জমির খারিজ/নামজারি
৩ শতক জমি নামজারি করার জন্য ১৬ হাজার টাকা দাবী করে তাহার পিয়ন/সহকারীর মাধ্যমে, অবশেষে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে নেওয়া হয়। যার সরকারি মূল্য ১১৭০৳। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের ঘটনা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৩ শতক জমি নামজারি করার জন্য ১৬ হাজার টাকা দাবী করে তাহার পিয়ন/সহকারীর মাধ্যমে, অবশেষে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটি করে নেওয়া হয়। যার সরকারি মূল্য ১১৭০৳। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের ঘটনা।
মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে রেশন কার্ড নবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কাগজ কল্যাণ ট্রাস্টের দায়িত্ব রত কর্মচারীর নিকট জমা দিলে তারা বোঝায় যে কার্ড নবায়নের জন্য তারা অনেক কষ্ট করে এজন্য তাদেরকে টাকা দিতে হবে প্রথমত ৩০০ টাকা দিলেও তারা তা গ্রহণ করে পরে ৮০০ টাকা দিলে তা গ্রহণ করে। এমনভাবে প্রত্যেক সেবা প্রত্যাশির নিকট থেকে তার অর্থ আদায় করে।
আমার স্ত্রীকে গ্রাম থেকে ঢাকায় বদলির জন্যে সচিবালয়ের এক সচিবকে এই টাকা ঘুষ হিসেবে দিতে হয়েছে। পরবর্তীতে উপায় না পেয়ে সংযুক্তিতে মাত্র এক বছরের জন্যে এই ঘুষ দিতে হয়েছে। (নোট:আপনাদের সাইটে অফিস হিসেবে সচিব বালয়ের নামটা রাখা উচিৎ)
নামজারি এসি ল্যান্ড এ জমা দিলে সে ফাইল টি জায় ইউনিয়ন ভুমি অফিসে আর সে খান থেকে পসিটিভ রিপোর্ট সহ ফাইল টি এসি ল্যান্ড এ ব্যাক করাতে টাকা না দিলে প্রত্যাক্ষান করা হয় ঠুনকো অজুহাতে
সরকারি ফি ২৫৳/৫০৳/১০০৳ সেখানে সচিব নেয়, ৩০০/৬০০/৫০০০ ৳, একটা কাগুজে যতগুলো ভুল থাকে সবগুলো আলাদা হিসাব করে আরো বেশি নেয়,
বি ,এস, টি, আই লাইসেন্স নবায়নে আর প্রতি বছর ঈদের আগে এসে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে । এদের বাচ্চা প্রতিবন্ধী হোক ।
জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ নোয়াখালী হাউজিং স্টেটের জমির মালিকানা হস্তান্তরের জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস্টেট কে অর্থ ঘুস প্রদান করতে হয়।
প্রতি বৎসর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। এবার ও ৩০০০০/= টাকা ঘুষ দিয়ে নবায়ন করতে বাধ্য হয়েছি। এবার গত বারের চেয়ে ঘুষের পরিমান বৃদ্ধি হয়েছে।
শেরে বাংলা নগর চক্ষু বিজ্ঞান হসপিটাল রোগীদের প্রচুর হয়রানি করা হয় মিনিমাম ডাক্তার দেখানোর জন্য ব্যবস্থাপত্র রেফার করার জন্য দিনকে দিন ঘুরাঘুরি করতে হয় বিশেষ করে এখানে কর্তব্যরত ডিউটি ওয়ার্ড বয় ANSAER খুবই খারাপ এবং আনসার দিন অবস্থার সম্ভাবনা সিস্টেমের কোন দরকার নেই যা ইচ্ছা তাই করা হয় দেশের সিনিয়র সিটিজেনের কেদিনের পর দিন হয়রানি করা হয়. আমি প্রায় আমার মায়ের চোখের ছানি অপারেশন অপারেশন যেন অপারেশনের ডেট নেই তারপরও বারবার ডেট পিছিয়ে দেওয়া হয় এবং অপারেশন শেষে আনসার & ওয়ার্ড বয় 100+ 100 টাকা দাবি করে. PORE AMI DITE BADDO HOI
বিভিন্ন অজুহাত, ছবি মিলছে না, এনআইডি বানান পাসপোর্টের বানান ক্যাপিটাল আলাদ, মোহাম্মদ মো: লিখলে সার্বারে নেবে না ইত্যাদি, অপিসাররে বললে বললো দেখছি আর দেখে না।
কলকারখানার লাইসেন্স বাৎসরিক নবায়ন। গত বৎসর ঘুষ লাগছে ৫০০০।= টাকা। এবার দিতে হয়েছে ২০০০০।= টাকা। বিভিন্ন অজুহাতে মাসের পর মাস ঘুরাতে থাকে। পরে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি । নবায়ন কপি ও পেয়ে গেছি। গত বৎসর থেকে ৪ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে ঘুষের পরিমান। ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে আরও অনেক বেশী টাকা দেয়া হয়েছে। সাথে ৬ মাস ঘুরিয়েছে। এই হলো বর্তমান অবস্থা।
আমার দুলাভাইয়ের নামজারির জন্য ভাঙ্গুরা পৌর ভূমি অফিস থেকে ফোন দেয়। তারা বলল আমাদের কাছে নাম জারির আবেদন এসেছে আপনারা কালকে আসেন তো আমি পরের দিন গেলাম। নায়েব আমার থেকে দলিল এবং অন্যান্য কাগজের ফটোকপি গুলা চাইল, আমি তাকে দিলাম তারপরে সে বলতেছে আপনার এই নামজারি কাজ করতে হবে সেটার খরচ দরকার সেই খরচ পাতি গুলো দেন, আমি করে দিচ্ছি। আমি বললাম সরকারি কাজে আবার খরচ পাতি কেন? পরে সে বলল তাহলে আবেদন বাতিল করে দিব। আমি তাকে এক হাজার টাকা দিলাম সে বলল ২ হাজার টাকা দিতে হবে তারপর আমি তাকে ১৫০০ টাকা দিলাম।
ঘুস না দিলে সরকারী পিপি হাযিরা নেয় না। আমি বাদি পক্ষ।
জমি রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত
নোয়াখালী হাউসিং এস্টেট (দ্বিতীয় পর্যায়ে) জমির কেনার জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এস্টেট), চট্টগ্রাম হাউসিং স্টেট, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তরের অনুমতি, নামজারীর অনাপত্তি প্রদানের জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে। পরবর্তীতে বিল্ডিংয়ের প্লেন পাশের জন্যও ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে।
আমার মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন ছিলো না ট্রাফিক সাজেন্ট না*মু* গাড়ি টা ধরছে। ধরে বলে লাইসেন্স নাই কেনো। তার পর বিভিন্নভাবে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে মামল্ হবে তোর ৫ বছর জেল হবে। হয় ১৫০০০ হাজার টাকা দিবি না জেলে যাবি। সেই ভয়ে কুত্তার বাচ্চাকে পনেরো হাজার টাকা দিয়েছিলাম
ঢাকা মিরপুর বিআরটিএ তে আমার একটি কাভার্ড ভ্যান পিকআপ গাড়ির সরকারের কাছে জমা নথিগুলো পাওয়া যাচ্ছিল না। এজন্য আমার গাড়ির মালিকানা বদলি হচ্ছিল না। পরবর্তীতে ঘুষের বিনিময়ে গাড়ি মালিকানা বদলি করতে সক্ষম হই । এতে আমি ঘুষ দিতে বাধ্য ছিলাম বিগত ছয় বছর যাবত আমার মালিকানা বদলি হচ্ছিল না। সিলেট এবং ঢাকা দৌরিতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছিলাম পরবর্তীতে আমি ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হই
কিটনাশক আমদানীতে প্রতি ফাইলে ৪০০০+৪০০০ টাকা দিতে হয় RO+Aro এবং প্রতিটা ফাইলে একটা টাকা দেওয়া বাদ্ধতামুলক
ফ্যাক্টরি লাইসেন্স নবায়ন করতে এই পরিমান টাকা দাবি করা হয়।
অফিস স্পেসের নামজারির জন্য ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছে । আমি বাধ্য ছিলাম