পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেপার বিদেশ যাওয়ার জন্য
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেপার দরকার ছিলো ,থানায় যাবার পরে বল্ল পাসপোর্ট এর এড্রেস চেঞ্জ করতে হবে অথবা আবার পাসপোর্ট বানাতে হবে এই ইনফরমেশন এ হবে না,পরে টাকার অফার দুয়ে ৭০০০ টাকা নিয়ে করে দিছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেপার দরকার ছিলো ,থানায় যাবার পরে বল্ল পাসপোর্ট এর এড্রেস চেঞ্জ করতে হবে অথবা আবার পাসপোর্ট বানাতে হবে এই ইনফরমেশন এ হবে না,পরে টাকার অফার দুয়ে ৭০০০ টাকা নিয়ে করে দিছে।
সরকারি ব্যাংক ড্রাপ থেকে অনেক টাকা বেশি নেওয়া হয়। এটা যে শুধু আমার সাথেই এমন হয়েছে বিষয় টা এমন না। দালালদের আলাদা কোড আছে। এপ্লাই ফর্মে যদি দালালের কোড না থাকলে তাহলে ঐ পাসপোর্ট এর আবেদন জমা নেয়। তাছাড়াও যাদের id card এর সাথে নাম কিংবা বয়স ঠিক নেই তাদের থেকে তো এমনও দেখি ১,০০,০০০/- থেকে ১,৫০,০০০/- টাকাও নিতে দেখেছি
হেলমেট ছাড়া যাওয়ার কারণে সরকারী খাতায় ফাইন না উঠিয়ে আমার কাছ থেকে রশিদ ছাড়া ১৫০০ টাকা নিয়েছে
আমি ২০২৪ সালে এস এস সি পরীক্ষা দি।খুব ভালো পরিক্ষা দিবার পর রেজাল্ট হয় আমার পদার্থ বিজ্ঞান ফেল দেয় উক্ত বিষয় কোনে নাম্বার ছিলো।পরে এটা নিয়ে র্বোড যাবার পর তারা নানা ধরনে হয়রানি করে।পরে রেজাল্ট পরিবর্তন করে দিবে বলে ১লক্ষ ৫০ হাজার পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক দাবি করে আমি তাকে আমার জমানো এবং বাসায় না জানিয়ে আমার বোনদের কানের দুল দিয়ে সবমোট ১লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দি।কিন্তু আমার কাজটা করে দেয় নাই আমি এর পর ২ বার পরিক্ষা দিছি ২বার খারাপ ফেল আসলো।বোড প্রতিবাদ করা নিজের পায়ে কুরাল মারা মত
বেতন আটকে ছিলো। বেতন যেখানে তাদের মানবিক কারনে হলেও কাজ দ্রুত করে পরিশোধ করার কথা, ৭ মাসের বেতন তোলার জন্য ৫০০০/- দিতে হয়েছে। বাধ্য হয়েছি দিতে। আরও অর্থ দাবি করতে পারে। বেতন এখনো পাওয়া যায় নাই।
খরচ করতে যাওয়ার পর জমির আমার কাছ থেকে কম সময়ে এবং জমির খাস না হাদিস দেওয়ার জন্য পরিশোধ করার জন্য এক্সট্রা দেড় লক্ষ টাকা চেয়েছে অনিতা পরিশোধ করেছে
প্রথম বেতন লাগানো, এলপিসি, শ্রান্তি বিনোদন, অফিসের আনুষঙ্গিক বিল উত্তোলন ৫% ছাড়া বিল পাস করে না। নানা অজুহাত দেখায়, ভুলভাল বের করে। সবাই সিন্ডিকেট করে। কেউ কোন সমাধান দেয় না। মানুষকে সম্মান করে না। সব হিসাব রক্ষন অফিসের একই চিত্র।
আমার মা মুরুব্বি মানুষ গিয়েছিলেন জমির মিউটেশন করতে।
“চায়নাতে পড়তে যাওয়ার জন্য আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দরকার ছিল। এই জন্য আমি অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। আমি অনলাইনে ফি পরিশোধ করার পরে এইখানে কর্মরত পুলিশ অফিসার আমাকে কল দেয় এবং আমাকে ডাকে ।পরে আমি প্রয়োজনী সকল কাগজ পত্র নিয়েগেলে সে সব কিছু দেখে বলে যে, কাগজ পত্র সব ঠিক আছে।তার পরে আর কিছু না বলে আমাদের কে চায়ের দোকানে ২ থেকে ২.৫ ঘন্টা বসিয়ে রেখে সে তার মত তার পরিচিত লোকদের সাথে গল্প করতে থাকে , পরে আমি যাওয়ার কথা বললে বলে যে কিছু খরচ পাতি দিয়ে যান। এই কথা বলে সে টাকা রাখে”
প্রায় ৭ বছর আগে রিকশায় যাওয়ার সময় কথা বলারত অবস্থায় বাইকে এসে আমার হাত থেকে মোবাইল ছিনতাই হয়। জিডি করার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই-এর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানতে চান আমি কী করি। আমি মেডিকেল ৩য় বর্ষে পড়ি জানালে তিনি বলেন, “আপনার তো ব্যবসা ভালো।” এরপর চা-নাস্তার কথা বলে ৫,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি ৩,০০০ টাকা দিই। এরপর তিনি আর কোনো যোগাযোগ করেননি এবং মোবাইলটিও উদ্ধার হয়নি। কয়েকবার ফোন করেও তাকে পাইনি।
ঠিকাদারি কাজ করার ক্ষেত্রে, কাজ করার শেষ করার পরে বিল করতে গেলে কাজের চুক্তিমূল্যের উপরে ৬% একটু কম বেশি হিসাব করে টাকা চায়, বাধ্য হয়েছি, দিয়েছি। নিরুপায়
আমার ছোট বোনের জামাই সৌদি প্রবাসী, ছোট বোনকে সৌদি নিয়ে যাবে এজন্য কাবিনের কফি ইংলিশ করা লাগে এবং অনলাইন করা লাগে । এজন্য আমরা যোগাযোগ করি আমাদের গ্রামের কাবিন রেজিস্ট্রি হুজুরের সাথে, উনি জানান এটা মাইজদী থেকে করাই আনতে হবে, ওখানে ১১ হাজার টাকা লাগবে, যেহেতু আমাদের খুব প্রয়োজন আমরা ১১ হাজার টাকা দেই, কিন্তু ওখান থেকে পরে জানানো হয়, পাসপোর্ট এর জন্ম তারিখ এবং কাবিনের জন্ম তারিখে এক নয়, এ কারণে এটা করা সম্ভব নয়, তখন আমরা টাকাটা ফেরত চাই কিন্তু উনারা দেয়নি, ওনাদের বক্তব্য একটাই টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব না আমরা কার কাছে বলব কিছু করার নাই।
হেবামুলে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গিয়ে রোগী নিয়ে গিয়ে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে চাই না। বলে আগের সব দলিল লাগবে, বালাম বই / ভলিউম বই বের করতে টাকা লাগবে। টাকা জমা দিয়েছে ২ হাজারের মত কিন্তু টাকা নিয়েছে ২৫ হাজার। এরা আবার নিজে টাকা নেয়না। দলিল লেখকের মাধ্যমে টাকা নেয়।টাকা না দিলে জমি রেজিষ্ট্রেশন হবেনা। প্রতিদিন জেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের হেড কেরানী কমপক্ষে ২/৩ লাখ, অফিসার ৫/৬ লাখ নিয়ে যায়।
অনলাইনে নাম জারি আবেদন করা হয়েছে ৫০+২০ টাকা পরিশোধ করে। পরবর্তীতে আগ্রাবাদ সার্কেলে ফাইল এলে কাননগো এর কাছে ফাইল যায়, সহকারী কমিশনার নেই। এখনো নিয়োগ দেয়া হয়নি তাই কাজ শেষ করা যাচ্ছে না বলে। আর কানংো তার সহকারীকে ফাইল দিলে সে আমাকে সাইডে ডেকে নিয়ে তাকে কিছু খরচ দিতে বলে। আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা পরিশোধ করি। কিন্তু আমার কাজ এখনো শেষ হয় নি।
গাজীপুর জেইল খানায় আমার বাবা মিথ্যা মামলায় হাজতি অবস্থায় আছেন। দেখা করতে গেলে ক্যান্টিন থেকে কিছু কিনে দিতে গেলে দাম রাখে ডাবলের থেকেও বেশি আবার সেই জিনিস পাঠাইতে এক্সট্রা টাকা নেয়। ২ মাসে প্রায় ১ লক্ষ টাকার উপর খরচ হয়েছে শুধু জেইল খানায়।
আমার বর্তমান ঠিকানা দিয়ে পাসপোর্ট নবায়ন আবেদন করলে ঢাকা পশ্চিম বসিলা পাসপোর্ট অফিসে অটোমেটিক জমা দিতে বলে । সেইমত আমি অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে ফাইল জমা দিতে গেলে আমাকে কর্তব্যরত অফিসার জানান আপনার জন্মস্থান যেহেতু নড়াইল আপনাকে নড়াইল পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে হবে। আমি অফিসারকে আমার ঢাকার বাসার পানিবিলের কপি গ্যাস বিলের কপি বিদুৎ (DPDC) এর প্রিপেইড কার্ড ফটো কপি ও অরজিনাল দেখাই এমনকি তাকে আমার মোবাইলে ডিপিডিসি এর সফটওয়ার ও দেখাই কিন্তু তিনি এসকল ডকুমেন্টস আমলে না নিয়ে বলেন যে কাউন্সিলর অফিস থেকে প্রত্যয়ন পত্র দিলে তিনি জমা নিবেন অন্যথায় সম্ভব না । কিন্তু পাসপোর্ট অফিসের দালাল বললো 3000tk দিলে এখনই জমা দিয়ে দিবে কোনো লাইন ও লাগবে না । তাই আমি 3000 tk দিতে বাধ্য হয়ে জমা দেই।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে গিয়েও আমাকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। বিষয়টি এমনভাবে স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে, টাকা না দিলে কাজ হবে না-এমন একটি অঘোষিত নিয়মের মতো মনে হয়। সাধারণ মানুষও বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে দেয় এবং এ নিয়ে কেউ কথা বলে না।
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন আবেদন করলে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়ে যেতে বলে। সব কাগজ নিয়ে গেলে সংশোধিত জন্ম নিবন্ধন প্রিন্ট করে দেয়ার বিমিময়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে বলবে টাকা দিয়ে কাগজ প্রিন্ট করে কিয়ে আসি।
ঘুষ নেওয়া তাদের প্রতিদিনের অভ্যাস. না দিলে ফাইল আটকে রাখে. সাব রেজিস্টার্ড অফিসার নিজে টাকা না নিয়ে অন্য জনের মাধ্যমে টাকা নেওয়া হয়
আমার বাবা জাহাজের তৃতীয় শ্রেনীর একজন জাহাজ মাস্টার, বাবার চাকরি সনদ রিনিউ করে দিবেন বলে নৌপরিবহন ভবনের অভ্যন্তরীন একজন কর্মচারী কাজটি করে দিতে পারবেন বলে জানান। অনলাইনে সকল কিছু সঠিকভাবে সাবমিশনের পরে তার টেবিলে বাবাকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং দাবী করা হয় ১০,০০০/- টাকা দিলে কাজটি হয়ে যাবে নয়ত রিনিউ হবে না এবং বাবা চাকরি করতে পারবেন না। আমার বাবা সেটি পরিশোধ করে এবং তিনি চা নাস্তা দাবি করলে তাকে নিয়ে গিয়ে পাশের এক হোটেল দুপুরের লাঞ্চও করানো হয়। দুঃখজনকভাবে দাবীকৃত অর্থ পরিশোধ করা হলেও, বাবার সনদ রিনিউ করা হয়নি, এবং পরে তিনি আমাদের অস্বীকার করেন। অগত্যা বাবার অর্থও খরচ হয় এবং বাবা পরবর্তীতে আর চাকরিতে ফেরত যেতে পারেননি।