Mutilation
They asked the extra money directly
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
They asked the extra money directly
আমার নামজারি র্দীঘদিন আটকে ছিলো, অফিসের কম্পিউটার অপারেটরকে টাকা না দিলে ফাইল ছাড়ে না।
আমার সহকারী অধ্যাপক এর প্রমোশন ফাইল ময়মনসিংহ আঞ্চলিক অফিসে জমা ছিলো এবং ডিডি ৪০০০০ টাকা দাবি করেছিলো, না দিলে প্রোমোশন হবে না, পরে দাবিকৃত টাকা দিছি এবং প্রমোশন হইছে।
আমার বাবা দাখিল মাদ্রাসা থেকে রিটায়ারমেন্ট করে। কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা তুলতে এই টাকা দিতে হয়।
1100/- টাকার সরকারি ফি, কিন্তু অতিরিক্ত 6,900/- দিতে বাধ্য হয়েছি।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের একজন দালাল নতুন কোম্পানি খুলে ১টি মাত্র পণ্যের অনুমতির জন্য ৩০০০০০ টাকা করে চায়। আমি সরেজমিনে অফিসে গেলে তারা বলে এখানে কোনো কাজ হয় না। বরং আপনি যাকে দিয়ে কাজ করাচ্ছেন তার সাথে আলাপ করেন।অর্থাৎ কেউ মুখ খুলতে চায় না। এমন হলে নতুন ব্যবসায়ী রা কিভাবে ব্যবসা শুরু করবে।
আমি একজন সিঙ্গাপুর প্রবাসী । সিঙ্গাপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে দূতাবাসের কর্মকর্তারা সবসময় বলে ঢাকা ষ্টুডিও নামের একটা প্রতিষ্ঠান থেকে পাসপোর্টের ফরম ঢাকা ষ্টুডিও থেকে পূরণ করে আনতে । একটি ফর্ম পূরণ করতে বিশ থেকে পঞ্চাশ ডলার দিতে হয় । যেখানে দূতাবাসের কর্মকর্তার ও কর্মচারীর উচিৎ আমাদেরকে সাহায্য করার কারন সবাই অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারে না । যদি কারো আইডি ও জন্ম সনদে ভুল থাকে তাহলেও ঢাকা স্টুডিও এর কাছে যেতে হয়, না হলে পাসপোর্ট নবায়ন করে না ।
পাসপোর্ট করতে মা-বাবার আইডি কার্ড ঐচ্ছিক থাকার কারণে আমি সেটা পূরন করিনি,তাছাড়া আমার সকল ডকুমেন্টস নিয়ে পাসপোর্ট করতে গেছি। কিন্তু সেখানে আমাকে এপ্রোভাল দেয় নাই। বলে মা-বাবার আইডি কার্ডের ডকুমেন্টস দিতে হবে। কিন্তু পরিশেষে কিছুই লাগে নাই। মা-বাবার জিএইলের এর ঘরে দালাল এর একটি পার্সোনাল জিমেইল বসিয়ে প্রিন্ট করে দিছে। বাস এখন আর বা-বাবার আইডিকার্ডের ডকুমেন্টস লাগে নাই। মাঝখান থেকে আমার ৩ হাজার টাকা নাই। বি:দ্র: পাসপোর্ট আমার ইমার্জেন্সি করা দরকার ছিলো তাই করেছি। আবেধন ডিলিট করার জন্যে যে সময় টুকু লাগে সেটা দেওয়া সম্ভব ছিলো না
To get Rajuk approval I hv already give 4,60,000/- Not yet professed
আমি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি থানার ৯ নং দেওটি ইউনিয়নে নতুন জন্ম নিবন্ধন এবং সংশোধন আবেদনের জন্য গেলে তারা আমার কাছ থেকে আবেদন বাবদ ২০০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে বলা হয় যদি আমি ২০০০ টাকা পরিশোধ করি তাহলে আমার আবেদন গৃহীত হবে। তাদের কথার পরিপ্রেক্ষিতে আমি ২০০০ টাকা পরিশোধ করি।
nid এর সাথে আগের পাসপোর্টের নামের বানানে কমবেশ ছিল। তো নতুন ডিজিটাল পাসপোর্ট করার সময় তারা রিনিউ হবে না ঠিক ও করবেনা টাকা ছাড়া বলেছিলো। ফলে পাশের দোকানের মাধ্যমে টাকা দিয়ে আসার পর কোন কাগজ ছাড়াই হয়ে গিয়েছে সাথেসাথে।
আমি পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে এক ভদ্র মহিলা আছে যে পাসপোর্ট রাখে সে বলে কাগজ ঠিক নাই। পরে এক হাজার ঘুষ দেবার পর আমার কাগজ গ্রহন করে ঘুষের বিনিময়ে।
ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম সনদের জন্য নির্ধারিত ফি ব্যতীত আলাদা করে আরও ৫০ টাকা বেশি নেয় এবং চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রত্যয়ন পত্র যা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেবার কথা সেটার জন্য উদ্যোক্তা প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০০ টাকা করে দাবি করে এবং তা আদায় করে।ঠিক এইভাবে চোপিনগর ইউনিয়ন পরিষদে (—) সকল সেবার জন্য নির্ধারিত ফি ব্যতীত দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ নিয়ে থাকে। আশা করি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তার উপযুক্ত বিচার হবে।
আমার জমিতে বা নথিপত্রে ১% সমস্যাও ছিল না, তবুও অনলাইন জমি খারিজ করতে গিয়ে ধাপে ধাপে চরম হয়রানির শিকার হতে হলো। প্রথম ধাপ: মুরইল ভূমি অফিসের কর্মচারী ফাইল আটকে রেখে ১,০০০ টাকা ঘুষের বিনিময়ে তা ছাড়েন। দ্বিতীয় ধাপ: কাহালু উপজেলা ভূমি অফিসে গেলে ২০০০ টাকা না দেওয়ায় টানা এক মাস ফাইল আটকে রাখা হয়। অবশেষে পিয়নের পরামর্শে বাধ্য হয়ে ২,০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর ফাইল অনুমোদন পায় এবং জমি খারিজের কাজ শেষ হয়। ডিজিটাল সেবার যুগেও সব সঠিক থাকার পর এমন মানসিক যন্ত্রণা ও ঘুষ বাণিজ্য সত্যিই হতাশাজনক।
সে খারিজ করে দিবৃ তার জন্য টাকা লাগবে,তানাহলে হবেনা।
কর নির্ধারক সুলাইমান ৫০০০ টাকা নিয়েছে
কলেজের mpo এবং বকেয়ার আবেদনের জন্য অধ্যক্ষ ১৫০০০ টাকা নেয়। অথচ আমি NTRCA কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত।
আমি একজন ঠিকাদার। নোয়াখালী জেলার এলজিইডি এর আন্ডারে আমি ৩০ লক্ষ টাকার একটি রাস্তার কাজ পাই। কাজ শেষে বিলের জন্য উপজেলা অফিস হতে জেলা অফিস পর্যন্ত আমাকে বিল উত্তোলনের জন্য ১১৫০০০.০০ এবং বিভিন্ন পর্যায়ে আরো ২৫০০০.০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এখানে প্রতি বিলের অংকের উপর অলিখিত ও বাধ্যতামূলক ভাবে ৫% ঘুষ দিতে হয়। তা না হলে ফাইল নড়বেনা। এছাড়া সাইট পরিদর্শনে সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার গেলে প্রতিবারের জন্য তাকে ২ হাজার করে টাকা দিতে হয়। এই দপ্তর পুরাপুরি করাপ্টেড।
আমার সার্টিফিকেট এর নাম সংশুধন করাতে আমার ১৫৬০০ টাকা লেগেছে ,ঢাকা বোর্ড এ ১৪০০০ আর ময়মনসিংহ বোর্ড এ ১৬০০ টাকা দিতে হইসে
আমি ব্যাবসায়ী।আমাকে সামাজিক ভাবে হ্য্য় প্রতিপন্ন করার হাজার টা তারা দেয়।মাঝে মাঝে খামার থেকে ডিম নেয়।পত্রিকায় উলটা পাল্টা নিউজ করার ভয় দেখায়।আর্থিক দাবি করে