ড্রাইভিং লাইসেন্স
ট্রেনিং সেন্টারের ট্রেইনার এর মাধ্যমে এই লেনদেন হয়েছে বিশ জনের টাকা তুলে জমা দিয়েছে, জন প্রতি ২৫০০ টাকা । তবে ট্রেইনার কত জমা দিয়েছে তা আমার জানা নেই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ট্রেনিং সেন্টারের ট্রেইনার এর মাধ্যমে এই লেনদেন হয়েছে বিশ জনের টাকা তুলে জমা দিয়েছে, জন প্রতি ২৫০০ টাকা । তবে ট্রেইনার কত জমা দিয়েছে তা আমার জানা নেই।
আজিমপুর কবরস্থান সংলগ্ন ঢাকা সাউথ সিটি কর্পোরেশন একটা বিশাল দূর্নীতির আখড়া, অথচ পাশেই কবরস্থান। এরা কবরগুলোর দিকে তাকিয়েও একবার চিন্তা করে না যে এদেরকেও এক সময় মরতে হবে। আমার বাড়ী পৌর কর মূল্যায়ন করার সময় এরা আমার কাছ বিভিন্ন ভীতি দেখিয়ে ঘুষ নিয়েছে। অথচ আমার আশেপাশের (আমার বাড়ীর থেকে বড় আকারের) বাড়ীগুলোর পৌরকর আমার দশ ভাগের এক ভাগও না।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য সেখানে আবেদন করেছিলাম পরীক্ষায় পাশ করেছিলাম কিন্তু প্রথমবার আমাকে ফেল করে দেওয়া হয়। পরে দালালের মাধ্যমে কন্টাক করে ১০০০০ টাকা দিয়ে আমাকে সেই ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হয়েছে। এটা খাগড়াছড়ি বিআরটিএ
আমি জ্যামে ছিলাম, জ্যাম থেকে বের হয়ে তারা আমকে ওভার স্পিড মামলা দিতে চেয়েছিলেন, ৫০০ টাকা দিলে মামলা দেয়নি
আগের পাসপোর্ট এর সাথে জন্ম তারিখ এর মিল না থাকায় এই টাকা দাবি করা হয়। না দিলে পাসপোর্ট এর ফাইল জমা দেওয়া হবে না। তখন বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে কারণ ১.৫ মাস পরে ফ্লাইট।
আপনি ইউনিয়ন পরিষদের যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজ যেমন :টিয়ার বলেন, কাবি খা, কাবিটা, বলেন এসব কাজগুলো সবকিছুই পিআইও অফিসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ হয়। কাজ শেষে আপনাকে লাখে 20% বা ২১% দেওয়া লাগবে পিআইও অফিসে।আপনি কাজ সিডিউল অনুপাতে যতই ভালো করুন না কেন, আপনাকে এ পার্সেন্টেজ দেওয়াই লাগবে।
৯৯৯ এ কল করে পুলিশ ডাকছিলাম পুলিশ এসে ১০০০ ঘুশ নিছে
আমি ২০২৬ সালে জয়পুরহাট কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ( TTC ) তে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কোর্স এ ভর্তি হয়। সকাল ও বিকাল শিপ্ট মিলিয়ে ৫০ জন ছিলাম আমরা। তিন মাস ট্রেনিং এর পর আমাদের চূড়ান্ত BRTA পরিক্ষার পূর্বে ইন্সট্রাক্টর জানান ২০০০ টাকা করে না দিলে চূড়ান্ত পরিক্ষায় পাস করা কঠিন। এই অর্থ দিয়ে নাকি brta কে মেনেজ করা হবে। সুতরাং আমরা সকলেই আমাদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২০০০ টাকা পরিশোধ করি।
আমি জানি সরকারি ফি ১১০০টাকা কিন্তু সে বলে এভাবে হবে না।অনেক ঝামেলা ফাইল টাকা ছাড়া পাশ হবে না।ভুমি অফিসে সবাই টাকার জন্য হা করে থাকে।কাজ শেষ এ শুরু হয় কর্মচারিরদের চা খাওয়ার আবদার মানে ১০০/২০০ টাকা দাতের অ দিতে হয়।আর জন্ম সনদ নিতে ও টাকা নেয় ১৩০ টাকা আমার ছেলে মেয়ে ১-৩ দিনের মধ্যে গিয়ে ও দিতে হয়েছে ।অথচ ৪৫ দিন পরে গেলে কিছু টাকা সরকারি বিধি মোতাবেক মে বি কিছু লাগে।প্রতিবাদ করলাম বলে আমাদের বেতন হয় না।আমরা এভাবেই চলি।তাই বাধ্য হইয়ে দিতে হয়। প্রত্যেকটা ভুমি অফিস /ইউনিয়ন সেবা /পাসপোর্ট অফিস সব সময়ই হয় ঘুষ বানিজ্য ।
প্রথমে ইউনিয়ণ ভূমি অফিসে দিয়েছি 2500 এরপর এসিল্যান্ড অফিসে সংশোধনের জন্য প্রেরণ করা হয় সেখানে দিতে হয়েছেে এক খতিয়ান সংশোধনের জন্য 3000, এরপর এসিল্যান্ড কে দিতে হয়েছে 37000 টাকা এগুলা সব ঘুষ
চাকরিতে যোগদানের পর আমার প্রতিষ্ঠান হতে SB অফিসে ভেরিফিকেশন এর জন্য কাগজপত্র পাঠানো হয়। নিয়মানুযায়ী আমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকায় একজন এসআই ভেরিফিকেশন করার স্বার্থে আমার সকল সার্টিফিকেট এর কপি নেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে খোঁজ নেয়ার পরে উনার দায়িত্ব ছিলো আমার জেলার SB অফিসে ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত কাগজপত্র পাঠানোর। কিন্তু তিনি প্রায় ৩/৪ মাস ধরে উক্ত আমার জেলার SB অফিসে কাগজপত্র প্রেরণ করেননি। উনার সাথে যোগাযোগ করা হলে বলেন যে পাঠিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে পাঠাননি। এরপর জেলার SB অফিস হতে যোগাযোগ করে হলে তিনি জানান যে কাগজ হারিয়ে ফেলেছেন। এদিকে আমার ভেরিফিকেশনের জন্য আমার ব্যাচের সবার স্থায়ীকরণ আটকে ছিলো। তাই আমার এক স্যারের পরামর্শে উনার বিকাশ নম্বরে ২০০০ টাকা পাঠাই। তারপর তিনি কাগজ প্রেরণ করেন।
আমি জমি ক্রয় করে মিউটেশনের জন্য গজালিয়া ইউয়ন ভুমি অফিসে যাই, সেখানে আমার দলিলে ১২ টা দাগ উল্লেখ আছে এর ভিতরে একটি দাগে দাতার .৪ শতাংশ জমি কম আছে অথচ অন্য সকল দাগে বেশি আছে। উল্লেখ থাকে আমার দলিলের পরে দাতা আরএক জনকে একটা দলিল দিছে সে আগে ঐ দাগ থেকে মিউটেশন করে ণিছে যার কারনে যে জন্য তার কম দেখাচ্ছে।
আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের সব কাগজ পত্র ঠিক ছিলো; তবুও এসবি অফিসের লোক, তার সব কলিগের সামনেই নাস্তার টাকা খোজে. আমি ঝামেলা এড়ানোর জন্য 200 দিতে চাইলে নিচ্ছিলো না, পরে 500 দিতে হয়. সেখানে সবাই ঘুষ খায়, সে নির্লিপ্তভাবেই চেয়েছিল; আমি প্রতিবাদ করলে বরং হয়রানি হতাম.
নামজারি করতে গেলে তসিল অফিস থেকে জানানো হয়েছে এটা ৮০০০ ধার্য করা যা সবাইকে নিদিষ্ট পরিমাণে ভাগ করে নেয়া হবে।
এনজিও বিষয়ক ব্যুরো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ হলেও সেখানে ২ কোটি টাকার বিদেশি অনুদানপ্রাপ্ত প্রকল্পের এফডি-৬ ফরম অনুমোদনের বিনিময়ে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার ঘটনা প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ওপর গভীর প্রশ্নচিহ্ন বসিয়েছে। আইন অনুযায়ী প্রকল্প অনুমোদন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হলেও ঘুষের বিনিময়ে এই অনুমোদন দেয়া দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সুস্পষ্ট উদাহরণ। বিশেষত যখন এই ব্যুরো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত, তখন এই ঘটনা শুধু একটি প্রকল্পের গতি ধীর করেই ক্ষান্ত নয়, বরং শীর্ষ পর্যায়ের একটি সংস্থার বিরুদ্ধে জনআস্থার সংকট তৈরি করে।
লালবাগ ভূমি অফিস একটা দূর্নীতির আখরা। কোন কাজ ঘুষ ছাড়া করে না। ওদের নিচের লেভেলের কর্মচারীরা ঘুষ নেয় আর কর্মকর্তারা সেখান থেকে ভাগ পায়। আমি এ পর্যন্ত কোনো কাজ সেখান থেকে ঘুষ ছাড়া করাতে পারি নি। তারপরেও নামজারীতে ইচ্ছা করে নামের বানান ভূল লিখে যাতে করে এটা কারেকশন করতে এলে টাকা খেতে পারে। এমনকি এই অফিসের পাশে যে ফটোকপির দোকান আছে (মাজার সংলগ্ন) ওরাও এই সিন্ডিকেটের একটা অংশ। আমি এই রিপোর্টে নাম সহ দিতে পারতাম যারা আমার কাছে ঘুষ চেয়েছিল। কিন্তু এই ওয়েবসাইটের নীতিমালার জন্য তাদের নাম প্রকাশ করলাম না।
২০২৫২৬ অর্থবছরে স্কুল মেরামতের দেড় লক্ষ টাকা দিনাজপুর খানসামা উপজেলা শিক্ষা অফিস হতে নিতে উপজেলা প্রাথমিক শিকষা অফিসারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে
আমার মার জন্য জন্ম নিমন্ত্রণ করতে গিয়েছিলাম
আমি ইংল্যান্ড এ একটি ছোট পার্সেল দিচ্ছিলাম, তখন সব কিছু ঠিক থাকার পরেও পোস্ট অফিস এর একজন কর্মচারী — (গাজিপুর-১৭০০) যে কিনা পার্সেল প্যাকিং করে সে জাস্ট আমর পার্সেল এ তাদের ডকুমেন্ট গ্লু করেছে এই কাজের জন্য সে জোর করে আমার থেকে ৪০০tk নিয়ে গিয়েছে, এইটা নাকি তাদের প্রাপ্য তা বলে নিয়েছে, ওইটাই আমরা লাইফ এ প্রথম পোস্ট অফিস এ ডেলিভারি
সরকারি ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য সরকারি ফ্রি এর অতিরিক্ত আরো ২০০০০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সেটা দিতে অস্বীকৃতি জানালে লাইসেন্স দিতে গড়িমসি শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে টাকা দেওয়ার পর লাইসেন্স নবায়ন হয়।