Monthly retuern
ধানমনডি ভ্যাট অফিস রায়ের বাজার সার্কেল প্রতি মাসের ফাইল জমা করার জন্য ২০০০ টাকা দিতে হয়, এবং বাৎসরিক ২০ লক্ষথেকে ৩০ লক্ষদিতে হয়। অথচ ভ্যাট সম্পূর্ণ্ পরিশোধ করা হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ধানমনডি ভ্যাট অফিস রায়ের বাজার সার্কেল প্রতি মাসের ফাইল জমা করার জন্য ২০০০ টাকা দিতে হয়, এবং বাৎসরিক ২০ লক্ষথেকে ৩০ লক্ষদিতে হয়। অথচ ভ্যাট সম্পূর্ণ্ পরিশোধ করা হয়।
Went to renew my passport but because of an operator input error with my information into the system. I was forced to pay for the renewal fee again as the operator did not want to request assistance from upper management to help solve the problem he did. At the end of the day I had to pay the price of another passport.
আমার বাবা ময়মনসিংহের একটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। উনার পেনশনের টাকা পেতে ঢাকার বেনবেইস অফিসে ২০১৬ সালে ২০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল। ঘুষ ছাড়া চেষ্টা করেছিল। কিন্তু অফিসের সবাই এমন আচরণ করেছিল মনে হয় আমরা দানের টাকার জন্যে গিয়েছি। সেই অফিসের প্রত্যেকটা মানুষ একেকটা জানুয়ার।
আমি আমার কোম্পানিতে ছুটি দশ দিন বূদ্ধির জন্য সার্টিফিকেট প্রয়োজন ছিল । প্রবাসী শুনে ১০০০ দাবী করতে।
আমার বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার প্রয়োজন ছিল। তাই অনলাইনে আবেদন করে বাকি সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি। এমনকি ডোপ টেস্টের রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও জমা দিই। কিন্তু পরবর্তীতে ওয়েবসাইটে আমার ফাইলটি রিজেক্ট করে দেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে অনলাইনে তাদের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে সরাসরি অফিসে যেতে বলে। অফিসে যাওয়ার পর জানতে পারি, ফাইলটি প্রসেস করে দিতে অফিসের ভেতরে ‘চা-নাশতার টাকা’ দিতে হবে। টাকা না দিলে নাকি আমার ফাইল আজীবন রিজেক্টেড দেখাবে! বিআরটিএ অনলাইনে সেবা চালু করেছে, যাতে মানুষের ভোগান্তি ও দুর্নীতি কমানো যায়। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, অনলাইনে প্রক্রিয়া করলেও কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা ব্যক্তিদের অনেকেই জায়গামতো টাকা না পেলে ফাইল ছাড়তে চান না।
আমি যখন পাসপোর্ট বানাই তখন ৫০০০ টাকা ছাড়া কোনো ভাবেই সম্ভব ছিলো না কাজটা কমপ্লিট করা
আভিযোগ লিখে এনে জমা দিসি শধু
আমার একজন চাচা সে খাস অবৈধভাবে মার্কেটে তৈরি করেছে, সে অবৈধ মার্কেট টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে এই ঘোষ প্রদান করা হয়েছে
ইউনিয়ন পরিষদের সেবা। একটা নতুন জন্ম নিবন্ধন করতে 150 টাকা দিতে হয়।কিন্তু সরকারি ফি ৫০ টাকা। এরকম সংশোধন থেকে শুরু করে প্রতিটি কাজের জন দ্বিগুন বা তিনগুন দিতে হয়। ধরি প্রতিটি নিবন্ধন এ 100 টাকা বেশি দেই তাহলে 100 টি নিবন্ধন হতে 10000 টাকা ঘুষ। যদি কেউ জিজ্ঞেস করে এটি এত কেন, সরকারি ফি তো এতো না। তখন তারা বলে এটা ইউনিয়ন অফিসের নির্ধারিত ফি।
নতুন পাসপোর্ট করতে টাকা নিয়েছে
হাসপাতালে ভর্তির পর হাসপাতাল কতৃক সিন্ডিকেট রোগীকে ট্রলিতে নিলে জোর পুর্বক ১০০ টাকা আদায় করে। তারা বলে এই টাকা অনেককে ভাগ দিতে হয়।
নালিতাবাড়ী উপজেলা সাবরেজিট্রি অফিস এ দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে ঘুষ লাগে।
DBC jorip kora holo kichu din agay . unara bollo amar 10 katha jomir modhay 3 katha onno nama a registration korchay akhon jodi amar name nitay chai 1 lac taka ditay hobay. ami taka prodan kori abong unara amar name a 10 katha jorip koray den. ai sompotti amar ma ar name . akon amader name transfer kortay abar 1 lac taka chai. amar ma maragachen 3 years agay. warish deat certifickate sob documents achay taka chara unara korben na.
আমি জন্মনিবন্ধনের সংশোধনের আবেদন জমা দিতে গিয়ে এক্সট্রা ৫০ টাকা দাবি করে।
মোটর সাইকের নাম্বার করতে আমার কাছ থেকে 16000 টাকা দাবী করে । পরে আমি অনেক চেষ্টা করি 1000 টাকা কমিয়ে 15000 টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি। সরকারি ফি ছিলে 11764 টাকা। আমার কাছ থেকে 3236 টাকা বেশি নেন। নিজে নিজে করতে তার কোন প্রকার সহযোগীতা করে না।
brta mymensingh এর এক ব্যাক্তি ২০০০ টাকা নিয়ে রিটেন পাশ করিয়ে দিয়েছিলো ২০২৩ সালে
Jomi kagoj songkranto
দালালের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে।
উত্তরাধিকার সূত্রে যৌথ মালিকানার জমি নামজারি করতে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা।
বার্ষিক ট্যাক্স সার্টিফিকেট দিতে ৫০০টাকা চেয়ে নিছে।