নামজারি
নামজারি করতে ১১৭০ টাকা লাগে।কিন্তু নিজে চেষ্টা করছি বাতিল করে দেয়।দালালের মাধ্যমে ২৫০০০ টাকা দাবি করছে।২৪০০০ টাকা দিছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করতে ১১৭০ টাকা লাগে।কিন্তু নিজে চেষ্টা করছি বাতিল করে দেয়।দালালের মাধ্যমে ২৫০০০ টাকা দাবি করছে।২৪০০০ টাকা দিছি।
আমার মোবাইল হারিয়ে যাওয়ায় আমি কালকিনি থানা পুলিশের সাহায্য নিতে যাই। মোবাইলটি উদ্ধারে তারা আমাকে সহযোগিতা করবে বলে জানায়। এ কাজের জন্য তারা আমার কাছে ২,০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে, এই টাকা ছাড়া কোনোভাবেই মোবাইল উদ্ধারের কাজ সম্ভব নয়। পরে বাধ্য হয়ে আমি তাদের ২,০০০ টাকা দিই। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার কাজটি করে দেওয়া হয়নি। এমনকি তারা কাজটি করে দেওয়ার কোনো উদ্যোগও নিচ্ছে না।
আমার দাদা আমার বাবার নামে দলিলের মধ্যমে সম্পদ দান করেন যা বহু বছর খারিজ করা হয়নাই। দাদা পরলোকগম করায় খারিজের ব্যপারটা সামনে আসলে ১২০০টাকার খারিজ ৭-৮মাস ঘুরার পর পরে বধ্য হয়ে ২০০০০টাকায় স্যাটেল করতে হয়। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বড় স্যারের সাথে, তিনি বলেন আগেই যদি লেনদেন করতাম তাহলে এতো মাস ঘুরা লাগতোনা। উপরের টেবিলে নাকি টাকা ছাড়া কাজই হয়। এইখানে ওনার নাকি কোন দোষ নাই। বরং উনি আমাদের জন্য অনেক চেষ্টা করছেন।😶
কোন টাকা দাবি করা হয়নি,কাজের কোন অগ্রগতি দেখাচ্ছিল না,অন্যদের কাছে জেনেছি টাকা দিলে কাজ তারাতাড়ি হবে।টাকা বিকাশে নিয়েছে। দালাল আছে তাদের।
Dhaka Cantonment Board
হিলি সৌরভ ফটোষ্টেড, জয়পুরহাট পাসপোর্ট অফিসসের নাম করে আবেদন ফি ৫৭৫০ টাকার কাজ ৮০০০ করে রাখে
আয়কর অডিটের নাম করে সম্পদের ওভার ভেল্যুয়েশন দেখিয়ে অনেক টাকা ট্যাক্স আসবে জানালো। চাহিদা মোতাবেক টাকা দিলে কম ভেল্যুয়েশন করবে। তাই টাকা দিতে হলো।
ফেনী ধলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ঘুষ দেয়া ছাড়া ওয়ারিশ সনদ , মৃত্যু সনদ ও অন্যান্য সেবা পাওয়া যায় না
সব কাগজ পত্র অরিজিনাল থাকার পরও প্রতি নামজারি খতিয়ানে টাকা ছাড়া আবেদন বাতিল করে দেয়!
আমি ৫ মাস পরে পাসপোর্ট উত্তোলন করতে গেসি, পরে বলে এটা অনেক আগের সময় নিয়ে খুজা লাগবে, কাগজ দিয়ে যান ২-৩ দিন পরে আইসেন, পরে ১০০০ টাকা অফার করসি উনি ২ মিনিটের মধ্যে খুঁজে হাসিমুখে পাসপোর্ট দিসে দুসে
প্রতি দলিল এর জন্য ৩৮০০/- করে অফিসে দিতে হবেই। না দিলে দলিল লিখক সমিতি দলিল করে দিবে না। অফিস এর লোকজন কে দলিল লেখক সমিতি মিলে এই টাকা নেয়।
এন আই ডি কার্ড সংশোধন এর জন্য সিটি করপোরেশনের প্রতয়ন পত্র দরকার ছিল (ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ওয়ার্ড নং- ০২) ওয়াড সচিব আমি সব কাগজ পত্র যা যা চাইছিল সব সঠিক ভাবে জমা দিয়েছি কোন ভুল ছিল না তার পর ও বলতাছে কম্পিউটারে টাইপ করতে হবে তাই খরচ আছে পরে ৬ দিন গুরায়া ২০০/- নিয়া দিছে। আমার সামনেই এক লোক থেকে ৩০০/- টাকা নিছে।
সকল তথ্য সঠিক থাকার পরেও। ভালোভাবে গ্রহণ করতে বাধ্য হয়ে বারোশো টাকা দিয়ে ফাইল সাবমিট করেছএ।
জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করতে গিয়ে আবেদন ফ্রি ২৫০ টাকা আমার কাছে চাওয়া হয়েছে না দিলে আবেদন করে দিবে না । আমি ঢাকা থেকে গিয়েছি আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন এর আবেদন করতে অতঃপর বাধ্য হয়ে দুইশত ৫০ টাকা দেওয়া লাগছে।
আনসার কে ১৫০০ টাকা দিছি, সব কাজ করে দিছে। ২/৩ টা ডকুমেন্টস ছিলো না, তার পর ও সব ডকুমেন্টস ক্লিয়ার, কোন লাইনে দাড়াতে হয় নাই । VIP ট্রিটমেন্ট পাইছি। আমার সাথে অন্য একজনের ৪-৫ ঘন্টা লাগছে, আমার ৩০-৪৫ মিনিটে ছবি তোলা ও সকল কাজ শেষ।
বিডিএস জরিপ এর খতিয়ান চাওয়ায় সরাসরি আমার থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয় আমি দিতে না চাওয়ায় আমাকে বলা হয় জরিপ থেকে আমার জমির নাম কেটে দিবে
আমার মায়ের কেনা একটা জমি ছিল যা বিক্রি করার সময় খারিজ আর ট্যাক্স কাগজ দরকার ছিল। অনলাইনে আবেদন করার পর রিজেক্ট করে দেয়। পরে অফিশে যেয়ে ৫০০০ টাকা দিয়ে করাতে হয়েছে। কোন অতিরিক্ত কাগজ চায় নাই। আগে যা দিয়েছি তা দিয়েই কাজ হয়েছে।
সিনিয়র স্টাফ নার্সদের বদলি হওয়ার পর, তাদের নিকট বিভিন্ন ভাবে টাকা দাবি করে, প্রধান অফিস সহকারী — এবং তারই নিজস্ব লোক — চুক্তি ভিত্তিক যাকে দিয়ে অফিসের যাবতীয় কাজ করানো হয়। এরা দুইজন মিলে নার্সদের বদলি হওয়ার পর, এলপিসি ও ছাড়পত্র দেওয়ার নামে প্রত্যেকের কাছ থেকে দশ হাজার করে টাকা দাবি করে এবং প্রত্যেকে টাকা দিতে বাধ্য হয়। থানচি উপজেলা হাসপাতালের এসব দুর্নিতি নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।
সত্য ঘটনা মামলা করা হয়েছে সেটার তদন্তের জন্য এ এস আই আসলেন এবং আট হাজার টাকা চাইলেন। বাধ্য হয়ে টাকাটা দিতে হলো। অবাক করা বিষয়, আসামি পক্ষের নিকট হতে ও টাকা নিলেন।
ট্রেড লাইসেন্স নিতে গিয়ে আযাচিত ভাবে সাইন বোর্ড এর সাইজ বেশি দেখানোর চেষ্টা করা হয়। বিভিন্ন হুমকি ধামকি আইন দেখানো হয়। যেখানে আমার সাইন বোর্ড নেই শুধু সাটারের উপর ১০*১ স্টিকার আছে সেখানে প্রত্যেক বার তার ফি দিয়ে এসেছি। এইবার সরাসরি টাকা দাবি করা হয় না হলে সাইন বোর্ড এর সাইজ বাড়াতে বলে।নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করেছি