জন্মনিবন্ধন + অন্যান্য কাগজ বানানো
হাজার হাজার মানুষ থেকে ১৫০ টাকা করে বাড়তি টাকা নেই।বাড়তি টাকা না দিলে কাগজ রিসিভ করে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
হাজার হাজার মানুষ থেকে ১৫০ টাকা করে বাড়তি টাকা নেই।বাড়তি টাকা না দিলে কাগজ রিসিভ করে না।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বইলর ইউনিয়ন পরিষদ হতে কোন প্রত্যয় নিতে গেলে যেমন নামের ভুল, ওয়ারিশান সনদ ইত্যাদি। কম্পিউটার অপারেটর সাহেব,। উনি প্রতীকাগজে ২শত টাকা করে ঘুষ দাবি করেন।
নোয়াখালী সদর উপজেলার ইজিপি টেন্ডার ইস্যু করা হয় মেসার্স হারুন ট্রেডার্স নামে ২৫-২৬ অর্থ বছরে, সরজমিনে কাজটি সম্পাদন করার পরে । নোয়াখালী সদর উপজেলা সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে আমার কাজের বিল বন্ধ করে রাখে। আমার প্রাপ্য বিলের এক পারসেন্ট তাকে দেওয়ার শর্তে বিলটি ফাইলটি সে স্বাক্ষর করে অন্য টেবিল হস্তান্তর করে ( তাকে ৬০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি )। এরপর কম্পিউটার অপারেটর — বিলের তৈরি জন্য১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। সহকারী একাউন্ট —কে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। মূল অ্যাকাউন্টস এর দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তা বলেন অফিসে সকলের জন্য বিলের ২.৫০% দিতে ২৬০০০ ঘুষ দিতে হবে। তা দিয়ে কাজ সম্পন্ন করিতেছি 😭😭
উত্তরা দিয়া বাড়ীতে আমার বাইকের কাগজ যাচাই করছে,এই সময় আমার টেক্স টোকেন এর Date ছিল না,তাই পুলিশ সার্জেন্ট — ৫০০০ টাকার মামলার ভয় দেখায়, পরে অন্য ট্রাফিক পুলিশ বলে ১০০০টাকা দিলে ছেড়ে দিবে,পরে৫০০টাকা ঘুষ দিয়ে চলে আসছি।
জমি খারিজ করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি, কিন্তু তারা ফাইলটি আটকিয়ে রাখেন, আমার জমি জরুরী ভিত্তিতে বিক্রি করার জন্য শেষমেশ আমি ৮০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে নামজারি করতে বাধ্য হই,,
আনুমানিক ২০১৯ সালে ফেনী পাসপোর্ট অফিসে সব কাগজপত্র জমা দেওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা জমা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে সেখানকার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ফেনী শহরের ভেতরের এক দালাল দ্রুত পাসপোর্ট বানিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৩,০০০ টাকা নেয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বিল প্রসেস করার জন্য মিষ্টির টাকা দাবি করেছিল সিএফও পররাষ্ট্র অফিস।
রেলওয়ে ভূসম্পত্তির যে খাজনা তা পরিশোধ করার জন্য প্রথমে গাইবান্ধা রেলওয়ে কানুনগো অফিসে যাই,কারণ বেশ কিছু বছরের খাজনা বাকি ছিল, সেখানে প্রথমে একজন পাচ হাজার টাকা দাবি করে, তারপরে পাশের টেবিলের লোকের কাছে যাওয়ার পর দশ হাজার টাকা দাবি করে। এরপর উপায় না পেয়ে আমরা লালমনিরহাট রেলওয়ে কানুনগো অফিসে যাই, সেখানে গিয়ে দেখি সেখানকার অবস্থা আরো বেশি খারাপ, আমার সামনেই একজন রেলওয়ে কর্মকর্তা কর আদায় করে তারা সবার কাছ থেকে ঘুষ চাচ্ছে, কেউ যদি বলে একটু কমান, তখন সাথে সাথে উনি বলে কথা বললেই আরো ১০০০ টাকা করে বাড়বে, আর এই লোক গাইবান্ধারই সেই লোক ছিলেন। পরে আমার খাজনাটা অন্য এক লোকের কাছে দেই সহ সে আমাদের কাছে টোটাল ৯০ হাজার টাকার হিসাব দিয়েছিল, যার মধ্যে পরিশোধিত রিসিটে আমাদের খাজনা ছিল ৪৯ হাজার
যে কোনো নতুন পাসপোর্ট বানাতে বা রিনিউ করতে গেলে এই টাকা দেওয়া লাগে। তাছাড়া কাজ হয় না। টাকা আগে পরে কাজ। না হলে ৭-৮ দিন পর ডাকে। সাধারণ মানুষকে ঘুরাই।
To pass my bill. The auditor from FC army pay-1 demanded bribe from me. It is a regular and common issue the concern auditor ask for bribe before passing any kind of bill of army officers.
গাড়ি ফিট নাই, কাগজ নাই
পেনশন এর টাকার আবেদন করার জন্য কিছু খরচাপাতি দিতে হবে এমনভাবে প্রস্তাব দিয়েছে।
মোটর সাইকেল আটকিয়ে টাকা দাবি
আমার ছোট ভাগ্না বয়স ২ বছর।তার চিকিৎসা র জন্য দেশের বাইরে যেতে চাচ্ছিলাম এবং সবার পাসপোর্ট এর জন্য ঘুস চেয়েছে।সবার জন ঘুষ দিলেও বাচ্চার জন্য দেইনাই তাই বাচ্চার পেশা ভুল ধরে এবং তার জন্য ও টাকা নেয়
জমি ক্রয় করার সময় টাকা না দিয়ে সাব রেজিস্ট্রার সই করে না
আমার বাবার নাম,,,আমার এনআইডি সাথে মিল ছিল না,,,তাই,,,তবে তেমন বেশি না,,,বানানে,,,
এসিল্যান্ড অফিসের ড্রাইভার প্রতিনিয়ত ঘুষ নেয়, সে বাড়ি গাড়ি ও করেছে...
গেলাম এয়ারিশি সনদের জন্যে আবেদন করতে। যেহেতু বর্তমান সময়ে এয়ার্ড মেম্বার নেই সেহেতু আমাকে বল্ল বাড়ি গিয়ে ভেরিফিকেশন করবে কিছু যাতায়াত খরচ দিতে৷ বলে রাখা ভালো পৌরসভা থেকে আমাদের বাড়ি আধা কিলোমিটারও হবে না। আমি ১০০ টাকা দিতে গেলে আমাকে ধমক দিয়ে বল্ল কি দিলেন মিয়া, পরবর্তিতে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে। যেহেতু আমার জরুরী ভিত্তিতে লাগবে সেহেতু দিতে বাধ্য হয়েছি। কাহিনি শেষ না৷ ভেরিফিফাই করে সব ঠিক পেয়েছে৷ এখন ওয়ারিসি সনদ তৈরি করার জন্যে নাকি আরও ৩০০ দিতে হবে। আবেদন খরচ এটাই৷ জরুরী ভিত্তিতে লাগবে বলে আমি দিয়েছি৷
২০২৫ সালে আমি একটা জায়গা খরিদ করি এবং তার রেজিস্ট্রি হয় | এরপর আমি ১১৭০ টাকা অনলাইনে পেমেন্ট করে উক্ত জমি নাম যার জন্য অ্যাপ্লিকেশন করি | একদিন পর আমার মোবাইলে ল্যান্ড ডিপার্টমেন্ট থেকে এসএমএস আসে আপনার নামজারি নাম না মঞ্জুর করা হয়েছে। এরপর যখন আমি ভূমি অফিসে যাই তারা বলল সব পেপার কমপ্লিট নাই | এরপর ভূমি অফিসের কর্মকর্তার মাধ্যমে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে আমার জমিটার নাম জারি করা হয়। এর দুদিন পরে আমার মোবাইলে ল্যান্ড ডিপার্টমেন্ট সাইট থেকে এসএমএস আসে আপনার নামজারি মঞ্জুর করা হয়েছে। এটাই টাকার কেরামতি।