নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স
১১ হাজার টাকা ঘুস দিয়ে লাইসেন্স করতে সক্ষম হয়েছি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১১ হাজার টাকা ঘুস দিয়ে লাইসেন্স করতে সক্ষম হয়েছি
আমি 2008 সালে মোটরসাইকেল drivingলাইসেন্স গ্রহণ করি। 2018 সালে মেয়াদ শেষ হয়। বনবিভাগে চাকরির সুবাদে দূরে দূরে থাকায় আর নবায়ন করতে পারিনি। পরে 2024 সালে নবায়নের উদ্দ্যোগ নিয়ে আমাকে জানায় নতুন লাইসেন্স নিতে হবে। আমি আবেদন করে লিখিত এবং ভাইভায় একবারেই পাস করি। সমস্যা বাজে ফিল্ড টেস্ট নিয়ে। ছয় মাসে ৩ বারফিল্ড টেস্ট দিয়েও পাস করতে পারিনি। আসলে আমার Pulsar মোটরসাইকেল। পরে অফিসে যোগাযোগ করা হলে 4000/- টাকা দাবী করে। টাকা দেবার পর আমার আর পরীক্ষাও দিতে হয়নি। শুধু সকালে গিয়ে বায়োমেট্রিকদিয়ে এসেছি। রাতে দেখি আমি পাস। ৫ দিন পরে আমি সরকারি ফি জমা দিয়ে লাইসেন্সের অনলাইন কপি গ্রহণ করি। হায়রে আমার বাংলাদেশ ! ৫৫ বছরে এসেও ঘুষ দিতে হলো।আমি 1991 সাল থেকে মোটরসাইকেল চালাই।।
পাসপোর্ট রিনিউ করার সময়। কারণ ২০২২ সালের নভেম্বরে আমার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর কেটে যায় ৪ বছর এ মাসে রিনিউ করতে গেলে আমার আগের পাসপোর্ট এর কোনো তথ্য সরকারের সার্ভারে শো করছে না। তারপর আমার কাছে বাড়তি টাকা নেওয়া ৩য় পক্ষের মাধ্যমে।
২০০০ টাকা অতিরিক্ত না দিলে আমার পাসপোর্ট করে দিবেনা,, আমাকে আমার আমার জেলা থেকে করতে বলে যখন ২০০০ টাকা বেশি দিয়েছি তখন করে দিয়েছে
70 হাজার টাকা দুই মামলায় ঘুষ দিতে হয় আমার আমি একজন ভুক্তভোগী ঘুষ ছাড়া সহ জুগিথা পাওয়া জাই না এই থানায় আমি একটা চাঁদাবাজির মামলা করছি কিন্তু দারোগা — আমার কাছ তেকে করচ নিয়েছে কিন্তু চাঁদাবাজ দের থেকে আমার থেকেও বেশী টাকা খেয়ে হাত মিলিয়েছে চাঁদাবাজদের সাথে একন তদন্ত রিপোর্ট পাঠাই না সত্যি ঘটনা মিথ্যা বলে চালিয়ে দেয় আমি নির ওপাই আমি কি বিচার পাবনা এই জেলায় বা এই থানায় গটানা জায়গা কিশোরগঞ্জ অষ্টগ্রাম থানা ৩ উপজেলা, আমি নিজেই বাদী পুলিশের ওপর বিশ্বাস ওটে গেছে আমরা সাধারণ জনগণের সরকার সদু সদু বেতন তাদের কে ঘুষ চারা কোনো ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যায় না অষ্টগ্রাম থানায়
জাহাজ থেকে নামার সময় প্রত্যেক নাবিকের জন্য অনুমোদিত CDC (Continuous Discharge Certificate) তে সরকারি ভাবে সীল এবং সাক্ষর লাগে। এই সীল এবং সাক্ষর নিতে পিয়নকে দিতে হয় ঘোষ।
গোপালগঞ্জ জেলা পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য ৪৮ পেজ ১০ বছর মেয়াদি তখন তারা দুই দিন ঘুরাইছে এই সমস্যা এন্ড সমস্যা বলে যেমন এনআইডির ভেরিফাই কপি লাগবে নিয়ে আসেন আর ডিজিটাল নাগরিক সনদ লাগবে নিয়ে আসেন পিতার এনআইডি নামের আগে এমডি নাই আপনার এনআইডি তে এমডি আছে । তারপর সরাসরি এক পুলিশ সদস্য ঘুষের টাকা চাইছে যে পাসপোর্ট করতে চাইলে ২৫০০ দেন এখন করে দিচ্ছি।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে পরীক্ষা দিছি ফেইল করছি। পরে ৫০০০ টাকা দিছি পাশ করাই দিছে। এটা আমার অপরাধ ও আছে বিআরটিএ এর অপরাধ ও আছে।
আমার জমি সংক্রান্ত কাগজ দরকার হলে ওয়ার্ড সচিব আমাকে বাঁধ্য করে ১০হাজার টাকা চাইলে আমি ৬হাজার টাকা দিতে ওয়ারিশ সনদ গ্রহন করি
আমাদের পারিবারিক কবরস্থানের ২ শতাংশ জমি নামজারি করার জন্য দলিল লিখক — কে দায়িত্ব দিলে তিনি ১০ হাজার টাকা চাইল, আমরা দিত দিলাম। কিন্তু ২ মাস পার হয়ে গেলেও এখনো নামজারি করতে পারেনি। আমাদের জমিতে কোন সমস্যা নাই।
বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশ প্রাপ্ত ও ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে বেতন/এমপিও ভুক্তির জন্য আবেদন করলে সেই আবেদন অগ্রায়নের জন্য টাকা নিয়েছিল অথচ এক্ষেত্রে কোনো প্রকার টাকা লেনদেন করা বৈধ নয়।
লাইসেন্স করতে ১৩০০০ টাকা নিয়েছে। তা না হলে ফেল করিয়ে দিবে। মিরপুর বিআরটিএ তে
রিনিউ করতে এক্সটা টাকা দিতে হবে এটা কমন কাজ নাকি তাদের
Driving Lincene korte giyechillam,2022 a.tokhon sob miliye maybe 4500tk fee chilo,light vehicle licence korte.amr theke dalal 10500 niyeche,bolche tk na dile ekhane kaj hoi na.
মাদারীপুর নিজ এলাকায় পাসপোর্টের ছবি তুলতে যাই, দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার। ছবি তুলে ঢাকায় ফিরতে হবে। তাই সকাল সকাল গিয়েছিলাম। এবং সিরিয়াল প্রথম ৫ এই ছিলাম। যে ভদ্রলোক ফিঙ্গার নিয়েছে,, উনি বারবার বলতেছে লেবু ঘষে আসুন,, আপনার ফিঙ্গার নিচ্ছে না। এইভাবে আমাকে বিকেল প্রর্যন্ত নিয়ে গেছে। তখন বয়স কম হওয়াতে অনেক কিছু বুঝিনি। শেষমেশ যখন বুঝতে পেরেছি, ফোনে ভয়েস রেকডিং করে নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, সেই টাকাটা পাসপোর্ট হাতে পাবার পরে,, রেকডিংয়ের ভয় দেখিয়ে তুলে নিয়ে এসেছিলাম। ২য় টি, উত্তরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। ২/৩ ঘন্টা লাইনে দাড়ানোর পরে, প্রত্যাক্ষিত হয়েছি, বলা হলো আপনার পার্মানেন্ট জেলায় গিয়ে করতে হবে। বের হলাম,, একজন আনসার সদস্যকে ধরে ২০০০ টাকায় রফাদফা করলাম, ৫ মিনিটে কার্যক্রম ডান।
ভূমি উন্নয়ন কর ছিল ১২ টাকা। কিন্তু তা আদায় করতে গেলে ১০০০ টাকা দাবি করে। অনেক তর্ক করার পর বিভিন্ন আইন দেখায় । বলে আপনার পুকুর আছে, পুকুরের খাজনা বেশি। অথচ সকার আইন করেছে বানিজ্যিক চাষের পুকুর ছাড়া অন্য পুকুরে কোন কর নাই। এত এত আইন দেখায়া ১০০০ টাকা দেয়ায় ১২ টাকার দাখিলা দিয়ে দিয়েছে। ভূমি অফিস গুলো অনলাইন হয়েছে। কিন্তু ভুমি অফিসে খতিয়ান আপলোড করে এপ্রোভের জন্য অফিসে না গেলে এপ্রোভ করে না। গেলে আবার ঘুষ চায়। এই আরকি
আমি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে আমাকে বলে ৩০০০ টাকা দিতে হবে পরে জোরাজোরি করে ২৫০০ টাকা দিই কিন্তু ট্রেড লাইসেন্স সরকারি ফি মাত্র ১২০ টাকা।
নামজারীর জন্য ফাইল জমা করেছি, সবঠিক আছে তবুও ঠিক নেই ফাইল এপ্রুভাল দিবেনা স্ট্রেইট। ১১০০০ টাকা দিতে হবে, পরবর্তীতে ১০,০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
২০২২ সালে দালাল ছাড়া চুয়াডাঙ্গা বিআরটিএ থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম। লিখিত, মোখিক ও প্র্যাকটিকাল পরীক্ষায় ভালোভাবে পাশ করলেও ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য কোনো দালাল না ধরায় বা এক্সট্রা কোনো টাকা না দেওয়ায় প্রায় বছরখানেক ঘুরিয়েছে আমাকে। ফাইল প্রসেস না করে ফেলে রেখেছিল। পরবরতীতে ওদের এক অফিসারের বদলি হওয়ার পরে একজন কেরানী টাইপের লোক ২০০ টাকা দাবি করে। টাকা দেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে লাইসেন্স পেয়ে যাই। ২০২২ এর মার্চে পরীক্ষা দিয়ে ২০২৩ এর এপ্রিলে লাইসেন্স হাতে পাই।
নিয়ম অনুযায়ী ফরম জমা দিতে গেলে বারবার ফেরত পাঠায় বিভিন্ন ডকুমেন্টস চায়,যাদের মাধ্যমে ফর্ম পূরণ করা হয়ছে তারা আগেই বলে জমা নিবে না টাকা না দিলে পরে বাধ্য হয়ে দিতে হয়ছে।আমার মতো সবার অবস্থা সেম ঘটেছে।