ইনক্রিমেন্ট আপডেট করা
ইনক্রিমেন্ট পেয়েছি, সেটা আমার বেতনের সাথে যোগ করার জন্য মিষ্টি খাওয়ার টাকা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ইনক্রিমেন্ট পেয়েছি, সেটা আমার বেতনের সাথে যোগ করার জন্য মিষ্টি খাওয়ার টাকা
সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরও লাইন থেকে ২ বার রিজেক্ট করেছে। তারপর এক দালালকে ফর্ম দেখাই, সে বলল ৪০০০ টাকা লাগবে, তার বেশি থাকবেনা অনেককে দিতে হবে। যাইহোক আমি জব করি, ১ দিলেন ছুটি নিয়ে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি। তারপর দালালকে ৪০০০ টাকা দিলাম। সে আমার ডকুমেন্টস সহ ফির্মের উপর একটা চিণহ দিল এবং বলল এখন গিয়ে লাইনে দারান। কথামতো লাইনে দাঁড়ালাম, ইচ্ছে করেই আগে যে কাউন্টার থেকে রিজেক্ট হিয়েছি সেই কাউন্টারে গেলাম তারপর আমার ফাইল হাতে নিয়ে সাইন দিয়ে দিল। তখন কোথাও ভুল পায়নি অথচ ফাইল আগেরটাই! এভাবে সকল ধাপ পার করলাম। কি রকমের সিন্ডিকেট বুঝতে পারছেন?
গাজীপুর, শ্রীপুর, মাওনায়, প্রতি সপ্তাহে গরু জবাই হয়, আনুমানিক ২০/৩০ টা সব গরু থেকে সিটি কর্পোরেশন এর নামে ঘুষ তোলে গোস্তর মান যাচাইর নামে ১০০০ টাকা করে নেয় কিন্তুু মান যাচাই না করে ১০০০ টাকা দিলে গোস্ত এর মান ঠিক, আমি দেইনি আমি যাদের কাছ থেকে কিনেছিলাম, তখন আমার সামনে নিল, পরে জিজ্ঞেস করলাম কিসের টাকা, গোস্তো বিক্রেতা খুলে বলল, স্থান গাজীপুর, শ্রীপুর, মাওনা বেরাইদেরচালা, প্রতি শুক্রবার এই ঘুষ তোলেন মোটরসাইকেল এ করে, মাঠ পরযায়ে দেখতে পাবেন, যেহুত তিনি কন্টিয়াস ঘুষ নিচ্ছেন, হাতে নাতে ধরতে পারবেন
বিন আবেদন সরকারিভাবে সম্পূর্ণ ফ্রি এবং অনলাইনে হয়। কিন্তু বাস্তবে দালাল বা টাকা ছাড়া হয় না। আমার আবেদনের সবকিছু ঠিক ছিল এবং কোন ভুল ধরতে পারতে ছিল না, শেষে কোন ভুল না পেয়ে লিখেছে অফিসে যোগাযোগ করুন। অফিসে যখন গেছে বসে অমুক কম্পিউটার ফোটার সাথে যোগাযোগ করুন। এগুলো অনলাইনে সম্পূর্ণ ফ্রি এমনি বলে যে কিন্তু এটা করতে গেলে বিভিন্ন স্যারের সাইন এর জন্য নাকি টাকা দিতে হয়।টাকা দিতে হয়, এখন আপনার প্রয়োজন হলে আপনি পড়ান না করলে আমাদের কিছু করার নেই
চায়নাতে বিজনেস সেটআপ এর আশায় আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দরকার ছিল। এই জন্য আমি দামুড়হুদা উপজেলার পুলিশ অফিসে গিয়ে আবেদন করেছিলাম। ওইখানে কর্মরত পুলিশ অফিসার আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করে। পরে বাধ্য হয়ে ওই টাকা হবে পরিশোধ করে দিয়ে আসি। সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার এটা যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নেওয়ার সময় একজন পুলিশ অফিসার আরো ২০০০ টাকা দাবি করে বসে। এরপর তাকে জানাই আমি ৫০০০ টাকা অলরেডি তাদেরকে দিয়েছি। তারপর ১০০০ টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে আসি।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য অনলাইনে আবেদন করার পর সেটা জমা দিতে যাই তাদেরকে বলি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজটা করেন। তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখায় এবং বলে যে রেগুলার পথে যা আছে সেটাই কাজ হবে এত এত সময় লাগবে। তারপরেও তাদেরকে বলার পর বলে যে টাকা তো আমরা একা নিই না বিভিন্ন ধাপে ধাপে বিভিন্ন খাতে দিতে হয় আমরা না হয় ফ্রিতে করে দিলাম কিন্তু অন্যরা ফ্রিতে করে না। সবাইকে দিতে হয় এটা বলে দুই হাজার টাকা নেই অনেক কমিয়ে। এর জন্য নাকি সবাই আরো বেশি দেয়।
ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করার সময় বিজ্ঞাপন সুপারভাইজার (অঞ্চল ৫) ইচ্ছাকৃত ভাবে বানান ভুল করে রাখে। পরবর্তীতে লাইসেন্স নবায়নের সময় উক্ত বানান সংশোধনের সময় আবেদন করলে, বানান সংশোধন বাবদ ১০% শতাংশ সংশোধনী ফী দাবী করা হয়। কিন্তু ঐ সংশোধনী ফী এর অনুকূলে কোনো রিসিপ্ট প্রদান না করে, তা নগদ রাখা হয়। যদিও ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময় লাইসেন্সে কোনো সংশোধনী ফী এর অংক উল্লেখ ছিলো না।
আমরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করি আমার বোন ৭ মাসের অন্তসত্তা। তার স্বামী তাকে মেরে একটা রুমে আটকে রেখে আমাদের ফোন দিয়ে হুমকি দিচ্ছে।এমতাবস্থায় আমরা পুলিশ নিয়ে বোনকে উদ্ধার করতে যাওয়ার আগে থানায় পুলিশ আমাদের কাছে বলে খরচ দিন।তখন বাদ্ধ হয়ে ২ হাজার টাকা দিই।সে বলে এই টাকা তো আমাদের গাড়ির তেলের টাকা ও হবেনা।এরপর আরো ৫০০ টাকা দিই।আমরা গরিব আমাদের ঘেকে যে এ আড়াই হাজার টাকা নেয়া হলো এটা কেন নেয়া হলো সরকারের কাছে আমাদের প্রশ্ন।
এফসি (বিবিধ) এর অডিটর টিএ/ডিএ বিল করার জন্য ১৪% হারে ঘুষ দাবি করে।
কামরাঙ্গীরচর কুড়ারঘাট বিদ্যুৎ অফিসে প্রত্যেকটা নতুন প্রিপেইড মিটার কেনা ও লাগানোর জন্য সর্বনিম্ন ১২ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়, বাধ্য হয়ে তাদের কথামতোই বিল্ডিংয়ের জন্য বিভিন্ন সময়ে ১ টি প্রিপেইড মাদার মিটার এবং ৮ টি প্রিপেইড মিটার কেনা হয়েছে প্রায় ১.৫ লক্ষ+ টাকা দিয়ে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে সরকারি ফি বাদ, এক্সট্রা ৯৭০০ টাকা দালালকে ঘুষ দিতে হয়েছে, যারা ঘুষ দেয় নাই বা কোন দালালের মাধ্যমে ছাড়া গিয়েছে তাদের সবাইকে ফেল দিয়েছে।
আমি বিআরটিএ অফিসে পরীক্ষা দিয়েছি মোটরসাইকেল ড্রাইভিং আমাকে বারবার ফেল করায় আমি যখন দুই হাজার টাকা বেশি দিয়ে ড্রাইভিং পরীক্ষা দিলাম তখন আমাকে পাশ করায় দিল
রাতের বেলা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউতে নতুন ভর্তি রোগীর ইসিজি করা লাগে এবং যে ওয়ার্ড বয়/খালা ইসিজি করে তাকে ১৫০টাকা দিতে হয় প্রতি ইসিজিতে কিন্তু সরকারি দাম ৮০টাকা।এভাবে বিকাল এবং রাতে নেয় শুধু সকালে টেকনিশিয়ান যারা আছে তারা ৮০টাকা নেয়।
আমার দাদার নামের সম্পত্তি, সেগুলো আমার বাবা আর কাকার নামে নামজারি করব । সেজন্য আমাকে ৩৬০০০ টাকা দিতে বাধ্য করে । আমি দিতে রাজি হইনি কিন্তু আমাকে নানা ভয় দেখিয়ে কাজ টাকা দিয়ে করতে বাধ্য করে
জমি খারিজ করার জন্য ৮000 tk নিছে
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম দালাল ছাড়া, হয়নি পরে ১৫০০ টাকা দেওয়ার পর হয়ে গেছে। কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিস, প্রত্যেকের থেকে টাকা নেয়। দয়া করে এগুলো বন্ধ করেন
Police clearance er somoy thank dekechilo.Tokhon boltese Taka poysa diben na kisu!pore 500 taka dite hoyeche
আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধনে জন্ম সালটা ভুল ছিল আমি মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং মেয়ে জন্মের পরে হসপিটাল থেকে যে কপিটাতে সেটাও প্রমাণ করেছি | এরপর তারা ঘুষ চায় তারা বলতে 27 নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস প্রশাসক | তিনি আমার কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে |
দালালের মাধ্যমে পরিশোধ করি
৪ বার ঘুষ ছাড়া চেষ্টা করেছিলাম। কোন কারণ ছাড়াই ফেল করিয়ে দেয়। শেষমেশ বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল।