Driving Licence । ড্রাইভিং লাইসেন্স
আমি নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর এপ্লাই করেছিলাম, তারপর প্র্যাকটিকেল পাস করার জন্যে দালাল ঠিক করি ৮ ৫ ০ ০ টাকা দিয়ে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর এপ্লাই করেছিলাম, তারপর প্র্যাকটিকেল পাস করার জন্যে দালাল ঠিক করি ৮ ৫ ০ ০ টাকা দিয়ে।
Driving license near somoy 15000 tk BRTA magistrate niyache. Tk nah dile pass kora Jabe nah. And driving test ar practical a fail korar o por tk dear karone amake pass koranu hoy. Tk ti dalal ar madhomme grohon korechilo magistrate . And its a open secret in Chittagong BRTA. And every phase a BRTA te tk lage license near jonno.
নতুন পাসপোর্ট কোন ভোগান্তি ছাড়া দ্রুত করায় দিবে বলে টাকা নিছিল।
আমার আব্বুর রিটায়ারের, জন্য, office থেকে কাগজ পাশ করানোর জন্য চেয়েছে।
Recently, I lost my mobile phone at a mosque during Jummah prayers. I immediately went to Ashulia Police Station to file a GD. As their computer was reportedly not working, I was directed to a nearby room where Tk 200 was charged for recording the GD. Despite following up for several months, I have received no positive response or update. I would like to know whether this payment was officially required and why there has been no progress on my GD.
আমার সাত শতক জমির খারিজের জন্য ৬০০০ টাকা দাবি করেছে এবং আমি পরিশোধ করে কাজটা করিয়ে নিয়েছি। কারণ অত্যন্ত জরুরী ছিল।
আমি পাসপোর্ট নবায়নের জন্য গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে জয়দেবপুর রোডের অবস্থিত আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে যাই। পাসপোর্ট নবায়নের জন্য সরকারি নির্দিষ্ট ফি 25শ টাকা সহ আমি ফরম পূরণ করে নিয়ে গেলে, বেশ কয়েকবার আমার ডকুমেন্টসের ভুল ধরেআমার দেওয়া পেপার্স গুলো প্রত্যাখ্যান করে। পরবর্তীতে পাসপোর্ট অফিসের পাশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন কম্পিউটারের সঙ্গে আমি যোগাযোগ করি। তারা পাসপোর্ট ফি জমা দিয়ে, বাড়তি দাবি করে। আমি অফিস থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরে তাদের কাছে অতিরিক্ত আরো ৫০০০ টাকা দেয়। তাদের কাছে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা জমা দেওয়ার পরে তারা আমার পেপারগুলো অর্থাৎ দালালেরা আমার পেপারসগুলো অফিসের সাবমিট করার পরে আমার পেপারসগুলো গ্রহণ করে। সে পেপারগুলো আমার দেওয়া পেপারের অনুরূপ।
যেখানে ফাইল জমা নেয় সেখান থেকে আমাকে বলেছিলো যে ২/৩ দিন পর আপনি পেয়ে যাবেন, আমি প্রায় ২০ দিন পর যোগাযোগ করার পরে আমাকে ডাইরেক্ট বলতেছে যে ১০০০ হাজার দিলে আমরা এখনি দিয়ে দিবো যদি না দেন তাহলে কবে পাবেন তা আমরা বলতে পারবো না , এখন আমার জরুরী লাগতো তাই আমার কিছুই করার ছিলো না তাই আমার ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমার পাসপোর্টে সংশোধন ও ইমারজেন্সি সার্ভিস নেওয়ার জন্য আমাকে ১৮ হাজার টাকা দিতে হয়। ১০ থেকে ১২ হাজার সরকারি টাকার পরিমান বাকি টাকা অফিসারদের দালালরা নিয়েছে।
এনটিআরসিএ কর্তৃক এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় নিয়োগ সুপারিশ পেলেও এমপিওভুক্তির জন্য মাদ্রাসা সুপার প্রথমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। না দিতে চাইলে আমাকে কাগজ পত্র প্রদানে হয়রানি করেন এবং টাকা দাবি করেন। উপায়ান্তর না পেয়ে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দেই।
আমি জানি জমি খারিজ করতে কোনো টাকা লাগে নাহ, কিন্ত তারা টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে নাহ। অফিস সহায়ক থেকে শুরু করে অফিসার সবাই টাকা নেয়।
২০১৬ সালে জেলা শিক্ষা অফিসার পেনশন নিয়ে তালবাহানা করে ১৮ মাস পর টাকা ছাড়া পেনশন অনুমোদন করবে না তাকে মোট পেনশনের ২% দিতে হবে। না হলে এভাবে ঘুরাবে পরে বাধ্য করে ২% টাকা দেওয়ার। পরে বাধ্য হয়ে ১৯ লাক টাকার ২% ৩৮০০০/-দেয়া লাগলো।
প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে যোগদান সম্পন্ন করে বেতন আইবাসে (সরকারি চাকুরেদের বেতন দেওয়ার সফটওয়্যার) যুক্ত করাতে গিয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল। ঘুষের অর্থ শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছিল।
নামজারি অনলাইনে আবেদন করে ভূমি অফিসে যায়। সেখানে যাওয়ার পর আমাকে বলে টাকা না দিলে আবেদন বাতিলহব
রোগীর হাতের ইনজেকশন বা স্যালাইন দেওয়া হল ক্যানেলা খোলার জন্য 100 টাকা বরাদ্দ । এই অর্থ না দিলে কাজ হবে না দিতেই হবে । জোরাজোরি চলবে । আমি পরিশোধ করেছি।
জমি রেজিস্ট্রি ও পরে বন্ধকের জন্য যাই। টাকা না দিলে দলিলে ভুল বের করে ফেলে রাখে। ঘুষ দিলে কোনো ভুল নাই। চাকুরীজীবী হওয়াতে এসব ঝামেলা এড়াতে ঘুষ দিয়ে দি এবং দ্রুত সার্ভিস পাই।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি। গাড়ি চালাতে পারি কিন্তু গোস না দিলে পাস হবে না।
মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশদের সনদ তুলতে ইউনিয়ন পরিষদের গ্ৰাম পুলিশে ১০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। না দিলে সে স্বাক্ষর করছে না
আমার এক ভাই এর থেকে ১০০০ টাকা নিয়েছে, সকল কাগজ পত্র ঠিক ছিলো, বিন্দু পরিমাণ ভুল ছিলো না, তারপর ও তারা আমাদের থেকে ১০০০ টাকা নিয়েছে বাড়তি।
ঢাকা জজ কোর্টে একটি দেওয়ানী মামলা ফাইলিং করতে গিয়েছিলাম , সেখানকার কোর্ট স্টাফ সিগনেচার করতে ,কোর্টের সিল মারতে এবং কোর্ট ফ্রি এন্ট্রি করতে ইত্যাদি কাজে প্রায় ২০০০ টাকার মতো লেগেছে। টাকা না দিলে তারা কোন কাজ করে না। এমনকি ওপেন এজলাসে বিচারক থাকা অবস্থায় তারা টাকা নেয়। এটা তো খুব সামান্য ঘটনা। প্রতিদিন কোর্টের স্টাফরা লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নেয়। আদালত প্রাঙ্গনে ঘুষ ছাড়া প্রপারলি কোন কাজ করা যায় না। আর আমরা আইনজীবীরা বাধ্য হয়ে , এইসব ঘুষ দিয়ে থাকি।