ড্রাইভিং লাইসেন্স
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে দেখি মূল ফি এর তিন গুণ টাকা নেয়। নাহলে প্র্যাক্টিক্যাল এ ফেইল। নরসিংদী brta.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে দেখি মূল ফি এর তিন গুণ টাকা নেয়। নাহলে প্র্যাক্টিক্যাল এ ফেইল। নরসিংদী brta.
জন্মনিবন্ধন এর নাম সংশোধন করতে বোর্ড অফিস এ গেলে তারা আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে ৯০০ টাকার বিনিময়ে আমার জন্মনিবন্ধন টি সংশোধন করে দেয়
আমার অফিসের মাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, বিল পাশ করতে খরচ হবে।
রেকর্ড খতিয়ান হতে ওয়ারিশ সূত্রে নামজারী ১২০০০ ফিক্সড।
আমি পাসপোট নবায়ন করতে জাই, আমাকে নানা কারন দেখিয়ে আমার ফাইলটি ফেত দেয় বারবার,আমি বাহিরে আসলে আমাকে একজন আনসার ইশারা করে বলে আমি করে দিতে পারবো টাকা লাগবে 2000 হাজার
আমার মেয়ের জন্য একটা বার্থ সার্টিফেকেট করা দরকার ছিলো। ওই লোক বললো করা যাবে কিছু এক্সটা খরচ লাগবে। ওখানে মনে হলো ওটাই নিয়ম। যদিও এটা ৭-৮ বছর আগের কথা। এমাউন্টটা ঠিক মনে নেই এরকমই হবে। আমার কাছে তার নাম ফোন নম্বর আছে। নাম —, মিরপুর ১০ এ কাজ করতো। জানিনা সে এখনও আছে কিনা।
সে বলছে ১১ হাজার টাকা খরচ লাগবে শুধু পরীক্ষায় এটেন্ড করবেন পাস না করলেও চলবে আমি লাইসেন্স রেডি করে দিব
পাসপোর্ট করার জন্য দালালের মাধ্যেমে 8000 হাজার টাকা দিয়ে করিয়েছি। দালাল ছাড়া গেলে হয়রানি করে। কাগজপত্র শর্ট ইত্যাদি কথা বলে।
গ্রেড উন্নতির কারণে আমাদের প্রায় ২৫০ সহকর্মীর প্রত্যেকের নিকট থেকে ২০০ টাকা করে ঘুষ চাওয়া হয়। ঘটনাটি ২০২১ সালের। পরে প্রত্যেকে ২০০ টাকা করে উঠিয়ে এজি অফিসে প্রদান করা হয়।
নাম্বার প্লেট লাগাতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমস্র কাছ থেকে ১৫০০ টাকা দাবি করে। এবং আমি দিতে বাধ্য হয়৷
বাইক এর কাগজ হারিয়ে গিয়েছিলো ,তাই ওঠাতে গিয়েছিলাম
হাইওয়ে তে নাকি গাড়ি ৬০ কি মি এর উপরে চলসে তাই মামলা দিবে না হয় তাদের খুশি করতে হবে । যা বাবা ৩০০ টাকা দিয়া খুশি করে পার পেলাম । আমার গাড়ি ৫০-৫৫ তে চলতেসিল ।
দানপত্র দলিল রেজিষ্ট্রেশন। এই টাকা না দিলে অনেক ভুল ধরতেছিল।
ছোটবেলায় আমার জন্ম নিবন্ধন স্কুল থেকে হাতে লিখে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এনআইডি করতে গেলে জানানো হয় কম্পিউটারে টাইপ করা কপি লাগবে। ২০০ টাকা দিয়ে লোহাগাড়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তা টাইপ করাই। এরপর ইংরেজি কপি করতে বললে টাকা খরচ করে সেটিও তৈরি করি।আবার এনআইডি করতে গেলে বলা হয় তথ্য অনলাইন নেই। সব কাগজপত্র নিয়ে চট্টগ্রাম শহরের স্থানীয় সরকার বিভাগে গেলে ৫০০ টাকা দাবি করা হয় এবং ৩ দিনে কাজ শেষের আশ্বাস দেয়। পরে জন্ম নিবন্ধনটি অনলাইন হয় এবং আমি চেক করে নিশ্চিত হই।অনার্স পরীক্ষার কারণে ১ মাস এনআইডির আবেদন করতে পারিনি। পরে আবেদন করতে গিয়ে দেখি ওয়েবসাইট থেকে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য গায়েব! রাগে-দুঃখে ৩ বছর এনআইডি নিয়ে আর কোনো আগ্রহ দেখাইনি। অবশেষে ইউনূস সরকারের আমলে আমার এনআইডি তৈরি করতে পারি।
এনটিআরসিএ মাধ্যমে কলেজে নিয়োগ পেলেও প্রতিষ্ঠান প্রধান ও প্রতিষ্ঠাতা জানায় টাকা ছাড়া নিয়োগ পত্র দেবে না।বাধ্য হয়ে নতুন নিয়োগ পাওয়া আমাদের কাছ থেকে জন প্রতি একলাখ টাকা করে নেয়। সিনিয়র শিক্ষক দের সাহায্য চাইলে তারা জানায় কমিটির নিয়োগের সময় তাদের বিশ লাখ করে দিতে হয়েছে। তোমরা তো বেঁচে গেছ। এর আগে হাইস্কুলে একই ঘটনার শিকার হই। কেউ দেখার নেই। 😢😢😢
জমির ক্ষতিয়ান চাইতে গিয়েছিলাম সাতকানিয়া ভূমি অফিসে, সেখানে তারা ২০০০ টাকা দাবি করে, এবং টাকা না দিলে হয়রানি করে ৩ দিন ধরে, পরে জরুরি প্রয়োজন এ উক্ত টাকা পরিশোধ করতে হয়।
আমি স্কুল থেকে আমার বাবা মার নাম সংশোধন করতে গেছিলাম তখন স্কুল কেরানি মাকে বলে আমি আবেদন করে দিব কিন্তু সরকারি ফি ছাড়া আমাকে দুজনের জন্য ১০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে। আমি বলি যে আমি টাকা দিব না সে বলে আমি টাকা ছাড়া আবেদন করে দিব। পরে বাদ্দ হয়ে ৮০০ টাকা দিছি ঘুষ তার পরে আবেদন করে দেন।
প্রথমে সিট দেয়ার নাম করে ১০০ টাকা নেয়। এরপর OT তে নিয়ে যাওয়ার সময় ১০০ দাবি করে দেয়নি। কিছু বলা যায় না খুব খারাপ ব্যবহার এদের সাথে ডাক্তার দের আবার সম্পর্ক বেশি ডাক্তার এয়া নার্স দের দিয়ে কাজ করায় না এদের দিয়ে কাজ করায় তাই এদের পাওয়ার বেশি। আমি মেডিকেল এর ইন্ডোর ওয়ার্ড ২৫ সার্জারি বিভাগ থেকে বলছি।
আমি অনলাইনে আবেদন করে কাগজপত্র নিয়ে গেছিলাম, যাওয়ার পর অফিসার আমার কাগজপত্র দেখল তারপর আমাকে বলল যে আমার বাবার নামে শুরুতে মৃত লাগালাম কেন, এই রীতি তো বাতিল হয়ে গেছে, মৃত লাগাতে মৃত ডেথ সার্টিফিকেট লাগবে, এভাবে করে আমার প্রথম দিন শেষ, এরপরে দু এক দিন পরে আমি আবার ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে যাই, যাওয়ার পরে বলে যে আমার এন আইডি লে ম্যানেটিং করা লাগবে, ল্যাবরেটিং করে আনার পরে আমাকে আরো দুই তিন ডেক্স ঘুরাইলো, ঐদিনও সময় শেষ পাসপোর্সট অফিস সময় মতো বন্ধ হয়ে গেল, এ কাহিনী যখন আমি আমার এক ছাত্রকে বললাম তখন সে যে বলল দালালের মাধ্যমে যাইতে, তারপরে পাসপোর্ট অফিসের পাশেই যে সকল দোকান থাকে বাহিরে সেসব দোকানে গিয়ে আমি একজন দালালের মাধ্যমে গেলাম ব্যাস আধা ঘণ্টায় কাজ শেষ হয়ে গেল।
ইজ্জত রক্ষায় পরিশোধ করতে হয়েছে