উপবৃত্তি
ছোট বোনের উপবৃত্তির নাম দেওয়ার জন্য দায়িত্বরত শিক্ষক ৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা দেওয়ার পর সে উপবৃত্তির জন্য নাম দেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ছোট বোনের উপবৃত্তির নাম দেওয়ার জন্য দায়িত্বরত শিক্ষক ৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা দেওয়ার পর সে উপবৃত্তির জন্য নাম দেয়।
সাতকানিয়া নির্বাচন অফিস নতুন ভোটার নিবন্ধনের জন্য ৩০০০ টাকা চাওয়া হয়। পরবর্তীতে অনেকের সাথে কথা বলে জানতে পারি প্রায় সকলে কাছে এমন টাকা চাওয়া হয়
যে, সরকারি চাকরিজীবীদের LPC রিসিভ ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে হিসাবরক্ষণ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রতি LPC-এর জন্য ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা অননুমোদিতভাবে দাবি/গ্রহণ করা হয়।
০২-০৬-২০২৬ তারিখ আমার জমি খারিজের জন্য গোদনাইল চেয়ারম্যান ওফিসে স্থানীয় ভুমি ওফিসে যাই। আমার জমির পেপার সব কিছু ১০০% ঠিম আছে। বিনপি ক্ষমতায় আসার পরে গোদনাইল ভুমি ওফিসে নতুন নায়েব এসেছে। ওনি টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা, জমির খারিজের প্রস্তাব পাঠানোর জন্য যাওয়ার পরে ওনি কোন মানুষের সাথে কথা বলেনা, ওনার ওফিস সহকারীর মাধ্যমে ৫০০০ টাকা দাবী করে, টাকা না নিলে কোন কাজ করবেনা বে জানায় দেয়। তারপরে ২০০০ টাকার বিনিময়ে কাজ করে। বর্তমানে গোদনাইল ভুমি ওফিসে স্থানীয় যে ভুমি কর্মকর্তা আছে ওনি একটা দূর্নীতিবাজ।
ট্রেড লাইসেন্স নিতে গিয়ে আযাচিত ভাবে সাইন বোর্ড এর সাইজ বেশি দেখানোর চেষ্টা করা হয়। বিভিন্ন হুমকি ধামকি আইন দেখানো হয়। যেখানে আমার সাইন বোর্ড নেই শুধু সাটারের উপর ১০*১ স্টিকার আছে সেখানে প্রত্যেক বার তার ফি দিয়ে এসেছি। এইবার সরাসরি টাকা দাবি করা হয় না হলে সাইন বোর্ড এর সাইজ বাড়াতে বলে।নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করেছি
গাড়ির সবকিছু ঠিক ছিল কিন্তু হঠাৎ করে ধরে বলল ড্রাইভার সিট বেল বাধে নাই এজন্য মামলা দিবে ৬ হাজার টাকার পরবর্তীতে অনেক বোঝানোর পরে ২০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে ড্রাইভারের সিট বেল বাধা ছিল
চাকরির প্রথম বেতন তুলতে ঘুস ছারা ফাইলে হাত দেই না উনারা। একসাথে চাকরি হওয়া আমরা ২০২৩ সালের সহকারী শিক্ষক বেতন বাতার জন্য আবেদন করেছিলাম । সকল ডকুমেন্টস যাচাই করে জমাও দিয়েছিলাম। তারপরও দিনের পর দিন ঘুরতে হয়ে উনাদের পিছনে। কাজ করতে চাপ সৃষ্টি করার পর ফাইলে হাত দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে ভুল ধরার চেষ্টা করেছে। কাগজপত্র সঠিক থাকার পরও গ্রহণ করতে অপারগতা দেখিয়েছে। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে দিয়ে টাকা চাওয়া হয়েছে, টাকা না দিলে নাকি এগুলো এভাবেই পরে থাকবে। ৩ মাসে বেতন আটকে ছিলো আমরা পরে দিতে বাধ্য হয়।
সকল কার্যক্রম স্মুথলি করে দেওয়ার বদলে ১০০০ টাকা দাবি করে
আমার সব ডকুমেন্টস ঠিক ছিল, তবুও পাসপোর্ট অফিসে রিসিপশনে একজন চশমা পড়া অফিসার আমারকে বললো এখানে কিছু একটা গডমিল, আছে আমি জিজ্ঞেস করলাম কি, তিনি বললেন..নিজেনখুজে নেন, এবাবে দু-তিনবার যাওয়ার পর ওনি বললেন একজমের সাথে দেখা করো, আমি দেখা করার পর ওনি ৩০০০টাকা খুজলেন, টাকা দেওয়ার পর আমাকে আর কোনো সিরিয়াল এ দাড়াতে হলো না। সবার আগে আমি বায়োমেট্রিক দিলাম।
মূল বিষয়টি হলো যে আমি বিআরটি তে একটা মোটরসাইকেল মালিকানা বদলি করতে গিয়েছিলাম বিআরটিএ ফি কাগজপত্র বাবদ ৬০০০ টাকা আমার কাছ থেকে ১২ হাজার দাবি করে আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি উপায়ান্তর না দেখে করে আমাকে পুরো টাকাটাই আমাকে পরিশোধ করতে হয় হালিশহর, বি আর টি এ সার্কেলে
কাট্টলী ভুমি অফিসে আমার আর এস বি এস এ জায়গার পরিমাণ ছিলো ২৩ শতক কিন্তু দিয়ারা তে ২১ শতক উল্লেখ ছিলো পরবর্তীতে ভূমি অফিস ২৩০০০০ টাকা দাবি করে সংশোধনী করতে।
টিভি রোগের ওষুধ একসাথে দুই মাসের টা নেয়ার জন্য দিতে হয়েছিল।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সময় আমার কাছ থেকে মোট ১২০০০ টাকা নিয়েছে।
ভূমি কর প্রদান। ৩ শতাংশ বাগান জমির কর বসিয়ে দিয়েছিল ৩৪০০০ হাজার টাকা। ১৫০০০ হাজার টাকা দিলে কর কমিয়ে ৭০ টাকা করে দেই। আরেকটা জমি ১০৯ শতাংশ ধনী ৬০০০০ কর বসিয়ে দিয়ে ছিল ২০০০০ টাকা দিলে ২৩০ টাকা করে দেই।
আমার জন্ম নিবন্ধন সুধু ইংলিশ এ আসিল
এই পরিমাণ টাকা না দিলে নামজারি করতে পারবে না,
টাকা নাইতো রেজাল্ট ফেইল আসবে
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস হতে আমার উচচ্তর গ্রেড এর আবেদন বাতিল করার হুমকি দেয়। কিন্তু 500 টাকা দিলে ফাইল ছেরে দিব। পরে আমি আমার প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলে টাকা দিয়েছি।
২০ টাকা দিয়ে টিকেট কেটে বাচ্চার নাকের চিকিৎসা করিয়েছি। আসার সময় পিয়ন ও আয়া মিলে জোর করে বকশিশ নিয়েছে ১০০০ টাকা।
নাম জারি করতে এককালীন ৫০০০ টাকা দিলে আপনার দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না।