ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন
আমি একটা ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে দিয়েছি নবায়ন ফি হচ্ছে 4230 টাকা এখন আমার কাছ থেকে পাঁচ টাকা দাবি করতেছে আমি চার হাজার টাকা জমা দিয়েছি এখন আরো ১০০০ টাকার জন্য আমাকে ফোন করতেছে
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি একটা ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে দিয়েছি নবায়ন ফি হচ্ছে 4230 টাকা এখন আমার কাছ থেকে পাঁচ টাকা দাবি করতেছে আমি চার হাজার টাকা জমা দিয়েছি এখন আরো ১০০০ টাকার জন্য আমাকে ফোন করতেছে
প্রত্যয়ন পদ নিতে হলে ১০০ টাকা দেওয়া লাগবে
shorkari bhabe bola hoyeche je practical e kono otirikto tk neoa hobe na, kintu thik e college shikkhok abar board exam e obbhontorin sikhok bolen je mama(khata collect koren jini) tader beton deoa hoy na... tarpor mama ra shobar kas theke tk nen. ami boli je eita bhaddota mulok kina? tarpor uni janan je na dile shomossha nei kintu onnanno college e 180tk/200tk prottek practical exam e ney amra tao to 50 tk nicchi. benefit: so called practical exam e deikha lekhte dey+viva te jigash kore tumar nam ki, gramer bari koi, etc. and onk time e teacher porichito hoile gan gaiteo bole ar oporichito hole tough viva nen.janina na eta ghush kina but amar mone hoise tai bollam.
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, অঞ্চল-৪ এ আমাদের ভবনের ফ্ল্যাটগুলো হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণের সময় ১ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা ঘুস দাবি করা হয়। পরে ৭০ হাজার টাকায় ফয়সালা হয়।
Wanted to file case of 12000 for black glassed car. Finally settled in 2500 TK
জাতীয় পরিচয় পত্রের অনলাইন কপি এক্টিভেট করে দেয়ার জন্য ৭০০ টাকা নিলো। আবেদনের ৬ মাস পেরিয়ে যাবার পর-ও কোনো আপডেট না আসায় বাধ্য হয়ে দিলাম। ২০২২ এ। ওভাবেই আছে, হার্ড কপি (স্মার্ট কার্ড) এখনো পাইনি, কে জানে এটার জন্য কত চেয়ে বসে!
জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নড়াইল হাউজিং এর প্লটের টাকা পরিশোধ করার পরে প্লট রেজিস্ট্রেশন দিতে গড়িমিসি করেন, এবং টাকা না দিলে রেজিস্ট্রেশন দিবে না, বাধ্য হয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি! খুবই কষ্ট পেয়েছিলাম, সরকারি সেবা পাওয়া যে কত কঠিন সেদিন বুঝতে পেরেছি, তাই চেষ্টা করি যত কম যাওয়া যায় সরকারি অফিস গুলোতে ,
সাব রেজিস্ট্রার সাহেব ২০০০০ টাকার বিনিময়ে কাজটি সমাধান করে।বৈধ কাজ তা সত্ত্বেও টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
গত ১৪/০৬/২০২৬ তারিখে জনৈক রুবেল নামে এক ব্যাক্তি বংশাল ডিপিডিসির কর্মচারি পরিচয় দিয়ে প্রিপেইড মিটারে লোড বাড়াতে হবে নতুবা নতুন আবেদন করে এটার সমাধান করতে হবে এভাবে বিভিন্ন মিথ্যা ভয় দেখিয়ে ১৫,০০০/=টাকা ঘুষ নিয়ে যায়। বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ দিয়েও কোনো সুরাহা পাওয়া যায় নাই।
বাইরে পড়তে যাওয়ার সময় পরাষ্ট্রমন্ত্রাণালয় থেকে ই-এপোস্টাইল করতে হয়। কিন্তু কক্সবাজার এর বাসিন্দাদের ই-এপোস্টাইল করতে ডিসির সাইন নিতে হয়। ডিসি সাইন করার আগে যাবতীয় কাগজ পুলিশ দিয়ে ভেরিফাইন্ড করায়। তখন ডিএসবি পুলিশ এই ঘুষ দাবী করে। যেহেতু বাইরে পড়তে যাবার বিষয়। তাই বাধ্য হয়ে প্রদান করি
নামজারির জন্য আবেদন করেছিলাম।
অটোমোবাইল কোম্পানিগুলো কে CKD , Type , Mackers code নিতে হয় । যা বিআরটিএ হেডকোয়ার্টারে হয় । এখানে মটরসাইকেলের সিকেডি-৫০-১০০ টাকা প্রতি চেসিস , টাইপ অনুমোদনের জন্য 2w- 200000, 3W-300000,4W - জানি না , রেজিস্ট্রেশনের জন্য 2W-1500, 3W Dhaka -2000000 , 4W -5000 এবং আমরা পরিশোধ করি ।
আমি নিজে একজন সরকারি চাকরিজীবী। হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত আছি। চাকরির তিন বছর অন্তর অন্তর যে শ্রান্তি বিনোদন দেওয়া হয় সেই বিনোদন ভাতা উত্তোলন করতে গিয়ে অফিসের স্টাফদের ১০০০ টাকা করে ঘুষ দেওয়া লাগছে। আপনারা চাইলে আমি নাম সহ প্রমাণ দিব
প্রতিটি নামজারি করতে আলাদা ভাবে, ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তাকে ২৫০০০টাকা, পিয়নকে ৫০০টাকা, কানুনগো-কে ৩০০০টাকা, সহকারী কমিশনার ভুমি এর জন্য তার সহকারী নিয়েছে ৩০০০টাকা, ডিসিআর কাটতে নাজির সাহেবের জন্য ২০০০টাকা দিতে হয়েছে একটা নামজারি করতে। অথচ আমি ইউনিয়ন ভুমি অফিস থেকে শুরু করে উপজেলা ভুমি অফিস পর্যন্ত রাজস্ব মন্ত্রণালয়ের অধিনে ভুমি ডিজিটালাইজেশন এর জন্য ৩বছর কাজ করেছি, তবুও এসব আমার নিজ হাতে নিজ নামীয় খগিয়ান সৃজন করতে খরচ করেছি।
প্রতি মাসে আমি সহ আরো যারা ভ্যাট রিটার্ন করানোর জন্য কর অফিসে যান, তাদের প্রত্যেককে সেই অফিসের সুপারিনটেনডেন্ট, ভ্যাট ইন্সপেক্টর এবং কম্পিউটার অপারেটর, পিওনকে ঘুষের টাকা প্রদান করতে হয়। আমি ২০২০ সাল থেকে সিদ্ধেশ্বরী সার্কেল অফিসে (কর) প্রতি মাসে একবার করে যাই। কর্মকর্তা-কর্মচারি বদলি হয়ে অন্য কেউ আসে কিন্তু ঘুষের পরিমানটা একই থাকে। নতুন কর্মকর্তাকে দেখে যদি কেউ কম টাকা দেওয়ার চেষ্টা করে তাহলেও তারা বুঝতে পারে, কারণ তার পূর্বে যে ছিল সেই কর্মকর্তা বর্তমান কর্মকর্তার জন্য হয় কোন নোট রেখে যান কিংবা বর্তমান কর্মকর্তা পূর্বের কর্মকর্তাকে ফোন দিয়ে জেনে নেন। আমার আরো অন্য সরকারি অফিসেও যাওয়ার দুর্ভাগ্য হয়েছে, চিত্রটা একই। আল্লাহর কসম আজ পর্যন্ত কোন সরকারি কোন সৎ অফিসার দেখতে পাইনি। আল্লাহ যেন দেখার
আমাকে কুকুরে কামড় দেওয়ার পরে আমি রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে ডাক্তার IG এবং rabies টিকা লিখে দেন টিকাদান রুমে যাওয়ার পরে উনি আমার থেকে সর্ব মোট ১১০০ টাকা দাবি করেন আমি পকেটে পূর্ণ টাকা না থাকায় ৭০০ টাকা দেই নিরুপায় হয়ে।
একটি প্রত্যয়ন নেওয়ার জন্য,সাইন দরকার। কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ এর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা একজন অফিসার আমার কাছ থেকে ২০০০ টাকা নিয়েছে জিপিএফ লোন এর প্রত্যয়ন দেওয়ার জন্য
ভূমির খাজনা দিতে অতিরিক্ত অর্থ চায়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স ৫০০০ ঘুস দিয়ে করেছি।।।ফরিদপুর অফিসের হালকা লাইসেন্স করে দিছে।।।অথচ আমি মোটর সাইকেল চালাতে পারি।। কোন দিন চার চাকা ধরি নাই।।। প্রাক্টিক্যাল পরিক্ষায় এডিসি উপস্থিত ছিল।।।টাকার জোরে লাইসেনস পাশ।।।
দলিল লেখক নিয়েছে, অরিজিনাল রেট লিখেছি বলে, দলিল লেখা বাবদ এবং রেজিস্ট্রেশনের সব কাজ সম্পূর্ণ করে কথা বলে। চেয়েছিল ৭০ হাজার। ১৪/১/২৬...তেজগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিস.... দলিল লেখকের সব বায়োডাটা আছে । এই কাজ শেষ হলে পরবর্তীতে ভূমি অফিসে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে নামজারি করিয়া ছি