নামজারী
নামজারি করার জন্য ভুমি অফিস এ যোগাযোগ করি তারা ১০ হাজার টাকা দাবি করে পরে ৮ হাজার টাকায় করে দিয়াসে.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করার জন্য ভুমি অফিস এ যোগাযোগ করি তারা ১০ হাজার টাকা দাবি করে পরে ৮ হাজার টাকায় করে দিয়াসে.
সরকারি ফি ৫০ টাকা ছিল। কিন্তু সে আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়েছে।
For land registration of a property worth Tk. 86.51 lakh, the deed writer’s society is demanding Tk. 7 lakh. According to government rates, the registration cost should be around 4%–4.5%, meaning it should not exceed approximately Tk. 4.5–5 lakh. The Muhuri has taken the full amount, and some Sonali Bank staff are also involved. Although we completed the agreement registration, they are not providing the challan or tax payment copy. They claimed the extra amount is fixed and will be distributed among everyone involved, including the Sub-Registrar. There is a serious lack of transparency in this process. The deed writer’s society appears to operate as a group, and people are forced to pay.
আমি লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম ইউনিয়ন পরিষদে। সেখানে যাবার পর আমার লাইসেন্স নবায়ন হবার পর আমার থেকে ১২০০ টাকা দাবি করে। পরে আমি জিজ্ঞাস করি কিসের জন্য এই টাকা? পরে কর্মরত কর্মকর্তা আমায় বলেন নবায়ন মূল্য। আমি দেখতে চাইলাম। হাতে নিয়ে দেখি নবায়ন মূল্য ২০০ টাকা, ভ্যাট ৩০ এবং নবায়ন এবং ব্যবসায়িক কর ৫০০ টাকা। সর্ব মুত আসে ৭৩০ টাকা। আমি যখন কর্ম কর্তাকে বলেছি। তিনি বললেন অফিস খরচ আছে তাই ১২০০ টাকাই পরিষদ করতে হবে। আমারও দ্রুত প্রয়োজন ছিল পরে আমি আর তর্কে না জড়িয়ে তাদের চাহিদা মতো অর্থ দিয়া আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করে আন্তে হয়েছে।
আমি দীর্ঘদিন ধরে বার্লিনে বসবাস করছি। এখানে কোনো সরকারি বা অফিসিয়াল কাজ করতে গিয়ে কখনো ঘুষ দিতে হয়নি বা কারও সুপারিশ নিতে হয়নি। কিন্তু সম্প্রতি বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিনে পাসপোর্ট নবায়নের জন্য গিয়ে অত্যন্ত দুঃখজনক একটি অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছি। দূতাবাসে — নামের একজন কর্মকর্তা আমার কাগজপত্র ও ফর্ম গ্রহণ করেন, ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি আমার কাছে হঠাৎ করে ২০ ইউরো দাবি করেন, যা প্রায় ২,৮০০ বাংলাদেশি টাকা। আমি জানতে চাইলেও তিনি অতিরিক্ত এই অর্থ কেন চাইছেন, সে বিষয়ে কোনো পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাইনি। আমার আশঙ্কা হয়, টাকা না দিলে হয়তো আমার কাজটি করে দেওয়া হবে না। ২০ ইউরো আমার জন্য বড় কোনো বিষয় নয়; কিন্তু বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের মতো একটি প্রতিষ্
জেলা রেকর্ড রুমে আমি ২ টি খতিয়ান তুলতে গেলে আমাকে 1000 বাড়তি দিতে হয়।
ভিআইপি রাস্তা ক্রস করার সময় আমাকে ধরলো এস আই
টাকা না দিলে কাজ করে না
This incident occurred in 2021. I needed to obtain my mother’s death certificate, but the City Corporation Secretary of Ward 22 delayed the process even after I had submitted all the required documents. The support staff demanded and received 6,000 taka before finally issuing the death certificate after 7-8 weeks of endless suffering. I still remember walking down the street that day, tears streaming down my face. It was raining, and I was crying, thinking, what a cursed country we live in!
টাকা চাই অনেক। না দিলে কাজ করে না
I submitted my Client’s application for recording FORM-XII and providing certified copy of the same. However, it got stuck in the middle of the process. The relevant Assistant Director asked he would need 2 lacs for the job. We had to pay, there was no other option. In rjsc, you don’t pay, you don’t get the service, as simple as that.
কিশোরগঞ্জ ডিসি অফিস এ ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় এইসব কাজ সম্পন্ন করা হয় বছরের পর বছর । যখনি সরকার কোনো প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণ করে তখনি তা ডিসি অফিসের আওতাধীন সকল কাজ সম্পন্ন করা হয়। আর এই সুযোগে প্রত্যেক জমির মালিকের কাছে থেকে অফিস এর বিভিন্ন অফিসার রা সরকারি ভ্যাট এর বাহিরে অতিরিক্ত ৬/৭% টাকা দাবি করে। এই দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করার পর টাকা তোলার সুযোগ হয় । আমার থেকে প্রায় ২০০০০০ (লক্ষ) টাকা আদায় করে তারপর চেক পাস করিয়েছে । অফিস এর সার্ভেয়ার, ডিসি মহোদয়, এমনকি তাদের সাথে আরো ৫/৬ জনের যোগ রয়েছে। যারা পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে । এমনকি চেক অনলাইনে সত্যায়িত করে যিনি উনাকেও ৭০০০ টাকা দিতে হয়েছে। আর এটা প্রত্যেকের সাথে হচ্ছে। এখনো এইসব কাজ চলমান রয়েছে। কিশোরগঞ্জ ডিসি অফিস।
পাসপোর্ট এর আবেদনকারী আবেদনকারীর পিতা মাতা এবং চলবে যোগাযোগ ব্যক্তির নামের মাঝে ডট ব্যবহার করার জন্য অতিরিক্ত প্রতি ডট এর জন্য ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছিলো। ওয়েবসাইটের কোথাও লেখা নাই যে ডট ব্যবহার করা যাবে না কিন্তু পাসপোর্ট অফিসের সামনে একটা ছোট্ট সাইনবোর্ডে থাকবা ডট ব্যবহার করলে আবেদন পত্র হবে না যদি ডট তুলতে হয় টাকা দিতে হবে ভাই নাইলে নতুন করে আবার আবেদন করতে হবে
খুলনা জেলার নলিয়ান ফরেস্ট অফিস ৩৬ টাকার পাশ নিতে দিতে হয় ২৫০০ টাকা। এছাড়া দায়িত্বরত প্রতি ওসি বাবদ দিতে হয় অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা।দাকোপ থানার পানখালি ইউনিয়নের তিনজন ব্যক্তি এই কার্য পরিচালনা করেন তারা হলেন —। — মেম্বার ও —। টাকা উত্তোলন হয় এনাদের হাত দিয়ে। এছাড়া সুন্দরবনের বনদস্যদের টাকাও তারা গ্রহণ করেন। বনদস্য কাছে পৌঁছে দেন। প্রতিটা বনদস্যু বাহিনীর জন্য নেন ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা।এই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারলে দক্ষিণ অঞ্চলের জেলেলেদের জীবনে শান্তি ফিরবে। প্রায় এক হাজার লোক এখান থেকে জঙ্গলে কাকড়া শিকারে যায় হিসাব করলে দেখা যায় হাজার হাজার কোটি টাকা এখান থেকে দুর্নীতি করে নিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন ও সহযোগীরা। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিন।প্রমাণ চাইলে দেওয়া যাবে।
২০০০০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে দেরীতে আয়কর জমা দেয়ার জন্য
গেলাম পাসপোর্ট করতে নানান তালবাহানা সবশেষে টাকার অংক বলে বললো এটাই সমাধান, আমিও কোন কুল কিনারা না পেয়ে টাকা টা দিলাম এদিকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এ আবার গেল হাজার সব মিলিয়ে একটা পাসপোর্ট করতে খরচ হলো ১৫০০০ হাজার টাকা,
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ফাইল জমা দিতে গেলে তারা ১৫০০ টাকা তাদের খরচ চায় সরকারি ফি পরিশোধ করার পর ও। ওই টা না দিলে ফাইল পেন্ডিং এ ফেলে রাখে।
মটর ছাড়ার পর বারবার ফেইস পড়ে যাচ্ছিল, DPDC বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলে তারা KV বাড়াতে বলে, এটা বাড়াতে সে বিকাশে টাকা বকশিশ চায়। 1000 টাকা দেয়ার পর তাৎক্ষণিক KV বৃদ্ধি করে দেয়।
After I got selected in govt job, the police clearance was a big trouble. No FIR or case record in my history. এভরিথিং ক্লিয়ার ছিল তারপরও তারা বিভিন্ন বাহানা দেখাচ্ছে আমাকে এবং আমার বোনকে নবীনগর থানায় ডেকে নিয়ে যায়। নিয়ে বিভিন্নভাবে বুঝানোর চেষ্টা করে যে কিছু খরচ দিতে হবে এবং এটা অনেকটা বাধ্যতামূলক। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পাঁচ হাজার টাকা দেয়া হলেও পরে সাব-ইন্সপেক্টর যিনি আমার বাড়িতে গিয়ে তদন্ত করেছিলেন তিনি পরে আবার আপত্তি করেন উনাকে কেন টাকা দেওয়া হলো না। পরে অনেকটা বাধ্য হয়েই আরও ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে। মোট ১০ হাজার টাকা এবং টাকাটা হাতে দেওয়ার পরে তাদের মুখে যে একটা হাসি আসে মনে হয় যে থানায় ফকিন্নি বসে আছে ভিক্ষার থালা নিয়ে।
হালিশহর ওয়ার্ড অফিস বা বোর্ড অফিস ফইল্লাতলী তে নবজাতক থেকে শুরু করে অন্যান্য যেসব সরকারি টিকা যা ফ্রী তে দেয়ার কথা প্রত্যেক ভোক্তার কাছ থেকে তারা ১০০ টাকা বাধ্যতামূলক বা একরকম জোর করে নেয়। টাকা না দিলে খারাপ আচরণ করে। তারা যদি একজন এর কাছ থেকে এভাবে ৫০/১০০ টাকা নেয় প্রতিদিন ২০০ মানুষ টিকা নিলে কি পরিমাণ অর্থ তারা মানুষের কাছ থেকে আদায় করছে সত্যিই অবাক করা একটা বিষয়। নবজাতক এর টিকা নিয়েও বাণিজ্য এটা কেবল বাংলাদেশে ই সম্ভব