Mukti jodha kollam trust
Ei office e every step e proti ta kajer jonno ghush neya hoy. Last time amr babar account theke mar account e taka transfer (after father died) tok money also did not pay money for 2 months. 2 months er taka mere dise.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Ei office e every step e proti ta kajer jonno ghush neya hoy. Last time amr babar account theke mar account e taka transfer (after father died) tok money also did not pay money for 2 months. 2 months er taka mere dise.
একটি মর্টগেজ কৃত জমির ঋণ পরিশোধ হয়ে যাওয়ার পর, পাওয়ার মর্টগেজ রিডামপশন করার জন্য সরকারি ফি এর অতিরিক্ত প্রায় ১৫ হাজার টাকা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ভেন্ডর এর মাধ্যমে তারা নিয়ে যায়। যেন একটা অঘোষিত আইন বাস্তবায়ন করেছে সবার ক্ষেত্রে নিবন্ধন ও সকল ক্ষেত্রে এটাই এটাই তারা নেয়। বাংলাদেশের ঘুষ দুর্নীতির এক নাম্বার হলো সাবরেজিস্ট্রি অফিস।
একই খতিয়ানে একাধিক মালিকের/ অংশিদার এর জায়গা। এখন একজন তার অংশের খাজনা দিবে কারণ তার জমি বিক্রি করবে। অনলাইনে আলাদা ভাবে পরিশোধ হয়না, একই খতিয়ানের সম্পুর্ণ দাগের খাজনা দিতে হয় যা ১৫০০০ টাকা। তহশিলদার বলে একজনের অংশ দিতে হলে ৫০০০ টাকা দিবেন আর আমি ৫০০ টাকার অনলাইন রশিদ দিব, কোন কথা নাই নতুবা সবই দেন। তখন বাধ্যহয়ে আমি ৫০০০ দিলাম। তারা ৫০০ টাকার রশিদ দিল। এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কি।
একইসাথে আমরা দুই বন্ধু পাসপোর্ট করিয়েছিলাম কক্সবাজার পাসপোর্ট অফিস থেকে। পাসপোর্ট এর কাজ শেষে, একদিন পুলিশ ভেরিফিকেশন আসে। আমরা দুজনকে এক জায়গায় ডাকা হল, একটা ট্রাভেল এজেন্সির অফিস ছিল ওটা। গিয়ে দেখলাম, পুলিশ নামাজ পড়ছে। আহা।কত ভাল মানুষ।এমন পুলিশ হয়তো ঘুষ খাবেনা ধরে নিয়ে, এগোলাম। কিছুক্ষণ কথা হলো। বের হবার আগে বলে, কিছু খরচাপাতি হয়েছে, 2000 টাকা করে দিন প্রত্যেকে।। আমি অনেক অনুরোধ করে 1000 টাকায় এনেছি। আমি তো দিলেও, আমার বন্ধু কোন ঘুষ দেয়নি। পরে দেখা যায়, আমার পাসপোর্ট টা পাস হলেও, আমার বন্ধুর ঘুষ না দেয়ার কারনে পাস হয়নি। অগত্যা তার আবার কক্সবাজার পাসপোর্ট অফিস গিয়ে হেনস্তার শিকার হতে হল। টাকা পরে ঠিকই দিয়েই কাজ সেরেছে।
আমি একটি ১০০% রপ্তানি কারক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কমার্শিয়াল ম্যানেজার। আমার প্রতিষ্ঠানের সহগ রিনিউ করার জন্য আবেদন করি, সব কিছু ঠিক থাকার পরো, ARO অফিসার আমার কাছ থেকে এই অর্থ দাবি করে। সে বলে এই টাকা সকল অফিছার কে ভাগ করে দিতে হবে। অফিসের পিয়ন থেকে শুরু করে মহাপরিচালক পর্যন্ত টাকা ছাড়া ১ টি স্বাক্ষর ও করে না।তার পর আমি আমার কোম্পানির মালিক কে বলে এই টাকা দিতে বাধ্য হয়। কারণ সহগ ছাড়া আমরা কোন পণ্য রপ্তানি করতে পারবো না।
আমার আম্মু আব্বুর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য, থানার কম্পিউটার অপারেটর ২০০০ টাকা দাবি করে নিছে!
বারবার আবেদন করেও যখন কাজ হচ্ছিল না। তখন অফিসে গিয়ে জানতে পারলাম ঘুষ ছাড়া আমার কাজ করা হবে না।কাগজপত্র ঠিক থাকলে দিতে হয় ৮০০০ টাকা আর আমার বাবার নাম — এর জায়গায় — থাকায় আমাকে দিতে হয়েছে ১৬০০০ টাকা।
ঢাকা-ঘাটে লঞ্চ চলাচলের অনুমোদন দিয়ে থাকে। তারা সব সময় বিভিন্ন লঞ্চ থেকে এভাবে টাকা উত্তোলন করে। নাহলে প্রচুর ঝামেলা করে। লঞ্চ চল্লেই কোন না, কোন বাহানায় টাকা আদায় করে। ওই টাকা সবাই ভাগকরে নেয়।
অনেক দাবি করে, কমপক্ষে ২০০ দিতেই হয়। তা নাহলে তিনি সনদ কম্পিউটারে টাইপই শুরু করেন না
জমির নাম খারিজ করতে মতলব উত্তর, চাদপুর ভুমি অফিসের — ২৫০০০/- টাকা নিয়েছে। ফি সাধারনত-১২০০/- টাকার মত।
নায়েব+এসিল্যান্ড: টাকা দিন, কাজ ৫-৭ দিনের মধ্যে হয়ে যাবে, নাহলে ফাইল পরে পচতে থাকবে। বারবার অনলাইন আবেদন প্রত্যাক্ষান করে দেওয়ার পরে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই। সার্ভেয়ারের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছিলো। আর পাবনা জেলার, ভাংগুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের বর্তমান নায়েব একটা রক্তচোষা পিশাচ, ১০০ টাকার খাজনা(ট্যাক্স) এর জন্য গরীব কৃষকদের থেকে ৫০০-১৫০০ আদায় করে সম্মুখে।
বিল্ডিং এর প্ল্যান অনুমোদন করানো বাবদ নোয়াখালী পৌরসভা অফিসকে টেবিল খরচ বাবদ দিতে হয়েছে। ঘুষ ছাড়া ফাইল ফেলে রাখে। বারবার ফেরত দেয়। অপ্রয়োজনীয় তথ্য ও একটা কাগজপত্র চায়।
কৃষি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় কিন্তু এটার অনলাইনে আপডেট হয় নাই তিন দিন ঘুরানোর পর এটার জন্য টাকা দাবি করা হয়েছিল ।
একটি সরকারি ট্রেনিং এ গমনের জন্য জিও অনুমোদন করতে উপসচিব এর প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে ৩০০০ টাকা দিতে হয়েছে। নির্ধারিত যাত্রার প্লেন এর তারিখ এর আগেরদিন পর্যন্ত টাকা না পেয়ে ফাইল ধরে রেখেছিলো। পরে টাকা নিয়ে সেদিন বিকালে ফাইল ছাড়ে।
Id Card uttolon korte gie amar sathe protarona koreshilo, box number dieci prothome bolece nai id card n cimputer dokan theke duplicate copy ber korte bolece , jokon 450 taka die id card utani hoy tokhn dokandar bolece id card ace , upore abar gie dekhi id card asce , tara bole akhn dibe na kinto taka dewar kotha bolle tatkhonic id card ane dai,,,
ইনকাম ট্যাক্স অফিস এ আমি নিজে ইনকাম ট্যাক্স দিতে পারি না কখনই। নানা রকম হয়রানি করে। অফিস এর কমকর্তা কে টাকা দিলে সহজেই কাজ হয়ে যায়। লাস্ত ৮ বতসর যাবত ১০০০০ করে টাকা দিয়ে আস্তেসি। বাসায় এসে ইনকাম ট্যাক্স এর কাগজ দিয়ে যায়। ইনকাম ট্যাক্স অফিস এর কমকর্তারা দেশের প্রচুর কর ফাকির জন্নে দায়ি। তারা নিজেরাই দেশের সবথেকে বড় দুরনিতিবাজ।
ই নামজারি। সরকারি খরচে যেটা করতে লাগে ১১৭৬ টাকা। সেই নামজারি করতে আমার ২০০০০ টাকা লাগছে। রাউজান উপজেলা, চট্টগ্রাম, এইখানে এমন একটা শক্ত সিন্ডিকেট তৈরি হয়ছে যে আমাকে বাধ্য হয়ে ১১৭৬ টাকার কাজ ২০০০০ দিয়ে করতে হয়ছে। সাধারণ নিয়মে আমি করতে গেছিলাম কিন্তু ওরা বারবার আম্র ফাইলটা রিজেক্ট করছে না না অজুহাতে। সময়টা গত দুইমাস আগের ঘটনা
জমি রেজিস্ট্রার করতে গেলে টাকা দাবি করে। জমি বিক্রি করা আমার প্রয়োজন ছিলো তাই টাকা দিতেই হলো আমাকে।
অনেক ঘুরাচ্ছিল। টাকা দিলে কাজ দ্রুত হবে, তাছাড়া দেরি হবে অনেক। — নামের লোক টাকা নিয়েছে, ডিজি হেলথ ঢাকা তে।
সাংবাদিক এসেই টাকা চায়, নাস্তা খরচ, লাঞ্চ খরচ, যাতায়াত খরচ বকশিস