মিউটেশন
আমার জমি মিউটেশনের কাজ ছিল্ কিন্তু তখনকার তহসিলদার টাকা ছারা কেস খারিজ করে দেওয়ার কথা বলে। আমি নিরুপায় হইয়া 12000 টাকা দিয়েছিলাম। যেখানে সরকারি ফি মাত্র 1170 টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জমি মিউটেশনের কাজ ছিল্ কিন্তু তখনকার তহসিলদার টাকা ছারা কেস খারিজ করে দেওয়ার কথা বলে। আমি নিরুপায় হইয়া 12000 টাকা দিয়েছিলাম। যেখানে সরকারি ফি মাত্র 1170 টাকা।
আমি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন কর্মচারী হিসাবে খুলনা জোনে চাকরিরত অবস্থায় আছি। আমার যখন সিলেকশন গ্রেড প্রাপ্তির সময় হয় তখন আমি যথারিতি অফিসে আবেদন করি কিন্তু আমার এই ন্যায্য অধিকার আমি অফিসিয়াল নিয়ম অনুযায়ি সহজে পাই নাই। আবেদনের পর থেকে আমার নিজ অফিসের উপপরিচালক কে বারবার কাজটি করে দেওয়ার জন্য বললেও সে নানা বাহানায় করতো না, যারা সুবিধা দিতো তাদের সবার কাজ দ্রুত হয়ে যেতো কিন্তু আমারটা দিনের পর দিন পড়ে থাকতে থাকতে ৬ মাস পার হওয়ার পর আমি একরকম নিরুপায় এবং বাধ্য হয়ে (কারন এটা আমার চাকরির একটা স্টাটাস + বেতন ভাতার বিষয়, এর মাধ্যমে আমার স্কেল পরিবর্তন হবে এবং বেতন বাড়বে) তাকে কয়েক ধাপে এই টাকা দেই। টাকা পাওয়ার পর সে আমার কাজ আগ্রহচিত্তে হাতে নেয় এবং কাজটি করে দেয়।
দালালের মাধ্যমে টাকা দিতে হয়।টাকা না দিলে ফেইল করিয়ে দেয়।
ফায়ার লাইসেন্স এর জন্য ফি হলো ৩৪০০/- আমার নিকট হইতে নিয়েছে ১৫০০০/- আমার সাথে ১৫০০০ এর চুক্তি হয়েছে। লাইসেন্স হাতে পেয়ে দেখি সেখানে সরকারী ফি নিয়েছে ৩৪০০/- আর ভ্যাট বাবদ নিয়েছে ৫১০/-
বিষয়: শ্রম কর্মকর্তা —-এর বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ফ্যাক্টরি ম্যানেজমেন্টের কাছ থেকে প্রতি মাসে অনৈতিকভাবে ৫০,০০০ টাকা আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ।মহোদয়,আমরা 'পাকিজা নিট কম্পোজিট' (Pakiza Knit Composite) কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আপনার সদয় অবগতির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুতর ও অনৈতিক বিষয়ে অভিযোগ জানাচ্ছি।শ্রম দপ্তরের শ্রম কর্মকর্তা (Labour Officer) — দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ফ্যাক্টরি এবং ম্যানেজমেন্টকে নানাভাবে হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইল করে আসছেন। অভিযোগের বিবরণ নিম্নরূপ:১. ট্রেড ইউনিয়নের নামে ভয়ভীতি: আমাদের ফ্যাক্টরিতে ট্রেড ইউনিয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন নিয়মকানুন বা আইনি জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে তিনি ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেওয়া বা বড় ধরনের আইনি শাস্তির ভয় দেখিয়ে আসছেন।২. মাসিক অর্থ আদায়: ফ্যাক্টরির উৎ
আমার জানামতে বিআরটিএ তে যখন বাইক রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য যে ফি প্রদান করা হয় তার বাইরে কোন ফি লাগেনা কিন্তু আমি যখন বাইকের নাম্বার প্লেট সংযোজন করতে যাই তখন আমার কাছে সেখান উপস্থিত যে অফিসার ছিলেন উনি বললেন যে অফিসিয়াল কারনে ১০০ টাকা দিতে হবে এবং দাবি ও করে এবং দিতেই হবে বললো তারপর আমি দিতে বাধ্য হলাম।
আমি বিগত দুই মাস আগে আমার চাচাতো বোনের নিকট থেকে ১০ থেকে ১২ শতাংশ জমি ক্রয় করি। উক্ত জমি রেজিস্ট্রি করার জন্য ভান্ডারিয়া ভূমি অফিসে আমার নিকট থেকে জমি রেজিস্টেশন অন্যান্য খরচ স্ট্যাম্প ও অন্যান্য ব্যাংক ফ্রী বাবদ ৭০ হাজার টাকা নিয়েছে। উপযুক্ত টাকার বিবরণ চাইলে সাব রেজিস্ট্রার অফিসার আমাকে কোন প্রকার সহযোগিতা করেনি এবং সম্পূর্ণ টাকা নিয়ে গেছে। আমি সরকারের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করব গ্রামীন জায়গা জমিতে রেজিস্ট্রি করার জন্য এত টাকা কেন ঘোষ গ্রহণ করা হয় এর একটা স্থায়ী প্রতিকার চাই। এবং সরকারি খরচের হিসাববাবদ বাদে বাকি টাকা আমি ফেরত চাই। —। পিতা —। মাতা —। — —। — —। — —। — —। —
নামজারি আবেদন ককরেছিলাম, তহসিল অফিস হতে নামজারি প্রস্তাব পাঠানোর জন্য ৬০০০ নিয়েছিল। পরে জানালো অনলাইনে আমার খতিয়ানে প্রিন্টিং ভূল থাকার কারনে প্তেব দিতে পারবে না। অনলাইনে খতিয়ান সংশোধন করতে হবে। এর জন্য এসি ল্যান্ড অফিসে আবার ১০০০ টাকা দিলাম। এদিকে সময়ের বাধ্যবাধকতা দেখিয়ে আমার নামজারি আবেদন খারিজ করে দেয়া হলো।এখন আমাকে পুনরায় সরকারি ফি প্রদান করে নামজারি আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে আমার কোন ভূল না থাকাসত্তেও আর টাকা সময় দুটোরই অপচয় হলো। এটি একটি নমুনা মাত্র, এ ধরনের ঘটনা চান্দগাও ভূমি অফিসের ক্ষেত্রে নিত্যদিনের ব্যাপার।
আমার ছোট বোন এসএসসি/দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। কিন্তু আমরা আরও ভালো ফলাফলের আশায় বোর্ড চালেঞ্জ করেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ আমাদের পরিবর্তিত রেজাল্ট ভালো এসেছিলো। কিন্তু সেই মার্কশিট আর প্রতিষ্ঠানে আসছিলো না। এদিকে কলেজে ভর্তির ডেডলাইন ছিলো। তাই প্রধান শিক্ষকের পরামর্শে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এ গিয়েছিলাম এবং তারা অনেক হয়রানি করে ১০০০ টাকা ঘুষ আদায় করে আমাকে মার্কশিট দিয়েছিলো। টাকার এমাউন্ট টা ছোট ছিলো এবং ঘুষ গ্রহীতা দাড়ি টুপি ওয়ালা ছিলেন। মনে খুব কষ্ট পেয়েছিলাম।
সহকারী শিক্ষকের বেতন ধাপ সংশোধন করে পাওনা টাকা দারায় ১৫৪০০০ টাকা প্রায়। উক্ত টাকা বকেয়া বিল হিসেবে উত্তলনের জন্য এরিয়ার বিল সাবমিট করা হয়। উক্ত বিল পাশ করার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অপিসার প্রতি শিক্ষকের কাছ থেকে 20000 টাকা করে ঘুষ দাবী করেন। না দিলে তিনি বিলের কাগজে স্বাক্ষর দিবেন না। তারপর দর কষাকষির মাধ্যমে তিনি প্রতি শিক্ষকের কাছে 19000 টাকা নিয়ে স্বাক্ষর দেন।
সিলেট জেলা পুলিশ লাইন্স রিজার্ভ অফিসে কর্মরত আরও-১ / রিজার্ভ অফিসার এসআই (নি:) — দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত অফিসে কর্মরত আছেন। অধিনস্থ পুলিশ সদস্যদের ভালো জায়গায় পোস্টিং করে দিবেন মর্মে ৩০,০০০/- থেকে ৬০,০০০/- টাকা ঘুস গ্রহণ করে থাকেন। কারো নামে কোন অফিসার কর্তৃক অভিযোগ গেলে সেই অভিযোগ হাতে রেখে যাচাই-বাছাইয়ের নামে অভিযুক্তের নিকট ৮০,০০০/- ( আশি হাজার) থেকে ১,০০০০০/- ( এক লক্ষ) টাকা দাবী করেন। ভুক্তভোগী বিপদ থেকে বাঁচতে এসআই —র হাতে পায়ে ধরে মিনিমাম ৫০,০০০/- ( পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে বাধ্য থাকেন। কোন অফিসে এলসি বা কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ নিতে হলে যোগ্যতা থাকাসত্বেও তাকে ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার ঘুস দিতে হয়। অন্যতায় এসআই — রাগ করে কয়েক মাসের ভিতর বদলী করে দেন।
আমি অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করি, তারপর ডকুমেন্টস থানায় জমা দিতে যাই, তারপর পুলিশ কর্মকর্তা ডকুমেন্টস হাতে নেওয়ার পর কিছু খরচা পানি দেওয়ার দাবি করে, আমি প্রথমে ২০০ টাকা দিয়েছি তারপর বলল হবে না আরো কিছু লাগবে, এরপর আরো ১০০ টাকা দিয়েছি,তারপর কাজ সাথে সাথে হয়ে গেছে।
প্রথম সত্যায়িত ওয়ারিশ সনদ গ্রহন করবে বলে পরে গ্রহন না করে দলিল ছুড়ে মারে,,,, পরে ৪০০০ নিলে পরে সত্যায়িত ওয়ারিশ সনদ গ্রহন করে,,,
জমির খাজনা নির্ধারিত ফি থেকে অতিরিক্ত পরিশোধ
টাকা না দিলে দলিলের বিভিন্ন জিনিস ভুল ধরে এটা হবে না এভাবে হবে না এটা সমস্যা এটা সমস্যা । টাকা দিলে কোন সমস্যা নাই সব সমস্যার গায়েব হয়ে যায়।
আমার ডান চোখ নষ্ট থাকাই,,পাসপোর্ট করতে গিয়ে আইরিস আসে নাই ক্যামেরা তে,,তাই আমাকে একটা সিভিল সার্জন থেকে সার্টিফিকেট নেওয়া লাগছে,,,আমাকে বাধ্য করা হয়েছে ঘুষ দিতে,,না হয় তারা আমাকে কাগজ টা দিবে না আর আমার পাসপোর্ট ও হবে না।।। আমার অন্য ডা: এর সার্টিফিকেট ছিল,,কিন্তু এটা নাকি হবে না।। আর এটার সাথে পাসপোর্ট করতেও আমাকে প্রায় ৩ হাজার টাকা এক্সট্রা দেওয়া লাগছে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতেও দেওয়া লাগছে।। ১০০০ টাকা টা নিছিলো সিভিল সার্জন এর কেরানি।
আমার পরিবারিক জমি রাস্তার জন্য অধিগ্রহণ করা হয়। উক্ত জমির ক্ষতিপূরণ এর অর্থ উত্তোলন করতে গেলে মোট প্রাপ্য টাকার ৫% ঘুষ প্রদান করার পরই চেক হাতে পেয়েছি।
পুলিশ ভেরিভিকেশন করতে এসে তারা চা নাস্তা বাবদ ১০০০০ টাকার অর্থ দাবি করে।এতো বেশি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্ন ভয় ভীতি দেখানো শুরু করে।পরে আমার মা ভয় পাওয়ায় নাস্তা বাবদ পুলিশকে ৮০০০ টাকা দিতে হয়।
ব্যাক্তির সম্পদ টিনশীড ঘর হস্তান্তরের জন্য ভ্যাট লাগবে অন্যথায় ২০০০০০দিতে হবে। পরে ১০০০০০দিয়ে সমাধান😭।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেস্ন করার জন্য দালালকে দিয়েছি, যদি না দিতাম তাইলে আমার ড্রাইভিং লাইসেস্ন করতে নানা রকোম ভুল ধরতো, প্রথমে টাকা না দিয়ে ট্রাই করেছি কিন্তু অনেক বার আমার বিভিন্ন রকোন ত্রূটি ধরছে, পরে টাকা দেয়ার পরে আমার যেতেও হয় নাই টেস্ট দেয়ার জন্য, সব দালাল করে দিছে।