Fitness
Amr car fitness er jonno newa hoi, but jara fitness test korcilen tara ta ok koren nai, pore ak dalal 2500 taka nia seta k ok kore den,
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Amr car fitness er jonno newa hoi, but jara fitness test korcilen tara ta ok koren nai, pore ak dalal 2500 taka nia seta k ok kore den,
পার্সপোট অফিসে সরাসরি টাকা নেয় না।অফিসের লোক শুধু আবেদন পত্রে ভুল ধরার ফাদ পেতে থাকে।ভুল ধরতে পারলেই টাকা।অবাক করার বিষয় হলো পার্সপোট অফিসের সরাসরি ঘুষ খায় না।মাধ্যম হয়ে খায়।সারা বাংলাদেশের যতো কম্পিউটারের দোকান আছে যারা পার্সপোট এর আবেদন করে দেয় তাদের সাথে যোগসাজশে কাজ গুলো সংগঠিত হয়ে থাকে।২০২১ সালে যখন আমি প্রথম পার্সপোট করতে যাই দালাল ছাড়া করতে গেয়েছিলাম অহেতুক হয়রানি হয়ে কম্পিউটারে দোকানে বাড়তি ২০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আবেদন জমা দিয়েছিলাম। এবার ২০২৬ সালে আগে থেকেই ঘুষের টাকা রেডি করে রাখছিলাম যাতে ভোগান্তি পোহাতে না হয়।যে কথা সেই কাজ কোন ঝামেলা হয় নাই।আগেই কম্পিউটার এর দোকানে ২০০০ টাকা দিয়া আসছিলাম।আমি শুধু অফিসে যেয়ে বাকি কাজ গুলো করে এসেছি।আমার আশা সরকার যদি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
আমার একটা জমি রেজিস্ট্রেশন করার ছিল। আমি সরাসরি সাব-রেজিস্ট্রারের সাথে কথা বলি। তিনি আমাকে বলেন, আপনার ডকুমেন্টসহ জমা দিন। আমি দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু দলিল লেখককে ১% টাকা দিতে বলে। এছাড়া সে দলিল সম্পাদন করবে না। দলিলটা আমার ইমারজেন্সি হওয়ায় বাধ্য হয়ে টাকাটা দেই।
আমরা নৌবাহিনীর সদস্য ডিপুটেশনে বদলী গেলে ব্যাক্তিগত জিপিএফ ফান্ডের টাকা কাটার পর টিআর কপি দেয়। পুনরায় নৌবাহিনীতে ফেরত আসার পর সেই টিআর কপি আইবাস++ এ আপডেট করতে হয় এসএফসি (জিই নেভী) এর মাধ্যমে। উক্ত কাজের জন্য এসএফসি (নেভী) তে কর্মরত সিভিলিয়ান টাকা চেয়ে ফোন করে। টাকা না দিলে বছরের পর বছর পরে থাকলে আপডেট হয় না এবং বিভিন্ন টিএডিএ ক্লেইম করলেও তারা ফোন করে বিকাশ নম্বর দেয়। টাকা না দিলে অর্থ আটকে দেয়। পেনশনারদেরকে একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। টাকা দিলে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। এই ডুকুমেন্ট নিয়ে আসেন । আপনার ঐ ডুকুমেন্টে সমস্যা। আজকে না সামনে মাসে আসেন। প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার ঘুষ লেনদেন হয়।
এ বছর কুরবানীর ঈদের সাপ্তাহ খানেক পর বাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরছিলাম বাইকে করে। পথিমধ্যে বরিশাল সহ অন্যান্য জায়গার পুলিশের চেকপোস্ট ছিলো সেগুলো পার হয়ে আসছি কোনো সমস্যা হয় নি। যখন পদ্মা সেতুতে ঢুকবো তার কিছুক্ষণ আগে একটা মোরে মাদারীপুর থানাধীন শিবচর থানা পুলিশ একটা পিকআপ, সম্ভবত ৪জন পুলিশ সদস্য এবং একটা স্পিডগান নিয়ে বসে আছে। আমাকে সিগন্যাল দিলো, আমি দাঁড়ালাম তারপর আমার কাগজপত্র চেক করলো, সব ওকে। এখন আমার নাকি ওভার স্পিড পেয়েছে, আদৌও পেয়েছে কিনা আমি জানিনা আমাকে দেখায়ওনি। এখন মামলা দিবে, আমি বলেছি দেন। তারপর মামলার ফজিলত বুঝাচ্ছে আমাকে বলে বিকাশে টাকা আনেন নয়তো আপনার আবার শিবচর থানায় কাগজপত্রের জন্য আসতে হবে। একটা পর্যায়ে আমার কাছ থেকে ১৫০০ এবং আমার আগেরজন দিছে নাকি ১০০০, যার কাছে যা।
Nid কার্ডের আমার বাবার নাম — ছিলো আর আমার বাবার Nid কার্ডে — শুধু মাত্র ইংরেজি একটি অক্ষর Z আর J. এর জন্য টাকা দিয়ে করাতে হয়েছিল
আমাদের পরিবারের কয়েকটি জমি মিউটেশন করার জন্য গত বছর ২০২৫ সালে আমরা সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে যাই। মিউটেশনের সময় ভূমি অফিসের একজন পিয়ন আমাদের জানান যে, আমাদের এলাকার প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ২০ শতাংশ জমির জন্য ১৫,০০০ টাকা করে দিতে হয়। অথচ সরকারি নির্ধারিত মিউটেশন ফি প্রায় ১,১৫০ টাকা। আমাদের মোট পাঁচটি জমি মিউটেশন করতে হয়েছে। জমিগুলোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিমাণ টাকা দাবি করা হয়। কোনো জমির জন্য ৭০,০০০ টাকা, কোনো জমির জন্য ৫০,০০০ টাকা, কোনো জমির জন্য ৩০,০০০ টাকা এবং কোনো জমির জন্য ৮০,০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে। এভাবে সরকারি নির্ধারিত ফি’র বাইরে মিউটেশন সম্পন্ন করার জন্য আমাদের কাছ থেকে অতিরিক্তভাবে ২,৫০,০০০ টাকারও বেশি টাকা নেওয়া হয ।
AMAR THEKE BESHI NTK NEYA HOISE MAKE BOLSE ETA GOVT THKE NIDRDHARON KORA HOISE BUT ONLINE E TAKA DEKHACCHILO 800 TAKAR MOOTO AMAKE BOLA HOISE ETA UPDATE KORE DIBE UNION PORISHOD ER WEB SITE E ETA HOLO KAYETPARA UNION PORISHOD, RUPGANJ, NARAYANGANJ
ডেভেলপার কোম্পানি হতে ফ্ল্যাট কেনায় বিদ্যুৎ মিটারের নাম ডেভেলপার কোম্পানির নামে থাকায় তা নিজের নামে পরিবর্তন করা অত্যাবশকীয়। কেননা ব্যাংক, ভিসা সহ অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রিসিটি বা পানির বিলের কপি সাবমিট করার প্রয়োজন পড়ে। পূর্বে গ্যাস মিটারের নাম পরিবর্তন করতে যেয়ে তারা আমার নিকট ১০ হাজার টাকা দাবী করেন, যা আমি পরিশোধ করিনি। কিন্তু অত্যন্ত জরুরী হওয়ায় আমি আমার সকল কাগজপত্র জমা দেই এবং একইভাবে অন্যান্য অধিদপ্তরের অফিসের মতো এরাও আমার নিকট ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। আমি তাৎক্ষণিক ৩ হাজার টাকা পরিশোধ করি এবং বাকি টাকা কাজ সম্পন্ন হবার পর পরিশোধ করবো বলে জানাই। পরবর্তী ১৫ দিন ধরে বার বার ধর্ণা দেওয়া সত্বেও কাজটি সম্পন্ন না হওয়ায় আমি ৪ হাজার টাকা পরিশোধ করে তাদের নিকট মাফ চেয়ে নিই।
আমি — অফিসের নামজারি করতে যাই। ভূমি অফিস থেকে বলে —ের সাথে দেখা করবে কাছে টাকা দিতে বলে বাজারে দোকান দিয়ে বসে থাকা একজন দালালের কাছে ভূমি অফিসের নায়েব পাঠিয়ে দেয়। একটি নামজারি করতে ১২ হাজার টাকা দাবি করে এখন আমি বারো হাজার টাকা পরিশোধ করি। সাতক্ষীরায় জামাতের এমপি তারপরও দুর্নীতি কম নেই
গাড়ির কাগজ জমা দেওয়ার জন্য তিন দিন ধরেছি কর্মরত কর্মকর্তা বলছে এই কাগজ নাই ওই কাগজ নাই কাগজ নিয়ে আসেন কাগজ নিয়ে আসেন কাগজ সঠিকভাবেই নিয়ে যাচ্ছে তারপরে বলতেছি কাগজ তিন দিন ঘুরার পরে যখন এক কর্মকর্তার সাথে কথা বললাম তখন উনি বলল আমাকে এক হাজার টাকা দাও আমি তোমাকে কিনে দিয়ে দিচ্ছি ১০০০ টাকা দিলাম আর কোন কাগজে লাগল না যেই কাগজ ছিল ওই কাগজেই দিলাম মনে আছে উনি কাগজ গুলা জমা করছে পরবর্তীতে কাজ হয়ে গেছে ইয়ার কি অবস্থা র
আমার সাথে প্রতিবেশির কথা কাটা কাটি হয়েছিলো। আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় প্রতিবেশি। তোহ আমি থানায় জানালে তারা সাধারণ ডায়েরি করে রাখে এবং ১০০০ টাকা চায়। আমি বললাম যে জিডি করলে কি ফি লাগে? পুলিশ বলতেছে এটা তাদের চা পানির খরচা।
চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শিপিং অফিসের প্রতিটি টেবিল যেন এক একটা ঘুষের খনি। সাইন অন, সাইন অফ থেকে শুরু করে প্রতিটি টেবিল টাকা ছাড়া কথা বলে না। যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে কাগজ পত্র এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যায় না। যে কাজের সময় লাগে ২০/৩০ মিনিট সেখানে ১/২দিন ও লাগতে পারে।
আমি গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এর অধীনে একটা যায়গা joint venture development এর জন্য আবেদন করি। এতে সরকারী কোন ফি নেই। কিন্তু আমার (ডেভেলপার) এর কাছ থেকে ১০০,০০০ টাকা নিয়েছে এবং জমির মালিক থেকে নিয়েছে ৫০,০০০. তারপর ও দুই মাস ঘুরিয়েছে। এখনও শেষ হয়নি । এটা মিরপুর গণপূর্ত অফিস।
ইনকাম টেক্স রিটার্ন সাবমিটের সময় তথ্যভূল ছিলো। ভুল ধরা পড়ায় সংশোধনের জন্যে টাকা চেয়েছে। ভবিষ্যতে হয়রানি এড়াতে ভয়ে টাকা দিয়ে দিয়েছি।
রাজউকের উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে একটি জি+৯ ভবনের জন্য এলইউসি চাওয়া হয়েছিলো বিগত মে ২০২৬ তারিখে। আমার ব্যক্তিগত মতে, সার্ভিসটি চাইলে রাজউক সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের ভেতর দিতে পারে বা পারতো। (বর্তমানে অফিসিয়ালি আবেদন করতে ১০০০টাকা + ভ্যাট লাগে ও সময় এক মাস দেখানো আছে)! কিন্তু আজকে প্রায় ৪ মাস অপেক্ষা করেও এল ইউ সি পাইনি, গত সপ্তাহে তারা জানায় যে, আমরা যে আবেদন করেছিলাম সেটা তারা খুঁজে পাচ্ছে না!! (ফাইলে কপি নেই, কিন্তু আমার হাতে তাদের রিসিভ করা কপি আছে) যাহোক, দুটি এল ইউ সি ৭০,০০০ টাকায় চুক্তি করি (ঘূষ) এবং ৫০,০০০ ইতিমধ্যে পরিশোধ করেছি (একটি হাতে পাবার পর)। ২০,০০০ টাকা অন্যটি পেলে দিতে হবে।
নামজারী করার শেষ ধাপ এসিল্যান্ড এর মঞ্জুর এর জন্য ফেনী সদর অফিসের নাজির আমাকে ৫-৬ দিন ঘুরায়। পরে ২ হাজার টাকা দাবি করে।এবং ২ হাজার টাকা প্রদান করার পর দিনই কাজ হয়ে যায়।
দালাল এর মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হয়েছিল। মূল টাকা ৫৫০০ হলেও দালাল ১০৫০০ টাকা নিয়েছে। দালাল ছাড়া আমার বন্ধু এক্সাম দিয়েও ফিরে আসছে কিন্তু আমরা ফেইল হয়েও লাইসেন্স পেয়ে গেছি।
উপজেলা পর্যায়ে দিতে হয়েছে 25000 এবং জেলা পর্যায়ে দিতে হয়েছে ৩০ হাজার
প্রত্যেক ফ্লাট রেজিস্ট্রেশন এ 1-2 লাখ টাকা নেয় এই সাবরেজিস্টার. তার প্রত্যেক দিন ইনকাম 10-15 লাখ টাকা.