুক্ত ফায়ার সেফটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা। প্রথমে সরকারি নির্ধারিত ফ্রি ব্যাংকে পরিশোধ করা হয়, পরবর্তীতে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানে দুইজন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা বা ট্রেইনার উপস্থিত হন এবং শ্রমিকদের এবং কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেন প্রশিক্ষণ শেষে কিছু অর্থ প্রত্যাশা করেন এমন তো অবস্থায় প্রত্যাশা পূরণ বাবদ ৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয় এভাবে দুইদিন প্রশিক্ষণ শেষে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয় তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী।
Ami pasport banaitay gasilam amakay baolay 5 hajar dilay sob.kisu ok koray dibay