রিটায়াররমেন্ট পেশনশনের বিল
বিল পাওয়ার পর মিস্টি খাওয়ার টাকার জন্য আবেদন করেছিলো হাজার দশেক টাকার
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বিল পাওয়ার পর মিস্টি খাওয়ার টাকার জন্য আবেদন করেছিলো হাজার দশেক টাকার
ভোটার স্থানান্তর আবেদনের জন্য সরকারি কোনো ফি নেই। কিন্তু সেখানে উপজেলা নির্বাচন অফিসে ভোটার স্থানান্তরের জন্য জনপ্রতি ৩০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। টাকা না দিলে মাসের পর মাস আবেদনের কাগজ ফেলে রাখে কাজ করেনা। আমি নিজেই কিছুদিন আগে ভোটার এলাকা স্থানান্তর করতে গিয়ে এর শিকার হয়েছি। বাধ্য হয়েই টাকা দিতে হয়েছে নয়তো কাজ করেনা কাগজ ফেলে রাখে।
আমাকে, আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য , ASI নির্মল সাভার থানায় ডাকে, আমি যাই, ওনি ৫ মিনিট পর আসে তার পর আমার পেপারস দেখে,, এবং জানায় চালান কপি নাই আমি ৫ মিনিট এর পর এটাও প্রিন্ট করে এনে দেই,,, সাভার মসজিদের পাশে এসে আমাকে, নানা প্রশ্ন করে,, তার পর বলো,, খরচ দিতে,, আমি বলি আবার খরচও লাগবে, সে জানায় তাকে এই টাকা উপরেও দিতে হবে, তার পর আমি তাকে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হই
আমি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি হিসেবে দেশের একটি স্বনামধন্য ব্র্যান্ডের ছোট একটি পণ্য রেগুলার সাপ্লাই করি। আমার সাপ্লাইকৃত পণ্যের ভ্যাট চালান ক্রেতা নিজেই বিলের সাথে সরবরাহ করে । এই চালান কপি আমি ম্যানুয়ালি গিয়ে জমা দিই মোহাম্মদপুর ভ্যাট অফিসে (লেভেল ৬)। প্রতিবারই ভ্যাট জমাকালে ভ্যাট অফিসার চা-নাস্তা বাবদ সম্মানী চায়। এছাড়া বাইরের পিয়নের কাছ থেকে সীল নিতে গেলে বাধ্যতামূলক ৫০০ টাকা দিতে হয়, নাহলে নাকি ভেতর থেকে সীল না দিতে বলা আছে এবং আমি ৩ বছর যাবত বাধ্যতামূলক দিয়ে আসছি। এছাড়া আমার অনলাইন ভ্যাট প্রোফাইল পুনরুদ্ধারের জন্য দীর্ঘ্য ৬ মাস যাবত তাদের রিকোয়েস্ট করলেও তাদের সময় নেই বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তিতে অফিস সহকারী ডেকে বলেছেন ২০০০ টাকা দিলে উনি ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড রিসেট করে দিতে পারবেন।
প্রতিটা সরকারি বিল এ তারা ৩-৫% ঘুষ নিয়ে থাকে। এর কোন প্রতিকার নেই কেন?
আমার গাড়ি এক্সিডেন্ট হয়েছে তারপর ও আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করছে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে
আদাবর শম্পা মার্কেট পাশে (রাজাবাজার সার্কেল) ভ্যাট অফিসে সরকারি প্রতিমাসের ভ্যাট জমা দিতে গেলে প্রতি ফাইলের জন্য ৫০০ টাকা করে ভ্যাট অফিসার কে এবং অফিস পিয়নকে ২০০ টাকা করে দিতে হয়। তাছাড়া ফাইল জমা হয় না। এভাবে সরকারি ভ্যাট ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে।
আমি ফ্লাট মর্টগেজ দলিল করতে গিয়েছিলাম ফ্লাট এবং developer company সঙ্গে চুক্তিপত্র যাহা আছে রেজিস্ট্রেশন ছিলনা তাই মর্টগেজ দলিলে অপারগতা জানায় সাব রেজিস্টার সাহেব ধানমন্ডি তারপরে 25000 টাকার বিনিময়ে রেজিস্ট্রেশন করে দেয় তেজগাঁও রেজিস্ট্রি অফিস
Passport er line a darate hobe na..kono kagoch er jonno jhameka korte hobe na kono kagoch er jonno hoirani korbe na.. Kaj duruto kore dibe ei bole taka chai pothome na bollel pore 4 din ghure amar kaj kore dei ni bivinno ujuhat dekhiye ghuraiche pore amake dalal er sahajjo neowa legeche
আমি নিজে নিজে ওয়েবসাইট থেকে নামজারির আবেদন করেছি দুইবার,কিন্তু ইউপি ভূমি কর্মকর্তা একবার এক্সেপ্ট করেও দ্বিত্বীয়বার রিজেক্ট করে দেয়। আমাকে বলে যে চা নাস্তার টাকা দিতে হবে। পরবর্তিতে আমি রাগে আর করাইনাই কাজ। এর কিছুদিন পরে উনি চলে গেলে আবার যাই কিন্তু সেখানেও আমার দূর্ভাগ্য যে ভূমি কর্মকর্তা আমার কাছে ১৮০০০ টাকা চায় এবং বলে যে ১ মাসের মধ্যে আমার কাজ করে দিবে। পরবর্তিতে আমার সকল পেপার্স ঠিক থাকা স্বত্বেও বাধ্য হয়ে ১৫০০০ টাকা দিয়ে খতিয়ান প্রস্তুত করাই।
আসসালামু আলাইকুম। আমি মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস কর্মরত আছি। ২০২০ সালে আমি পদোন্নতি লাভ করি। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে আমার সেই পদোন্নতি কার্যকর হয়নি। আইনি জটিলতা নিষ্পত্তির পর। চলতি অর্থবছরে। আমাদেরকে বলা হলো সার্ভিস বুকে এন্ট্রি করার জন্য। আর এই এন্ট্রির কাজটি করে এফসি আর্মি পূর্ত। অফিসটি ঢাকা সেনানিবাসের লগেরিয়া বিল্ডিং এ অন্তর্ভুক্ত।আমরা প্রায় ৯৫৫ পদোন্নতি লাভ করে ২০২০ সালে । পদোন্নতিতে আমাদের লাভ হয়েছে। কার অব বেতন ১০ টাকা বেড়েছে কারো গো 50 টাকা আমার কাছে ১৮০ টাকা । কিন্তু এই দশ টাকা ৫০ টাকা ১৮০ টাকা যার যত বেড়েছে কারো ৩০০ টাকার উপরে ভরে নাই এই টাকা পাওয়ার জন্য । প্রত্যেককেই ৮৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। । এবারেসে। ৮০ লক্ষ টাকা । তারা আমাদের থেকে গেল দুই মাসের নিয়েছে
সরকারি নামজারী করতে খরচ যেখানে ১১৭০৳ সেখানে শুধু ভুমি অফিস এর ইউনিয়ন ভুমি অফিসার রিপোর্ট দেওয়ার জন্য ৫০০০/১০০০০/২০০০০ ৳ এরকম করে ঘুষ দাবী করছে, না দিলে আমার, আপনার নামজারী করাতে পারছি না। এরপর উপজেলা ভুমি অফিস এ গেলে শুনানী, কানুনগো, ভুমি কর্মকর্তা যে যেভাবে পারছে সেভাবে ঘুষ খাচ্ছে।
ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করার জন্য সরকারী ফী এর বাইরে 500 টাকা অফিস খরচ বলে চেয়েছিল
নতুন চাকরিতে যোগদানের পর সকল চাকরিপ্রার্থীকে সার্ভিস বুক ওপেন করতে হয়। যেটির সরকারি মূল্য ২০ টাকা। তবে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। এবং আমি তা দিতে বাধ্য ছিলাম।
আমার বিদেশে যাওয়ার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেসন এর দরকার হয় আমি আবেদন করি তারা এপ্রুভ করে না পরে আমি থানায় গিয়ে বললে তারা বলে কিছু খরচপাতি দেওয়ার জন্য তাদের যখন ১০০০ টাকা দিলে তারা ১ দিনের ভেতর এপ্রুভ করে.
বদলি বাণিজ্য, বিভিন্ন অর্জিত (চিকিৎসা) ছুটি, মাতৃকালীন ছুটি, সার্ভিস বই হালনাগাদ, ডেপুটেশন, ট্রেনিং নাম কাটানো ইত্যাদি।
শরীয়তপুর শিক্ষা অফিসে কম্পিউটার কাম অপারেটর স্কুলে যোগদান করার পর আইপেমিস এ যোগদান করার জন্য ২০০০ টাকা চাইলে আমি ১০০০ টাকা দেই। সে অনেক বড়ো ঘুষখোর।
কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।
ফেইস ভেরিফাই সক্রিয় করতে গিয়ে টাকা দাবি করেছিলো।। পরে অন্য পরিচিত আরেকজন কে লাগিয়ে ১০০০/টাকা দিয়ে কোন ভাবে বুঝিয়ে দিয়ে আসলাম, অথচ এটা সরকারি ভাবে সম্পূর্ণ ফ্রি।।
আমি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে চাকরি করেছি বিগত ৩০ বছর, ২০০০ সাল থেকে নিয়মিত প্রতিমাসে DSP fund এ টাকা জমা রাখি। গত এপ্রিলে আমার চাকরি শেষ হয় এবং LPR শুরু হয়। একই সাথে DSP ফান্ড এর মেয়াদও শেষ হয়ে যায়। আমার মোট ৩০ লক্ষ টাকা জমা হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী এপ্রিলে মাসেই আমার DSP এর পুরো টাকা পাওয়ার কথা। আমার টাকা চাইতে গেলে দেওয়ার কথা থাকলেও পেনশন অফিসের এক লোক (উনি মূলত বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের লোক) আমাকে বলে হিসাব করতে সময় লাগবে। একপর্যায়ে ৩০ লক্ষ টাকার বিপরীতে ৩০ হাজার টাকা দিলে এক সপ্তাহের মধ্যে টাকার ব্যাবস্থা করে দিবে বলে।