Etin
ইটিন সার্টিফিকেট খুলতে পারছিলাম না । অনেক অভিজ্ঞ মানুষের দিয়েও চেষ্টা করেছি খুলতে পারি নাই এদিকে আমার রিটার্ন দাখিল করতে হবে এই জন্য কর অফিসে যাই এবং সেখানে এটা সংশোধন চাইলে তারা ৮০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে ৫০০ টাকা দিয়ে সম্পন্ন করি ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ইটিন সার্টিফিকেট খুলতে পারছিলাম না । অনেক অভিজ্ঞ মানুষের দিয়েও চেষ্টা করেছি খুলতে পারি নাই এদিকে আমার রিটার্ন দাখিল করতে হবে এই জন্য কর অফিসে যাই এবং সেখানে এটা সংশোধন চাইলে তারা ৮০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে ৫০০ টাকা দিয়ে সম্পন্ন করি ।
লালমনিরহাট পাসপোর্ট অফিসের পাশে একটি দোকানের সাথে অফিসের লোকদের চুক্তি ছিল, যে সমস্ত লোক ওই দোকান বাদে অন্য কোথা থেকে অথবা নিজে নিজে পাসপোর্ট এর এপ্লাই করে কাগজপত্র নিয়ে আসতো তাদেরকে বিভিন্ন অজুহাতে ফেরত পাঠিয়ে দিত, আমাকে একবার ফেরত পাঠানো হয়েছে পরবর্তীতে আমি আবার একা একাই এপ্লাই করেছি, তখনো বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়েছে বলেছে আপনার এটা ভুল ওইটা ভুল, অথচ কিছু ভুল হলে উনারা সহজেই ঠিক করে দিতে পারেন, তারপর একজন আমাকে একটি রুমে ডেকে নিয়ে যায় এবং বলে হুজুর চা খাওয়ার জন্য কিছু দেয়া লাগবে তাহলে আমরা করে দিতে পারব, তখন তিনি ১ হাজার টাকা দাবি করে আমি 500 টাকা দিয়ে কাজটা করিয়েছিলাম।
নতুন সিটিতে হোল্ডিং ট্যাক্স এর ট্যাক্স পরিশোধ বাবদ ৮০০০ টাকা নিয়েছে
আমাদের প্রতিষ্ঠান ২০২৩ সালে কারখানা লাইসেন্সের জন্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর বিরাবর আবেদন করে। কিন্তু বিভিন্নসময় বিভিন্ন অজুহাতে লাইসেন্স প্রদান করা হয়না, যদিও সব কাগজপত্র সঠিক ছিলো। অবশেষে ২০২৫ সালে লাইসেন্স দেয়ার জন্য অফিস খরচ হিসেবে / গিফট হিসেবে ২০,০০০ টাকা চায়। যার মধ্যে আমি ১৫০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই এবং পরিপ্রেক্ষিতে কোনো রকম যাচাই বাছাই ছাড়ায় আমার উক্ত প্রতিষ্ঠান বরাবর কারখানা লাইসেন্স প্রদান করা হয়। এখন আবার নবায়নের সময়ও সেইম ঝামেলা করতেছে....
মূলত দায়িত্বরত ব্যক্তি কিছু বলেন না, এমনকি টাকার এমাউন্টও ফিক্সড না। পিয়ন শুধু বলে 'কিছু দেন'। তখন ২০০/ ৪০০ টাকা দিলে সেটা দায়িত্বরত ব্যাক্তির ড্রয়ারে পিয়ন রেখে দেয়।
১১ হাজার টাকা ঘুস দিয়ে লাইসেন্স করতে সক্ষম হয়েছি
আমি 2008 সালে মোটরসাইকেল drivingলাইসেন্স গ্রহণ করি। 2018 সালে মেয়াদ শেষ হয়। বনবিভাগে চাকরির সুবাদে দূরে দূরে থাকায় আর নবায়ন করতে পারিনি। পরে 2024 সালে নবায়নের উদ্দ্যোগ নিয়ে আমাকে জানায় নতুন লাইসেন্স নিতে হবে। আমি আবেদন করে লিখিত এবং ভাইভায় একবারেই পাস করি। সমস্যা বাজে ফিল্ড টেস্ট নিয়ে। ছয় মাসে ৩ বারফিল্ড টেস্ট দিয়েও পাস করতে পারিনি। আসলে আমার Pulsar মোটরসাইকেল। পরে অফিসে যোগাযোগ করা হলে 4000/- টাকা দাবী করে। টাকা দেবার পর আমার আর পরীক্ষাও দিতে হয়নি। শুধু সকালে গিয়ে বায়োমেট্রিকদিয়ে এসেছি। রাতে দেখি আমি পাস। ৫ দিন পরে আমি সরকারি ফি জমা দিয়ে লাইসেন্সের অনলাইন কপি গ্রহণ করি। হায়রে আমার বাংলাদেশ ! ৫৫ বছরে এসেও ঘুষ দিতে হলো।আমি 1991 সাল থেকে মোটরসাইকেল চালাই।।
পাসপোর্ট রিনিউ করার সময়। কারণ ২০২২ সালের নভেম্বরে আমার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর কেটে যায় ৪ বছর এ মাসে রিনিউ করতে গেলে আমার আগের পাসপোর্ট এর কোনো তথ্য সরকারের সার্ভারে শো করছে না। তারপর আমার কাছে বাড়তি টাকা নেওয়া ৩য় পক্ষের মাধ্যমে।
১০ % হারে বকেয়া বেতন সহ যাবতীয় টাকা উওোলনের সময় কত্ননকরে রাখা হয়। উপজেলা শিক্ষা অফিস
আমার আম্মুর জন্ম সাল ভুল ছিল।যেটা আমার বড় বোনের থেকেও কম। আম্মুর পাসপোর্ট করতে গিয়ে এটা সংশোধন করা অনেক জরুরি হয়ে গিয়েছিল। আমার বোন আমাকে বাইরে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। এক বছর অনেক চেষ্টা করেও আমি পারিনি। পরের 85 হাজার টাকা দিয়ে কাজটি করিয়েছি।
It was the honorium for taking class at Nursing institution (Rangamati Govt Nursing Institute) of Rangamati. The AG office always took 10% of the honorium.
নোটিশ দেওয়া হবে, বিবাদীদেরকে।
২০০০ টাকা অতিরিক্ত না দিলে আমার পাসপোর্ট করে দিবেনা,, আমাকে আমার আমার জেলা থেকে করতে বলে যখন ২০০০ টাকা বেশি দিয়েছি তখন করে দিয়েছে
70 হাজার টাকা দুই মামলায় ঘুষ দিতে হয় আমার আমি একজন ভুক্তভোগী ঘুষ ছাড়া সহ জুগিথা পাওয়া জাই না এই থানায় আমি একটা চাঁদাবাজির মামলা করছি কিন্তু দারোগা — আমার কাছ তেকে করচ নিয়েছে কিন্তু চাঁদাবাজ দের থেকে আমার থেকেও বেশী টাকা খেয়ে হাত মিলিয়েছে চাঁদাবাজদের সাথে একন তদন্ত রিপোর্ট পাঠাই না সত্যি ঘটনা মিথ্যা বলে চালিয়ে দেয় আমি নির ওপাই আমি কি বিচার পাবনা এই জেলায় বা এই থানায় গটানা জায়গা কিশোরগঞ্জ অষ্টগ্রাম থানা ৩ উপজেলা, আমি নিজেই বাদী পুলিশের ওপর বিশ্বাস ওটে গেছে আমরা সাধারণ জনগণের সরকার সদু সদু বেতন তাদের কে ঘুষ চারা কোনো ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যায় না অষ্টগ্রাম থানায়
জাহাজ থেকে নামার সময় প্রত্যেক নাবিকের জন্য অনুমোদিত CDC (Continuous Discharge Certificate) তে সরকারি ভাবে সীল এবং সাক্ষর লাগে। এই সীল এবং সাক্ষর নিতে পিয়নকে দিতে হয় ঘোষ।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে পরীক্ষা দিছি ফেইল করছি। পরে ৫০০০ টাকা দিছি পাশ করাই দিছে। এটা আমার অপরাধ ও আছে বিআরটিএ এর অপরাধ ও আছে।
আমার জমি সংক্রান্ত কাগজ দরকার হলে ওয়ার্ড সচিব আমাকে বাঁধ্য করে ১০হাজার টাকা চাইলে আমি ৬হাজার টাকা দিতে ওয়ারিশ সনদ গ্রহন করি
আমাদের পারিবারিক কবরস্থানের ২ শতাংশ জমি নামজারি করার জন্য দলিল লিখক — কে দায়িত্ব দিলে তিনি ১০ হাজার টাকা চাইল, আমরা দিত দিলাম। কিন্তু ২ মাস পার হয়ে গেলেও এখনো নামজারি করতে পারেনি। আমাদের জমিতে কোন সমস্যা নাই।
বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশ প্রাপ্ত ও ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে বেতন/এমপিও ভুক্তির জন্য আবেদন করলে সেই আবেদন অগ্রায়নের জন্য টাকা নিয়েছিল অথচ এক্ষেত্রে কোনো প্রকার টাকা লেনদেন করা বৈধ নয়।
লাইসেন্স করতে ১৩০০০ টাকা নিয়েছে। তা না হলে ফেল করিয়ে দিবে। মিরপুর বিআরটিএ তে