আদালত
নোটিশ দেওয়া হবে, বিবাদীদেরকে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নোটিশ দেওয়া হবে, বিবাদীদেরকে।
It was the honorium for taking class at Nursing institution (Rangamati Govt Nursing Institute) of Rangamati. The AG office always took 10% of the honorium.
আমি বিদুৎ এর মিটারের লোড বাড়ানোর আবেদন করেছিলাম টঙ্গী পূর্ব ডেস্কো বিদুৎ অফিসে। সেখানে আমার কাছে 2500 টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে কিলোওয়াট বাড়ানোর জন্য।
প্রাকটিকাল, লিখিত পরীক্ষা ভালো করার পরও ফেল আসে,তারা বলে কখনো পাশ করতে পারবেন না।কিছু দিলে তারা।পাশের ব্যবস্থা করবে
আমার আব্বার বাইক আমি চালাচ্ছিলাম। আমার কাছে তখন কাগজপত্র ছিল না। পুলিশ ধরেছে, বলছে 5000 টাকার কমে সম্ভব না। নইলে গাড়ি ছাড়বে না। বাড়ি থেকে দূরে ছিলাম বলে, কাগজ আনাও সম্ভব ছিল না।
আমি ২০২৫ সালে অনলাইনে একটি খতিয়ানের সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করি এবং ফি ১৪০টাকা পরিশেধি করি। কথা ছিল আমাকে ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখের মধ্যে ডাকযোগে সার্টিফাইড কপি পাঠিয়ে দেবে। আজ ২৫ আগষ্ট, ২০২৬, এখনো পাইনি। এরমধ্যে ১৬১২২ নম্বরে তিনবার অভিযোগ করেছি, তারপরেও সমাধান পাইিনি
Traffic polish amar Kase. Garir sob thik thakar paro taka Dhabi kore bong taka na Dile baro mamla dibo
ঢাকা মেডিকেলে ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্ট কে দিতে হয়েছে তার সাইনের জন্য।
তারা তাদের পুরাতন বাইক এবং স্বল্প জায়গাতেই প্রাকটিক্যাল পরিক্ষা নেয়৷ এবং সেটা এমন ভাবে সাজানো যে কেউই পাস করতে পারছিল না। পরবর্তীতে জোয়ারসাহারার যে ম্যাজিস্ট্রেট তার লোক ৩ হাজার টাকার বিনিময়ে স্পেস বাড়িয়ে টেস্ট নিয়ে পাস করিয়ে দেয়।
একটি ৩ মাসের ব্যবহৃত বাইক কিনি। তার নাম পরিবর্তনের জন্য শোরুমের লোকজন আমাকে এক জনের সাথে পরিচয় করায়। সে নাকি বিআরটিএ এর হয়ে কাজ করে। তারপর তার মাধ্যমেই লেনদেন হয়েছে।
আমার কোম্পানির একটা ফায়ার লাইসেন্স করতে হবে না হলে বিদ্যুৎ সংযোগ দিবেনা তাই আবেদন করি কিন্তু যে ফায়ার সার্ভিসের লোক এই কাজ দেখেন তিনি বলেন উনি এই কাজ ১ লাখের নিচে করেন না, বাধ্য হয়ে অনেক রিকোয়েস্ট করে ৫০k দিয়া এই সনদ নিয়ে থাকি
বিল্ডিং এর প্ল্যান পাস করানোর জন্য ফায়ার ব্রিগেড কর্তৃপক্ষকে ঘুষ দিতে হয়েছে।
হাইস্কুলে পিয়ন নিয়োগ দেওয়ার জন্য সভাপতি ১২ লক্ষ টাকা দাবি করেন। সেটা পরিশোধ করার পরও নিয়োগ দিতে টালবাহানা শুরু করেন। পরে আরও ৬ লক্ষ টাকা দিয়ে নিয়োগ পাই।
আমার দুই ছেলের জন্ম নিবন্দন করতে ইউনিয়ন পরিষদের গেলে সেখান থেকে সরকারি মূল্য ৫০ টাকা তা দিয়ে করতে চাইলে করতে পারিনি। পরে অনেক দিন গুরাগুরির পর এক মহিলা ( কর্মরত) বল্ল সে ৩০০ করে নিবে কোন সমস্যা হবে না। পরে আর সমস্যা ছাড়ায় পেয়েগেলাম। এর প্রতিকার চাই।
জন্মনিবন্ধন করতে গিয়ে হয়রানি শিকার, তার সাথে ঘুষ না দিলে কাজ করে। বিভিন্ন তাল বাহানা দেখায়। — নামের লোকটা — দুর্নীতি বাজ। এবং আরও অনেক দালাল আছে যেমন — পাশের রুমে বসে। এবং সবচেয়ে বড় কথা সেখানে থাকা প্রতিটা লোক চাদা বাজ। টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
ঘটনা টি ৫ ই আগস্টের পর, ভেবেছিলাম পরিবর্তন আসবে, কিন্তু কিছুই না। আগে রেকুএস্ট করলে কিছু কমাত, কিন্তু তখন ফিক্সড রেট। এর পর পরিক্ষা জেয়টা বাদ দিব, পার এক্সাম এ এক্সট্রা ১০০০ টাকা। যেমন কথা তেমন কাজ। কোন ঝামেলায় হই নাই। ঠিক মতো কাজ হইছে
আদালতে মামলা চলাকালীন সময়ে দলিল সংশোধন করে দিছে দেওয়ানগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কেরানী —। আমার কাছে ১০০০০ টাকা চেয়েছিলো। আমি দিয়েছি৷ কিছুদিন পর বিপক্ষ পার্টির কাছে ১৫০০০ টাকা নিয়ে দলিল সংশোধন করে দিয়েছে।
নতুন লাইসেন্স করার জন্য দালাল এর মাধ্যমে ১০০০০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। আমার জরুরি ছিলো বলে আমি কথা বলে ৮০০০ টাকা দিতে সম্মতি হই এবং টাকা পরিশোধ করি।
আমি একজন প্রবাসী জনতা ব্যাংক লোকাল অফিস থেকে রেমিট্যান্স এর মাধ্যমে ওয়েব আনার বন্ড কিনার সময় , যতবার ফরিদ করেছি ততবারই ১০০০ করে ঘুষ দিতে হয়েছে
জমি রেজিষ্ট্রেশন করার আগে কোন রশিদ ছাড়াই নিয়েছিল .আমি জমি শতক কিনেছিলাম ৮০হাজার করে ৫ শতক .রেজিষ্ট্রেশন হয়েগেছে বলে পরে আসবেন..২দিন পরে রশিদ দিলো জমি দাম নাকি ৫০ হাজার করে কিনেছি...পরে দরছিলাম বললো বড় অফিসার করেছে .এখন হয়েগেছে কিছু করা সম্ভব না।