হেবা দলিল
আমার বাবা আমাদের নামে জমি হেবা করতে গিয়েছিলেন , তখন তারা বলেছে হেবা করতে গেলে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবেম
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বাবা আমাদের নামে জমি হেবা করতে গিয়েছিলেন , তখন তারা বলেছে হেবা করতে গেলে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবেম
আমি একজন প্রবাসী আমি আমার দাদার আমলে ভিটাবাড়ি ও জমির কাজনা বা কর পরিশোধ করতে গিয়ে দেখি আমাদের নাকি কাজনা ও কর দেওয়া হয়নি ৪০ বছর যাবত। অথচ আমাদের ভিটা বাড়ির জমি কাজনা বা কর আমার দাদাও পরিশোধ করেছে আমার বাবা ও পরিশোধ করেছে এবং আমিও প্রবাসে যাওয়ার আগে আট বছর আগে পরিশোধ করেছি কিন্তু ভূমি অফিসে আমাদের পারিবারিক কাজ না বা কয় পরিষদের রেকর্ড নেই বা রেকর্ড দেখাচ্ছেনা ভূমি অফিসারের কর্মকর্তারা কিন্তু আমার জানামতে এগুলা তো রেকর্ড থাকার কথা সরকারের ভূমি অফিসে কাছে। যাই হোক ওরা 40 বছরের কাজনা বা কর নিতে চাই এখন এভাবে বাহানা দিয়ে নির্দিষ্ট একটি টাকার পরিমান বলে। পরে দিতে অপারগ হলে ৬০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। ঘুষ দিলে তারা এটিকে ৫০০ / ১০০০ টাকা করে একটি কাজনা দাখিলা কেটে দিবে। নয়তো কোন কাজনাই দিবেনা।
এনআইডি করতে গিয়ে,,,, আমি হালনাগাদের সময় করতে পারিনি,,,,উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে করছি,,,সেখানে,,,ঘুষের সম্মুখীন হয়ে
Ami namjari korte gesi , amar kase 15000 taka caise,and sundarganj ac land office amar ekta mamala sesh korte 30000 taka caislo peon, mamla ta cilo amar ma k amar mama warish bad dislo
এখানে দলিল এর সম্পত্তি মুল্যের প্রতি লাখে সমিতি সিন্ডিকেট নেয় 2 হাজার, আর সাব রেজিস্ট্রার নেয় ৩ হাজার । অর্থাৎ প্রতিদিন এভারেজ এ 20 লক্ষ টাকা।
উত্তরিধিকার সূত্রে পাওয়া পারিবারিক সম্পত্তি ১২ সদস্য এর মাঝে আপোষ বন্টননামা করতে গেলে বিভিন্ন জটিলতা দেখিয়ে সাব-রেজিস্টার ম্যাজিস্ট্রেট রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করে, পরে স্থানীয় বিনপি নেতার মাধ্যমে আপোষ করে রেজিস্ট্রি করতে রাজি হয় এবং তা সম্পন্ন হয়
আমি সম্পত্তির ওয়ারিশ নামজারি করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রক্রিয়া জানতে স্থানীয় ভূমি অফিসের আশেপাশে খোঁজখবর নিই। সেখানে কর্তব্যরত এবং আশেপাশে অবস্থানরত একাধিক ব্যক্তির সাথে আলাপ করে জানতে পারি যে, সরাসরি সাধারণ নিয়মে আবেদন করলে কাজ সহজে সম্পন্ন হয় না। সবাই আমাকে জানান যে, কোনো দালালের মাধ্যমে নির্দিষ্ট চুক্তিতে (কন্টাক্ট) টাকা না দিলে ফাইল আটকে রাখা হবে। দালালের মাধ্যমে অনানুষ্ঠানিক অতিরিক্ত অর্থ দিলে তারাই সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দেবে ।
রাজউকের কাছে বাড়ির প্ল্যান অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হলেও, তারা এ বিষয়ে কোনো অনুমোদন দেয়নি। এমনকি মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধের পশ্চিম পাশের এলাকাতেও কাউকে ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়নি বলে জানা যায়। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বহু বছর আগে থেকে ওই এলাকায় বস্তি গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে একটি দম্পতি ছোট একটি জমিতে নিজেদের বসতি নির্মাণের উদ্দেশ্যে রাজউকের কাছে আবেদন করেন। তারা জানতেন না যে ওই এলাকায় আদৌ রাজউক থেকে আবেদন গ্রহণ বা ভবন নির্মাণের অনুমোদনের সুযোগ রয়েছে কি না। অভিযোগ রয়েছে, এই সুযোগকে কেন্দ্র করে ওই দম্পতিসহ এলাকার আরও অনেকের কাছ থেকে ভবন নির্মাণের সময় রাজউক বিপুল পরিমাণ অর্থ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ওই দম্পতির কাছ থেকে ধাপে ধাপে এবং ভবন ভেঙে ফেলার কথা বলে মোট প্রায় ১৩ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে
সরকারি অফিসগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় স্টেশনারি সামগ্রী সংগ্রহ ও সরবরাহ করা। কলেজ এ বাজেট অনুযায়ী ষ্টেশনারী সামগ্রী নিতে চা -নাস্তার টাকা দিতে হয়। তা না হলে বাজেট পণ্য সামগ্রী পযাপ্ত নেই বলে ঘুরায়। মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, রংপুর
আমার আম্মুর পেনশনের টাকা প্রতি মাসে ব্যাংকে চলে আসতো আর ওই টাকা আমরা বছরে একবার অথবা দুইবার ব্যাংক থেকে উঠিয়ে নেই l কিন্তু যখন আমরা কিছুদিন আগে ব্যাংকে টাকা নিতে গিয়েছিলাম দেখলাম আম্মুর একাউন্টে কোন টাকা নেই l পরে আমরা জেলা হিসাবরক্ষকের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম এবং এ বিষয় জানতে চাই যে কেন টাকা আমাদের একাউন্টে আসেনি l এবং তারা বলছে দুদিন পর আসুন আমরা দেখব কি প্রবলেম হয়েছে l তারপর আমরা যখন অফিসে উপস্থিত হই দুই দিন পর তখন তারা আমাদের কাছ থেকে 15000 টাকা দাবি করে l তারপর আমরা 12000 টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে বাধ্য হই এবং এর আগেও একবার তারা সেইম সমস্যা ফেলে আমাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছিল সেটা অন্য একদিন বলব l
ডিসি অফিসে মাই গভ এর মাদ্যমে এনজিও সমূহের প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পর্কিত প্রত্যয়ন পত্রের জন্য আবেদন করি। এই আবেদনটি এনজিও শাখায় দাখিল হয়। শাখা হতে বলা হয় এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে আমাদের কে কিছু খরছ দিতে হবে। না হলে ফাইল অনুমোদন হবে না। কিন্তু মাই গভে বলা আছে এই সেবার জন্য কোনো টাকা লাগবে না।
একটি বাড়ি,একটি খামার প্রকল্প থাকাকালীন সময়ে এবং প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের পূর্বে যথাক্রমে ৫০০০ ও ৩০০০ ঘুষ দাবি করে এনএসআই ও এসআই। এটি ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার ঘটনা।
আমার ট্রাক্স সার্কেল পরিবর্তন জরুরি ছিলো। সাধারণত এই কাজ অনলাইনের মাধ্যমেই সম্ভব। কিন্তু এর জন্য খুব সম্ভবত Income Tax এর আইটি কর্তৃক অনুমোদন দেয়া হয়। জরুরী প্রয়োজনে আমার ফাইল ট্রান্সফার করতে গেলে Income Tax এর আইটি হতে ১০০০০ টাকা দাবী করা হয়। বাধ্য হয়ে আমি উক্ত অর্থ পরিশোধ করি।
প্রত্যেক ফ্লাট রেজিস্ট্রেশন এ 1-2 লাখ টাকা নেয় এই সাবরেজিস্টার. তার প্রত্যেক দিন ইনকাম 10-15 লাখ টাকা.
আমি আমার কয়েকটি জায়গার জন্য কয়েকবার ভূমি অফিসে গিয়েছি আমার জায়গাগুলোর নামজারি করার জন্য খাজনা দেয়ার জন।কিন্তু প্রত্যেকবারেই আমার থেকে মোটা টাকা দাবি করা হয়েছে আর টাকা না দিয়ে কাজগুলো করতেই পারিনি
টাকা না দিলে হুদাই রিপোর্ট ক্যানসেল করে দিত। অতছ আমার কোন মামলা বা এরকম কিছু ছিল না, আমি নিজে উপস্থিত হয়েছিলাম।
আমার জন্মনিবন্ধ করা হয়েছে ২০০৭ এর দিকে। পরবর্তীতে এগুলা অনলাইন করা হয়েছে। অনলাইন করতে মন ইচ্ছা মত নাম ঠিকানা উঠাইসে। মানে হার্ড কপির সাথে অনলাইন কপির কোনো কিছুই মিল নাই। যাইহোক, এখন এক কাজে জন্ম নিবন্ধ অনলাইন কপি লাগতেসে তাই সংশোধনের আবেদন করি আমি নিজেই৷ পরে আবেদন কপি জমা দেয়ার জন্য বুড়িচং উপজেলার ৩নং বুড়িচং সদর ইউনিয়নে সচিবের কাছে আবেদন কপি জমা দিতে গেলাম ওনি তখন ৩০০ টাকা চাইলো। আমি জান্তে চাইলাম ৩০০ টাকা কিসের ওনি বললো এইটা নাকি সরকারী ফি। আমি দিয়ে চলে আসলাম কিন্তু পরে জান্তে পারলাম এইটা কোনো সরকারি ফি না। আমি যতক্ষণ ছিলাম ওখানে দেখলাম যারাই সেবার জন্য আসছে সবার থেকেই ২০০/৩০০/৫০০ করে টাকা নিচ্ছে সরকারি ফি বলে বলে! আর যেটা একটু জটিল কাজ সেগুলার জন্য ওনি বলতেসে হয় সন্ধ্যায় দেখা করেন।
উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা এসিল্যান্ডের কথা বলে ১০০০০ টাকা নিয়েছে
মামলার রায় দেওার জন্য জজ আমার কাছে এই পরিমান টাকা দাবি করে। আমি তার বাসায় গিয়ে তাকে এই টাকা দেই। বিকাশেও টাকা পাঠাই। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর ও সে আমার কাজ করে দেয় নাই। এখন টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য টাল বাহানা করছে।
Finding fault and asking for money Then all okie