নামজারি
ভুমি অফিসে নামজারি করতে গিয়েছিলাম, সরকারি অফিসে বসে সবার সামনে টাকা চেয়েছিল। ৭ কাটা মাটি খারিজ করতে ১১ হাজার টাকা লাগছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভুমি অফিসে নামজারি করতে গিয়েছিলাম, সরকারি অফিসে বসে সবার সামনে টাকা চেয়েছিল। ৭ কাটা মাটি খারিজ করতে ১১ হাজার টাকা লাগছে।
গণপূর্তের জমিতে বিল্ডিং করার ছাড়পত্র দেয়ার জন্য
এর আগে একবার কাবিননামা উত্তোলন করতে গেলে কাজী সাহেব অনেক টাকা দাবী করে। উনি পরিবর্তন হওয়ার পর নতুন একজন ১২০০ টাকা চাইছে এবং আমি পরিশোধ করেছি।
Load increase and service cable change
বলা হয়েছে যে ২৫০০ টাকা না দিলে ক্যাসিয়াস স্যার ভর্তি করবে না। বাধ্য হয়ে দেওয়া লাগছে।
আমি একদিন স্মার্ট কার্ড নিতে যাই ওই সময় ওই অফিসার আমাকে ৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে আমাকে কার্ড দিবে না । তাই আমি বাধ্য হইয়া টাকা দেই
ঘুস দেয়া ছাড়া এই এজি অফিসে টিএডিএ তুলা অসম্ভব। তাই বাধ্য হয়ে ঘুস দিয়েছি। সময়কাল ২০২৫-২০২৬ অর্থবছর।
আমার চাকরীর কর্মস্থল বদলী হওয়ায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসার জন্য LPC বাবদ ৩০০০টাকা দাবী করা হয়। পরিশোধ না করায় আমার LPC দীর্ঘদিন না পাঠিয়ে আটকে রাখে এবং আমার বেতন পেতে বিলম্ব হয়।পরবর্তীতে সেই টাকা পরিশোধ করে LPC পাঠানো হয়।
টাকা তুলতে গেছি তারপর সেই কর্মকর্তা টাকা চায়
আমি এনটিআরসিএ এর মাধ্যমে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে কলেজে জয়েন করার পর এমপিও করার জন্য ঘুষ ছাড়া কাজ হয়নি। প্রথমে ঘুষ না দেওয়ার কারণে ফাইল রিজেক্ট করে দে, পরে টাকা দিলে ফাইল এপ্রুভ করে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের আগে সরকারি ফি ছিল ৬০০ টাকা, তখনও ভেরিফিকেশনের সময় সর্বনিম্ন ১,০০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হতো। এবার অনলাইনে নির্ধারিত সরকারি ফি হিসেবে ১,৫০০ টাকা পরিশোধ করি। এরপর পুলিশ তথ্য যাচাইয়ের জন্য যোগাযোগ করলে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত হই। কিন্তু ভেরিফিকেশনের সময় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যের কাছে অতিরিক্ত ১,০০০ টাকা দিতে হয়। এই টাকা দেওয়ার পর তিনি জানান, এই টাকার একটি অংশ OC-ও পান। আমার প্রশ্ন খুবই সাধারণ— সরকারি ফি ৬০০ থেকে বাড়িয়ে ১,৫০০ টাকা করার পরও একজন নাগরিককে পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় কেন অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে? এতে সাধারণ জনগণের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি অযথা হয়রানিও হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
বাইকের মূল কাগজপত্র সাথে ছিল না কিন্তু আমি কাগজপত্রের স্ক্যান কপি দেখিয়েছি । সাথে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল। আমি আমার সার্ভিস আইডি এবং পরিচয় প্রদান করি । আমি নৌবাহিনী সদস্য পরিচয় দেওয়ার পরও আমাকে সম্মান দিয়ে আড়াই হাজার টাকা দাবি করে। পরে এক হাজার টাকা দিয়ে পারপাই । সে আমার নামে ২৫ হাজার টাকার মামলা দেওয়ার জন্য সকল কিছু প্রস্তুত করে । এ টাকা দাবি করে। আমি বাধ্য হয়ে এক হাজার টাকা পরিশোধ
আমি এখানে গত ৩ মাসে ১০ বারের বেশি সময় এক্স-রে পরীক্ষা করিয়েছি। প্রতিবার এক্সরে ফিল্ম দেওয়ার নামে বাড়তি ১০০টাকা করে আদায় এক্সরে কক্ষের ভিতরে ডেকে নিয়ে। টাকা না দিলে বলে রিপোর্ট কাল পাবেন।প্রতিটি ব্যক্তির থেকে এই টাকা আদায় করা হয়।এটা এখানে অলিখিত নিয়ম। এছাড়াও ট্রলিতে হাত দিলেই আয়া দের ২০০টাকা দিতে হবে। আউট ডোরে ডাক্তারের সিরিয়ালের জন্য ১০০টাকা করে দিলেই রোগীর আগে পরে করে ডাকবে।
হাতের চিকিৎসার জন্য অপারেশন রুমে মানুষের থেকে বকশিস নামে ঘুশ দাবি।নইলে মানুষকে হয়রানি করা হয়।ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল।সেই সাথে অপারেশন রুমে মানুষকে ভূল চিকিৎসা দিচ্ছে। আমার ছোট ভাই — ভূল চিকিৎসার স্বীকার হয়েছে।
Land office has made mistakes placing different daag numbers that was not in the deeds. And now when we went there to fix the numbers, they have claimed that we need to pay them to fix them.
Dhaka Tax Circle 252. I went there to get my Tax return certificate. The officer on duty demanded BDT 1000 for the certificate. Later I had to pay the amount to get the tax return certificate.
আমার কাছ থেকে ঝালকাঠি পাসপোর্ট অফিসের সিকিউরিটি গার্ড গুস নিছে না হলে পাসপোর্ট হবনা বলে
হেড লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম সেখানে অতিরিক্ত খরচ খরচ ছাড়া লাইসেন্স নিতে অনেক সময় লাগবে তাই বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়েছে
অঞ্চল ৪এ টাকা ছাড়া কোন কিছুই হয় না, হোল্ডিং ট্যাক্স দেবার সময় টকা না দিলে টারা রিসিপ্ট লিখে না
myGov-এর মাধ্যমে বিবাহ সনদ/কাবিননামা সত্যায়নের আবেদন করলে জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট কাজীকে কাবিননামা যাচাইয়ের জন্য মেসেজ পাঠানো হয়। কিন্তু কাজী ইচ্ছাকৃতভাবে ওই মেসেজের কোনো জবাব না দেওয়ায় আমার আবেদনটি বাতিল হয়ে যায়। পরবর্তীতে কাজীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে একই কাবিননামা সত্যায়ন করে দেওয়ার জন্য তিনি ১০,০০০ টাকা দাবি করেন। অথচ বিবাহ নিবন্ধনের সময় নির্ধারিত সকল ফি পরিশোধ করা হয়েছে। কাজী কেন সরকারি যাচাইয়ের মেসেজের জবাব দেননি, সে বিষয়েও কোনো জবাবদিহি করা হয়নি। সরকারি অনলাইন প্রক্রিয়ায় ইচ্ছাকৃতভাবে সাড়া না দিয়ে আবেদন বাতিল করানো এবং পরে একই কাজের জন্য অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা নিঃসন্দেহে দুর্নীতি ও সরকারি সেবা বাধাগ্রস্ত করার শামিল।