আটকে থাকা বেতন তোলা
বেতন আটকে ছিলো। বেতন যেখানে তাদের মানবিক কারনে হলেও কাজ দ্রুত করে পরিশোধ করার কথা, ৭ মাসের বেতন তোলার জন্য ৫০০০/- দিতে হয়েছে। বাধ্য হয়েছি দিতে। আরও অর্থ দাবি করতে পারে। বেতন এখনো পাওয়া যায় নাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বেতন আটকে ছিলো। বেতন যেখানে তাদের মানবিক কারনে হলেও কাজ দ্রুত করে পরিশোধ করার কথা, ৭ মাসের বেতন তোলার জন্য ৫০০০/- দিতে হয়েছে। বাধ্য হয়েছি দিতে। আরও অর্থ দাবি করতে পারে। বেতন এখনো পাওয়া যায় নাই।
চাকরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজটা যদিও অফিসের নিজে থেকেই করার কথা ছিল কিন্তু করে নাই। অন্যদিকে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাগজ ছাড়া চাকরি স্থায়ীকরনের আবেদন করা যায় না। তাই বাধ্য হয়ে হেড ক্লার্ককে ঘুষ দিতে হয়েছে কাগজ পাঠানোর জন্য।তারপর সিভিল সার্জন অফিসে ঘুষ না দেয়ায় কাগজপত্র হারিয়ে ফেলেছে। তিন চার মাসেও যখন ভেরিফিকেশন কাগজ স্থানীয় থানায় আসে নাই তখনে যোগাযোগ করলে টাকা দাবি করে । সেখানে ঘুষ দেয়ার পর সেটা পাঠায়। তারপর আসে পুলিশের কাছে। পুলিশ বাড়িতে না এসেই থানয় যেতে বলে এবং টাকা দাবি করে কোন কারণ ছাড়াই ১০০০০. পরে ৩০০০ দিতে বাধ্য হই।এর পর আবার সিভিল সার্জন অফিসে কাগজ আসলে আবার অনেকদিন আটকে রাখে ঘুষ না দেয়ায়।আবার ঘুষ দিলে কাগজ দিয়ে দেয়। সব মিলিয়ে ৫০০০+ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
খরচ করতে যাওয়ার পর জমির আমার কাছ থেকে কম সময়ে এবং জমির খাস না হাদিস দেওয়ার জন্য পরিশোধ করার জন্য এক্সট্রা দেড় লক্ষ টাকা চেয়েছে অনিতা পরিশোধ করেছে
প্রথম বেতন লাগানো, এলপিসি, শ্রান্তি বিনোদন, অফিসের আনুষঙ্গিক বিল উত্তোলন ৫% ছাড়া বিল পাস করে না। নানা অজুহাত দেখায়, ভুলভাল বের করে। সবাই সিন্ডিকেট করে। কেউ কোন সমাধান দেয় না। মানুষকে সম্মান করে না। সব হিসাব রক্ষন অফিসের একই চিত্র।
আমার মা মুরুব্বি মানুষ গিয়েছিলেন জমির মিউটেশন করতে।
প্রায় ৭ বছর আগে রিকশায় যাওয়ার সময় কথা বলারত অবস্থায় বাইকে এসে আমার হাত থেকে মোবাইল ছিনতাই হয়। জিডি করার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই-এর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানতে চান আমি কী করি। আমি মেডিকেল ৩য় বর্ষে পড়ি জানালে তিনি বলেন, “আপনার তো ব্যবসা ভালো।” এরপর চা-নাস্তার কথা বলে ৫,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি ৩,০০০ টাকা দিই। এরপর তিনি আর কোনো যোগাযোগ করেননি এবং মোবাইলটিও উদ্ধার হয়নি। কয়েকবার ফোন করেও তাকে পাইনি।
ঠিকাদারি কাজ করার ক্ষেত্রে, কাজ করার শেষ করার পরে বিল করতে গেলে কাজের চুক্তিমূল্যের উপরে ৬% একটু কম বেশি হিসাব করে টাকা চায়, বাধ্য হয়েছি, দিয়েছি। নিরুপায়
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করলে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়ে যেতে বলে। সব কাগজ নিয়ে গেলে সংশোধিত জন্ম নিবন্ধন প্রিন্ট করে দেয়ার বিমিময়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে বলবে টাকা দিয়ে কাগজ প্রিন্ট করে কিয়ে আসি।
আমার ছোট বোনের জামাই সৌদি প্রবাসী, ছোট বোনকে সৌদি নিয়ে যাবে এজন্য কাবিনের কফি ইংলিশ করা লাগে এবং অনলাইন করা লাগে । এজন্য আমরা যোগাযোগ করি আমাদের গ্রামের কাবিন রেজিস্ট্রি হুজুরের সাথে, উনি জানান এটা মাইজদী থেকে করাই আনতে হবে, ওখানে ১১ হাজার টাকা লাগবে, যেহেতু আমাদের খুব প্রয়োজন আমরা ১১ হাজার টাকা দেই, কিন্তু ওখান থেকে পরে জানানো হয়, পাসপোর্ট এর জন্ম তারিখ এবং কাবিনের জন্ম তারিখে এক নয়, এ কারণে এটা করা সম্ভব নয়, তখন আমরা টাকাটা ফেরত চাই কিন্তু উনারা দেয়নি, ওনাদের বক্তব্য একটাই টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব না আমরা কার কাছে বলব কিছু করার নাই।
হেবামুলে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গিয়ে রোগী নিয়ে গিয়ে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে চাই না। বলে আগের সব দলিল লাগবে, বালাম বই / ভলিউম বই বের করতে টাকা লাগবে। টাকা জমা দিয়েছে ২ হাজারের মত কিন্তু টাকা নিয়েছে ২৫ হাজার। এরা আবার নিজে টাকা নেয়না। দলিল লেখকের মাধ্যমে টাকা নেয়।টাকা না দিলে জমি রেজিষ্ট্রেশন হবেনা। প্রতিদিন জেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের হেড কেরানী কমপক্ষে ২/৩ লাখ, অফিসার ৫/৬ লাখ নিয়ে যায়।
অনলাইনে নাম জারি আবেদন করা হয়েছে ৫০+২০ টাকা পরিশোধ করে। পরবর্তীতে আগ্রাবাদ সার্কেলে ফাইল এলে কাননগো এর কাছে ফাইল যায়, সহকারী কমিশনার নেই। এখনো নিয়োগ দেয়া হয়নি তাই কাজ শেষ করা যাচ্ছে না বলে। আর কানংো তার সহকারীকে ফাইল দিলে সে আমাকে সাইডে ডেকে নিয়ে তাকে কিছু খরচ দিতে বলে। আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা পরিশোধ করি। কিন্তু আমার কাজ এখনো শেষ হয় নি।
গাজীপুর জেইল খানায় আমার বাবা মিথ্যা মামলায় হাজতি অবস্থায় আছেন। দেখা করতে গেলে ক্যান্টিন থেকে কিছু কিনে দিতে গেলে দাম রাখে ডাবলের থেকেও বেশি আবার সেই জিনিস পাঠাইতে এক্সট্রা টাকা নেয়। ২ মাসে প্রায় ১ লক্ষ টাকার উপর খরচ হয়েছে শুধু জেইল খানায়।
আমার বর্তমান ঠিকানা দিয়ে পাসপোর্ট নবায়ন আবেদন করলে ঢাকা পশ্চিম বসিলা পাসপোর্ট অফিসে অটোমেটিক জমা দিতে বলে । সেইমত আমি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে ফাইল জমা দিতে গেলে আমাকে কর্তব্যরত অফিসার জানান আপনার জন্মস্থান যেহেতু নড়াইল আপনাকে নড়াইল পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে হবে। আমি অফিসারকে আমার ঢাকার বাসার পানিবিলের কপি গ্যাস বিলের কপি বিদুৎ (DPDC) এর প্রিপেইড কার্ড ফটো কপি ও অরজিনাল দেখাই এমনকি তাকে আমার মোবাইলে ডিপিডিসি এর সফটওয়ার ও দেখাই কিন্তু তিনি এসকল ডকুমেন্টস আমলে না নিয়ে বলেন যে কাউন্সিলর অফিস থেকে প্রত্যয়ন পত্র দিলে তিনি জমা নিবেন অন্যথায় সম্ভব না । কিন্তু পাসপোর্ট অফিসের দালাল বললো 3000tk দিলে এখনই জমা দিয়ে দিবে কোনো লাইন ও লাগবে না । তাই আমি 3000 tk দিতে বাধ্য হয়ে জমা দেই।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে গিয়েও আমাকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। বিষয়টি এমনভাবে স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে, টাকা না দিলে কাজ হবে না-এমন একটি অঘোষিত নিয়মের মতো মনে হয়। সাধারণ মানুষও বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেয় এবং এ নিয়ে কেউ কথা বলে না।
ঘুষ নেওয়া তাদের প্রতিদিনের অভ্যাস. না দিলে ফাইল আটকে রাখে. সাব রেজিস্টার্ড অফিসার নিজে টাকা না নিয়ে অন্য জনের মাধ্যমে টাকা নেওয়া হয়
স্কুলের ভুলের কারণে আমার ssc সার্টিফিকেটে বাবার নাম ভুলে এসেছিল। আমার অন্যান্য সকল ডকুমেন্টে নাম ঠিক ছিলো সেগুলো দিয়ে সংশোধনের আবেদন করি । প্রায় তিন চার মাস হয়ে গেছে তাও সংশোধন হচ্ছিল না। এরপর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে যাই, সেখান থেকে জানানো হয় অনেক আবেদন পড়েছে তাই সংশোধন হতে সময় লাগবে। বের হওয়ার সময় ওই অফিসে কর্মরত একজন ডাক দিয়ে পাশে নিয়ে গিয়ে বলে "খরচ করতে পারলে তাড়াতাড়ি ঠিক হবে "। বিষয়টি সংশোধন করা আমার জন্য জরুরি ছিলো। সেই ব্যক্তি ৫ হাজার টাকা দাবি করে। ২০০০ টাকায় তার সাথে চুক্তি করি। এরপরে দুই দিনের মধ্যে আমার সার্টিফিকেট সংশোধন হয়ে যায় । Se
আমার বাবা জাহাজের তৃতীয় শ্রেনীর একজন জাহাজ মাস্টার, বাবার চাকরি সনদ রিনিউ করে দিবেন বলে নৌপরিবহন ভবনের অভ্যন্তরীন একজন কর্মচারী কাজটি করে দিতে পারবেন বলে জানান। অনলাইনে সকল কিছু সঠিকভাবে সাবমিশনের পরে তার টেবিলে বাবাকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং দাবী করা হয় ১০,০০০/- টাকা দিলে কাজটি হয়ে যাবে নয়ত রিনিউ হবে না এবং বাবা চাকরি করতে পারবেন না। আমার বাবা সেটি পরিশোধ করে এবং তিনি চা নাস্তা দাবি করলে তাকে নিয়ে গিয়ে পাশের এক হোটেল দুপুরের লাঞ্চও করানো হয়। দুঃখজনকভাবে দাবীকৃত অর্থ পরিশোধ করা হলেও, বাবার সনদ রিনিউ করা হয়নি, এবং পরে তিনি আমাদের অস্বীকার করেন। অগত্যা বাবার অর্থও খরচ হয় এবং বাবা পরবর্তীতে আর চাকরিতে ফেরত যেতে পারেননি।
সম্ভবত ২০২২/২৩ এর ঘটনা, আমি এবং আমার পরিবারের সকল চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে নিয়ম মেনে লাইনে দাঁড়িয়ে ডেস্কের ব্যক্তির উল্লেখকৃত সকল কাগজপত্র রেডি করে ডেস্কে জমা দেই এবং নিয়মমত ছবি তুলে আসি। কিছুদিন পর সন্দ্বীপ থানা থেকে ফোন আসে, আমি আমার সন্দ্বীপে থাকা আত্মীয়কে পাঠাই। উল্লেখ্য সন্দ্বীপে বাড়ি আমার চাচার নামে, কিন্তু সেই বাড়িই আমাদের ছিলো সবসময়। সমস্যা ঘটে বাবার নামে বাড়ির তথ্য না থাকা নিয়ে। আগত্যা চট্টগ্রাম থেকে সন্দ্বীপে যাই এবং বিষয়টি বুঝাইতে চাইলেও এবং আমার সন্দ্বীপের যাবতীয় সকম তথ্য সেই এস আইকে উপস্থাপন করা হলেও সে ক্লিয়ারেন্স দিতে রাজি নয়। আগত্যা শেষে ১৫,০০০ টাকা দাবি করে, আমরা ৪,০০০ দিয়ে মিটমাট করে আসি, কারন ওই মূহূর্তে পাসপোর্ট নেওয়া খুবই জরুরী ছিলো।
আমরা ১০ জন বন্ধু শ্রীমঙ্গল থেকে ট্রেনেকরে কুমিল্লার লাকসাম স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। শেষ দিকে যাওয়ায় ট্রেনের মাত্র ৫ টি টিকেট কাটতে পারি। আর ৫ জন টিকেট ছাড়াই ট্রেনে উঠি। এবং টিটির মাধ্যমে বাকি ৫ টা টিকিট কাটতেও প্রস্তুত ছিলাম। টিটি আখাউড়া স্টেশনের কাছাকাছি এসে টিকিট চেক দিলো। পুরো ঘটনা শেয়ার করলাম এবং ৫ জনের টিকিটের মূল্য অনুযায়ী ১০০০টাকা দিতে বললেন। তখন টিকিট সদৃশ একটি ছোট রিসিটে তার নাম - মোবাইল নাম্বার সহ সাইন করে দেন। বললেব আর ধরবেনা, এটা দেখাইলেই হবে। তার আইডি কার্ডছিলো এবং সাথে পুলিশ ও ছিলো।কিন্তু লাকসাম স্টেশনে পৌঁছানোর ৫-৬ কিলো আগে একই পুলিশ নিয়ে দ্বিতীয় আরেকজন টিটি আমাদের চেক করেন। তখন বুঝতে পারলাম ১ম টিটি আমাদের সাথে প্রতারণা করে।কারণ জরিমানা স্মার্ট মেশিনে কিইআর সহ রিসিটে দেয়
জমির জন্য মিসকেসের আবেদন করতে গিয়েছিলাম। আবেদন জমা নিতে প্রথমে দুই হাজার টাকা চাইলো।এটা নাকি তাদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। পরবর্তীতে তহসিলদার তদন্তের জন্য টাকা দাবি করল। তাহাকে দেওয়া হইলো 6000 টাকা। নাজির সাহেব দাবী করল ২০০০০.টাকা।যাহা পরিশোধ করলাম। মামলার রায় নিয়ে ঘুরানো শুরু করল বাধ্য হয়ে আরো দশ হাজার টাকা দিলাম।